খুঁজুন
, ,

মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা: মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা: মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে এক যুবককে মারধরের পর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোহাম্মদ শাজাহান আলীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৫ জুলাই) ভূল্লী থানার মামলা নং-১২, তারিখ ২৪ জুলাই ২০২৬, দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি মোহাম্মদ শাজাহান আলী (পিতা- মৃত শামসুল আলম), আফজালপাড়া, কুমারপুর, ভূল্লী, ঠাকুরগাঁওকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় ঠাকুরগাঁওয়ের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে পারিবারিক বিরোধের জেরে ভূল্লী উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নের কিসমত কেশুরবাড়ী এলাকায় মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে নজরুল ইসলাম (২৬) নামে এক যুবককে সংঘবদ্ধভাবে মারধরের অভিযোগ ওঠে। গুরুতর আহত অবস্থায় কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৩ জুলাই রাতে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে শাজাহান আলী, নিহতের স্ত্রীসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২-৩ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে ভূল্লী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “হত্যা মামলার এক নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি মোহাম্মদ শাজাহান আলীকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে এবং প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে উত্তাল শিল্পাঞ্চল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে উত্তাল শিল্পাঞ্চল

রাজধানী ঢাকা এবং এর আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলগুলো রবিবার হঠাৎ করেই উত্তাল হয়ে ওঠে। পোশাক শ্রমিকদের পক্ষ থেকে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জোরালো হলে পরিস্থিতি দ্রুত ঘোলাটে হতে শুরু করে। দীর্ঘদিনের জমে থাকা অসন্তোষ এবং বকেয়া বেতন-ভাতার দাবি পূরণ না হওয়ার ক্ষোভে শ্রমিকরা এদিন সকাল থেকেই রাজপথে নেমে আসেন। মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার শ্রমিক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন, যার প্রভাব পড়েছে জনজীবনে।

রোববার সকাল থেকে শিল্পাঞ্চলগুলোর প্রধান প্রধান সড়কে শ্রমিকরা অবস্থান নিলে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। অনেক জায়গায় শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কোথাও কোথাও টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করতে দেখা যায় পুলিশকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শুধু বিক্ষোভ নয়, বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে, যার ফলে পুরো শিল্প এলাকায় এক ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এই অস্থিরতার জেরে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে অনেক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছে।

সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রোববার বিকাল পর্যন্ত অন্তত পাঁচটি প্রধান শিল্পাঞ্চলে ৫০০-এর অধিক কারখানায় কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। শ্রমিকদের অভিযোগ, নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে বর্তমান বেতনে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বারবার আলোচনা করেও দাবি পূরণ না হওয়ায় তারা কঠোর আন্দোলনের পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন। অন্যদিকে, কারখানা মালিকপক্ষের দাবি, বৈশ্বিক মন্দা এবং অস্থির বাজারের প্রেক্ষাপটে শ্রমিকদের সব দাবি তাৎক্ষণিকভাবে মেনে নেওয়া কঠিন। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিল্প পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

শিল্পাঞ্চলগুলোতে বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাব মোতায়েন করা হয়েছে যেন কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড না ঘটে। মালিক ও শ্রমিকপক্ষের মধ্যে দ্রুত সমঝোতা না হলে এই অস্থিরতা আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতারা। তারা বলছেন, উৎপাদন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ব্যাহত হলে পোশাক শিল্পে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি নেমে আসবে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।

বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ন্যূনতম মজুরির বিষয়টি সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। অন্যদিকে, সরকার ও বিজিএমইএ-এর পক্ষ থেকে শ্রমিকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। শিল্পাঞ্চলের স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ফিরিয়ে আনতে মালিক, শ্রমিক ও রাষ্ট্র—তিন পক্ষকেই সহনশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং শ্রমিক প্রতিনিধিরা আলোচনার টেবিলে বসে এই সংকটের কত দ্রুত টেকসই সমাধান বের করতে পারেন।

খুলনায় তাঁতী দলের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিবারের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
খুলনায় তাঁতী দলের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিবারের

খুলনা নগরীতে সৈয়দ হুমায়ুন কবির নামের এক রাজনৈতিক নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত হুমায়ুন কবির খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রবিবার সন্ধ্যায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া যায়। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং নিহতের পরিবার এই বর্বরোচিত ঘটনার জন্য স্থানীয় ছাত্রদলের এক নেতাকে সরাসরি দায়ী করছেন।

নিহতের ভাতিজা সৈয়দ দিদারুল আলম বিপ্লব দাবি করেছেন যে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী এবং নির্দেশদাতা হলেন খুলনা মহানগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরাফাত হোসেন। হাসপাতাল প্রাঙ্গণে শোকার্ত স্বজনদের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি এই অভিযোগ তোলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে এবং প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, হুমায়ুন কবিরকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে কুপিয়ে জখম করা হয়েছিল। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক বিরোধ কিংবা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এমন নির্মম ঘটনা ঘটল এবং এর পেছনে অন্য কোনো পক্ষ জড়িত কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল এবং হাসপাতাল এলাকা পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের স্বজনদের অভিযোগ এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করতে অভিযান শুরু হয়েছে।

খুলনার রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের স্বজনরা দ্রুত এই ঘটনার বিচার দাবি করেছেন। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ঘটনার সময় কারা সরাসরি অংশ নিয়েছিল এবং কার নির্দেশে এই হামলা চালানো হয়েছে, তা আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কাছে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। স্থানীয় মানুষজন এখন আতঙ্কিত এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছেন।

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা এখন এই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বা অন্যান্য আলামত সংগ্রহের কাজ করছেন। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পরিকল্পনা রয়েছে। আরাফাত হোসেনসহ যাদের নাম উঠে এসেছে, তাদের অবস্থান নিশ্চিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য পুলিশ বিশেষ টিম কাজ করছে। তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক এজাহার দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে। নিহত হুমায়ুন কবিরের পরিবার শোকে মুহ্যমান এবং তাদের দাবি, কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে যেন অপরাধীদের ছাড় দেওয়া না হয়। পুলিশ বলছে, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার আসল রহস্য উন্মোচন করা হবে এবং জড়িত কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

তাহসিফের মৃত্যু: দুই জনকে গ্রেফতারের পর তদন্তে নতুন মোড়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
তাহসিফের মৃত্যু: দুই জনকে গ্রেফতারের পর তদন্তে নতুন মোড়

রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশি তদন্তের সাথে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই গ্রেফতারের পর তাহসিফের মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনে বেশ কিছু নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে তারা আশাবাদী।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার রাতে উত্তরার একটি রেস্টুরেন্টে তাহসিফসহ মোট তিন জনকে প্রবেশ করতে এবং পরে একত্রে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ফুটেজে এই দৃশ্য ধরা পড়েছে। ফুটেজে দেখা যাওয়া অন্য দুই জন হলেন তাহসিফের জুনিয়র বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ এবং তার কথিত এক বান্ধবী। ঘটনার রাত ও এর পরবর্তী সময়ের ব্যবধানে কী ঘটেছিল এবং কীভাবে তাহসিফ তুরাগ নদে গিয়ে পৌঁছালেন, তা এখনও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অস্পষ্ট। ঘটনার পরদিন বিকেলে তুরাগ নদে তাহসিফের নিথর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার ভিত্তিতে পুলিশ তাদের কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করেছে। গ্রেফতার হওয়া দুই জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর তাদের গতিপথ এবং কী ধরনের আলাপচারিতা বা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। তাহসিফের মৃত্যুর কারণটি হত্যা নাকি অন্য কোনো দুর্ঘটনা—এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে ফরেনসিক রিপোর্ট এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

বিমানবাহিনীর সাবেক এই কর্মকর্তার অকাল মৃত্যুতে তার পরিবার ও পরিচিত মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাহসিফের বন্ধুদের সাথে তার শেষ মুহূর্তের অবস্থান ও কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা গুঞ্জন ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃত দুইজনের দেওয়া তথ্যের সাথে সিসিটিভি ফুটেজের মিল রয়েছে কি না, তা নিয়েও কাজ করছেন দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।

তদন্তকারী দল জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত মরদেহ এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে প্রতিটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট অন্য কেউ জড়িত কি না বা অন্য কোনো পক্ষকে সন্দেহ করার সুযোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ আশ্বস্ত করেছে যে, অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ও তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই রহস্য উদঘাটনে তারা কাজ করছে। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় প্রয়োজন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত সত্য সামনে আসবে বলেই প্রত্যাশা করছে প্রশাসন।

সর্বশেষ
পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে উত্তাল শিল্পাঞ্চল খুলনায় তাঁতী দলের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিবারের তাহসিফের মৃত্যু: দুই জনকে গ্রেফতারের পর তদন্তে নতুন মোড় পেশাজীবনের বাস্তবতা ও ব্যক্তিগত জীবনের সংকট এনসিপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে ধোঁয়াশা, নাজমুল আবেদীন ও নাজমুল ইসলামের নাম নিয়ে গুঞ্জন ক্রিকেটপাড়া তোলপাড় করা সেই নাজমুলের এবার নতুন পরিচয়ে রাজনীতিতে অভিষেক সুনামগঞ্জে জসীমউদ্দীনের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ নিয়ে পাঠচক্র নতুন করে হামলা চালালে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হবে, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের হুঁশিয়ারি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের হাওয়া সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ হত্যায় পাঁচজনের সরাসরি অংশগ্রহণ, আদালতে জবানবন্দি
Advertisement