খুঁজুন
, ,

পোষা গোখরাকে খাবার দিতে গিয়ে কামড়ের শিকার কাঠমিস্ত্রি, ভর্তি হাসপাতালে

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
পোষা গোখরাকে খাবার দিতে গিয়ে কামড়ের শিকার কাঠমিস্ত্রি, ভর্তি হাসপাতালে

শখ করে তিন মাস আগে উদ্ধার করা বিষাক্ত গোখরা সাপ পুষছিলেন এক কাঠমিস্ত্রি। সেই সাপকে খাবার দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত দংশনের শিকার হয়েছেন তিনি। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই ব্যক্তি।

শখ এবং সাহসের মিশেলে বিষাক্ত সাপ পোষার ঘটনা নতুন নয়, তবে অনেক ক্ষেত্রেই এমন শখ ডেকে আনে মারাত্মক বিপদ। এমনই এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সাক্ষী হলো স্থানীয় বাসিন্দারা, যেখানে পোষা গোখরা সাপের কামড়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এক কাঠমিস্ত্রি। আহত ওই ব্যক্তির নাম ইকবাল হোসেন, যার বয়স ৪৫ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পেশাগত কাজের পাশাপাশি শখের বশে বাড়িতে সাপ পুষছিলেন। বর্তমানে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার ওপর নজর রাখছেন।

জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল প্রায় তিন মাস আগে। সে সময় ইকবাল হোসেন মাছ ধরার জালে আটকে থাকা অবস্থায় একটি বিষাক্ত গোখরা সাপ দেখতে পান। সেই সাপটিকে উদ্ধার করে তিনি বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং পরম যত্নে তা লালন-পালন শুরু করেন। লোকালয়ের কাছাকাছি এমন বিষাক্ত সরীসৃপ পুষতে থাকায় পরিবার ও প্রতিবেশীদের মনে একধরনের ভীতি থাকলেও ইকবাল তার শখের বিষয়ে ছিলেন অবিচল। তিনি সাপটিকে একটি নির্দিষ্ট বাক্সে আটকে রেখে নিয়মিত খাবার সরবরাহ করতেন। তবে দুর্ভাগ্যবশত সেই নিয়মিত রুটিন মেনেই বিপত্তিটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পারিবারিক সূত্র জানায়, ঘটনার দিন ইকবাল হোসেন যখন বরাবরের মতোই তার পোষা সাপটিকে খাবার দেওয়ার জন্য বাক্সের ডালা খোলেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই সাপটি ফণা তুলে আক্রমণ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সাপটি তার হাতে দংশন করে। বিষাক্ত সাপের কামড়ে তাৎক্ষণিকভাবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে এবং পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সাপের আক্রমণ এতটাই আকস্মিক ছিল যে ইকবাল নিজেকে সামলে নেওয়ার সুযোগ পাননি। পরিবারের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোগীকে বিষধর সাপের কামড়ের শিকার হিসেবেই চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। সাপের বিষ শরীরে ছড়িয়ে পড়ার কারণে তার অবস্থা বেশ সংকটাপন্ন। চিকিৎসকরা সার্বক্ষণিকভাবে তার শারীরিক অবস্থার পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় অ্যান্টি-ভেনম প্রয়োগসহ যাবতীয় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। ঘটনার পর থেকে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। বন্যপ্রাণী ও সরীসৃপ বিশেষজ্ঞরাও এমন ঘটনার প্রেক্ষিতে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে লোকালয়ে বিষাক্ত প্রাণী পোষার ক্ষেত্রে যথাযথ আইনি অনুমতি এবং নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার অভাব যে কত বড় ঝুঁকি হতে পারে, এই ঘটনা তার একটি বড় উদাহরণ।

পেশায় কাঠমিস্ত্রি ইকবালের এই অকাল দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। বন বিভাগের পক্ষ থেকেও এই ঘটনার পর সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন অনুমতি ছাড়া বা যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া কেউ বন্যপ্রাণী নিজ হেফাজতে না রাখেন। ইকবালের সুস্থতা কামনা করছেন তার স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তবে সাপের কামড়ের শিকার এই ব্যক্তি কত দ্রুত পুরোপুরি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না চিকিৎসকরা। বর্তমানে পুরো বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে সচেতনতামূলক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে শখের বশে বিপজ্জনক প্রাণীদের পোষার পরিণাম নিয়ে সবাই নতুন করে ভাবছেন।

ভারতের নতুন ‘লাল তারকা’ নেহা বোরা কি মোদীর জন্য আসল হুমকি?

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
   
ভারতের নতুন ‘লাল তারকা’ নেহা বোরা কি মোদীর জন্য আসল হুমকি?

২৯ বছর বয়সী নেহা বোরা ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে এসে ভারতের তরুণদের সরকারবিরোধী আন্দোলনে নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় এসেছেন। তবে তাঁকে নরেন্দ্র মোদীর জন্য বড় রাজনৈতিক হুমকি বলা যায় কি না, তা বোঝার মতো সাংগঠনিক শক্তি ও জনসমর্থনের তথ্য এখনো স্পষ্ট নয়।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারের বিরুদ্ধে তরুণদের আন্দোলনে নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় এসেছেন ২৯ বছর বয়সী নেহা বোরা। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই তরুণীর উপস্থিতি ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে—তিনি কি কেবল আন্দোলনের পরিচিত মুখ, নাকি মোদী সরকারের জন্য বাস্তব রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারেন? এখন পর্যন্ত সামনে থাকা তথ্য তাঁকে তরুণদের প্রতিবাদের সঙ্গে যুক্ত একজন নতুন কণ্ঠ হিসেবে চিহ্নিত করে। তবে এই পরিচয় থেকেই তাঁর রাজনৈতিক প্রভাবের পরিসর বা ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিশ্চিত করা যায় না।

কোনো আন্দোলনে নতুন মুখের আবির্ভাব তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে তরুণদের অংশগ্রহণের সঙ্গে যুক্ত কোনো ব্যক্তি যদি জনআলোচনায় আসেন, তাহলে আন্দোলনের বার্তা আরও দৃশ্যমান হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। নেহা বোরার ক্ষেত্রেও ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসার বিষয়টি তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। কিন্তু পরিচিতি পাওয়া, আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া এবং বৃহত্তর নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করা—এগুলো এক বিষয় নয়। তাঁর ক্ষেত্রে কোন পর্যায়ের ভূমিকা তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ছাড়া সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কঠিন।

আলোচনায় তাঁকে ‘লাল তারকা’ বলা হচ্ছে। এই বর্ণনা তাঁর নতুন করে নজরে আসার ইঙ্গিত দেয়, তবে উপাধি বা আলোচনার মাত্রা নিজে থেকে রাজনৈতিক শক্তির মাপকাঠি নয়। কোনো ব্যক্তির প্রভাব বিচার করতে হলে জানতে হয়, তিনি কত মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছেন, আন্দোলনের কর্মসূচি ও বক্তব্যে তাঁর ভূমিকা কতটা, এবং তাঁর পাশে কী ধরনের সংগঠন বা সমর্থকগোষ্ঠী রয়েছে। এসব বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া ‘তারকা’ পরিচয়কে বড় রাজনৈতিক উত্থানের প্রমাণ হিসেবে ধরা যাবে না।

একইভাবে মোদী সরকারের জন্য ‘আসল হুমকি’ কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরও নির্ভর করে একাধিক বিষয়ের ওপর। সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া মানেই সরকার পরিবর্তনের মতো রাজনৈতিক শক্তি তৈরি হওয়া নয়। প্রতিবাদ জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে, রাজনৈতিক বিতর্কে নতুন বিষয় আনতে পারে এবং তরুণদের অসন্তোষ প্রকাশের ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে। কিন্তু সেই প্রভাব কতটা স্থায়ী, কতটা বিস্তৃত এবং ভোটের রাজনীতিতে তার প্রতিফলন আছে কি না—এসব যাচাইয়ের জন্য নির্ভরযোগ্য ও পরিমাপযোগ্য তথ্য প্রয়োজন।

এ মুহূর্তে জানা তথ্য থেকে নেহা বোরার বয়স, ছাত্ররাজনীতির পটভূমি এবং তরুণদের সরকারবিরোধী আন্দোলনে নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় আসার বিষয়টি সামনে আসে। তবে আন্দোলনের সুনির্দিষ্ট দাবি, তার কর্মপরিধি, কোথায় বা কীভাবে তা সংগঠিত হচ্ছে, কিংবা বোরার নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ নেই। তাঁর রাজনৈতিক দলীয় পরিচয়, ভবিষ্যৎ নির্বাচনী পরিকল্পনা বা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক কর্মসূচির কথাও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। ফলে এসব বিষয়ে অনুমান করে তাঁকে কোনো বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখানো ঠিক হবে না।

ছাত্ররাজনীতি থেকে জাতীয় পর্যায়ের আলোচনায় উঠে আসা অনেকের জন্যই পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতার পরীক্ষা একসঙ্গে আসে। আন্দোলনের ভেতরে বক্তব্য রাখা বা প্রতিবাদের মুখ হওয়া এক ধরনের ভূমিকা; দীর্ঘমেয়াদে জনসমর্থন ধরে রাখা আরেক ধরনের কাজ। নেহা বোরা এই দ্বিতীয় পর্যায়ে পৌঁছেছেন কি না, তা নির্ধারণের মতো তথ্য এখনো নেই। তাঁর প্রতি আগ্রহ কত দিন স্থায়ী হয়, আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কীভাবে গড়ে ওঠে এবং তিনি নিজের রাজনৈতিক অবস্থান কতটা স্পষ্ট করেন—এসবই ভবিষ্যতে তাঁর গুরুত্ব বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।

তরুণদের আন্দোলনের রাজনৈতিক তাৎপর্যও কেবল একজন ব্যক্তির জনপ্রিয়তা দিয়ে মাপা যায় না। অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা, দাবির বিস্তার, সংগঠনের স্থায়িত্ব, জনসাধারণের সাড়া এবং বিদ্যমান রাজনৈতিক কাঠামোর সঙ্গে আন্দোলনের সম্পর্ক—সবকিছু মিলিয়ে তার প্রভাব তৈরি হয়। নেহা বোরার নাম সামনে আসা আন্দোলনটির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে, কিন্তু সেই মনোযোগ কতটা বিস্তৃত জনসমর্থনে রূপ নিচ্ছে, তা আলাদা করে যাচাই করতে হবে। এই পার্থক্য না করলে আলোচনার উত্তাপকে বাস্তব রাজনৈতিক শক্তি বলে ভুল হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

তাই এই পর্যায়ে নেহা বোরাকে মোদীর জন্য নিশ্চিত বা তাৎক্ষণিক হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করার ভিত্তি পাওয়া যায় না। আবার তরুণদের আন্দোলনে তাঁর উপস্থিতিকে একেবারে গুরুত্বহীন বলারও কারণ নেই। ছাত্ররাজনীতির অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন মুখ হিসেবে তাঁর আলোচনায় আসা রাজনৈতিকভাবে লক্ষণীয়, তবে সেই উপস্থিতি কতটা গভীর প্রভাব ফেলবে, তা এখনো খোলা প্রশ্ন। তাঁর ভূমিকা, আন্দোলনের বিস্তার এবং জনসমর্থনের প্রকৃতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য সামনে এলে মূল্যায়নও নির্দিষ্ট করা সম্ভব হবে। আপাতত তাঁকে ভারতের তরুণদের সরকারবিরোধী আন্দোলনে আলোচনায় আসা নতুন মুখ বলাই সবচেয়ে সংযত ও তথ্যসমর্থিত বর্ণনা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসুর উদ্যোগে গবেষণাধর্মী প্রবন্ধসমগ্রের প্রকাশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
   
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসুর উদ্যোগে গবেষণাধর্মী প্রবন্ধসমগ্রের প্রকাশ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশে সেমিনারে উপস্থাপিত প্রবন্ধ নিয়ে বিশেষ গ্রন্থ প্রকাশ করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক ভাবনার প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা চাকসুর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক ভাবনা ও মননশীল কাজের সমন্বয়ে একটি ব্যতিক্রমী সংকলন প্রকাশ করা হয়েছে। ‘প্রবন্ধসমগ্র’ শিরোনামের এই নতুন গ্রন্থটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সেমিনার ও একাডেমিক কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের উপস্থাপিত সেরা গবেষণাপত্রগুলোর নির্যাস নিয়ে সাজানো হয়েছে। এই প্রকাশনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞান ও গবেষণালব্ধ তথ্যগুলোকে বৃহত্তর পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়ার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রবন্ধসমগ্রের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা উল্লেখ করেন, উচ্চশিক্ষার মূল লক্ষ্য কেবল শ্রেণিকক্ষে পাঠদান সীমাবদ্ধ রাখা নয়, বরং নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা। চাকসু আয়োজিত এই প্রকাশনা সেই লক্ষ্য পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়মিতভাবে গবেষণাধর্মী সেমিনারে অংশগ্রহণ করতে হয়, যেখানে তারা নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশ্লেষণমূলক উপস্থাপন করে থাকেন। এসব প্রবন্ধের মধ্য থেকে নির্বাচিত বিষয়বস্তু সংকলিত করে এই গ্রন্থে স্থান দেওয়া হয়েছে, যা কেবল বর্তমান শিক্ষার্থীদের নয়, ভবিষ্যৎ গবেষকদের জন্যও রেফারেন্স হিসেবে কাজ করতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও জানান, একটি সমৃদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য সহশিক্ষা কার্যক্রম ও গবেষণার সংস্কৃতি অপরিহার্য। চাকসুর পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল মেধা বিকাশে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এই প্রবন্ধসমগ্র প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গ্রন্থটিতে সমাজবিজ্ঞান, মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসা প্রশাসন অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মৌলিক চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে জনসমক্ষে তুলে ধরার পাশাপাশি গঠনমূলক সমালোচনার মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পাবে।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণার মানসিকতা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, কোনো দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের নেপথ্যে থাকে তরুণ প্রজন্মের গবেষণা ও উদ্ভাবন। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিয়মিত এমন প্রকাশনা ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার পরিবেশ বজায় থাকলে শিক্ষার্থীরা একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্বমানের গবেষণায় নিজেদের দক্ষ করে তুলতে পারবে। এই প্রবন্ধসমগ্র প্রকাশের মূল উদ্দেশ্যই হলো তরুণ লেখকদের উদ্বুদ্ধ করা এবং তাদের মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা।

সামগ্রিকভাবে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের এই উদ্যোগ ক্যাম্পাসে এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, এমন প্রকাশনা নিয়মিত চালু থাকলে গবেষণার প্রতি তাদের আগ্রহ বাড়বে এবং আগামীতে আরও মানসম্মত কাজ বেরিয়ে আসবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনে চাকসুর এই প্রয়াস সামনের দিনগুলোতে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে আশা করছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীদের গণসংযোগ

আলোকিত সারাদেশ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
   
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীদের গণসংযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: আসন্ন ঠাকুরগাঁও সদর-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিনের পক্ষে গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীরা। 

বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও শহরের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও জনবহুল এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পথচারীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট চান তাঁরা। নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবসায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শহরের বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

গণসংযোগকালে ব্যবসায়ীরা স্লোগান দেন, “ব্যবসায়ী ব্যবসায়ী ভাই ভাই, আমাদের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নাই—ধানের শীষে ভোট চাই।” এ স্লোগানের মাধ্যমে তাঁরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে আসন্ন উপনির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে জনসমর্থন গড়ে তুলতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন।

গণসংযোগে অংশ নেওয়া সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীরা জানান, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। তাঁরা মনে করেন, ব্যবসায়ীদের ন্যায্য দাবি ও প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় সামনে রেখে তাঁরা বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিনের পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন।

তাঁরা আরও জানান, আসন্ন উপনির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ ভোটারদের কাছে প্রার্থীর পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে এ গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত তাঁরা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

গণসংযোগের মাধ্যমে সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে তাঁদের সমর্থন তুলে ধরেন। শহরের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পথচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে তাঁরা নির্বাচনী প্রচারণা চালান।

ঠাকুরগাঁও সদর-১ আসনের উপনির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে নির্বাচনী আলোচনা ও প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীদের এ গণসংযোগ নির্বাচনী মাঠে নতুন করে প্রচারণার মাত্রা যোগ করেছে।

সর্বশেষ
ভারতের নতুন ‘লাল তারকা’ নেহা বোরা কি মোদীর জন্য আসল হুমকি? পোষা গোখরাকে খাবার দিতে গিয়ে কামড়ের শিকার কাঠমিস্ত্রি, ভর্তি হাসপাতালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসুর উদ্যোগে গবেষণাধর্মী প্রবন্ধসমগ্রের প্রকাশ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীদের গণসংযোগ বরিশালে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে ‘মাদকবিরোধী অভিযান’, মারধরের অভিযোগ সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগে ফেঁসে গেলেন অফ স্পিনার আলিস আল ইসলাম দিল্লিতে নতুন করে বিক্ষোভের ডাক: ‘পিপল এগেইনস্ট এসআইআর’-এর কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা চীনে আন্তর্জাতিক কোল্ড চেইন এক্সপোতে নেতৃত্বে ঠাকুরগাঁওয়ের রবিন উপনির্বাচন ঘিরে ভূল্লীতে বিসিডিএসের ঔষধ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মসজিদে নয়, পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় বক্তব্য দিয়েছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী
Advertisement