খুঁজুন
, ,

নগরকান্দায় গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজ ছাত্র সন্জয় কর্মকারের মৃত্যু

মিজানুর রহমানঃ নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজ ছাত্র সন্জয় কর্মকারের মৃত্যু

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার  ডাঙ্গী ইউনিয়নের যদুরদিয়া গ্রামের সঞ্জয় কর্মকার (২২) নামের কলেজ ছাত্রের  গলায় ফাঁস দিয়ে মৃত্যুর খবর পাওয়াগেছে। নিহতের পরিবার জানান  বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাত অনুমান ১০ ঘটিকায় সঞ্জয় কর্মকার রুমের দরজা বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়ে। পরিবারের লোকজন রাতে খাওয়ার জন্য ডাকাডাকি করলে কোন সাড়াশব্দ করেনি।

ঘুমিয়ে আছে ভেবে ডাকাডাকি না করে পরিবারের সকলেই ঘুমিয়ে পড়ে।পরের দিন সকাল ১১ ঘটিকায় ঘুম থেকে না উঠলে পুনরায় ডাকাডাকি করে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে  দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করলে ঘরের কাঠের আড়ার সাথে তার মায়ের শাড়ী কাপড় গলায় পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে ।পরিবারের লোকজন  মৃত অবস্থায় নিচে নামায়।  সঞ্জয় কর্মকার(২২), যদুরদিয়া গ্রামের মৃত মন্টুর কর্মকারের ছেলে সে ভাঙ্গা সরকারি কে,এম কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। নগরকান্দা থানার এসআই মোঃ আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন সঞ্চয় কর্মকার নামের কলেজ শিক্ষার্থী ঘরের আড়ার সাথে শাড়ি কাপর পেচিয়ে মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই।

পরিবারের কাছ থেকে জানতে পারি মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় সে গলায় ফাঁস দিয়ে মৃত্যু বরন করেছে। সুরত হাল শেষে কোন অভিযোগ না থাকায় পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেভাবে (২ নভেম্বর ২০২৬)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেভাবে (২ নভেম্বর ২০২৬)

আজ ২ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার। বরাবরের মতোই ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের জন্য টেলিভিশনের পর্দায় থাকছে জমজমাট সব খেলার লড়াই। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের বড় আসর জাতীয় ক্রিকেট লিগ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক হকি ও ইউরোপীয় ফুটবলের রুদ্ধশ্বাস মুহূর্তগুলো উপভোগ করার সুযোগ থাকছে আজ। খেলার মাঠের উত্তেজনার সাথে যুক্ত হতে দর্শকদের জন্য নিচে আজকের খেলার সম্প্রচার সূচি বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর জাতীয় ক্রিকেট লিগের পঞ্চম রাউন্ডের ম্যাচগুলো নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে। আজ লিগের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ লড়াই মাঠে গড়িয়েছে। এর মধ্যে সিলেট ও চট্টগ্রামের মধ্যকার ম্যাচ, ময়মনসিংহ ও খুলনার লড়াই, ঢাকা ও বরিশাল মুখোমুখি এবং রংপুর ও রাজশাহীর মধ্যকার ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল নয়টা ৩০ মিনিট থেকে এই ম্যাচগুলোর সরাসরি সম্প্রচার দেখা যাচ্ছে বিসিবি ইউটিউব চ্যানেলে। ঘরোয়া ক্রিকেটের তরুণ ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের লড়াই দেখার জন্য ক্রিকেটপ্রেমীরা ইউটিউব প্ল্যাটফর্মে চোখ রাখতে পারেন।

হকিপ্রেমীদের জন্য আজকের দিনটি বেশ ঘটনাবহুল। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকিতে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ হিসেবে তারা পেয়েছে শক্তিশালী চীনকে। দুই দলের লড়াইটি শুরু হবে বেলা তিনটায়। এই ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে স্টার স্পোর্টস ২ চ্যানেল। একই চ্যানেলে এরপর অনুষ্ঠিত হবে আরও দুটি ম্যাচ। বিকেল পাঁচটা ১৫ মিনিটে জাপান মুখোমুখি হবে মালয়েশিয়ার। এছাড়া সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার হাই ভোল্টেজ ম্যাচটি। হকির ভক্তরা স্টার স্পোর্টস ২ চ্যানেলের মাধ্যমেই এই ম্যাচগুলোর লাইভ আপডেট উপভোগ করতে পারবেন।

ফুটবল বিশ্বের দিকে তাকালে দেখা যায় আজ রাতে ইউরোপীয় লিগ ফুটবলের উত্তেজনা। প্রিমিয়ার লিগে নিউক্যাসল ইউনাইটেড এবং এভারটন একে অপরের মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে রাত দুইটায়, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১ চ্যানেলের পর্দায়। অন্যদিকে, স্প্যানিশ লা লিগার ম্যাচে আজ মাঠে নামছে দেপোর্তিভো ও ওসাসুনা। হাই ভোল্টেজ এই ম্যাচটি সরাসরি উপভোগ করা যাবে রাত দুইটায় টি স্পোর্টস চ্যানেলের মাধ্যমে। ফুটবল ভক্তরা নিজেদের প্রিয় দলের লড়াই দেখার জন্য গভীর রাত পর্যন্ত টিভির পর্দায় চোখ রাখতে পারেন।

এছাড়া ভোর ৬টার দিকে গ্লোবাল টোয়েন্টি টুয়েন্টি ক্রিকেটের সেমিফাইনাল ম্যাচটি টি স্পোর্টসে সম্প্রচার হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। যারা আন্তর্জাতিক ঘরোয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ অনুসরণ করেন, তাদের জন্য এটি একটি বাড়তি আকর্ষণ হতে পারে। আজকের এই প্রতিটি ম্যাচই ক্রীড়ামোদী দর্শকদের জন্য আনন্দদায়ক হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। খেলার সূচি বা চ্যানেলের তালিকায় কোনো পরিবর্তন হলে তা সংশ্লিষ্ট চ্যানেল কর্তৃপক্ষ বা আয়োজকদের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জেনে নেওয়ার পরামর্শ রইল। সবমিলিয়ে ক্রিকেট, হকি ও ফুটবলে ঠাসা আজকের দিনটি ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য বেশ উপভোগ্য হতে যাচ্ছে।

সন্ধ্যা নামলেই ছাতিমের সুবাস কেন ছড়ায় বাতাসে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
সন্ধ্যা নামলেই ছাতিমের সুবাস কেন ছড়ায় বাতাসে

শরৎ ও হেমন্তের সন্ধায় যখন প্রকৃতিতে হালকা হিমেল হাওয়া বইতে শুরু করে, তখন পথ চলতে চলতে হঠাৎ করেই নাকে আসে এক ভারী ও মিষ্টি গন্ধ। রাস্তার মোড়ে কিংবা বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে থাকা ছাতিম গাছ থেকে ভেসে আসা এই সুবাস যেন জানান দেয় ঋতু পরিবর্তনের বার্তা। গাছটিকে প্রকৃতিপ্রেমীরা অনেকেই সপ্তপর্ণী নামে চেনে, যার বৈজ্ঞানিক নাম অ্যালস্টোনিয়া স্কলারিস। ছাতিম গাছ সাধারণত বেশ উঁচু হয় এবং এর ডালপালার বিন্যাস অনেকটা ছাতার শিকের মতো চারদিকে ছড়িয়ে থাকে। এর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, একটি গিঁটে সাধারণত সাতটি পাতা থাকে, যা থেকেই মূলত সপ্তপর্ণী নামের উৎপত্তি হয়েছে। তবে এর ফুলগুলো কিন্তু খুবই সাদামাটা, আকারে ছোট এবং হালকা সবুজাভ-সাদা রঙের হয়ে থাকে। এত ছোট ফুল থেকে কীভাবে এত তীব্র ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে, তা নিয়ে অনেকের মনেই কৌতূহল কাজ করে।

বিজ্ঞানীদের মতে, ছাতিমের এই তীব্র গন্ধের উৎস হলো ফুলের পাপড়ির ওপরের স্তরের কোষে উৎপন্ন বিশেষ কিছু রাসায়নিক যৌগ। এই যৌগগুলো অত্যন্ত হালকা প্রকৃতির হওয়ায় খুব সহজেই বাষ্পীভূত হয়ে বাতাসে মিশে যেতে পারে। বিজ্ঞানের ভাষায় এদের উদ্বায়ী যৌগ বলা হয়। আমরা যখন এই গন্ধ পাই, তখন আসলে বাতাসে ভেসে থাকা এই বাষ্পীয় কণাগুলোই আমাদের ঘ্রাণেন্দ্রিয়কে উদ্দীপ্ত করে। তবে ছাতিমের গন্ধ নিয়ে মানুষের অভিজ্ঞতার ভিন্নতা রয়েছে। অনেকের কাছে এই সুবাস নেশা ধরানো বা মোহনীয়, আবার কারো কারো কাছে তা কিছুটা মাথা ধরানোও মনে হতে পারে। তবে এই তীব্রতাকে উপেক্ষা করা যে কঠিন, সে বিষয়ে অধিকাংশ মানুষই একমত পোষণ করেন।

ফুল থেকে বের হওয়া এই বিশেষ গন্ধের পেছনে একাধিক যৌগের সংমিশ্রণ কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণত ফুলের সুগন্ধে টারপিনয়েড নামক এক শ্রেণির যৌগ থাকে, যা অনেকটা ল্যাভেন্ডার বা লেবুর ঘ্রাণের মতো। এছাড়া বেনজেনয়েড নামক আরেকটি শ্রেণির যৌগের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা গেছে, যা গাছ তার অভ্যন্তরে থাকা ফিনাইলঅ্যালানিন নামক অ্যামিনো অ্যাসিড থেকে তৈরি করে থাকে। তবে কোনো নির্দিষ্ট একটি যৌগই যে ছাতিমের গন্ধের জন্য দায়ী, তা বলা সম্ভব নয়। বরং এটি কয়েক ডজন বিভিন্ন যৌগের সুনির্দিষ্ট ও জটিল এক অনুপাতের মিশ্রণ। রান্নায় যেমন বিভিন্ন মশলার সঠিক অনুপাতে স্বাদের পরিবর্তন ঘটে, ঠিক তেমনই ছাতিমের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন রাসায়নিকের ভারসাম্যই এর অনন্য ঘ্রাণ তৈরি করে। এই রাসায়নিক সংমিশ্রণটি নমুনা বা পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে, যার ফলে সব ক্ষেত্রে এর গন্ধ পুরোপুরি একই রকম অনুভূত না-ও হতে পারে। মূলত পরিবেশের সাথে উদ্ভিদের এই বিবর্তন ও জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াই প্রকৃতিতে ছাতিমের সুবাস ছড়িয়ে দেয়।

বেলে মাছের বালির নিচে লুকিয়ে থাকার রহস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
বেলে মাছের বালির নিচে লুকিয়ে থাকার রহস্য

প্রকৃতির বৈচিত্র্যময় বিশাল জগতের প্রতিটি প্রাণীর বেঁচে থাকার রয়েছে নিজস্ব কিছু কৌশল। সমুদ্রের তলদেশে কিংবা নদীর মোহনায় বসবাসকারী বেলে মাছের জীবনযাপন পদ্ধতি বরাবরই প্রকৃতিপ্রেমী ও গবেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এসেছে। পানির নিচে বালু কিংবা কাদার ভেতরে এদের লুকিয়ে থাকার দক্ষতা যেকোনো মানুষকে অবাক করতে বাধ্য। মূলত আত্মরক্ষা এবং শিকার ধরার সুবিধার্থে বেলে মাছ এমন অভিনব পদ্ধতির আশ্রয় নিয়ে থাকে। অনেকে হয়তো লক্ষ্য করেছেন, বালির ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় হঠাৎই কোনো এক বিশেষ স্থান থেকে বেলে মাছের আবির্ভাব ঘটে। এর পেছনে লুকিয়ে আছে প্রকৃতির বিবর্তন আর বিবর্তনের ধারায় অর্জিত এই বিশেষ ক্ষমতা।

বেলে মাছের শরীর এমনভাবে গঠিত যে, তারা সহজেই চারপাশের পরিবেশের সাথে নিজেদের গায়ের রং মিলিয়ে ফেলতে পারে। একে জীববিজ্ঞানের ভাষায় ছদ্মবেশ বা ক্যামোফ্লেজ বলা হয়। বালু এবং কাদার ধূসর বা বাদামি রঙের সাথে এদের শরীরের রঙের মিল এতই নিখুঁত যে, ওপর থেকে এদের আলাদা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনেক সময় শিকারি প্রাণীদের নজর থেকে বাঁচতে তারা বালির একদম ভেতরে গা ঢেকে রাখে। আবার কখনো কখনো খুব ধীরস্থিরভাবে বালির স্তরে এমনভাবে মিশে থাকে যে মনে হয় তারা মাটিরই অংশ। এই ছদ্মবেশ তাদের শত্রুর আক্রমণ থেকে যেমন রক্ষা করে, তেমনি শিকার করার সময় বাড়তি সুবিধা দেয়। যখন কোনো ছোট মাছ বা অণুজীব তাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় অসতর্ক হয়, ঠিক তখনই অতর্কিতে আক্রমণ চালিয়ে শিকার ধরে ফেলে বেলে মাছ।

প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় প্রতিটি প্রাণীর ভূমিকা থাকে অপরিসীম। হাঙর বা শাপলাপাতার মতো বড় সামুদ্রিক প্রাণীদের মতোই বেলে মাছের এই লুকিয়ে থাকার দক্ষতা আমাদের বাস্তুসংস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি কেবল তাদের টিকে থাকার সংগ্রাম নয়, বরং পানির নিচের পরিবেশের এক অনবদ্য অংশ। নদী বা সাগরের মোহনায় যখন জোয়ার-ভাটা চলে, তখন এই বালুর নিচে লুকিয়ে থাকা মাছগুলো নিজেদের শরীরের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বজায় রাখতেও সক্ষম হয়। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যটি তাদের বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যেও বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। তাদের এই কৌশল দেখে বোঝা যায়, টিকে থাকার জন্য প্রতিটি প্রাণী কতটা সুচিন্তিত পরিকল্পনা নিয়ে প্রকৃতিতে বিচরণ করে।

আমরা যখন সমুদ্র সৈকতে কিংবা নদীর পাড়ে ঘুরতে যাই, তখন প্রকৃতির অনেক কিছুই আমাদের চোখের আড়ালে থেকে যায়। বেলে মাছের বালির নিচে লুকিয়ে থাকার এই গল্পটি মনে করিয়ে দেয় যে, পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণের পেছনেই রয়েছে টিকে থাকার অদম্য ইচ্ছা এবং বিচিত্র সব কৌশল। প্রকৃতি নিজের রহস্যে ভরপুর এবং সেই রহস্যের ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে আছে জীবনবোধের এক একটি পাঠ। বেলে মাছ তাই কেবল একটি সাধারণ জলজ প্রাণী নয়, বরং বিবর্তনের এক দারুণ উদাহরণ হিসেবে আমাদের সামনে উপস্থিত হয়। তাদের এই শান্ত জীবন ও ধীর স্থির আচরণের ভেতরেই নিহিত আছে প্রকৃতির বিশাল জ্ঞানভাণ্ডার।

সর্বশেষ
আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেভাবে (২ নভেম্বর ২০২৬) সন্ধ্যা নামলেই ছাতিমের সুবাস কেন ছড়ায় বাতাসে বেলে মাছের বালির নিচে লুকিয়ে থাকার রহস্য মস্কোর পার্কে হামলার ছক, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কিশোর আটক ২ নভেম্বর, ২০২৬: টিভিতে আজকের খেলার সূচি লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত শিক্ষক সাধন চক্রবর্তীর পাশে দাঁড়ানোর আকুল আবেদন হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ, দায়ী মাইন অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পাঠের বিধান কী সাংবাদিক আলিফ হত্যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য: পিস্তল হাতে মূল পরিকল্পনাকারী তাজুল রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে যুদ্ধবিরতি শেষ, পরিস্থিতি উদ্বেগজনক
Advertisement