খুঁজুন
, ,

রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় প্রাণ হারালেন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৫ পূর্বাহ্ণ
রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় প্রাণ হারালেন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি

রাজধানীর রামপুরা এলাকায় মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন শহীদুল্লাহ নামের এক ব্যক্তি। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় এলাকায় বেপরোয়া গতিতে চলা দুটি বাসের পাল্লাপাল্লির সময় চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহত শহীদুল্লাহ পেশায় ছিলেন একজন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি। অকাল এই মৃত্যুতে তার পরিবারের সদস্যদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার দিনটি ছিল অনেকের জন্যই স্বাভাবিক এক কর্মব্যস্ত দিন, কিন্তু শহীদুল্লাহর পরিবারের জন্য তা বয়ে নিয়ে এল এক অপূরণীয় ক্ষতি।

পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, শহীদুল্লাহ সম্প্রতি দেশের বাইরে ভ্রমণে গিয়েছিলেন। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তিনি দেশে ফেরেন। বিদেশ থেকে ফেরার আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হলো না তার। বাড়ি ফেরার পথে আকস্মিক এই দুর্ঘটনায় তাকে পৃথিবী ছেড়ে বিদায় নিতে হলো। নিহত শহীদুল্লাহর ছোট ভাই জুয়েল রানা জানান, তার বড় ভাই গত শনিবার চীন ভ্রমণে গিয়েছিলেন। সফরের পর বৃহস্পতিবার যখন তিনি দেশে ফিরলেন, তখন পরিবারের সবাই তাকে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু বাড়ি ফেরার আগেই সেই নির্মম দুর্ঘটনা তার প্রাণ কেড়ে নেয়।

রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকাগুলোর মধ্যে রামপুরা অন্যতম। প্রায়শই এখানে বাসচালকদের বেপরোয়া মনোভাবের কারণে দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়। এদিনও ঠিক তেমনটিই ঘটেছে। যাত্রীবাহী দুটি বাস একে অপরকে অতিক্রম করার জন্য পাল্লাপাল্লি করছিল। রাস্তার মাঝখানে চলন্ত দুটি বাসের মধ্যবর্তী সংকীর্ণ স্থানে আটকা পড়ে শহীদুল্লাহ। বাসের চালকরা ট্রাফিক আইন ও গতির তোয়াক্কা না করে যেভাবে প্রতিযোগিতা করছিলেন, তাতে পথচারীদের জীবনের ঝুঁকি ছিল চরম পর্যায়ে। দ্রুতগতির বাস দুটির মাঝখানে চাপা পড়ে শহীদুল্লাহ গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

সড়কে প্রতিনিয়ত এমন বেপরোয়া গাড়ি চালানো এবং পাল্লাপাল্লির ঘটনা জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশনা থাকলেও বাসচালকদের একাংশ তা মানতে নারাজ। যার ফলে শহীদুল্লাহর মতো অনেক কর্মজীবী মানুষ অকালে প্রাণ হারাচ্ছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে জড়ো হলেও তারা তাকে বাঁচানোর কোনো সুযোগ পাননি। দুর্ঘটনার পরপরই চালকরা বাস ফেলে পালিয়ে যায় কি না, তা নিয়ে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

শহীদুল্লাহর মৃত্যুর খবর পৌঁছানোর পর তার পরিবারে চলছে মাতম। বিদেশ থেকে ফেরার পর আর কখনো দেখা হবে না প্রিয় মানুষটির সঙ্গে, এটি মেনে নেওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। তার সহকর্মীরা জানান, তিনি অত্যন্ত পরিশ্রমী এবং দক্ষ একজন মিস্ত্রি ছিলেন। পেশাগত জীবনে তিনি অনেকের কাছেই পরিচিত মুখ ছিলেন। তার এই অকাল প্রস্থান ব্যক্তিগতভাবে তার পরিবারের জন্য যেমন বিপর্যয়, তেমনি তাদের আর্থিক নিরাপত্তার জন্যও বড় ধাক্কা।

পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বাসচালকদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। রাজধানীর সড়কগুলোকে নিরাপদ করতে এবং চালকদের এমন বেপরোয়া আচরণ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। শহীদুল্লাহর মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে কি না, তা নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনা আবারো মনে করিয়ে দিল যে, সড়কের শৃঙ্খলা বজায় না থাকলে এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব নয়। নিহতের পরিবার এখন শোকে মুহ্যমান এবং তারা দোষী চালকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছেন।

মৌলভীবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গৃহবধূ হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
মৌলভীবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গৃহবধূ হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাবানা বেগম নামের এক গৃহবধূকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা প্রথম জজ আদালতের বিচারক মো. আনোয়ারুল হক এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ন্যায়বিচারের এই আদেশে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, নিহত গৃহবধূ সাবানা বেগমকে হত্যার মূল কারণ ছিল জমি নিয়ে পারিবারিক ও পার্শ্ববর্তী বিরোধ। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মোট ১৪ জন আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই চারজনকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন। মামলার রায়ে অপরাধীদের অপরাধের ভয়াবহতা ও নির্মমতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।

বিচারক মো. আনোয়ারুল হক তার রায়ে উল্লেখ করেন, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে যেভাবে সাবানা বেগমকে হত্যা করা হয়েছে, তা অত্যন্ত পৈশাচিক। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অপরাধীদের এই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি জরুরি ছিল। দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে তাদের আরও সাজা ভোগ করতে হবে কি না, তা মামলার বিস্তারিত রায়ে স্পষ্ট করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আদালতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল।

মামলাটি পরিচালনা করতে গিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ একাধিক সাক্ষী ও আলামত উপস্থাপন করে। নিহতের পরিবার এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে, যা দীর্ঘদিনের রেষারেষির ফলশ্রুতিতে হত্যাকাণ্ডে রূপ নেয়। স্থানীয়রা জানান, সাবানা বেগমের মৃত্যুতে তার পরিবারে এক গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছিল, যা এখনো বিদ্যমান। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আসামিদের শাস্তির দাবিতে তারা সোচ্চার ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, এই মামলার মোট ১৪ জন আসামির মধ্যে চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং অন্য দুই আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের কী ধরনের সাজা দেওয়া হয়েছে, তা পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর জানা যাবে। আদালত প্রাঙ্গণে আজ রায় শোনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মানুষ আইনের এই রায়ে ন্যায়বিচারের প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন।

মৌলভীবাজারসহ সিলেট বিভাগে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা অতীতেও ঘটেছে, তবে সাবানা বেগম হত্যা মামলাটি ছিল বেশ স্পর্শকাতর। পুলিশ মামলার তদন্তকালে যে চার্জশিট দাখিল করেছিল, আদালত সেটির ওপর ভিত্তি করেই আজকের এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছেন। এখন আইন অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন কি না, তা তাদের ওপর নির্ভর করবে। আপাতত আদালতের এই রায় সংশ্লিষ্ট সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং এটি একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: চুয়াডাঙ্গায় স্কুল অফিস সহায়ক কারাগারে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: চুয়াডাঙ্গায় স্কুল অফিস সহায়ক কারাগারে

চুয়াডাঙ্গায় এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্কুল অফিস সহায়ক শাহজামালকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

চুয়াডাঙ্গায় এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে এক স্কুল অফিস সহায়ককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজে নিয়োজিত থাকলেও তার বিরুদ্ধে গুরুতর সব অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালীন গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

তদন্তকারী সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, ওই অফিস সহায়ক শুধু প্রশ্নফাঁসের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন না, বরং বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয়েও তার হস্তক্ষেপ ছিল উদ্বেগজনক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকায় রয়েছে সাবেক প্রধান শিক্ষকদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করার মতো গুরুতর অপরাধ। এছাড়া বিদ্যালয়ের মাস্টার রোলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, শিক্ষার্থী ভর্তি সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি এবং বিদ্যালয়ের শিফট পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার বিস্তারিত তথ্যে জানা যায়, নির্বাচনী পরীক্ষার পবিত্রতা বজায় রাখতে স্কুল কর্তৃপক্ষ সচেষ্ট থাকলেও অভ্যন্তরীণ কিছু অসাধু চক্রের কারণে গোপনীয়তা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। বিষয়টি প্রশাসনিক পর্যায়ে জানাজানি হওয়ার পর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করা হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় স্থানীয় প্রশাসন। পরবর্তীতে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত শুনানি শেষে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহল মনে করছেন, এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার মতো একটি সংবেদনশীল বিষয়ে যারা জালিয়াতি করে, তারা পুরো শিক্ষাব্যবস্থার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। প্রশ্নফাঁসের কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেমন পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমতে পারে, তেমনি মেধাবী শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নও বাধাগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়কের মতো পদে থেকে শিক্ষকদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করার মতো ধৃষ্টতা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে দুর্নীতির শিকড় কতটা গভীরে বিস্তৃত, তা নির্দেশ করে।

স্থানীয় প্রশাসন ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো প্রভাবশালীর হস্তক্ষেপ কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে অপরাধীকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়ায় স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যেও কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গার এই ঘটনায় স্থানীয় শিক্ষা বিভাগও নড়েচড়ে বসেছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের সার্বিক কর্মকাণ্ড এবং ওই অফিস সহায়কের দীর্ঘদিনের কাজের তালিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আর কী কী অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তা তদন্তের স্বার্থে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এই মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

জাপানে চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আমন্ত্রণে আয়োজিত এই সফরটি কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সফর শেষে আজ রাতে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো প্রসারিত করা। বিশেষ করে অর্থনৈতিক খাতে গতিশীলতা আনা এবং জাপানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আরও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করার বিষয়টি এই সফরের অন্যতম এজেন্ডা ছিল। সফরকালে তিনি জাপানের বিভিন্ন পর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সাথে বৈঠক করেছেন এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরেছেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে যে চমৎকার সম্পর্ক বিদ্যমান, এই সফর তা আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। জাপানি বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রযুক্তির আদান-প্রদান এবং বাণিজ্য প্রসারের যে সম্ভাবনা রয়েছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সফর শেষে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা দেশবাসীর মধ্যে বিশেষ করে অর্থনৈতিক মহলে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

সফর থেকে ফিরে আসার পর প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দর থেকে সরাসরি নিজের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি তার সরকারি বাসভবনে ফিরে গেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, প্রধানমন্ত্রী গত সোমবার জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন। চার দিনের এই সফরসূচিতে দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন আলোচনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পর্যায়ের বৈঠকগুলোও অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, এই সফর থেকে অর্জিত সমঝোতা ও প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা দ্রুত এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়। সামগ্রিকভাবে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য জাপান যে বড় ধরনের অংশীদার হতে পারে, সেই বার্তাটিই এই সফরের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

সর্বশেষ
মৌলভীবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গৃহবধূ হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: চুয়াডাঙ্গায় স্কুল অফিস সহায়ক কারাগারে জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী যাত্রাবাড়ীতে এসআরবির অভিযানকালে তরুণের মৃত্যু, বাড়ছে উত্তজনা যশোরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান শিক্ষিকা ও দফতরি গ্রেফতার জাপান সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় প্রাণ হারালেন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি ইঞ্জিন ছাড়াই পিছু হটল কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, আতঙ্ক যাত্রীদের মধ্যে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান প্রকল্পের এলাকায় পৌঁছাল দীর্ঘ এক বছর পর শারীরিক গঠন নিয়ে করা মন্তব্যের জবাব দিলেন তামান্না ভাটিয়া
Advertisement