খুঁজুন
, ,

হাসি-ঠাট্টার বাইরে শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্কের বাঁধন উদযাপনের দিন

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
হাসি-ঠাট্টার বাইরে শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্কের বাঁধন উদযাপনের দিন

সমাজে শাশুড়িকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অসংখ্য মজার গল্প, রম্য রচনা কিংবা কৌতুকের কোনো শেষ নেই। প্রায়শই শাশুড়িকে অতিরিক্ত উপদেশদাতা কিংবা দাম্পত্য জীবনের অহেতুক টানাপোড়েনের কারণ হিসেবে চিত্রিত করা হয়। জনপ্রিয় সংস্কৃতিতেও এমন ধারার চর্চা দেখা যায় প্রচুর। কিন্তু এই সব হাসি-ঠাট্টার আড়ালে যে একটি গভীর আবেগীয় সম্পর্ক লুকিয়ে থাকে, অনেক সময় তা ঢাকা পড়ে যায়। এই সম্পর্কের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নতুন করে উপলব্ধির আহ্বান নিয়ে প্রতি বছর ২৫ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় শাশুড়ি দিবস।

পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে শাশুড়ি ও পুত্রবধূ কিংবা জামাতার সম্পর্কের সমীকরণটি সব সময় সহজ হয় না। বিভিন্ন মানসিকতা ও প্রজন্মের পার্থক্যের কারণে শুরুতে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে সময়ের সাথে সাথে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা গড়ে উঠলে এই সম্পর্কটিই অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হয়ে ওঠে। শাশুড়ি দিবস আমাদের সেই জায়গাটিতেই আলোকপাত করার সুযোগ করে দেয়। বিশেষ এই দিনটি শুধুই উপহার দেওয়া বা শুভেচ্ছাবিনিময়ের মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি উপলক্ষ যেখানে সম্পর্কের পুরোনো তিক্ততা ভুলে নতুন করে বোঝাপড়া তৈরির পথ প্রশস্ত করা যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পারিবারিক শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে সম্পর্কের গুণগত মান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শাশুড়ি ও পুত্রবধূর মধ্যকার জটিলতা প্রায়ই ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করে, যা পুরো পরিবারের পরিবেশকে প্রভাবিত করে। কিন্তু এই সম্পর্কটি যদি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও সহনশীলতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, তবে তা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য একটি সুন্দর অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়ায়। শাশুড়ি দিবসে তাই শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং শাশুড়ির অভিজ্ঞতাকে মূল্য দেওয়া এবং তাঁর মতামতকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার চর্চা বাড়াতে হবে।

বর্তমান কর্মব্যস্ত ও যান্ত্রিক জীবনে সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও প্রকট হয়ে উঠছে। এমন পরিস্থিতিতে সম্পর্কের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দাবি করে। শাশুড়িকে কেবল বড় হিসেবে গণ্য না করে একজন অভিভাবক ও বন্ধু হিসেবে দেখার মানসিকতা গড়ে তুললে পারিবারিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়। বিশেষ করে শাশুড়ি যখন পুত্রবধূর ক্যারিয়ার বা ব্যক্তিগত স্বপ্ন পূরণে সমর্থন জোগাতে এগিয়ে আসেন, তখন সম্পর্কের চিত্রটি আমূল বদলে যায়। এমন সমর্থন ও সাহচর্যই একটি পরিবারকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তোলে।

শাশুড়ি দিবস উদযাপনের অর্থ এই নয় যে কেবল একটি দিনেই তাঁর খোঁজ নিতে হবে। বরং এই দিনটি আমাদের সেই চিরন্তন সম্পর্কের মূল ভিত্তিটি মনে করিয়ে দেওয়ার একটি মাধ্যম মাত্র। দীর্ঘদিনের জমে থাকা ছোটখাটো মনোমালিন্য ভুলে খোলাখুলি আলোচনার মাধ্যমে সম্পর্কের দূরত্ব কমিয়ে আনাই এই দিবসটির মূল সার্থকতা। একটি সুন্দর পরিবার গঠনের জন্য শাশুড়ি ও পুত্রবধূর মধ্যে যে সেতুবন্ধন প্রয়োজন, তা অর্জিত হয় পারস্পরিক আলাপচারিতা, শ্রদ্ধা ও একে অপরের প্রতি মানবিক আচরণের মাধ্যমে।

পরিশেষে বলা যায়, শাশুড়ি ও পুত্রবধূর সম্পর্কের রসায়নটি কেবল কৌতুকের বিষয়বস্তু হয়ে থাকবে না, যদি আমরা একে অপরের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিই। শাশুড়ি দিবস আমাদের শেখায় যে, হাসি-ঠাট্টার আড়ালে যে সহমর্মিতার জায়গাটি রয়েছে, তাকে সযত্নে লালন করা প্রয়োজন। এই বিশেষ দিনে আমরা যদি পরিবারের প্রতিটি সদস্যের প্রতি আরও যত্নবান হতে পারি, তবেই আমাদের পারিবারিক জীবন হয়ে উঠবে আরও আনন্দময় ও শান্তিময়।

আজ আন্তর্জাতিক শিল্পী দিবস: সৃজনশীলতাকে সম্মান জানানোর দিন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
   
আজ আন্তর্জাতিক শিল্পী দিবস: সৃজনশীলতাকে সম্মান জানানোর দিন

শিল্প মানেই সৃজনশীলতার অনন্য প্রকাশ। মানুষের ভাবনা, অনুভূতি এবং সমাজের বিভিন্ন বাস্তবচিত্রকে শিল্পের ভাষায় ফুটিয়ে তোলেন শিল্পীরা। রং-তুলির আঁচড়, ভাস্কর্যের রূপায়ণ, সংগীতের সুর, সাহিত্যের গভীরতা কিংবা অভিনয়ের জাদুকরী স্পর্শ—সবই আমাদের জীবন ও সংস্কৃতিকে ঋদ্ধ করে। শিল্পীদের এই নিরলস সাধনা ও অবদানের স্বীকৃতি জানাতে প্রতি বছর ২৫ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক শিল্পী দিবস বা ইন্টারন্যাশনাল আর্টিস্ট ডে। আধুনিক জীবনযাত্রার ব্যস্ততার ভিড়ে যাঁরা সৃষ্টিশীলতার মাধ্যমে জগতকে সুন্দর করে তোলেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি বিশেষ দিন হিসেবে দিনটি উদযাপিত হয়।

শিল্প কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। একজন চিত্রশিল্পী যেমন ক্যানভাসে ফুটিয়ে তোলেন সমাজের অসংগতি, তেমনি একজন ভাস্কর পাথরের গায়ে খোদাই করেন ইতিহাসের আখ্যান। সংগীত ও সাহিত্য আমাদের আবেগীয় জগতকে সজীব রাখে। অভিনয়শিল্পীরা অভিনয়ের মধ্য দিয়ে মানুষের জীবনের নানা দিক আমাদের সামনে তুলে ধরেন। এসব শিল্পীর সৃজনশীল অবদানের কারণেই আমাদের সংস্কৃতি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। তাঁদের কাজের মূল্যায়ন, সম্মান প্রদান এবং নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যেই এই দিবসের সূচনা হয়েছিল।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি নানা আয়োজনে পালিত হয়। আর্ট গ্যালারিতে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন, শিল্পীদের সম্মাননা প্রদান, ওয়ার্কশপ এবং সৃজনশীল প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দিনটিকে উদযাপন করা হয়। তবে কেবল প্রদর্শনী বা অনুষ্ঠানের মাঝেই শিল্পীর কাজের মূল্যায়ন সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। শিল্পীদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া এবং শিল্পচর্চার জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা সমাজের নৈতিক দায়িত্ব। বিশেষ করে বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে যেখানে দ্রুত পরিবর্তনের হাওয়া বইছে, সেখানে শিল্পীদের মৌলিক কাজগুলোকে সংরক্ষণ করা এবং নতুন করে মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

একজন শিল্পী যখন কোনো কিছু সৃষ্টি করেন, তখন তিনি কেবল নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন না, বরং তার শিল্পকর্মের মধ্য দিয়ে একটি সময় বা কালকে ধারণ করেন। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে সেই সময় বা ভাবনার পরিচয় পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম হলো শিল্প। আন্তর্জাতিক শিল্পী দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, শিল্পের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম এবং শিল্পীরাই আমাদের মানবিক বোধকে জাগ্রত রাখেন। আজ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পী সমাজ নিজেরা নিজেদের কাজের সাফল্য উদযাপনের পাশাপাশি একে অপরের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পান। অনেক শিল্পী আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের শিল্পকর্ম প্রদর্শন করে মানুষের কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছেন, যা শিল্পচর্চার পরিধিকে আরও বিস্তৃত করেছে।

আমাদের সমাজে যারা পর্দার আড়ালে থেকে নিরলসভাবে সৃজনশীল কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নিয়মিত আর্ট ক্যাম্প, মেলা বা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হলে নবীন শিল্পীরা যেমন অনুপ্রাণিত হবেন, তেমনি সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশ ঘটবে। শিল্পচর্চা কেবল ব্যক্তিগত আনন্দ নয়, এটি জাতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা বা অনুষ্ঠানে শিল্পের যথাযথ চর্চা ও শিল্পীদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাওয়া উচিত। সবশেষে, আন্তর্জাতিক শিল্পী দিবস কেবল একটি তারিখ নয়, বরং এটি মানবসভ্যতার সৃজনশীলতাকে উদযাপন করার এবং শিল্পীদের প্রতি সম্মান জানানোর একটি দিন।

নোয়াখালীতে চায়ের দোকানে বৃদ্ধকে গুলি, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
   
নোয়াখালীতে চায়ের দোকানে বৃদ্ধকে গুলি, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তদের গুলিতে জামাল উদ্দিন নামের ৬০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার রাতে উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের ঘোষকামতা গ্রামের বটতলী এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জামাল উদ্দিনের শরীরের বাম পায়ের বিভিন্ন অংশে গুলি লেগেছে, তবে তিনি এখন আশঙ্কামুক্ত।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে জামাল উদ্দিন ঘোষকামতা গ্রামের বটতলী এলাকার একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। ওই সময় কালো পোশাক পরা এবং হেলমেট পরিহিত দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে সেখানে এসে পৌঁছায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মোটরসাইকেলে থাকা ব্যক্তিরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলির শব্দে চারপাশ কেঁপে ওঠে এবং উপস্থিত লোকজন দ্রুত সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এরপর হামলাকারীরা দ্রুত মোটরসাইকেল চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা জামাল উদ্দিনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। দ্রুত তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তার পায়ে গুলির আঘাত শনাক্ত করেন এবং দ্রুত অস্ত্রোপচারসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা শুরু করেন। বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও চাঞ্চল্যকর ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কেন বা কী কারণে এই বৃদ্ধকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হলো, তা নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন চলছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন যে এলাকায় এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি, তাই বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন। তারা হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আশপাশের লোকজনের সাথে কথা বলে এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীদের পরিচয় শনাক্ত করতে এবং তাদের গ্রেফতার করতে অভিযান চালানো হচ্ছে। হেলমেট পরিহিত হওয়ায় প্রাথমিকভাবে হামলাকারীদের শনাক্ত করা কিছুটা কঠিন হচ্ছে, তবে সম্ভাব্য সব দিক মাথায় রেখে তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। এই হামলার পেছনের উদ্দেশ্য নিছক কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো গভীর কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। স্থানীয়দের নিরাপত্তা জোরদার করতে ওই এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

যুব ওয়ানডেতে বিতর্কিত ১১ ওভারের বোলিং, আফগান বোর্ডের কাছে বিসিবির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
   
যুব ওয়ানডেতে বিতর্কিত ১১ ওভারের বোলিং, আফগান বোর্ডের কাছে বিসিবির অভিযোগ

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মধ্যকার সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে আফগান বোলারের অতিরিক্ত এক ওভার বল করার ঘটনায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে বিসিবি। নিয়ম বহির্ভূত এই ঘটনার পাশাপাশি আম্পায়ারিং নিয়েও অসন্তোষ জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

যুব ওয়ানডে ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, একজন বোলার ম্যাচে সর্বোচ্চ দশ ওভার বল করতে পারেন। কিন্তু এই সাধারণ নিয়মটিই লঙ্ঘিত হয়েছে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মধ্যকার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে। অভিযোগ উঠেছে, এই ম্যাচে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের একজন বোলার দশ ওভারের পরিবর্তে মোট এগারো ওভার বল করেছেন। মাঠে ঘটে যাওয়া এই অনভিপ্রেত ঘটনাটির প্রেক্ষিতে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

সাম্প্রতিক এই সিরিজে মাঠের পারফরম্যান্স ছাপিয়ে এখন মাঠের বাইরের নিয়মকানুনের বিষয়টি বড় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচ চলাকালীন আফগানিস্তানের ওই বোলার নির্ধারিত কোটার চেয়ে এক ওভার বেশি বল করলেও তা মাঠের দায়িত্বে থাকা আম্পায়ারদের নজরে পড়েনি অথবা তারা সেটি এড়িয়ে গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্রিকেটীয় আইন অনুযায়ী, কোটা পূর্ণ হওয়ার পর কোনো বোলারের বল করার সুযোগ নেই। নিয়ম ভঙ্গের এই বিষয়টি ম্যাচ শেষে বিসিবির নজরে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

সূত্র মারফত জানা গেছে, ম্যাচ পরিচালনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ দলের পক্ষ থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। কেবল অতিরিক্ত এক ওভার বল করানোই নয়, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মুহূর্তে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতেই আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) কাছে লিখিত আকারে অভিযোগ জানিয়েছে বিসিবি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, যুব পর্যায়ের আন্তর্জাতিক ম্যাচে এই ধরণের কারিগরি ভুল এবং আম্পায়ারিং বিতর্ক ক্রিকেটের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করে।

ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই পুরো ঘটনাটি ক্রিকেটাঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণত আম্পায়ার এবং স্কোরারদের সমন্বিত দায়িত্ব থাকে বোলারের কোটা ঠিক রাখা। সে ক্ষেত্রে এই ভুলের দায়ভার ম্যাচ অফিশিয়ালদের ওপরও বর্তায় বলে মনে করছেন ক্রিকেট বোদ্ধারা। বিসিবি তাদের অভিযোগে এই ধরণের ভুল যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে, সেদিকেও নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সিরিজের এই ম্যাচটি কেবল একটি হারের বা জয়ের বিষয় নয়, বরং মাঠের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিয়মের সঠিক প্রয়োগের বিষয়টিও এখানে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসিবিকে দেওয়া বিসিবির চিঠিতে ঘটনার বিশদ বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। এখন আফগান ক্রিকেট বোর্ড এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে, সেটিই দেখার বিষয়।

উল্লেখ্য, অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে সাধারণত ক্রিকেটারদের নিয়মকানুন এবং ডিসিপ্লিন সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া হয়। সেখানে আন্তর্জাতিক ম্যাচে এমন নিয়ম ভাঙার ঘটনা বেশ বিব্রতকর। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, তারা ক্রিকেটের মানদণ্ড বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর এবং প্রয়োজনে বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতেও তারা পিছপা হবে না। আপাতত আফগান বোর্ডের উত্তরের অপেক্ষায় আছে বিসিবি।

সর্বশেষ
আজ আন্তর্জাতিক শিল্পী দিবস: সৃজনশীলতাকে সম্মান জানানোর দিন নোয়াখালীতে চায়ের দোকানে বৃদ্ধকে গুলি, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুব ওয়ানডেতে বিতর্কিত ১১ ওভারের বোলিং, আফগান বোর্ডের কাছে বিসিবির অভিযোগ ঋতুস্রাবের কঠিন সময়ে বিজয়ের যত্ন ও পাশে থাকা নিয়ে মুখ খুললেন রাশমিকা হাসি-ঠাট্টার বাইরে শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্কের বাঁধন উদযাপনের দিন ইরানের ওপর যে কোনো সময় সামরিক হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি দুবাইয়ের চুরির টাকার ভাগ নেওয়ার অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার অন্য ব্যাংকের ঋণ ব্র্যাক ব্যাংকে স্থানান্তরের বিশেষ সুযোগ, থাকছে ৯ শতাংশ সুদের হার এমআরইউ মিডিয়া ডে’তে ডিসি ও সিটি প্রশাসকের বার্তা: বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও গণতন্ত্রে দায়িত্বশীলতা জরুরি
Advertisement