খুঁজুন
, ,

ইয়েমেনে সংঘাতের তীব্রতায় বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
ইয়েমেনে সংঘাতের তীব্রতায় বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা

ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট এবং সশস্ত্র হুথি গোষ্ঠীর মধ্যে চলমান দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। এই সামরিক উত্তেজনার জেরে দেশটিতে হতাহতের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সাম্প্রতিক পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলমান এই সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৫৭৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন প্রায় সাত হাজার মানুষ, যা ইয়েমেনের মানবিক পরিস্থিতির চরম অবনতির চিত্র তুলে ধরছে।

চলতি বছরের আগস্ট মাস থেকে ইয়েমেনে নতুন করে সামরিক অস্থিরতা শুরু হয়। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি আক্রমণ এবং বিমান হামলার কারণে বেসামরিক জনবসতি ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো জানিয়েছে, হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার জন্য আসা মানুষের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু প্রয়োজনীয় ঔষধ ও উপকরণের অভাবে তাদের সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এবং হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে কয়েক বছর ধরে চলে আসা এই সংঘাত কেবল দেশটিতে নয়, বরং পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। রাজনৈতিক সমাধানের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় এবং যুদ্ধবিরতির কার্যকর কোনো উদ্যোগ সফল না হওয়ার কারণে এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বারবার শান্তির আহ্বান জানালেও দুই পক্ষই সামরিক শক্তির প্রদর্শনী চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইয়েমেনের বর্তমান সংকটে সাধারণ নাগরিকরাই সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী। ঘরবাড়ি ছাড়া হওয়া এবং পর্যাপ্ত খাবার ও পানীয়ের অভাব মানুষগুলোকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা বারবার মানবিক করিডোর চালুর অনুরোধ জানালেও সামরিক আগ্রাসন থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং প্রতিদিনই কোনো না কোনো এলাকায় নতুন করে লড়াইয়ের খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা মৃত্যুর মিছিলকে আরও দীর্ঘ করছে।

গত আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই সাম্প্রতিক সংঘাতের পর থেকে দেশজুড়ে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। একদিকে জোট বাহিনীর আকাশপথে হামলার হুমকি, অন্যদিকে হুথি বিদ্রোহীদের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের কারণে ইয়েমেনের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলই এখন অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনার চেষ্টা চললেও দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে তা কোনো কার্যকর ফলাফল বয়ে আনতে পারছে না।

এদিকে, বিপুল সংখ্যক আহত মানুষ চিকিৎসার অভাবে ধুঁকছে। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলো সহায়তা পাঠানোর চেষ্টা করলেও যুদ্ধের তীব্রতায় তা পর্যাপ্ত নয়। ইয়েমেনের স্বাস্থ্য অবকাঠামো ভেঙে পড়ায় আহতদের সঠিক চিকিৎসা প্রদান প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান এই নাজুক পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে ইয়েমেনের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তবে এই সহিংসতার অবসান কবে ঘটবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যেসব মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি, তা স্থগিতের পরামর্শ অর্থনীতিবিদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
   
অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যেসব মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি, তা স্থগিতের পরামর্শ অর্থনীতিবিদের

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে সরকারের উচিত যেসব মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়ন বা ভৌত অবকাঠামোগত কাজ এখনো শুরু হয়নি, তা পুনর্বিবেচনা করা। এমন পরিস্থিতিতে প্রকল্পগুলো আপাতত স্থগিত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। দেশের সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর চাপ কমাতে এবং সম্পদের সঠিক ব্যবহারের লক্ষ্যে তিনি এই মতামত ব্যক্ত করেছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা ও নানা ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ এবং নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় একধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এই বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে যেসব প্রকল্প এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বা যেগুলোর ভৌত কাজ শুরু হয়নি, সেগুলো নিয়ে সরকারি পর্যায়ে সতর্কতার দাবি উঠেছে।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মনে করেন, রাষ্ট্রের সীমিত সম্পদের অপচয় রোধে মেগা প্রকল্পগুলোর অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা জরুরি। তিনি বলেন, যেসব প্রকল্পে ইতিমধ্যে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ হয়েছে বা যেগুলোর কাজ প্রায় শেষের পথে, সেগুলো চালিয়ে যাওয়া যৌক্তিক। তবে যে প্রকল্পগুলোতে এখনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বা ধীরগতি রয়েছে, সেগুলো এখনই শুরু না করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় রাখা যেতে পারে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন সরকারি অর্থের সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে মুদ্রাস্ফীতির মতো অর্থনৈতিক সমস্যা মোকাবিলায় কিছুটা বাড়তি সুবিধা পাওয়া সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, উন্নয়ন মানেই যে কেবল নতুন নতুন মেগা প্রকল্প নেওয়া, বিষয়টি এমন নয়। বর্তমান চ্যালেঞ্জিং সময়ে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কমানোই হওয়া উচিত সরকারের প্রধান লক্ষ্য। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় সংকোচন এবং বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর গুণগত মান নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। যেসব প্রকল্পের মাধ্যমে দ্রুত অর্থনৈতিক সুফল পাওয়া সম্ভব, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে দীর্ঘমেয়াদী বা কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো আপাতত স্থগিত রাখা একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত হতে পারে।

উল্লেখ্য যে, করোনা মহামারীর পরবর্তী সময়ে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ চেইন ব্যাহত হওয়ায় এবং ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কারণে জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশই ব্যয় সংকোচনের পথ বেছে নিচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় অর্থনীতিবিদদের পক্ষ থেকে মেগা প্রকল্পগুলো নিয়ে এমন সতর্কতা বা পরামর্শ নতুন নয়। সরকারের নীতিনির্ধারকরা এখন উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রাধিকার তালিকা কতটা যৌক্তিকভাবে পুনর্বিন্যাস করেন, সেটাই দেখার বিষয়।

পরিশেষে, উন্নয়ন ও আর্থিক শৃঙ্খলা—এই দুটির মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখা রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যেসব মেগা প্রকল্পের সুফল পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে, সেসব প্রকল্পে এখনই বিপুল বিনিয়োগ না করে বিকল্প চিন্তা করা এবং অর্থনীতির অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরার মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
   
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরার মৃত্যু

ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরা দীর্ঘ চিকিৎসার পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ঢাকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরা আর নেই। সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর দীর্ঘ চিকিৎসার লড়াই শেষ করে তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেছেন। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই মেধাবী শিক্ষার্থী। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও সহপাঠীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বেশ কিছুদিন আগে এক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন চেসি ত্রিপুরা। একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাকে ধাক্কা দিলে তিনি মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। দুর্ঘটনার পরপরই তাকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে তাকে জরুরি ভিত্তিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা নিয়ে আসা হয়। এরপর থেকেই তিনি ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন। চিকিৎসকরা তাকে বাঁচিয়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত শারীরিক জটিলতায় তার অবস্থার উন্নতি হয়নি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর থেকেই চেসি ত্রিপুরার মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল, যা থেকে উত্তরণের জন্য চিকিৎসকরা সব ধরনের চেষ্টা চালিয়েছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় কোমায় থাকা বা অচেতন অবস্থায় থাকার কারণে এবং একাধিক শারীরিক জটিলতা তৈরি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তার স্মৃতিচারণ করে অকাল প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে পড়াশোনার পাশাপাশি তার বন্ধু ও সহপাঠীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। তার মৃত্যু সংবাদ পৌঁছানোর পর ক্যাম্পাসের তার বন্ধু এবং পরিচিত মহলে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম বা মেধাবী সন্তান হারানোর বেদনা মেনে নিতে পারছেন না স্বজনরা। মৃতদেহের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে নিজ বাড়িতে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা বাংলাদেশে নতুন নয়, তবে একজন শিক্ষার্থীর এ ধরনের অকাল মৃত্যু আবারও নিরাপদ সড়কের দাবিকে সামনে নিয়ে এসেছে। দায়িত্বশীল মহল থেকে শোক প্রকাশ করা হয়েছে এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে আবারও কঠোর অবস্থানের আহ্বান জানানো হয়েছে। চেসি ত্রিপুরার আত্মার শান্তি কামনা করে পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে তার পরিচিতজন ও সহপাঠী মহল।

মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনা ও নবজাতক উদ্ধার: চাঞ্চল্যকর দুই ঘটনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
   
মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনা ও নবজাতক উদ্ধার: চাঞ্চল্যকর দুই ঘটনা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। একই সময়ে অপর এক ঘটনায় মহাসড়কের পাশের ঝোপ থেকে এক নবজাতককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশে যাত্রীবাহী মারসা পরিবহনের বাসের সঙ্গে একটি প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ সন্ধ্যা নাগাদ এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাড়িটি ওভারটেক করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী বাসটির সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং চালকসহ ভেতরে থাকা আরোহীরা গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও প্রাইভেটকারটি পুলিশ জব্দ করেছে। এই ঘটনার পর মহাসড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়, তবে পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

একই মহাসড়কের অন্য একটি এলাকায় আজ আরও এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। মহাসড়কের পাশের একটি ঝোপ থেকে এক নবজাতককে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা কান্নার শব্দ শুনে এগিয়ে গিয়ে ঝোপের আড়ালে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। সাথে সাথে স্থানীয়দের সহযোগিতায় শিশুটিকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কীভাবে শিশুটি সেখানে এল বা কারা তাকে এভাবে ফেলে রেখে গেছে, তা নিয়ে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ভাগ্যক্রমে শিশুটি বেঁচে গেছে, অন্যথায় বড় কোনো অঘটন ঘটতে পারত। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।

আজকের এই দুই ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে মহাসড়কে বেপরোয়া গতির কারণে দুর্ঘটনার শিকার হওয়া মানুষগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে নবজাতককে এভাবে ফেলে রেখে যাওয়ার অমানবিক ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিকরা। পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, উভয় ঘটনার বিষয়েই প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ ও স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার কাজ চলছে যাতে ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়। স্থানীয়রা মনে করছেন, মহাসড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি আরোপ না করা হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রায়শই ঘটবে। এছাড়াও, নবজাতক উদ্ধারের ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আশ্বস্ত করেছে যে, দ্রুতই সব তথ্য উন্মোচিত হবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। আপাতত আহতদের চিকিৎসা এবং নবজাতকের সুচিকিৎসার দিকেই গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন।

সর্বশেষ
অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যেসব মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি, তা স্থগিতের পরামর্শ অর্থনীতিবিদের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরার মৃত্যু মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনা ও নবজাতক উদ্ধার: চাঞ্চল্যকর দুই ঘটনা তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রে ৫৯২ কোটি টাকায় খনন করা হবে দুটি কূপ ইয়েমেনে সংঘাতের তীব্রতায় বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা পূর্বাচলে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই বন্ধুর প্রাণহানি, চিকিৎসাধীন এক জার্মানির ডুসেলডর্ফে প্রবাসী বাঙালিদের বর্ণিল শারদীয় উৎসব চট্টগ্রামে ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযান, ১০টির বেশি মোবাইল ফোন জব্দ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাস-প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে আহত ৫ শনিবার ডিআরইউতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘এমআরইউ মিডিয়া ডে ২০২৬’
Advertisement