খুঁজুন
সোমবার, ১৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোনা জলের কষ্টের জীবন

মাইনুল ইসলাম রাজু,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
নোনা জলের কষ্টের জীবন
‘ঝড় বইন্যায়ও গাঙ্গে যাই দুইডা ভাত খাওনের লইগ্যা 
মাছ না পাইলে মাইয়াডা লইয়া উপাস থাহি’
‘মোর অইছে কষ্টের জীবন, ঝড় বইন্যা মানে না দুইডা ভাত খাওনের লইগ্যা গাঙ্গে যাই। মাছ না পাইলে মাইয়াডা লইয়া উপাস থাহি।’
চোখের পানি মুছতে মুছতে কথাগুলো বলছিলেন আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের জেলে পল্লীর একমাত্র নারী জেলে স্বামী পরিত্যাক্তা মীম আক্তার (২৪)। পেশায় জেলে হলেও এখনো পাননি জেলে কার্ড। তিনি স্বীকৃতি চান এই পেশার।
জানা গেছে, আমতলী উপজেলার গুশিলাশাখালীর জেলে পল্লীর বাসিন্দা মীম আক্তার। বাবা জলিল মোল্লাও ছিলেন জেলে। মীমের জন্মের ৩ মাসের মাথায় বাবা জলিল মোল্লা দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর মা নামজা বেগম অন্যত্র বিয়ে করে সংসারী হন। তিন ভাই বোনের মধ্যে মীম মেঝ। বড় ভাই জাকির হোসেন সংসারের হাল ধরলেও তা বেশী দিন স্থায়ী হয়নি।
বর্তমানে লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশয়ী। ২০১৮ সালে মিমের বিয়ে হয় কুকুয়া ইউনিয়নের আমড়া গাছিয়া গ্রামের রুবেল হাওলাদারের সাথে। বিয়ের ১ বছরের মাথায় জন্ম হয় মেয়ে ইয়ানুরের (৫)। সন্তান জন্মের ৩ মাসের মাথায় স্বামী জাকির নিরুদ্দেশ হন। সে পালিয়ে গিয়ে অন্যত্র বিয়ে করেন। ৩মাস বয়সী সন্তান নিয়ে কি করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না মীম। তার চেখের সামনে যেন শুধুই অন্ধকার। বাবার পেশা অনুসরন করে জীবন বাঁচাতে তিনি নেমে পরেন জেলে পেশায়। ধার দেনা করে ৫হাজার টাকায় ছোট্ট একটি নৌকা আর সামান্য জাল কিনে মাছ ধরতে নেমে পরেন পায়রার নোনা পানিতে। ঝঞ্জা বিক্ষুদ্ধ পায়রার বুকে নারী জেলে হয়ে টিকে থাকাই ছিল মীমের জীবনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
বাঁচতে হলে লড়তে হবে এই প্রতিজ্ঞা নিয়ে মীম জেলে জীবন শুরু করেন। ৫টি বছর অতিক্রম করেছেন এই পেশায়। ঝড় বন্যা উপেক্ষা করে রাক্ষুসে পায়রায় মাছ ধরতে নেমে নৌকা ডুবির ঘটনাও ঘটেছে অনেকবার, তার পরও হাল ছাড়েনি মীম। মীম পায়রায় পোয়া, পাঙ্গাস, তপসীসহ নানা প্রজাতির মাছ ধরেন। যখন নদীতে মাছ থাকে না তখন বালুর চরে চেউয়া (দরগি) মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। যখন নদীতে মাছ পাওয়া যায় না তখন ৫ বছরের মেয়েকে নিয়ে উপোস কাটাতে হয় মীমের। মাছ ধরার সময় দিনের বেলায় মেয়ে তার সঙ্গী হয়। রাতের বেলা মেয়েকে ঘরে একা রেখে নদীতে যান মীম।
গুলিশাখালী জেলে পল্লীর জেলে দুলাল জানান, মীম আক্তার একজন অসহায় স্বামী পরিত্যাক্তা নারী নিরুপায় হয়ে মাইয়াডারে লইয়া গাঙ্গে মাছ ধইর‍্যা খায়। অর মতো দুখি মানুষ মোগো এই পাড়ায় আর নাই।
জেলে পল্লীর ষাটোর্ধ গৃহবধূ দিলু বেগম বলেন, ছোড একটা মাইয়া লইয়া মীম ব্যামালা কষ্ট হরে। রাইতে গাঙ্গে মাছ ধরতে গ্যালে মাইয়াডারে একলা ঘরে রাইখ্যা যায়। খাইয়া না খাইয়া অরা দিন কাডায়। খালে মাছ পাইলে খাইতে পারে না পাইলে মানসেরডেগোনে চাই চিন্তায় খায়। অর লইগ্যা সরকারের কিছু একটা করা উচিত।
মীম আক্তার আমতলী উপজেলার এক মাত্র নারী জেলে হলেও এখনো জেলের তালিকায় তার কোন নাম নেই। তাই এই পেশায় তিনি সরকারী কোন সুযোগ সুবিধাও পান না। জেলে তালিকায় নাম লেখানোর জন্য মীম মেম্বার চেয়ারম্যান এবং মৎস্য অফিসে অনেকবার ধরনা দিয়েও তার ভাগ্যে জোটেনি জেলেকার্ড।
সোমবার সকাল ১১ টা। পায়রা নদীর গুলিশাখালীর জেলে পল্লী সরেজমিন ঘুরে দেখা দেখা গেছে, কিনারে বাধা ছোট নৌকা তাতে অল্প কিছু জাল, জাল ধরার ছোট ছোট কিছু লাঠি, জাল ভাসানোর শোলা ছোট্ট নৌকায় মেয়ে ইয়ানুরকে বসিয়ে গুন গুনিয়ে গান ধরে নৌকায় খোচা দিয়ে চলছেন মাঝ নদীতে জাল ফেলতে। মাছ ধরে বিকেল ৪টার সময় ঘাটে ফিরে আসে মীমের নৌকা। সারা দিন শীতের রোদে নৌকায় কাটাতে গিয়ে মা মেয়ের মুখ শুকিয়ে যেন পোড়া কাঠের মত দেখাচ্ছে। কি মাছ পেয়েছেন জানতে চাইলে মলিন মুখে উত্তর মীমের, স্যার তেমন কিছু পাইনি। দুইডা পোয়া চাইডা তপসী। এই মাছের দাম কত হবে উত্তর ৫০-৬০ টাকা।
এ দিয়ে তোমার দিন চলবে? উত্তর আসে না। তাহলে খাবে কি? ডান থেকে বাম দিকে মুখ ঘুরিয়ে বললেন যা হয় তাই খাবো। যে দিন মাছ পাই না হেই দিনতো মাইয়া লইয়া না খাইয়া থাহি। কি আর করমু। পোড়া কপালে আল্লায় যা ল্যাখছে তাই অবে। কথা গুলো বলার সময় তার চোখ ভিজে নোনা জল গাল গড়িয়ে নদীর নোনা জলের সাথে মিশে যাচ্ছে। এ অবস্থায় আমি তার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকার পর সম্বিত ফিরে পেয়ে জানতে চাইলাম। যখন ঝড় বইন্যা থাকে তখন কিভাবে মাছ ধরতে যান। ঘাড় ঘুরিয়ে বলেন,দ্যাহেন স্যার প্যাডে দেওই বইন্যা মানে না মাইয়াডার মুহে দুইডা ভাত তুইল্যা দেওনের লইগ্যা গাঙ্গে যাই। বাপ গ্যাছে, মা গ্যাছে, স্বামী হেও মোরে হালাইয়া থুইয়া গ্যাছে। এহন মুই এই মাইয়াডার লইগ্যা বাইছ্যা আছি।
মীম জানায়, মুই নারী জাইল্যা অইয়াও এহন পর্যন্ত কোন জাইল্যা কার্ড পাইনাই। জাইল্যা কার্ড না পাওয়ায় মুই সরকারী কোন সুযোগ সুবিধা পাই না। যহন খালে মাছ ধরা বন্ধ থাহে তহন হক্কোল জাইল্যারা চাউল পায় আবার অনেকে জাল নৌকা গরু পায় মোর কার্ড না থাহায় মুই কিছুই পাই না। জাইল্যা খাতায় মোর নাম লেহানের লইগ্যা মেম্বার চেয়ারম্যান হোগলডির আতে পায় ধরছি কেউ মোর নামডা খাতায় লেহে নাই। মুই আর কিছু চাই না আমি খালি আমার নামডা জাইল্যা খাতায় উডাইতে চাই। সরকারের কাছে মোর এইডাই দাবী।
গুলিশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, মীম আক্তারের নাম জেলে তালিকায় উঠানোর জন্য সকল ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
আমতলী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তন্ময় কুমার দাস বলেন, আমি এখানে নতুন যোগদান করেছি। কি কারনে মীম আক্তারের নাম জেলে তালিকায় নেই বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে আমরা খুব দ্রুত নতুন করে জেলে নিবন্ধনের কাজ শুরু করবো তখন মীমের বিষয়টি দেখা হবে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্ম আশরাফুল আলম বলেন, মীম একজন নারী জেলে হয়েও কেন জেলে তালিকায় তার নাম নেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। এবং সে আবেদন করলে তার বিষয়টি গুরত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে।

চাঁদপুর ভূঁইয়ার ঘাট ডিঙ্গি মাঝি সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী, চাঁদপুর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
   
চাঁদপুর ভূঁইয়ার ঘাট ডিঙ্গি মাঝি সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন
চাঁদপুর ভূঁইয়ার ঘাট ডিঙ্গি মাঝি সমবায় সমিতি রেজি নং ৮৪০/চাঁদ ০৭ এর আগামী ৩ বছরের জন্য ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের বড় স্টেশন ভূঁইয়াঘাট নিজস্ব কার্যালয়ে কমিটি গঠন এর পূর্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতি করেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রধানীয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নিজাম মিজির পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সমিতির উপদেষ্টা সোলেমান প্রদানীয়া, মঞ্জিল হক খান, তফিল দেওয়ান, রহিম মিজি, সাবেক প্রচার সম্পাদক আলী হোসেন ও উপদেষ্টা মনির প্রধানীয়া।

আলোচনা সভা শেষে সমিতির সকল মাঝিদের সর্বো সম্মতিক্রমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রধানীয়া, সহ সভাপতি জয়দল প্রদানীয়া, সাধারণ সম্পাদক, নিজাম মিজি, যুগ্ম সম্পাদক শেকুল মোল্লা, কোষাধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন প্রদানীয়া ও প্রচার সম্পাদক বাসার দেওয়ান।

চাঁদপুরে সোনালী ব্যাংকের সিবিএ নেতা আবদুস সামাদ মিয়ার ইন্তেকাল—সহকর্মীদের মাঝে গভীর শোক

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী, চাঁদপুর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
   
চাঁদপুরে সোনালী ব্যাংকের সিবিএ নেতা আবদুস সামাদ মিয়ার ইন্তেকাল—সহকর্মীদের মাঝে গভীর শোক
সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়ীজ এসোসিয়েশন (সিবিএ) এর চাঁদপুর জেলা কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ আবদুস সামাদ মিয়া (৫১) আর নেই। তিনি হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, সোমবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তার মৃত্যু সংবাদে পুরো সোনালী ব্যাংক পরিবারসহ চাঁদপুরের সর্বস্তরের ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মোঃ আবদুস সামাদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সোনালী ব্যাংক সিবিএ’র বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন এবং সহকর্মীদের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি সততা, নিষ্ঠা ও মানবিক গুণাবলির জন্য সহকর্মীদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ছিলেন। কর্মক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা এবং সংগঠনী কাজে আন্তরিকতার কারণে তিনি সহকর্মী ও পরিচিত মহলে ছিলেন জনপ্রিয়।

তার মৃত্যুতে সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়ীজ এসোসিয়েশন (সিবিএ) চাঁদপুর জেলা কমিটির সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান খান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

তারা বলেন, “মোঃ আবদুস সামাদ মিয়া ছিলেন সংগঠনের এক নিবেদিত প্রাণ। তার মতো একজন সৎ, পরিশ্রমী এবং অঙ্গীকারবদ্ধ নেতার মৃত্যু আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”

এদিকে, সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও মরহুমের পরিবারকে সমবেদনা জানাচ্ছেন। সবাই মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন।

চট্টগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

ইফতি হোসেন ,চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
চট্টগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় চট্টগ্রামে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে হযরত সুলতানুল আরেফিন বায়েজিদ বোস্তামী (রহ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। তারা বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশের শান্তি-উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন—

  • শিল্পী আবুল হাশেম আজাদ, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম) ও সভাপতি, জিসাস চট্টগ্রাম মহানগর

  • মোঃ নুন নবী, সিনিয়র সহ-সভাপতি, জিসাস চট্টগ্রাম মহানগর

  • মোঃ শাহ আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক, তাঁতীদল চট্টগ্রাম মহানগর

  • ফয়সাল মাহমুদ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল

  • মোর্শেদ আলম, সদস্য সচিব, বায়েজিদ থানা তাঁতীদল

  • তারেক সিদ্দিকী মুন্না, সাবেক সদস্য, বায়েজিদ থানা স্বেচ্ছাসেবক দল

  • মোঃ ওসমান গনি, নেতা, বায়েজিদ থানা যুবদল

  • তোফাজ্জল হোসেন সিদ্দিকী, নেতা, থানা শ্রমিকদল

  • গোলাম রাব্বানী ও আমিনুল ইসলাম মামুন

  • মোঃ ইফতি হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক, মহানগর জিসাস

  • মোহাম্মদ বুলবুল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর জিসাস

এছাড়া মহানগর ও বিভিন্ন থানা ইউনিট থেকে আরও নেতাকর্মী, সমর্থক এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষও মিলাদ ও দোয়ায় অংশগ্রহণ করেন।

মাহফিল শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।