খুঁজুন
, ,

ভুটানকে পরাজিত করে হামজা চৌধুরীর স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশে নতুন আশার সঞ্চার

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
ভুটানকে পরাজিত করে হামজা চৌধুরীর স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশে নতুন আশার সঞ্চার

ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে আগামী বৃহস্পতিবার রাত আটটায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, যেখানে স্বাগতিক বাংলাদেশ ভুটানের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে। দুই দলের মধ্যে এই মুখোমুখি ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য শিরোপা জয়ের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সোপান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কোচ টমাস ডুলি এবং অধিনায়ক তাপু বর্মণ সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলনে দলের লক্ষ্য ও প্রত্যাশা স্পষ্ট করে জানান। ডুলি বলছেন, “আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে যে আমরা শুধু অংশগ্রহণই নয়, শিরোপা জয়ের জন্যও প্রস্তুত।” তিনি যোগ করেন, “২৩ বছর পর আবার ঘরে শিরোপা জেতার সম্ভাবনা বাস্তব মনে হচ্ছে, তবে তা অর্জনের জন্য কঠোর পরিশ্রম ও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করা প্রয়োজন।”

দলটির অন্যতম উজ্জ্বল তারকা হামজা চৌধুরীও এই ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত। তাপু বর্মণ উল্লেখ করেছেন, “হামজা আমাদের আক্রমণাত্মক পরিকল্পনার মূল স্তম্ভ। তার গতি ও সৃজনশীলতা আমাদের আক্রমণকে নতুন মাত্রা দেবে।” তিনি আরও বলেন, “চাপের মুখে আমরা ভয় পাই না; বরং তা থেকে শক্তি সংগ্রহ করে ম্যাচে সেরা পারফরম্যান্স দেখাবো।”

বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে ২০০৩ সালের পর থেকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা স্পর্শ করা হয়নি। তবে এই বছর ঘরে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে দলটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রবেশ করেছে। ডুলি ও তাপু উভয়েই জোর দিয়ে বলেছেন, “প্রতিটি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আমাদের জয় নিশ্চিত করতে হবে, কারণ শিরোপা জয়ের জন্য ধারাবাহিকতা এবং দৃঢ়তা প্রয়োজন।”

প্রশিক্ষণ শিবিরে দলের প্রস্তুতি কঠোরভাবে চালিয়ে যাওয়া হয়েছে। ডুলি বলছেন, “প্রতিটি খেলোয়াড়কে শারীরিক ও মানসিকভাবে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছাতে হবে। আমরা ট্যাকটিক্যাল দিক থেকে ভুটানের খেলা বিশ্লেষণ করেছি এবং তার দুর্বলতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করেছি।” তাপু বর্মণও যোগ করেন, “দলীয় সমন্বয় এবং সমর্থকদের উত্সাহ আমাদের জন্য বড় প্রেরণা। আমরা ভুটানের প্রতিরক্ষা ভেঙে গোল করার সুযোগ তৈরি করতে চাই।”

ম্যাচের সময়সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশ প্রথমে ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে মুখোমুখি হবে, এরপর রাতের ম্যাচে ভুটানের সঙ্গে লড়াই করবে। এই ধারাবাহিকতা দলকে ধীরে ধীরে টুর্নামেন্টের শীর্ষে পৌঁছানোর সুযোগ দেবে। সমর্থকরা স্টেডিয়ামে বড় সংখ্যায় উপস্থিত হওয়ার আশা করা হচ্ছে, যা খেলোয়াড়দের জন্য অতিরিক্ত উত্সাহের উৎস হবে।

সফলতা অর্জনের জন্য ডুলি ও তাপু উভয়েই দলকে “চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি হাতে রাখতে হবে” এমন দৃঢ় সংকল্প প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, “যদি আমরা আত্মবিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম এবং শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ের মানসিকতা বজায় রাখি, তবে শিরোপা আমাদেরই হবে।” ভুটানের বিরুদ্ধে এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য শুধু একটি গেম নয়, বরং শিরোপা জয়ের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

ইরানি কমান্ডারদের ওপর হামলা হলে শত্রুপক্ষকে চরম মূল্য দেওয়ার হুঁশিয়ারি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
   
ইরানি কমান্ডারদের ওপর হামলা হলে শত্রুপক্ষকে চরম মূল্য দেওয়ার হুঁশিয়ারি

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়েছে। নতুন কোনো সংঘাত শুরু হলে এবং তাতে ইরানের কোনো সামরিক কমান্ডারকে নিশানা করা হলে তার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বা আইআরজিসি। সম্প্রতি আইআরজিসির শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে দেওয়া এই বার্তা আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বৈশ্বিক শক্তির পক্ষ থেকে ইরানকে নিয়ে দেওয়া নানা মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তেহরান এই ধরনের কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে।

আইআরজিসির প্রধান কমান্ডারের উপদেষ্টা মোহাম্মাদ মোকাদ্দামফার প্রকাশ্যে এই হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যদি আবারও ইরানি কমান্ডারদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়, তবে তার পরিণাম ভালো হবে না। সেক্ষেত্রে পালটা আঘাত হিসেবে সরাসরি শত্রুপক্ষের শীর্ষ নেতাদের নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে ইরানের। মূলত বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে ইরানের বিরুদ্ধে দেওয়া সামরিক হুমকি ও আগ্রাসী মনোভাবের জবাব হিসেবেই এই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। ফার্স বার্তা সংস্থার বরাতে জানা গেছে, দেশটির প্রতিরক্ষা নীতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি বরং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় আইআরজিসি আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই সতর্কবার্তা কেবল কথার কথা নয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রনায়ক ইরানকে নিয়ে বিভিন্ন সময় প্ররোচনামূলক মন্তব্য করেছেন। বিশেষ করে পশ্চিমা বিশ্বের নেতাদের পক্ষ থেকে ইরানকে টার্গেট করে সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনের চেষ্টা বারবার দেখা গেছে। কিছুদিন আগেই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর সামরিক হামলা চালানোর সময় নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, যা এই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। ট্রাম্পের সেই দাবি বা মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই ইরানের পক্ষ থেকে এমন কঠোর প্রতিক্রিয়া এল বলে মনে করা হচ্ছে। ইরান বরাবরই তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং নিজেদের কমান্ডারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, আইআরজিসির এই বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি সরাসরি সামরিক ভারসাম্যের লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেয়। আগে ইরান নিজেদের প্রতিরক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তারা আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষার কৌশল গ্রহণ করেছে। ফলে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি বা সামরিক উস্কানি এই পুরো অঞ্চলকে একটি বড় ধরনের যুদ্ধে ঠেলে দিতে পারে। তবে ইরানের তরফ থেকে বলা হয়েছে, তারা কোনো যুদ্ধ চায় না, কিন্তু দেশের সম্মান ও নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন হলে যেকোনো পর্যায়ে গিয়ে তারা তার জবাব দেবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক শক্তির এই দ্বৈরথ নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি করে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়। সামরিক বিশেষজ্ঞ ও ভূ-রাজনীতির কারবারিরা ইরানের এই নতুন ঘোষণাকে একটি কৌশলগত পাল্টা চাল হিসেবেই দেখছেন।

প্রধানমন্ত্রী সফরে খুলনা, খানা‑খন্দে ভরা মহাসড়ক বদলে গেল নতুন রূপে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
   
প্রধানমন্ত্রী সফরে খুলনা, খানা‑খন্দে ভরা মহাসড়ক বদলে গেল নতুন রূপে

আগামীকাল (বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুলনা সফরের প্রস্তুতি চলতে থাকায় খুলনা‑মোংলা মহাসড়কের ওপর ব্যাপক রূপান্তর কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে নগরপরিকল্পনা ও সড়ক বিভাগ একত্রে কাজ করে সড়কের পুরনো খানাখন্দ, ভাঙা সড়ক বিভাজক এবং পুরনো দেয়ালগুলোকে সম্পূর্ণ নতুন রূপে সাজিয়েছে।

খানাখন্দের সমস্যাটি দীর্ঘদিনের অভিযোগের বিষয় ছিল। দিগরাজ থেকে মোংলা পর্যন্ত সড়কের এই অংশে গাঢ় বালি ও গর্তের সমাহার গড়ে উঠেছিল, যা গাড়ি চলাচলকে কঠিন করে তুলেছিল এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়িক গোষ্ঠী বহুবার এই সমস্যার সমাধানের দাবি জানাতো, তবে কার্যকর পদক্ষেপের অভাব ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী সফরের প্রস্তুতি নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়ক বিভাগ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সম্পূর্ণ পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু করে।

নতুন সড়কটি আধুনিক পেভমেন্ট উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে, যা দীর্ঘস্থায়ী এবং বৃষ্টির পরেও পিচ্ছিল না হয়ে থাকে। পাশাপাশি, সড়কের পাশে নতুন সিগন্যাল, রঙিন সড়ক বিভাজক এবং পেডেস্ট্রিয়ান ব্রিজ স্থাপন করা হয়েছে, যা পায়ে হাঁটা পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। সড়কের দু’পাশে নতুন গাছপালা রোপণ করা হয়েছে, যা পরিবেশের শীতলতা বাড়ায় এবং নগরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।

নগর পরিষ্কার‑পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে, সড়কের ধারে থাকা পুরনো ধ্বংসাবশেষ, আবর্জনা এবং অপ্রয়োজনীয় কাঠামো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় পরিষ্কার‑পরিচ্ছন্নতা দলগুলো রাস্তায় নিয়মিত ঝাড়ু পরিষ্কারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে ভ্রমণকারীরা পরিষ্কার পরিবেশে গাড়ি চালাতে পারেন।

খুলনা শহরের মেয়র ও সড়ক বিভাগের প্রধান এই রূপান্তর কাজের প্রশংসা করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সফর আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, এবং এই সুযোগে আমরা শহরের মূল সড়কগুলোকে আধুনিক মানে উন্নত করেছি। নাগরিকদের নিরাপত্তা ও আরাম নিশ্চিত করা আমাদের অগ্রাধিকার।” তিনি আরও যোগ করেন, “এই কাজের মাধ্যমে আমরা শুধু সড়কের গুণগত মানই বাড়াইনি, বরং শহরের সামগ্রিক চেহারাও উন্নত করেছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্পে আরও বিনিয়োগ করা হবে।”

প্রধানমন্ত্রী সফরের সময়, তিনি নিজে সড়কের নতুন রূপ দেখার জন্য একটি সংক্ষিপ্ত সফর করবেন বলে জানানো হয়েছে। সফরের সময় তিনি স্থানীয় ব্যবসায়িক গোষ্ঠী ও সাধারণ নাগরিকের সঙ্গে কথা বলবেন, এবং সড়ক উন্নয়ন ও নগর পরিষ্কারের গুরুত্ব তুলে ধরবেন। এই সফরটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক উপস্থিতি নয়, বরং নগর উন্নয়নের প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতি প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

খুলনা‑মোংলা মহাসড়কের এই রূপান্তর কাজের ফলে গাড়ি চালকদের সময় সাশ্রয় হবে, যাত্রার গতি বাড়বে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়িক গোষ্ঠীও আশাবাদী যে, উন্নত সড়ক নেটওয়ার্কের ফলে পণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সর্বশেষে, সড়ক সংস্কার প্রকল্পের মোট ব্যয় ও সময়সীমা সম্পর্কে সরকার এখনও বিস্তারিত প্রকাশ করেনি, তবে স্থানীয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভবিষ্যতে আরও সড়ক ও নগর উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে খুলনা শহরের অবকাঠামোকে আধুনিক মানে নিয়ে যাওয়া হবে।

ডেমোক্র্যাটিক পার্টি কংগ্রেসের দু’চেম্বার দখল, ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি বড় ধাক্কা পায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ
   
ডেমোক্র্যাটিক পার্টি কংগ্রেসের দু’চেম্বার দখল, ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি বড় ধাক্কা পায়

যুক্তরাষ্ট্রের এই বছরের মিডটার্ম নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি একবারের চেয়ে বড় জয় অর্জন করেছে। ভোটের ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে জানা যায়, ডেমোক্র্যাটরা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং সেনেট উভয়ই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে, যা দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে গভীর পরিবর্তন আনার ইঙ্গিত দেয়। এই জয়টি শুধুমাত্র সংখ্যাত্মক নয়, বরং কংগ্রেসের নীতি নির্ধারণে ডেমোক্র্যাটিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রাধান্য নিশ্চিত করবে।

বিশেষত হাউসের ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি পূর্বের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে ২৪০টি আসন জয় করেছে, যেখানে রিপাবলিকানদের আসন সংখ্যা ১৯৫-এ নেমে এসেছে। সেনেটেও একই রকম প্রবণতা দেখা গেছে; ডেমোক্র্যাটিকরা ৫০টি আসন দখল করে, রিপাবলিকানদের ৫০টি আসন থেকে একটিমাত্র ভ্যাক্যান্সি বাদে। এই ফলাফলটি কংগ্রেসের উভয় চেম্বারে ডেমোক্র্যাটিক নীতি-প্রস্তাবের দ্রুত অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে থাকা রিপাবলিকান পার্টি এই ফলাফলে বড় ধাক্কা পেয়েছে। ট্রাম্পের সমর্থকরা পূর্বে আশা করছিলেন যে মিডটার্মে রিপাবলিকানরা তাদের প্রভাব বজায় রাখতে পারবে, তবে ভোটের পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে দেখায় যে ভোটারদের মনোভাব পরিবর্তিত হয়েছে। বিশেষ করে স্বাধীন ভোটার এবং মাঝারি-ডেমোক্র্যাটিক ভোটারদের সমর্থন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির দিকে সরে গেছে, যা রিপাবলিকানদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, এই ফলাফলটি শুধুমাত্র পার্টি-ভিত্তিক নয়, বরং নীতি-ভিত্তিক বিষয়েও প্রভাব ফেলবে। ডেমোক্র্যাটিক পার্টি স্বাস্থ্যসেবা, জলবায়ু পরিবর্তন, এবং সামাজিক ন্যায়বিচার সংক্রান্ত আইন প্রণয়নে দ্রুত অগ্রসর হতে পারে। অন্যদিকে, রিপাবলিকান পার্টি তাদের ঐতিহ্যবাহী নীতি—কর হ্রাস, সীমিত সরকারী হস্তক্ষেপ—কে পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হতে পারে, যাতে তারা ভবিষ্যৎ নির্বাচনে পুনরায় শক্তি সংগ্রহ করতে পারে।

এই নির্বাচনের পর, ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতৃত্বাধীন কংগ্রেসের প্রথম সেশনের সূচনা আগামী সপ্তাহে নির্ধারিত হয়েছে। নতুন সদস্যদের শপথ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে তারা আইন প্রণয়নের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। একই সময়ে রিপাবলিকান পার্টি তাদের কৌশল পুনর্বিবেচনা করে, পার্টির অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও ভোটার বেস পুনর্গঠন করার চেষ্টা করবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এই পরিবর্তনকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতি ও বৈশ্বিক সম্পর্কের ওপর কী প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে সতর্ক দৃষ্টিতে দেখছেন।

সর্বশেষ
ইরানি কমান্ডারদের ওপর হামলা হলে শত্রুপক্ষকে চরম মূল্য দেওয়ার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী সফরে খুলনা, খানা‑খন্দে ভরা মহাসড়ক বদলে গেল নতুন রূপে ভুটানকে পরাজিত করে হামজা চৌধুরীর স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশে নতুন আশার সঞ্চার ডেমোক্র্যাটিক পার্টি কংগ্রেসের দু’চেম্বার দখল, ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি বড় ধাক্কা পায় যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ইতিহাস গড়লেন সাত মুসলিম আইনপ্রণেতা সুনামগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ৩০ ভূল্লীতে পরীক্ষার ফল নিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া স্কুলছাত্রের আত্ম*হ*ত্যা ডেঙ্গু আক্রান্ত এ বি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ ট্রাইব্যুনালের শুনানির তারিখ পরিবর্তনের আবেদন কোয়ান্টাম জগৎ: মহাবিশ্ব কীসের তৈরি, কণা নাকি তরঙ্গ শ্রমিক বিক্ষোভে সাভার-আশুলিয়ায় রণক্ষেত্র, ওসির গাড়িতে আগুন
Advertisement