খুঁজুন
, ,

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় ভাঙার চেষ্টা: গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতা

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৫ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় ভাঙার চেষ্টা: গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতা

রাজধানীর মিরপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা বলয়ের খুব কাছে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বুধবার দুপুরে মিরপুর এলাকায় প্রধানমন্ত্রী যখন ফুটপাত পরিদর্শনে ব্যস্ত ছিলেন, ঠিক তখনই ওই ব্যক্তি তার নিরাপত্তা বেষ্টনী অতিক্রম করে কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মধ্যে সতর্কতা তৈরি হয় এবং দ্রুত তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

আটককৃত ব্যক্তির নাম তানভীর জোমাদ্দার। তিনি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ঘটনাস্থলেই উপস্থিত দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করে মিরপুর মডেল থানায় নিয়ে যায়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে, কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে অথবা অতি-উৎসাহী হয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে তার কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো ষড়যন্ত্র বা গভীর উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপ্রধানদের নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। বিশেষ করে জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি কার্যক্রম চলাকালে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়। সেখানে কোনো ব্যক্তি যদি অনধিকার প্রবেশ বা নিরাপত্তার বাধা অতিক্রম করার চেষ্টা করেন, তবে তা অবশ্যই আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তানভীর জোমাদ্দারকে আটক করার পর তাকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনার পেছনের পরিস্থিতি বিশদভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, মিরপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত করার সরকারি উদ্যোগ পরিদর্শন করছিলেন সরকারপ্রধান। এই কর্মসূচি চলাকালীন চারপাশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত কড়া। স্থানীয় জনসাধারণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের ভিড়ের মাঝে তানভীর জোমাদ্দার হঠাৎ সামনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষীরা তাকে ধরে ফেলেন। তার এই আচরণের ফলে ওই এলাকায় কিছুটা সময়ের জন্য বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

রাজনৈতিক সচেতন মহলের মতে, ছাত্রলীগ বা যেকোনো সহযোগী সংগঠনের নেতাদের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের জন্য দৃষ্টান্তমূলক আচরণ কাম্য। প্রধানমন্ত্রীর মতো রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তা বেষ্টনীতে অনধিকার প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন। তানভীরের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

বর্তমানে তানভীর জোমাদ্দারকে মিরপুর মডেল থানায় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার মতো কোনো ঘটনা ঘটলে তা আইন অনুযায়ী কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

অবরোধের মধ্যে সাজেকের পথে ‘সশস্ত্র গোষ্ঠীর’ সঙ্গে সেনাবাহিনীর গোলাগুলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
   
অবরোধের মধ্যে সাজেকের পথে ‘সশস্ত্র গোষ্ঠীর’ সঙ্গে সেনাবাহিনীর গোলাগুলি

বিকালে সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ দুদিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা বলেন, “সকাল ৬টা থেকে সাজেক সড়কের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের অনির্দিষ্টকালের কর্মসূচি অবরোধ পালিত হয়েছে। পরে বিকাল ৫টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আশ্বাসে সড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার হয় এবং ৪৮ ঘণ্টার জন্য অবরোধ স্থগিত করা হয়েছে। এখন থেকে সাজেক সড়কে পর্যটক ও যানবাহন চলাচল করতে পারবে।”

গণতন্ত্রের প্রধান স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
   
গণতন্ত্রের প্রধান স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যেকোনো দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ভিত মজবুত করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি মনে করেন, ইতিবাচক ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে বড় ধরনের সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

সম্প্রতি এক আলোচনায় রাষ্ট্রপতি গণমাধ্যমকে গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যম কেবল তথ্যের আদান-প্রদান করে না, বরং জনমত গঠন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণকে অর্থবহ করে তোলে। আধুনিক গণতান্ত্রিক বিশ্বে গণমাধ্যমের নিরপেক্ষতা এবং সততার ওপর রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা অনেকটাই নির্ভর করে। রাষ্ট্রপতির ভাষ্যমতে, সঠিক তথ্য প্রচার এবং গঠনমূলক সমালোচনা করার মাধ্যমে গণমাধ্যম দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নিরবচ্ছিন্ন কাজ চালিয়ে যেতে পারে।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সাংবাদিকদের আরও বেশি সচেতন এবং দায়িত্বশীল হতে হবে। তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি গুজবের বিস্তার রোধ এবং অপপ্রচার থেকে সমাজকে মুক্ত রাখতে গণমাধ্যমের ভূমিকা পালন করা এখন সময়ের দাবি। তিনি উল্লেখ করেন, যখন গণমাধ্যম নির্ভীক ও সত্যনিষ্ঠ থাকে, তখন সমাজ ও রাষ্ট্রে ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা অনেক সহজতর হয়।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীন সত্তা একে অপরের পরিপূরক। এই স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রপতির মতে, একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি গণমাধ্যমের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা জরুরি। বিশেষ করে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গণমাধ্যমের ইতিবাচক অংশগ্রহণ দেশের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে পারে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

পরিশেষে, রাষ্ট্রপতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দেশের গণমাধ্যমগুলো আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেমের সাথে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তিনি মনে করেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও গণমাধ্যমকে সৃজনশীল হতে হবে। গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে ও দেশের সংবিধানের মূল চেতনা রক্ষায় গণমাধ্যম ও রাষ্ট্র—উভয়কেই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার সম্পর্ক বজায় রেখে এগিয়ে যেতে হবে।

গাজায় ভয়াবহ খাদ্যসংকট: ত্রাণ সহায়তা কমিয়ে দিল ডাব্লিউএফপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
   
গাজায় ভয়াবহ খাদ্যসংকট: ত্রাণ সহায়তা কমিয়ে দিল ডাব্লিউএফপি

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় মানবিক বিপর্যয় চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সীমিত হয়ে আসায় প্রায় ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি এখন তীব্র খাদ্যসংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছেন। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডাব্লিউএফপি) থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, এই বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা বর্তমানে চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে। ত্রাণ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় এবং প্রয়োজনীয় রসদ পৌঁছাতে না পারায় সাধারণ মানুষের জীবনধারণ অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

দীর্ঘদিন ধরে চলমান সংঘাত এবং অবরোধের কারণে গাজার অর্থনীতি ও সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। আগে থেকেই খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা মানুষেরা এখন নতুন করে আরও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। ত্রাণ সহায়তার পরিমাণ কমিয়ে দেওয়ায় স্থানীয় বাজারগুলোতে খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। ফলে ক্ষুধা ও অপুষ্টি জনিত সমস্যার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।

গাজার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করতে না পারায় সেখানকার মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি তাদের সাধ্যমতো সহায়তা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও অর্থের সীমাবদ্ধতা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তারা এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং খাবার জোগাড় করাটাই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের অবস্থা সবচেয়ে বেশি নাজুক বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ত্রাণকর্মীরা।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বারবার এই মানবিক বিপর্যয়ের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হলেও বাস্তবে পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। ত্রাণ সহায়তা যদি দ্রুত বাড়ানো না হয়, তবে গাজায় অচিরেই দুর্ভিক্ষের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। অবরুদ্ধ অঞ্চলে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা অব্যাহত রাখা এখন সময়ের প্রধান দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফিলিস্তিনিদের জন্য আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আহ্বান জানানো সত্ত্বেও পরিস্থিতির স্থায়ী কোনো সমাধান এখনো অধরা। গাজার সাধারণ মানুষ এখন একদিকে সংঘাতের হুমকি, অন্যদিকে চরম ক্ষুধা ও অভাবের মধ্যে দিন অতিবাহিত করছেন। ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা এই লক্ষাধিক মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে এখনই জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ
অবরোধের মধ্যে সাজেকের পথে ‘সশস্ত্র গোষ্ঠীর’ সঙ্গে সেনাবাহিনীর গোলাগুলি গণতন্ত্রের প্রধান স্তম্ভ গণমাধ্যম: রাষ্ট্রপতি গাজায় ভয়াবহ খাদ্যসংকট: ত্রাণ সহায়তা কমিয়ে দিল ডাব্লিউএফপি সৌদি আরবে স্বাভাবিক বিমান চলাচল, ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালু খেলাধুলা জাতীয় ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করে: প্রধানমন্ত্রী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় গুণ যাকে বুক দেখায়, তাকে পিঠ দেখায় না — মির্জা ফয়সল প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় ভাঙার চেষ্টা: গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতা ইশরাকের পদত্যাগে মেয়র নির্বাচনের পথ কি সুগম হলো? এমআরইউ ও ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতালের মধ্যে করপোরেট স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি ১৬০ রানে থেমে বিদায় বাংলাদেশের, ফাইনালে আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে
Advertisement