খুঁজুন
, ,

খেলাধুলা জাতীয় ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
খেলাধুলা জাতীয় ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, খেলাধুলা কেবল শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বা জয়ের মাধ্যম নয়, এটি একটি জাতির সামগ্রিক মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমাদের সমাজে সংহতি, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং দেশপ্রেমের মতো ইতিবাচক গুণাবলী ছড়িয়ে দিতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তিনি এক অনুষ্ঠানে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের গুরুত্ব তুলে ধরে এমন মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিযোগিতার মাঠ ছাড়িয়ে খেলাধুলা যখন মানবিক মূল্যবোধের চর্চায় পরিণত হয়, তখনই একটি সুন্দর সমাজ গঠন সহজতর হয়।

তারেক রহমান তার বক্তব্যে ক্রীড়াঙ্গনের প্রতিটি ক্ষেত্রকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, নিয়মিত খেলাধুলার চর্চা তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামিতা থেকে দূরে রাখে এবং তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি করে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সহমর্মিতার শিক্ষা খেলার মাঠ থেকেই সবচেয়ে কার্যকরভাবে শেখা সম্ভব। হারজিতের ঊর্ধ্বে উঠে মানবিকতাকে এগিয়ে রাখার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি খেলায় অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের মধ্যে যে সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি হয়, তা বৃহত্তর পরিসরে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে নতুন মেধাবী খেলোয়াড় খুঁজে বের করার ওপরও জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি মনে করেন, সঠিক দিকনির্দেশনা ও সুযোগ পেলে আমাদের দেশের অ্যাথলেটরা বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা আরও উঁচুতে তুলে ধরতে সক্ষম হবে। সরকারের পক্ষ থেকে ক্রীড়াবিদদের সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, খেলাধুলা যেন কেবল বিনোদনে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি দেশাত্মবোধক চেতনায় রূপান্তরিত হয়, সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে তিনি বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপটে সুস্থধারার সংস্কৃতির বিকাশে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক অস্থিরতার এই সময়ে যখন মানুষে মানুষে দূরত্ব বাড়ছে, তখন খেলাধুলা হতে পারে সেতুবন্ধন। এটি কেবল শারীরিক কসরত নয়, বরং এটি একটি জাতির পরিচয় ও সক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। সবশেষে তিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারা যেন নিজেদের শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত করতে নিয়মিত খেলাধুলায় মনোনিবেশ করে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতির সেবায় নিয়োজিত হয়।

গণতন্ত্রের প্রধান স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
   
গণতন্ত্রের প্রধান স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যেকোনো দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ভিত মজবুত করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি মনে করেন, ইতিবাচক ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে বড় ধরনের সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

সম্প্রতি এক আলোচনায় রাষ্ট্রপতি গণমাধ্যমকে গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যম কেবল তথ্যের আদান-প্রদান করে না, বরং জনমত গঠন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণকে অর্থবহ করে তোলে। আধুনিক গণতান্ত্রিক বিশ্বে গণমাধ্যমের নিরপেক্ষতা এবং সততার ওপর রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা অনেকটাই নির্ভর করে। রাষ্ট্রপতির ভাষ্যমতে, সঠিক তথ্য প্রচার এবং গঠনমূলক সমালোচনা করার মাধ্যমে গণমাধ্যম দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নিরবচ্ছিন্ন কাজ চালিয়ে যেতে পারে।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সাংবাদিকদের আরও বেশি সচেতন এবং দায়িত্বশীল হতে হবে। তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি গুজবের বিস্তার রোধ এবং অপপ্রচার থেকে সমাজকে মুক্ত রাখতে গণমাধ্যমের ভূমিকা পালন করা এখন সময়ের দাবি। তিনি উল্লেখ করেন, যখন গণমাধ্যম নির্ভীক ও সত্যনিষ্ঠ থাকে, তখন সমাজ ও রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা অনেক সহজতর হয়।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীন সত্তা একে অপরের পরিপূরক। এই স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রপতির মতে, একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি গণমাধ্যমের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা জরুরি। বিশেষ করে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গণমাধ্যমের ইতিবাচক অংশগ্রহণ দেশের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে পারে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

পরিশেষে, রাষ্ট্রপতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দেশের গণমাধ্যমগুলো আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেমের সাথে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তিনি মনে করেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও গণমাধ্যমকে সৃজনশীল হতে হবে। গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে ও দেশের সংবিধানের মূল চেতনা রক্ষায় গণমাধ্যম ও রাষ্ট্র—উভয়কেই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার সম্পর্ক বজায় রেখে এগিয়ে যেতে হবে।

গাজায় ভয়াবহ খাদ্যসংকট: ত্রাণ সহায়তা কমিয়ে দিল ডাব্লিউএফপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
   
গাজায় ভয়াবহ খাদ্যসংকট: ত্রাণ সহায়তা কমিয়ে দিল ডাব্লিউএফপি

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় মানবিক বিপর্যয় চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সীমিত হয়ে আসায় প্রায় ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি এখন তীব্র খাদ্যসংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছেন। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডাব্লিউএফপি) থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, এই বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা বর্তমানে চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে। ত্রাণ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় এবং প্রয়োজনীয় রসদ পৌঁছাতে না পারায় সাধারণ মানুষের জীবনধারণ অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

দীর্ঘদিন ধরে চলমান সংঘাত এবং অবরোধের কারণে গাজার অর্থনীতি ও সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। আগে থেকেই খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা মানুষেরা এখন নতুন করে আরও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। ত্রাণ সহায়তার পরিমাণ কমিয়ে দেওয়ায় স্থানীয় বাজারগুলোতে খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। ফলে ক্ষুধা ও অপুষ্টি জনিত সমস্যার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।

গাজার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে না পারায় সেখানকার মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি তাদের সাধ্যমতো সহায়তা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও অর্থের সীমাবদ্ধতা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তারা এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং খাবার জোগাড় করাটাই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের অবস্থা সবচেয়ে বেশি নাজুক বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ত্রাণকর্মীরা।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বারবার এই মানবিক বিপর্যয়ের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হলেও বাস্তবে পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। ত্রাণ সহায়তা যদি দ্রুত বাড়ানো না হয়, তবে গাজায় অচিরেই দুর্ভিক্ষের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। অবরুদ্ধ অঞ্চলে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা অব্যাহত রাখা এখন সময়ের প্রধান দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফিলিস্তিনিদের জন্য আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আহ্বান জানানো সত্ত্বেও পরিস্থিতির স্থায়ী কোনো সমাধান এখনো অধরা। গাজার সাধারণ মানুষ এখন একদিকে সংঘাতের হুমকি, অন্যদিকে চরম ক্ষুধা ও অভাবের মধ্যে দিন অতিবাহিত করছেন। ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা এই লক্ষাধিক মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে এখনই জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সৌদি আরবে স্বাভাবিক বিমান চলাচল, ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
   
সৌদি আরবে স্বাভাবিক বিমান চলাচল, ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালু

সৌদি আরবের বিমানবন্দর এলাকায় সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। রাষ্ট্রায়ত্ত এই পতাকাবাহী সংস্থাটি যাত্রীসেবার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাদের নিয়মিত শিডিউল অনুযায়ী ফ্লাইট পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বেশ কিছু এলাকায় বিমানবন্দরকেন্দ্রিক যে অস্থিরতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রুটে বিশেষ করে সৌদি আরবের গন্তব্যগুলোতে বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছিল, যার ফলে হাজার হাজার যাত্রী দীর্ঘ প্রতীক্ষার মুখে পড়েছিলেন। বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হওয়ায় এই রুটে ফ্লাইট বন্ধ থাকা নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা কাজ করছিল। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এখন আগের মতোই নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনার সবুজ সংকেত পেয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে দীর্ঘদিন আটকে থাকা যাত্রীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন এবং প্রবাসীদের যাতায়াতের সংকট অনেকটাই কেটে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাদের সবকটি রুটেই ফ্লাইট ব্যবস্থাপনা এখন সচল রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালুর পাশাপাশি অন্যান্য গন্তব্যেও বিমানের নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কোনো গন্তব্যে ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত করতে হলে তা সংশ্লিষ্ট দেশের নিরাপত্তার ওপর ভিত্তি করেই করা হয়। যেহেতু সৌদি আরবের পরিস্থিতির এখন উন্নতি হয়েছে, তাই যাত্রীসেবা নিশ্চিতে বাড়তি তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করার পাশাপাশি সৌদি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় উড়োজাহাজ চলাচলের জন্য নিরাপদ আকাশসীমা নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলেই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটগুলো পুনরায় দাম্মাম রুটে অবতরণ ও উড্ডয়ন করতে সক্ষম হচ্ছে। এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী, যাত্রীদের তাদের ফ্লাইট সংক্রান্ত যেকোনো হালনাগাদ তথ্যের জন্য সরাসরি ওয়েবসাইট বা কল সেন্টারে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইটের সময়সূচিতে কোনো পরিবর্তন আছে কি না, তা যাচাই করে বিমানবন্দরে আসার জন্য যাত্রীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে।

দীর্ঘদিন ফ্লাইট বন্ধ থাকার কারণে যে জট তৈরি হয়েছিল, তা নিরসনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থাও করতে পারে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে নিয়মিত সূচি অনুযায়ীই ফ্লাইটগুলো পরিচালিত হচ্ছে। সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি খবর, কারণ কর্মস্থলে ফেরা বা দেশে ফেরার ক্ষেত্রে যে অনিশ্চয়তা ছিল, তা এখন দূর হয়েছে। বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফ্লাইটগুলো স্বাভাবিকভাবে চলাচল করলে খুব দ্রুতই যাত্রীদের চাপ সামলে নেওয়া সম্ভব হবে।

এর আগে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তার খাতিরে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আকাশপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় বৈশ্বিক এয়ারলাইন্সগুলোর মতোই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সও তাদের কার্যক্রম স্বাভাবিক করেছে। এ বিষয়টি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে, যারা গত কয়েকদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সবসময়ই যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে এবং এই রুটে চলাচলকারী সকল যাত্রীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছে সংস্থাটি।

সর্বশেষ
গণতন্ত্রের প্রধান স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি গাজায় ভয়াবহ খাদ্যসংকট: ত্রাণ সহায়তা কমিয়ে দিল ডাব্লিউএফপি সৌদি আরবে স্বাভাবিক বিমান চলাচল, ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালু খেলাধুলা জাতীয় ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করে: প্রধানমন্ত্রী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় গুণ যাকে বুক দেখায়, তাকে পিঠ দেখায় না — মির্জা ফয়সল প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় ভাঙার চেষ্টা: গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতা ইশরাকের পদত্যাগে মেয়র নির্বাচনের পথ কি সুগম হলো? এমআরইউ ও ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতালের মধ্যে করপোরেট স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি ১৬০ রানে থেমে বিদায় বাংলাদেশের, ফাইনালে আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু
Advertisement