খুঁজুন
, ,

ঠাকুরগাঁওয়ে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ লোপাটের অভিযোগ ভিত্তিহীন

আলোকিত সারাদেশ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ লোপাটের অভিযোগ ভিত্তিহীন

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় উপজেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বেশ কিছু গণমাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে হরিপুর উপজেলা প্রেসক্লাব হলরুমে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন, হরিপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান প্রধান উপদেষ্টা  অধ্যাপক করিমুল হক মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম, হরিপুর উপজেলার ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মশিউর রহমান রয়েল, গেদুড়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মঞ্জুর আলম, আমগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য আব্দুর রহিমসহ ১৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের সভাপতিসহ হরিপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর ও ছাত্রদলের সভাপতি আবুল হাসান ডন প্রমূখ।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা বলেন, একটি মহল এমপি  ও  আমাকে জড়িয়ে মিথ্যাচার চালাচ্ছেন। বিভিন্ন মাধ্যমে বলা হচ্ছে আমি এমপির ভাগিনা পরিচয়ে প্রকল্পের ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাত করেছি। এটার কোন প্রমান কারো কাছে নেই। আর আমি প্রকল্পের টাকা উত্তলোনের কেউ নাই। উন্নয়ন প্রকল্পের যে কথা উঠছে তা ভিত্তিহীন।  আমি এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

একাধিক প্রকল্পের সদস্য সচিব হিসেবে বিষয়ে মাসুদ রানা বলেন, স্থানীয় ইউএনও  নিজেই আমাকে রেখেছেন।  একজন ব্যক্তি একাধিক প্রকল্পেন সদস্য সচিব হতে পাড়বেনা এমন কোন বাধা নেই যার কারণে তিনি আমাকে এ দায়িত্ব দিয়েছে যাতে কাজটি ভালো হয়।

এসময় বিভিন্ন প্রকল্পের চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা বলেন, উপজেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে ঘিড়ে যেই অভিযোগ তুলা হচ্ছে তা সত্য নয়। আমাদের প্রকল্পের চেক সে কোন মতে তুলতে পাড়বেনা। আমরা আমাদের নিয়ম মতেই কাজ করতেছি। তাকে জড়িয়ে এসব ঘটনার নিন্দা জানাই।

হরিপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের বলেন, আমার কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানার নামে যে অভিযোগ উঠেছে তা ভিত্তিহীন। দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করছে বলে আমি মনে করি। তারপরও বিষয়টি আমরা দলীয় ভাবে তদন্ত করবো, তদন্তে সত্যতা মিললে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেভাবে (৬ নভেম্বর, ২০২৬)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেভাবে (৬ নভেম্বর, ২০২৬)

ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের জন্য আজকের দিনটি বেশ ঘটনাবহুল। প্রতিটি দিনের সূচনার সঙ্গে সঙ্গেই ভক্তরা অপেক্ষায় থাকেন প্রিয় দলের খেলা দেখার জন্য। টেলিভিশনের পর্দার সামনে সময় কাটানো এখন আর কেবল বিনোদন নয়, বরং অনেকের কাছেই এটি একটি আবেগ ও আবেশ। বিশেষ করে যখন বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বড় সিরিজ চলে, তখন পুরো দেশের ক্রিকেটানুরাগীদের নজর থাকে টিভি স্ক্রিনের দিকে। আজ ৬ নভেম্বর, ২০২৬, বুধবার। দিনটিকে ঘিরে ক্রিকেট ও ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশা তুঙ্গে। আজকের এই দিনে কোন চ্যানেলে কোন খেলাটি সরাসরি সম্প্রচারিত হবে, তা জেনে নেয়া যাক বিস্তারিতভাবে।

আজকের দিনের প্রধান আকর্ষণ হলো বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। আজ ম্যাচের দ্বিতীয় দিন। সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে ক্রিকেটপ্রেমীরা সরাসরি এই ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন টি স্পোর্টসের পর্দায়। টেস্ট ক্রিকেট ধৈর্যের পরীক্ষা নেয় এবং এই ম্যাচে বাংলাদেশ দল কতটা লড়াই করতে পারে, সেটি দেখার অপেক্ষায় আছেন সমর্থকরা। সিরিজের গুরুত্ব বিবেচনায় এই ম্যাচটি টাইগারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় দিনের খেলা কেমন হবে, উইকেটের চরিত্র কেমন আচরণ করবে এবং বাংলাদেশি ব্যাটার বা বোলাররা কেমন পারফর্ম করবেন—সব মিলিয়ে টানটান উত্তেজনার একটি দিন অপেক্ষা করছে ক্রিকেট ভক্তদের জন্য। অফিসে বা ঘরে বসেও অনেকেই রেডিও বা অনলাইন আপডেটের চেয়ে সরাসরি টিভি সম্প্রচারকেই প্রাধান্য দেন, যা খেলার মাঠের আবহকে বসার ঘরে নিয়ে আসে।

ক্রিকেটের পাশাপাশি ফুটবল ভক্তদের জন্যও থাকছে দারুণ কিছু মুহূর্ত। লা লিগার রোমাঞ্চকর ম্যাচে আজ মুখোমুখি হতে যাচ্ছে সেভিয়া এবং আলাভেস। বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচারিত হবে টি স্পোর্টসে। লা লিগার মতো ইউরোপীয় লিগের ফুটবল দর্শকদের কাছে সবসময়ই বাড়তি উন্মাদনার সৃষ্টি করে। দিনের কর্মব্যস্ততা শেষে গভীর রাতে হলেও ইউরোপিয়ান ফুটবলের এই লড়াই উপভোগ করতে ভুল করেন না বাংলার অগণিত ফুটবল ভক্ত। সেভিয়া বনাম আলাভেসের এই ম্যাচে কার জয় হবে, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

সব মিলিয়ে আজকের দিনের এই খেলাগুলো ক্রীড়াঙ্গনের দর্শকদের জন্য বেশ আনন্দদায়ক হতে যাচ্ছে। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন সারা বিশ্বের খেলা সরাসরি দেখা অনেকটাই সহজ। আধুনিক সময়ে খেলাধুলা কেবল মাঠে দেখার বিষয় নয়, টেলিভিশন এবং সম্প্রচার মাধ্যমের দৌলতে তা এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। টি স্পোর্টসের মতো চ্যানেলগুলো বিশ্বমানের খেলার সম্প্রচার নিশ্চিত করে দর্শকদের সেই সুযোগটিই করে দিচ্ছে। খেলাধুলা মানুষের মন ভালো রাখার অন্যতম মাধ্যম এবং আজকের এই দুটি ম্যাচ—একটি টেস্ট ক্রিকেটের ধ্রুপদী লড়াই এবং অন্যটি লা লিগার দ্রুতগতির ফুটবল—দর্শকদের দুই ধরনের অভিজ্ঞতাই প্রদান করবে। যারা নিয়মিত খেলাধুলা দেখেন, তারা জানেন যে সময়ের সাথে খাপ খাইয়ে খেলা দেখা কতটা আনন্দদায়ক। তাই হাতে রিমোট নিয়ে প্রস্তুত হোন এবং আজকের সব রোমাঞ্চকর মুহূর্ত উপভোগ করুন। তবে মনে রাখবেন, খেলার মাঠে খেলোয়াড়দের মানসিক শক্তি এবং কৌশলই সব, আর আমরা কেবল তার সাক্ষী হওয়ার অপেক্ষায় থাকি। নিয়মিত এই আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের চেষ্টা থাকে ক্রীড়াপ্রেমীদের সঠিক তথ্য সরবরাহ করার। তাই সব ধরনের আপডেটের জন্য চোখ রাখুন আমাদের খেলার পাতায়। দিনটি আনন্দময় হোক সকল ক্রীড়াপ্রেমীর জন্য।

হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে চার দেশের ওপর থেকে কড়াকড়ি তুলল ইরান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৯ পূর্বাহ্ণ
   
হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে চার দেশের ওপর থেকে কড়াকড়ি তুলল ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ইরান। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম ব্যস্ততম নৌপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চারটি নির্দিষ্ট দেশের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য এই কড়াকড়ি তুলে নেওয়া হয়েছে, যার ফলে ওই দেশগুলোর জন্য এখন এই পথ দিয়ে চলাচল আগের চেয়ে সহজ হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতসহ সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোর জাহাজগুলো এখন বাড়তি জটিলতা ছাড়াই ওই অঞ্চল দিয়ে চলাচল করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ইরানের এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্বকে বড় করে দেখা হচ্ছে। হরমুজ প্রণালী বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের প্রধান রুটগুলোর মধ্যে অন্যতম। এখানে কোনো ধরনের বিধিনিষেধ বা অস্থিরতা তৈরি হলে তা বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। ইরানের তরফ থেকে নেওয়া এই পদক্ষেপে চারটি দেশের নাম উল্লেখ করা হলেও বাকি দেশগুলোর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট করা হয়নি। তবে ভারত এই তালিকায় থাকায় নয়াদিল্লি ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক স্তরের বোঝাপড়া ও আলোচনার বিষয়টি সামনে উঠে আসছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে যে ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে, তাতে যেকোনো দেশের জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার ঝুঁকি বা বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন হয়। ইরান কর্তৃপক্ষ যখন তাদের আকাশ বা সমুদ্রসীমায় কোনো বিধিনিষেধ দেয়, তখন তা সাধারণত নিরাপত্তার স্বার্থেই করা হয়। এবার বিশেষ এই ছাড় দেওয়ার অর্থ হলো, তেহরান ওই চারটি দেশের সাথে তাদের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এই পদক্ষেপটি আঞ্চলিক বাণিজ্যের জন্য ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

হরমুজ প্রণালী বরাবরই ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে টানাপোড়েনের একটি কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। এই জলপথের দখল ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অতীতেও নানা সময় বাগবিতণ্ডা হয়েছে। তবে এবার বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত রাখা ইরানের একটি কৌশলগত চাল হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ইরান সম্ভবত আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটি বার্তাও দিতে চেয়েছে যে, তারা কেবল বৈরী সম্পর্ক নয়, বরং বন্ধুত্বপূর্ণ বা নিরপেক্ষ দেশগুলোর সাথে বাণিজ্য ও যোগাযোগের পথ উন্মুক্ত রাখতে চায়।

ভারতের জন্য এই সিদ্ধান্ত বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির একটি বড় অংশ এই সমুদ্রপথ দিয়ে আসে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়টি ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাই ইরানের এই ঘোষণা নয়াদিল্লির জন্য একটি স্বস্তির খবর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, চলমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেও বাণিজ্যিক রুটগুলোর স্বাভাবিকতা বজায় রাখার এই প্রচেষ্টা বিশ্ব অর্থনীতি ও জাহাজ চলাচলকারী দেশগুলোর জন্য জরুরি। ইরান কর্তৃপক্ষের এই শিথিলতা দীর্ঘমেয়াদে কতটা কার্যকর থাকে, তা দেখার বিষয়। তবে আপাতত এই চারটি দেশের বাণিজ্যিক নৌ-চলাচল আগের তুলনায় আরও সুগম হলো বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে।

সাভার-আশুলিয়ায় অস্থিরতা নিরসনে কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমিক নেতাদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
সাভার-আশুলিয়ায় অস্থিরতা নিরসনে কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমিক নেতাদের

সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে কয়েকদিন ধরে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ এবং এর ফলে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে মাঠপর্যায়ে দীর্ঘমেয়াদী আন্দোলনের বাস্তবতা না থাকায়, শ্রমিকদের পুনরায় কর্মক্ষেত্রে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের প্রধান দাবি ছিল মজুরি বোর্ড গঠন এবং নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা। সেই দাবির প্রেক্ষিতে সরকারি উদ্যোগের বিষয়টি সামনে আসায় এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

শিল্পাঞ্চলের একাধিক শ্রমিক নেতা জানিয়েছেন, তাদের আন্দোলনের মূল লক্ষ্য অর্জিত হওয়ার পথে। মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা এবং নতুন মজুরি কাঠামো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় এখন আর রাস্তায় নামার যৌক্তিক কারণ নেই বলে মনে করছেন তারা। বরং শিল্পকারখানাগুলো সচল থাকলে উৎপাদন অব্যাহত থাকবে, যা দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার পাশাপাশি শ্রমিকদের নিজেদের জীবনজীবিকার জন্য অত্যাবশ্যক। উৎপাদন বন্ধ থাকলে শেষ পর্যন্ত শ্রমিকরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন বলে তারা মনে করিয়ে দিয়েছেন।

তবে কাজে ফেরার আহ্বানের পাশাপাশি শ্রমিকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন নেতারা। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, শ্রমিকরা কাজে ফিরে গেলেও তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি সরকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। গত কয়েকদিনের অস্থিরতায় কর্মক্ষেত্রে যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা দূর করার দায়িত্ব মালিকপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। শ্রমিকরা যেন কর্মস্থলে কোনো ধরণের হয়রানি বা ভীতির শিকার না হন, সেটি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

শিল্প সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকদের মতে, সাভার ও আশুলিয়া অঞ্চলের কারখানাগুলোতে অস্থিরতার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় রপ্তানি আদেশেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিক নেতাদের এই আহ্বান অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন অনেকে। এর ফলে কারখানাগুলোতে পুনরায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শ্রমিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সরকার ও মালিকপক্ষ তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলে দীর্ঘমেয়াদে এই শিল্পাঞ্চলে শান্তি ফিরে আসবে।

শ্রমিক নেতারা আরও জানিয়েছেন যে, কেবল কাজে ফেরা নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করাই তাদের একমাত্র পথ। কোনো অবস্থাতেই তৃতীয় কোনো পক্ষ যেন ফায়দা নিতে না পারে, সেদিকে শ্রমিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। আগামী দিনগুলোতে কারখানায় সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলে উৎপাদন ব্যবস্থা দ্রুতই স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন। সামগ্রিকভাবে, শিল্পাঞ্চলে শান্তি বজায় রাখতে শ্রমিক, মালিক এবং সরকার তিন পক্ষকেই পারস্পরিক সমঝোতা ও সহনশীলতার পরিচয় দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন সংশ্লিষ্ট সবাই।

সর্বশেষ
আজকের খেলার সূচি: টিভিতে চোখ রাখবেন যেভাবে (৬ নভেম্বর, ২০২৬) হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে চার দেশের ওপর থেকে কড়াকড়ি তুলল ইরান সাভার-আশুলিয়ায় অস্থিরতা নিরসনে কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমিক নেতাদের গাজীপুর সাফারি পার্কে নতুন অতিথির আগমন: নীলগাইয়ের চার শাবকের জন্ম টেকনাফে সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান, নিহত সেনাসদস্য শিশু অধিকার সুরক্ষায় বিদ্যমান আইন সংশোধনের লক্ষ্যে সংসদীয় ককাসের কার্যক্রম শুরু বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিটে ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ১৬টি প্রকল্পের প্রদর্শন বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বাড়ার আভাস, অর্থনীতিতে নতুন চাপের মুখে বাংলাদেশ বাংলাদেশের স্কোয়াড গভীরতা নিয়ে মুগ্ধ ভুটানের কোচ অধ্যক্ষর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স