খুঁজুন
, ,

সৌদি রুটে ফ্লাইট বাতিল ১৩৫, যাত্রা অনিশ্চয়তায় ২০ হাজারের বেশি

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
সৌদি রুটে ফ্লাইট বাতিল ১৩৫, যাত্রা অনিশ্চয়তায় ২০ হাজারের বেশি

সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে হুথিদের হামলার পর দেশটির কয়েকটি বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। নিরাপত্তা বিবেচনায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের গন্তব্যে যাওয়ার ১৩৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ১০ অক্টোবর থেকে বাতিলের ঘটনা শুরু হয়। এসব ফ্লাইটে ভ্রমণের কথা ছিল এমন ২০ হাজার ৬৭২ জন যাত্রী যাত্রা করতে পারেননি।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র কাওছার মাহমুদ বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর সন্ধ্যায় এই হিসাব জানান। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাতিলের সংখ্যা এখন ১৩৫-এ পৌঁছেছে। পরিস্থিতি নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট হওয়ায় ফ্লাইট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে কোন কোন দিনে কতটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, কিংবা বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলো কোন কোন সংস্থার ছিল—সে বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যের সঙ্গে আলাদা কোনো হিসাব দেওয়া হয়নি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের রিয়াদ ও দাম্মামগামী ফ্লাইটও স্থগিত থাকার খবর পাওয়া গেছে। ফলে ওই দুই শহরে যাওয়ার পরিকল্পনা করা যাত্রীদের যাত্রা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে সব ১৩৫টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কতটি, কিংবা অন্য উড়োজাহাজ সংস্থার কতটি ফ্লাইট রয়েছে, তা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। বাতিলের সংখ্যা মোট ফ্লাইটের হিসাব; নির্দিষ্ট কোনো একটি এয়ারলাইনসের হিসাব হিসেবে একে দেখার সুযোগ নেই।

যাত্রীসংখ্যার হিসাবে ২০ হাজার ৬৭২ জন এই বিঘ্নের আওতায় পড়েছেন। তাঁদের সবার পরিস্থিতি এক রকম—এমন তথ্য নেই। কেউ হয়তো নির্ধারিত দিনে যাত্রা করতে পারেননি, আবার কারও ক্ষেত্রে পরবর্তী যাত্রার সময় নির্ধারণের অপেক্ষা থাকতে পারে। তবে যাত্রীদের পুনরায় টিকিট দেওয়ার ব্যবস্থা, নতুন ফ্লাইটের সময়সূচি বা ক্ষতিপূরণের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখানে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি। তাই এসব বিষয়ে নিশ্চিত বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ নেই।

ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ায় অনিশ্চয়তা কয়েক দিন ধরে চলছে। সংখ্যা ১৩৫-এ ওঠায় সৌদি আরবগামী যাত্রীদের জন্য পরিস্থিতি কতটা বিস্তৃত হয়েছে, তার একটি ধারণা পাওয়া যায়। একই সঙ্গে ২০ হাজারের বেশি যাত্রীর হিসাব দেখাচ্ছে, সিদ্ধান্তটির প্রভাব শুধু একটি বা দুটি ফ্লাইটে সীমাবদ্ধ নয়। তবে প্রতিদিনের বাতিল ফ্লাইট ও যাত্রীর সংখ্যা আলাদাভাবে প্রকাশ না হওয়ায় দিনভিত্তিক পরিবর্তন বোঝা যাচ্ছে না।

রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলার পর সৌদি আরবের একাধিক বিমানবন্দর বন্ধ থাকার বিষয়টি ফ্লাইট পরিচালনার ওপর প্রভাব ফেলেছে। নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশ থেকে ওই রুটে ফ্লাইট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বিমান চলাচলে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকলে স্বাভাবিক সময়সূচি বজায় রাখা সম্ভব হয় না; তবে কোন বিমানবন্দর কত সময় বন্ধ থাকবে বা কখন পরিস্থিতি বদলাবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য এখানে নেই। ফলে ফ্লাইট চালুর নির্দিষ্ট সময়ও বলা যাচ্ছে না।

যাত্রীদের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তাঁদের নির্ধারিত ফ্লাইটের অবস্থা জানা। ১৩৫টি ফ্লাইট বাতিলের সামগ্রিক হিসাব প্রত্যেক যাত্রীর টিকিটের পরিবর্তন বা নতুন যাত্রার সময় জানায় না। বাতিল হওয়া ফ্লાઇટে বুকিং থাকা ব্যক্তিদের জন্য পরবর্তী ব্যবস্থা কী, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের ঘোষণাই নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারে। তবে কোনো নতুন সময়সূচি বা পুনরায় যাত্রার নিশ্চয়তা প্রকাশিত হয়নি। পরিস্থিতি বদলালে বাতিলের সংখ্যা এবং যাত্রীদের জন্য নেওয়া ব্যবস্থারও পরিবর্তন হতে পারে।

এখন পর্যন্ত নিশ্চিত তথ্য হলো, ১০ অক্টোবর থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি গন্তব্যে ১৩৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং এতে ২০ হাজার ৬৭২ জন যাত্রী প্রভাবিত হয়েছেন। বাতিলের পেছনে সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলার পর সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা বলা হয়েছে। ফ্লাইট চলাচল কবে স্বাভাবিক হবে, আটকে পড়া বা যাত্রা করতে না পারা যাত্রীদের কত দ্রুত নতুন ব্যবস্থা দেওয়া হবে—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়।

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ। সড়ক দুর্ঘটনা কমানো, মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে দেশজুড়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। নিরাপদ সড়ককে কেবল পরিবহন খাতের বিষয় হিসেবে না দেখে সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দিবসটির প্রতিপাদ্য, ‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

সড়কে প্রতিদিন নানা ধরনের মানুষ চলাচল করেন—যাত্রী, চালক, পথচারীসহ বিভিন্ন পেশার ও বয়সের মানুষ। তাঁদের প্রত্যেকের যাত্রা যেন নিরাপদ হয়, সেটিই সড়ক নিরাপত্তার মূল বিবেচনা। দুর্ঘটনা কমানোর উদ্যোগ তাই শুধু একটি পক্ষের ওপর নির্ভর করতে পারে না। সড়ক ব্যবহারকারীদের সচেতনতা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের অংশগ্রহণ একসঙ্গে প্রয়োজন। দিবসটির আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই সম্মিলিত দায়বদ্ধতার কথাই সামনে আনা হচ্ছে।

সড়ক নিরাপত্তাকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার প্রত্যয়ে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠন, চালক, পথচারী এবং সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই অংশগ্রহণের অর্থ হলো, নিরাপদ যাতায়াতের বিষয়টি কেবল নীতিনির্ধারক বা পরিবহনসংশ্লিষ্টদের আলোচনায় সীমাবদ্ধ না রেখে জনজীবনের আলোচনায় আনা। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র ও বিভিন্ন সামাজিক পরিসরেও সড়কে দায়িত্বশীল আচরণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলা যেতে পারে।

দিবসটির লক্ষ্য পূরণে সচেতনতার পাশাপাশি বাস্তব জীবনে নিয়ম মেনে চলার অভ্যাস জরুরি। পথচারী ও চালক—উভয়ের আচরণই সড়কে নিরাপত্তার পরিবেশ গঠনে ভূমিকা রাখে। যাত্রাপথে অন্যের অধিকার ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করা, তাড়াহুড়া এড়িয়ে চলা এবং দায়িত্বশীল থাকা নিরাপদ চলাচলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তবে কোনো একটি আচরণ বা পদক্ষেপেই সব দুর্ঘটনা ঠেকানো সম্ভব—এমন দাবি করা যায় না। নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে ধারাবাহিকভাবে কাজ করাই এখানে মূল কথা।

সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোকে দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সচেতনতা বলতে শুধু বিপদের কথা জানা নয়; সেই জ্ঞানকে চলাচলের সময় কাজে লাগানোও বোঝায়। চালকের দায়িত্বশীলতা, পথচারীর সতর্কতা এবং যাত্রী হিসেবে নিরাপদ আচরণের গুরুত্ব—এসব বিষয় একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। মানুষের দৈনন্দিন যাত্রায় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব পেলে সড়ককে সবার জন্য আরও নিরাপদ করার লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।

পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠন, চালক এবং পথচারীদের সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেওয়ার তাৎপর্যও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। সড়কে যাঁরা সরাসরি চলাচল করেন, তাঁদের অভিজ্ঞতা ও দায়িত্ববোধ নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনাকে বাস্তবসম্মত করতে পারে। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণ এ বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। কারও একার পক্ষে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা সম্ভব নয়; সংশ্লিষ্ট সবার ভূমিকা ও সহযোগিতাই এ লক্ষ্য অর্জনের ভিত্তি।

দিবসটি পালনের তাৎপর্য শুধু একটি দিনের প্রচার বা প্রতিপাদ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সড়কে নিরাপদ আচরণকে প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত করাই এর বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্ঘটনা কমানোর লক্ষ্য বাস্তবায়নে জনসচেতনতা অব্যাহত রাখা, বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে আলোচনায় যুক্ত করা এবং নিরাপদ যাতায়াতকে সবার অধিকার ও দায়িত্ব হিসেবে দেখা প্রয়োজন। এক দিনের আয়োজন মানুষকে বিষয়টি মনে করিয়ে দিতে পারে; কিন্তু সেই বার্তার স্থায়ী প্রভাব নির্ভর করবে দৈনন্দিন চলাচলে দায়িত্বশীলতার চর্চার ওপর।

‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যে নিরাপদ যাতায়াতের সঙ্গে দেশের সামগ্রিক অগ্রগতির সম্পর্কও তুলে ধরা হয়েছে। মানুষ যেন নিশ্চিন্তে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সে লক্ষ্য কোনো একক সংগঠন বা পেশাজীবী গোষ্ঠীর নয়; সমাজের সব পক্ষের। তাই জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের আহ্বান হলো, সড়ককে নিরাপদ করার কাজে সবাইকে যুক্ত করা এবং নিজের আচরণে নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

লংমার্চের বিজয়ের ৯০তম বার্ষিকীতে শি জিনপিংয়ের ভাষণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
লংমার্চের বিজয়ের ৯০তম বার্ষিকীতে শি জিনপিংয়ের ভাষণ

চীনা শ্রমিক ও কৃষক লাল ফৌজের ঐতিহাসিক লংমার্চের বিজয়ের ৯০তম বার্ষিকী উপলক্ষে বেইজিংয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত ওই আয়োজনে ভাষণ দেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

শি জিনপিং একই সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান। বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি ও ভাষণ ছিল আয়োজনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

লংমার্চ চীনা শ্রমিক ও কৃষক লাল ফৌজের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। এর বিজয়ের ৯০ বছর পূর্তি স্মরণে বেইজিংয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সেই ঐতিহাসিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদযাপনের আয়োজন করা হয়।

শি জিনপিংয়ের ভাষণে কী নির্দিষ্ট আহ্বান বা বক্তব্য ছিল, সে বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যের বিবরণ পাওয়া যায়নি। তাই তাঁর বক্তব্যের বিষয়বস্তু, কোনো ঘোষণা কিংবা ভবিষ্যৎ কর্মসূচি সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁর ভাষণ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত।

আয়োজনটির কেন্দ্রবিন্দু ছিল লংমার্চের বিজয়ের ৯০তম বার্ষিকী স্মরণ। বেইজিংয়ে বৃহস্পতিবার সকালের অনুষ্ঠানে চীনা শ্রমিক ও কৃষক লাল ফৌজের ঐতিহাসিক অভিযাত্রার বিজয়কে ঘিরে উদযাপন করা হয়। শি জিনপিংয়ের আনুষ্ঠানিক দায়িত্বগুলোর মধ্যে দলীয় নেতৃত্ব ও সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যানের পদ থাকায় তাঁর ভাষণটি চীনের রাজনৈতিক নেতৃত্বের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্য হিসেবেও বিবেচিত।

বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের স্থান, সময় এবং বক্তার পরিচয় ছাড়া অন্য আয়োজন-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত বিবরণে নেই। অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা, অনুষ্ঠানস্থলের নির্দিষ্ট নাম, ভাষণের পূর্ণ বক্তব্য কিংবা সেখানে গৃহীত কোনো সিদ্ধান্ত সম্পর্কেও তথ্য দেওয়া হয়নি। ফলে এসব বিষয়ে অনুমান না করে নিশ্চিত তথ্যের মধ্যেই প্রতিবেদন সীমিত রাখা হচ্ছে।

চীনের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত আয়োজনের মাধ্যমে লংমার্চের বিজয়ের ৯০তম বার্ষিকী পালিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে শি জিনপিংয়ের ভাষণ দেওয়ার বিষয়টি এই স্মরণানুষ্ঠানের প্রধান রাজনৈতিক দিক। তাঁর বক্তব্যের বিস্তারিত প্রকাশিত হলে আহ্বানের বিষয়বস্তু ও তাৎপর্য সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

থাইল্যান্ডে সয়েল ফিভারের প্রকোপ, প্রাণ হারালেন ৪৫ জন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
থাইল্যান্ডে সয়েল ফিভারের প্রকোপ, প্রাণ হারালেন ৪৫ জন

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের নিম্ন উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মেলিওয়ডোসিস নামক সংক্রামক ব্যাধির প্রাদুর্ভাব স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়ভাবে সয়েল ফিভার বা মাটির জ্বর নামে পরিচিত এই রোগটি চলতি বছর ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য বড় ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭০ জনে পৌঁছেছে এবং এতে মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মেলিওয়ডোসিস মূলত মাটি এবং পানিতে থাকা বার্কহোল্ডেরিয়া সিউডোম্যালি নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে ছড়ায়। মূলত বর্ষা মৌসুমের শেষে এবং কৃষিকাজ বা বাইরের কাজে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে এই সংক্রমণের হার বেশি দেখা যায়। আক্রান্ত ব্যক্তিরা সাধারণত দূষিত মাটি বা পানির সংস্পর্শে আসার পর সংক্রমণের শিকার হন, যা পরবর্তীতে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বছর দেশটির নিম্ন উত্তর-পূর্বাঞ্চলের চারটি প্রদেশে সংক্রমণের প্রকোপ তুলনামূলক বেশি। নাখন রাচাসিমা প্রদেশের রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ অফিস-৯ এর পরিচালক ডা. সাইলাক ওংচাওয়ানিচ জানিয়েছেন, স্থানীয়রা যেন কৃষি জমিতে কাজ করার সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করেন। বিশেষ করে যারা ধানক্ষেতে বা কাদাযুক্ত এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেন, তাদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই রোগের লক্ষণগুলো খুব সাধারণ জ্বরের মতো মনে হলেও সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। সাধারণত উচ্চমাত্রার জ্বর, শ্বাসকষ্ট, এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোড়া বা ক্ষত সৃষ্টির মতো লক্ষণ দেখা দেয়। যারা আগে থেকেই ডায়াবেটিস বা কিডনি সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছেন, তাদের জন্য এই ব্যাকটেরিয়া আরও বেশি প্রাণঘাতী হতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় যারা কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত, তাদের খালি পায়ে মাটিতে হাঁটা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া জমিতে কাজ করার সময় রাবারের বুট ও গ্লাভস ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কোনো ব্যক্তি যদি জ্বর বা অকারণে শরীরে ব্যথা অনুভব করেন, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলা হয়েছে।

মেলিওয়ডোসিস বা সয়েল ফিভার প্রতিরোধের জন্য স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন শুরু করা হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্তকরণ এবং অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে এবং সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। কৃষি প্রধান এই অঞ্চলগুলোতে মাটির সংস্পর্শে কাজ করা মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে নিয়মিত বার্তা পাঠানো হচ্ছে যেন আসন্ন দিনগুলোতে এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।

সর্বশেষ
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ লংমার্চের বিজয়ের ৯০তম বার্ষিকীতে শি জিনপিংয়ের ভাষণ থাইল্যান্ডে সয়েল ফিভারের প্রকোপ, প্রাণ হারালেন ৪৫ জন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য: যুবকের পর এবার বাবাও ডিবি হেফাজতে রোমানিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রতি অনাস্থা বাড়ার পেছনে কী সৌদি রুটে ফ্লাইট বাতিল ১৩৫, যাত্রা অনিশ্চয়তায় ২০ হাজারের বেশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব বার্কলেসে ৫ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীদের গণসংযোগ বরিশালে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে ‘মাদকবিরোধী অভিযান’, মারধরের অভিযোগ সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগে ফেঁসে গেলেন অফ স্পিনার আলিস আল ইসলাম
Advertisement