খুঁজুন
, ,

২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলো সিটি ব্যাংক

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলো সিটি ব্যাংক

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক সিটি ব্যাংক তাদের ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। গত ৪ নভেম্বর আয়োজিত এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকটি তাদের বিনিয়োগকারী, শেয়ার বাজারের বিশ্লেষক এবং গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে এই প্রতিবেদন উপস্থাপন করে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অংশগ্রহণকারীরা সংযুক্ত ছিলেন, যার ফলে ব্যাংকের বর্তমান আর্থিক অবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, তারা প্রতিবারের মতো এবারও অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও আর্থিক সূচকগুলো অংশীজনদের সামনে তুলে ধরেছে। সাধারণত বছরের নির্দিষ্ট সময় অন্তর ব্যাংকগুলো যে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে, তা বিনিয়োগকারীদের আস্থার জায়গা আরও সুসংহত করতে সহায়তা করে। সিটি ব্যাংকের এই আয়োজনে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যারা প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করেন এবং সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসের সামগ্রিক কার্যক্রমের প্রতিফলন রয়েছে এই প্রতিবেদনে। গত তিন প্রান্তিকের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, ঋণের মান, আমানত সংগ্রহ এবং সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সিটি ব্যাংক কতটা সফল হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখানে উঠে এসেছে। বিশেষ করে বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ব্যাংকিং খাতে যে চ্যালেঞ্জগুলো তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে সিটি ব্যাংক কী ধরনের কৌশল অবলম্বন করছে, সে বিষয়েও সভায় আলোচনা করা হয়েছে।

আর্থিক বিশ্লেষকদের মতে, সিটি ব্যাংক বরাবরই তাদের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সতর্ক এবং রক্ষণশীল নীতি অনুসরণ করে আসছে। এবারের প্রতিবেদনেও তার প্রতিফলন দেখা গেছে। নিয়মিত বিরতিতে এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা তাদের বিনিয়োগের অবস্থান সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাওয়ার সুযোগ পান। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীদের কাছে এই তথ্য পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সিটি ব্যাংক তাদের করপোরেট সুশাসন ও স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত স্থাপনের চেষ্টা করেছে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা ব্যাংকের বিগত নয় মাসের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং আগামী দিনে ব্যাংকিং খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সিটি ব্যাংকের সক্ষমতা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা করেন। ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এবং গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে সিটি ব্যাংক সর্বদা বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার প্রসার ও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অর্থায়নে ব্যাংকটি তাদের বর্তমান অবস্থান ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। আগামী দিনগুলোতেও আর্থিক খাতের উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে সিটি ব্যাংক নতুন নতুন উদ্ভাবনী সেবা ও পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাবে বলে সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

গাজীপুরে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ: শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
   
গাজীপুরে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ: শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

গাজীপুরে এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে আনোয়ার হোসেন খান নামে এক শিক্ষকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুর মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করেন। বিচারক আসামির উপস্থিতিতে এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অপরাধের প্রমাণ পাওয়ায় আদালত এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক আনোয়ার হোসেন খান এক শিশু শিক্ষার্থীর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছিলেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার মামলা দায়ের করলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করে। তদন্ত শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও পারিপার্শ্বিক তথ্যের ভিত্তিতে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়। বিচারক সব পক্ষের শুনানি ও তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই শেষে শিক্ষক আনোয়ার হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

রায় ঘোষণাকালে বিচারক কারাদণ্ডের পাশাপাশি ওই শিক্ষককে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, যদি দণ্ডিত ব্যক্তি এই জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, তবে তার স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও বিক্রি করে সেই অর্থ আদায় করতে হবে। আদায়কৃত সেই অর্থ ভুক্তভোগী শিশুকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদানের জন্য প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায়ের সময় অভিযুক্ত শিক্ষক আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং রায় ঘোষণার পর তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে আদালত এই রায় দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। রায়টি সমাজে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পৌঁছে দেবে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। শিশু শিক্ষার্থীর ওপর এমন জঘন্য ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষোভ ও নিন্দা সৃষ্টি হয়েছিল, যা মামলার প্রতিটি ধাপে বিচারিক প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করেছে। ভুক্তভোগী ও তার পরিবার ন্যায়বিচার পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং আদালতের রায়ে তারা সন্তুষ্টি জানিয়েছেন।

এই রায় ঘোষণার মাধ্যমে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগটি আইনত প্রমাণিত হয়েছে, যা বিচারব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতিফলন ঘটায়। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘৃণ্য অপরাধ দমনে এই রায় একটি নজির হিসেবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। মামলার রায় পাওয়ার পর ভুক্তভোগী পরিবার তাদের ওপর আসা নির্যাতনের বিচার পেয়ে দ্রুতই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় সরকারের ও আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

শরীরে আয়রনের ঘাটতি মেটাতে পালং শাকের বিকল্প হিসেবে কী কী খাবেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
   
শরীরে আয়রনের ঘাটতি মেটাতে পালং শাকের বিকল্প হিসেবে কী কী খাবেন

মানবদেহের সুস্থতায় আয়রন বা লৌহ একটি অপরিহার্য উপাদান। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো থেকে শুরু করে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখা—সবক্ষেত্রেই আয়রনের ভূমিকা অপরিসীম। হিমোগ্লোবিন মূলত রক্তকণিকার সেই অংশ, যা ফুসফুস থেকে সারা শরীরে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। যখন আমাদের শরীরে আয়রনের অভাব দেখা দেয়, তখন রক্তে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি তৈরি হয়, যার ফলে শরীর স্বাভাবিক কাজ করতে পারে না। আয়রনের অভাবে ক্লান্তি, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা এবং সামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠার মতো শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি হয়। অনেকেই জানেন যে পালং শাক আয়রনের একটি চমৎকার উৎস, কিন্তু অনেকেরই হয়তো পালং শাক খেতে ভালো লাগে না কিংবা প্রতিদিন একই খাবার খেয়ে একঘেয়েমি চলে আসে। তবে চিন্তার কিছু নেই, প্রকৃতিতে এমন আরও অনেক পরিচিত খাবার রয়েছে যা নিয়মিত খেলে শরীরে আয়রনের অভাব সহজে মেটানো সম্ভব।

দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় প্রাণিজ এবং উদ্ভিদজাত উভয় উৎস থেকেই আয়রন পাওয়া সম্ভব। প্রাণিজ উৎসের মধ্যে কলিজা বা লিভার আয়রনের অন্যতম সেরা উৎস হিসেবে পরিচিত। যারা নিয়মিত আমিষ খাবার খান, তাদের জন্য এটি আয়রনের চাহিদা মেটানোর একটি কার্যকর মাধ্যম। অন্যদিকে, নিরামিষাশী বা যারা সবজি পছন্দ করেন, তাদের জন্য ডাল বা শিমের বিচি চমৎকার বিকল্প হতে পারে। মসুর ডাল, মুগ ডাল কিংবা যেকোনো ধরনের বিনস বা শিম আয়রনের দারুণ জোগান দেয়। রান্নায় ভ্যারিয়েশন আনতে বিভিন্ন ধরনের বিনস সালাদ, স্যুপ কিংবা সবজির সাথে মিশিয়ে খেলে আয়রনের পাশাপাশি প্রোটিনও পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে।

ফলমূলের মধ্যেও আয়রনের ভালো উৎস রয়েছে। বিশেষ করে শুকনো ফল যেমন কিশমিশ এবং খেজুর রক্তে আয়রনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। বিকেলের নাস্তায় বা সকালের জলখাবারে এক মুঠো কিশমিশ কিংবা কয়েকটি খেজুর খাওয়ার অভ্যাস আয়রনের ঘাটতি পূরণে বড় ভূমিকা রাখে। এছাড়া কুমড়ার বীজ বা পামকিন সিড বর্তমান সময়ে বেশ জনপ্রিয় সুপারফুড হিসেবে পরিচিত। এই ছোট বীজে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান রয়েছে, যা শরীরের আয়রনের চাহিদাও পূরণ করতে সক্ষম। দই কিংবা ওটমিলের সঙ্গে মিশিয়ে কুমড়ার বীজ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী।

সামুদ্রিক মাছ আয়রনের একটি অন্যতম ভাণ্ডার। যারা নিয়মিত মাছ খান, তাদের তালিকায় টুনা বা সার্ডিনের মতো সামুদ্রিক মাছ রাখা যেতে পারে। এগুলো আয়রনের পাশাপাশি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডও সরবরাহ করে, যা হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া ডার্ক চকোলেট আয়রনের একটি সুস্বাদু উৎস হতে পারে। তবে সেটি অবশ্যই অধিক কোকোযুক্ত হতে হবে।

মনে রাখতে হবে যে, উদ্ভিদজাত খাবার থেকে আয়রন শোষণের হার অনেক সময় প্রাণিজ খাবারের তুলনায় কম হতে পারে। আয়রন যাতে শরীর ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারে, সেজন্য খাবারের সাথে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন পুষ্টিবিদরা। যেমন, লেবুর রস বা কমলালেবু আয়রন সমৃদ্ধ খাবারের সাথে খেলে শরীর আয়রন দ্রুত শুষে নিতে পারে। তাই শাক-সবজি বা ডাল খাওয়ার পর সামান্য লেবুর রস চিপে নেওয়া স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ কার্যকর হতে পারে। সব মিলিয়ে, পালং শাকের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল না থেকে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য আনার মাধ্যমে আয়রনের ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব এবং এর ফলে ক্লান্তিহীন কর্মক্ষম জীবনযাপন নিশ্চিত করা যায়।

এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের ভাগ্য নির্ধারণে ডিসেম্বর মাসে বিশেষ পরীক্ষা

আলোকিত সারাদেশ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
   
এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের ভাগ্য নির্ধারণে ডিসেম্বর মাসে বিশেষ পরীক্ষা

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা এক বা দুই বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে পারেনি, তাদের জন্য বিশেষ সুযোগ নিয়ে এসেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের অপচয় রোধ করতে এবং দ্রুত তাদের পরবর্তী উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে নিতে কর্তৃপক্ষ একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য আগামী ২ ডিসেম্বর সম্পূরক পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। একই সাথে, এই পরীক্ষার ফলাফল আগামী ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা আসার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই পরীক্ষার সময়সূচী এবং ফলাফল প্রকাশের রূপরেখা সম্পর্কে অবগত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মূলত যেসব শিক্ষার্থী এক অথবা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, কেবল তারাই এই বিশেষ সম্পূরক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘমেয়াদী সেশনজটের কবলে পড়া থেকে রক্ষা করতে এবং দ্রুত একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এই বিশেষ উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। সময়মতো পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলে বছরের শেষ নাগাদ ফলাফল পাওয়া সম্ভব হবে, যা শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রক্রিয়াসহ অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

মন্ত্রণালয়ের এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ করা। অনেক সময় একটি বা দুটি বিষয়ে খারাপ ফলের কারণে অনেক শিক্ষার্থী তাদের শিক্ষাজীবন থেকে ছিটকে পড়ে বা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। এই সম্পূরক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য কেবল তাত্ত্বিক বা প্রচলিত শিক্ষা ধারাই নয়, বরং কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষার মাধ্যমেও কর্মসংস্থানমুখী হওয়ার পথ প্রশস্ত করা হয়েছে। এই বিকল্প ব্যবস্থাগুলো শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের পেশাগত জীবনে দক্ষতা অর্জনে বিশেষ সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্পূরক পরীক্ষার পাশাপাশি, যারা এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে, তাদের জন্য পরবর্তী সময়ে নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে মূল পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগও বহাল রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, এই বিশেষ পরীক্ষাটি কোনো শিক্ষার্থীর জন্য শেষ সুযোগ নয়, বরং মেধা ও দক্ষতা প্রমাণের একটি বাড়তি পথ। শিক্ষার্থীরা যাতে কোনোভাবেই তাদের শিক্ষাবর্ষ নষ্ট না করে এবং উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোকে এই পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ডিসেম্বরের এই সময়টি শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই পরীক্ষার ফলাফল তাদের উচ্চশিক্ষার পরবর্তী ধাপগুলো নির্ধারণে বড় ভূমিকা পালন করবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সময়োপযোগী ও সহানুভূতিশীল সিদ্ধান্তটি শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন গতির সঞ্চার করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ
গাজীপুরে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ: শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শরীরে আয়রনের ঘাটতি মেটাতে পালং শাকের বিকল্প হিসেবে কী কী খাবেন ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলো সিটি ব্যাংক এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের ভাগ্য নির্ধারণে ডিসেম্বর মাসে বিশেষ পরীক্ষা মাদ্রাসা ছাত্র আরিফ হত্যা মামলা: কারাগারে আটক রাখার আবেদন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, ঘরের মাঠে আজ শুরু হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আমুসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ ইলেকট্রোলাইট পানীয়: উপকারের আশায় পান করছেন কি বাড়তি বিপদ? ব্যাটিংয়ের ছন্দ আর রেকর্ড ভাঙার নেশায় অদম্য বিরাট কোহলি আদালত চত্বরে মেজাজ হারালেন পরীমণি