খুঁজুন
, ,

আমতলীতে এনএসএস ও ওয়ার্ল্ড ভিশনের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো উপলক্ষে অবহিত করন সভা অনুষ্ঠিত

মাইনুল ইসলাম রাজু ,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
আমতলীতে এনএসএস ও ওয়ার্ল্ড ভিশনের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো উপলক্ষে অবহিত করন সভা অনুষ্ঠিত

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; algolist: 0; multi-frame: 1; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: weather?Sunny, icon:0, weatherInfo:101;temperature: 41;

আমতলীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন খাওয়ানো উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় লোকজ রিসোর্স সেন্টারে এক অবহিত করন সভা অনুষ্ঠিত হয়। এনএসএস ও ওয়ার্ল্ড ভিশন এ অবহিত করন সভার আয়োজন করে। সভায় জানানো হয় আমতলীতে এবছর ২৫ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস টিকা খাওয়ানো হবে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় ওয়ার্ল্ড ভিশন আমতলীর এপি ম্যানেজার বিপ্লব আইজাক সরদারের সভাপেিত্বে লোকজ রিসোর্স সেন্টারে এক অবহিত করন সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক জাকির হোসেন, ওয়াল্ড ভিশনের স্পন্সরশীপ অফিসার লিটন হিউবাট কোরাই, এনএসএস এর প্রোগ্রাম অফিসার মৃদুল সরকার, কমিউনিটি ডেভেলপমন্টে অফিসার রাধা রানী, খোকন দাস ও জ্যাকলিন টুম্পা মন্ডল প্রমুখ।
সভাপতি বিপ্লব আইজাক সরদার জানান, আগামী ১৫ মার্চ উপজেলার হলদিয়া, আরপাঙ্গাশিয়া, আমতলী সদর ও পৌরসভার শিশুদের মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানোর জন্য সরকারী দপ্তরকে সহায়তার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এই ক্যাম্পেইন এনএসএস ও ওয়ার্ল্ড ভিশনের ৯৭ জন্য কর্মী দিনভর প্রতি ক্যাম্পে সহায়তা করবে।

শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের ছাড় নয়: পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের ছাড় নয়: পুলিশ

দেশের শিল্পাঞ্চলে চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, সরকার শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নির্ধারণের লক্ষে ইতিমধ্যেই মজুরি বোর্ড গঠন করেছে এবং সেই বোর্ডের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। আইনগতভাবে এই প্রক্রিয়া চলমান থাকার পরেও যারা শিল্পাঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, তাদের প্রকৃত আন্দোলনকারী হিসেবে দেখছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সোমবার বিকেলে এক আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রকৃত শ্রমিকরা সবসময়ই আলোচনার মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করে থাকেন, যা গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ। কিন্তু কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে শিল্পাঞ্চলে অরাজকতা তৈরির পাঁয়তারা করছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা এই বিশৃঙ্খলার পেছনে ইন্ধন দিচ্ছে এবং যারা সরাসরি অস্থিতিশীলতা তৈরিতে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে পুলিশ।

ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, শিল্পকারখানা আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। তাই এই খাতকে রক্ষা করা এবং সুষ্ঠু উৎপাদন ব্যবস্থা বজায় রাখা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যতম দায়িত্ব। কেউ যেনো শ্রমিকদের আবেগকে পুঁজি করে শিল্প এলাকায় ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা না করতে পারে, সে বিষয়ে পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। শিল্পাঞ্চলে কোনো ধরনের ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বা জোরপূর্বক কাজ বন্ধের মতো কর্মকাণ্ডের খবর পাওয়া মাত্রই যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, স্থানীয় প্রশাসন এবং শিল্প মালিকদের সাথে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে তারা কাজ করছেন। শ্রমিকদের প্রকৃত সমস্যা বা দাবি থাকলে তা সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব। কিন্তু আন্দোলনের নামে রাস্তা অবরোধ বা কারখানার সম্পত্তি ধ্বংসের মতো সহিংসতা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে অবনতির দিকে নিয়ে যায়, যা সাধারণ শ্রমিকদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

শিল্প এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কোনো অশুভ চক্র যাতে পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে না পারে, সেজন্য পুলিশ সতর্ক রয়েছে। যারা এই অস্থিরতার মূল হোতা, তাদের শনাক্ত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অযৌক্তিক কোনো অস্থিতিশীলতায় জড়ালে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শিল্প এলাকা স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

গাজীপুর ও সাভারে টানা তিন দিন বিক্ষোভ: বন্ধ চার শতাধিক কারখানা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
গাজীপুর ও সাভারে টানা তিন দিন বিক্ষোভ: বন্ধ চার শতাধিক কারখানা

শিল্পাঞ্চলগুলোতে টানা তিন দিন ধরে চলমান অস্থিরতা চরম আকার ধারণ করেছে। গাজীপুর ও সাভারের বিভিন্ন কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ এবং ভাঙচুরের ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে শেষ পর্যন্ত চার শতাধিক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রবিবার এই অশান্ত পরিস্থিতির তৃতীয় দিনে এসে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকেই বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে আসে। তারা বিভিন্ন দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে, যার ফলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। বিক্ষোভের একপর্যায়ে কিছু স্থানে উত্তেজিত জনতা সড়ক বিভাজক ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এছাড়া বেশ কিছু যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালালেও বিক্ষোভকারীদের সংখ্যাধিক্যের কারণে হিমশিম খেতে হয় তাদের।

গাজীপুর ও সাভারের মতো নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকাতেও শ্রমিকদের অবরোধের খবর পাওয়া গেছে। সেখানেও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। কারখানাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে একদিনের ছুটি ঘোষণা করলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় তা বর্ধিত করতে হচ্ছে। কোনো কোনো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং সাধারণ কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে।

শিল্প মালিকরা জানিয়েছেন, হঠাত করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা। অনেক কারখানায় সময়মতো পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। শ্রমিক অসন্তোষের পেছনের কারণগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং শিল্প পুলিশ আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

অবরোধের কারণে মহাসড়কগুলোতে শত শত পণ্যবাহী গাড়ি আটকে থাকতে দেখা গেছে। যান চলাচল বন্ধ থাকায় দূরপাল্লার যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। এছাড়া স্থানীয় দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোও নিরাপত্তার খাতিরে বন্ধ রাখা হয়েছে। বিকাল পর্যন্ত পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল, তবে আইনশৃঙ্খলার অবনতি রোধে এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং সকল পক্ষকে ধৈর্য ধারণের অনুরোধ জানিয়েছেন। সাধারণ মানুষ দ্রুত স্বাভাবিক কর্মচঞ্চল পরিবেশ ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের প্রাণহানির খবর পাওয়া না গেলেও ভাঙচুর ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করার চেষ্টা চলছে। শ্রমিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে দ্রুত একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের অন্যতম বিধ্বংসী ব্যাটার এবং কার্যকর স্পিন অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দীর্ঘ ১৪ বছরের পথচলার পর তিনি সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফরম্যাট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিলেন। সোমবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে ক্রিকেট ভক্তদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মাঠের খেলায় নিজের চেনা আগ্রাসী রূপ আর অনবদ্য ফিল্ডিংয়ের জন্য পরিচিত এই ক্রিকেটার ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম বিনোদনদায়ক পারফর্মার হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন।

৩৮ বছর বয়সী ম্যাক্সওয়েল দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে তিনটি ফরম্যাটেই নিজের শক্তিমত্তা প্রমাণ করেছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তিনি দেশের হয়ে ৭টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন, পাশাপাশি ওয়ানডে ফরম্যাটে ১৪৯টি এবং টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ১৩০টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। মাঠের ভেতরে তার ভয়ডরহীন ব্যাটিং শৈলী ক্রিকেট দর্শকদের দীর্ঘদিন মনে গেঁথে থাকবে। বিশেষ করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে তিনি যেভাবে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখতেন, তা বিশ্ব ক্রিকেটের আধুনিক যুগে খুব কম খেলোয়াড়ই দেখাতে পেরেছেন।

নিজের ক্যারিয়ারের দীর্ঘ এই সময়ে ম্যাক্সওয়েল বহু স্মরণীয় ইনিংস খেলেছেন, যা অস্ট্রেলিয়ার জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার অবসরের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই ক্রিকেট বিশ্বে একটি যুগের সমাপ্তি ঘটল। কেবল ব্যাটিং বা বোলিং নয়, বরং ফিল্ডার হিসেবেও ম্যাক্সওয়েল ছিলেন অসাধারণ। ডাইভ দিয়ে বা বাউন্ডারি লাইনে অবিশ্বাস্য সব ক্যাচ ধরার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন বিশ্বসেরাদের একজন। ক্রিকেট মাঠের সেই চিরচেনা আগ্রাসী মনোভাব আর জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে খেলা ম্যাক্সওয়েলকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আর দেখা যাবে না, যা ভক্তদের জন্য কিছুটা হলেও অভাববোধের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন ক্রিকেটীয় প্ল্যাটফর্মে তার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বার্তা আসছে। ক্যারিয়ারের এই দীর্ঘ পথচলায় চড়াই-উতরাই থাকলেও ম্যাক্সওয়েল সবসময় নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রেখেছেন। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে তিনি বিদায় নিচ্ছেন, তবে তার এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা আগামী প্রজন্মের ক্রিকেটারদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকেও তার এই দীর্ঘ সেবা ও অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। আগামীতে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতে তাকে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আঙিনায় তার উপস্থিতি যে শূন্যতার সৃষ্টি করবে তা বলাই বাহুল্য।

সর্বশেষ
শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের ছাড় নয়: পুলিশ গাজীপুর ও সাভারে টানা তিন দিন বিক্ষোভ: বন্ধ চার শতাধিক কারখানা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ছয় মাসে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৭১৯ টাকা জেলহত্যা দিবস আজ: শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হচ্ছে জাতীয় চার নেতাকে প্রধানমন্ত্রীর বিমান সংক্রান্ত পুনরাবৃত্ত ত্রুটি নিয়ে পার্লামেন্টের স্থায়ী কমিটি তদন্তে এগিয়ে চীনের সিনচিয়াংয়ে বিশাল জিরকন বালু মজুদের আবিষ্কার গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে গুজবের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ স্পষ্ট বিবৃতি সাউথইস্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে নতুন পরিচালক শায়লা বানু ঝুমুর ইউনেস্কো: বিশ্বব্যাপী সাংবাদিক হত্যার ৮৬ শতাংশ ঘটনার বিচার হয়নি
Advertisement