খুঁজুন
, ,

ভারতের নতুন ‘লাল তারকা’ নেহা বোরাই: মোদী সরকারের জন্য কতটা হুমকি?

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
ভারতের নতুন ‘লাল তারকা’ নেহা বোরাই: মোদী সরকারের জন্য কতটা হুমকি?

তরুণদের আন্দোলনে আলোচনায় এসেছেন ২৯ বছর বয়সী নেহা বোরাই। তবে তাঁকে নরেন্দ্র মোদী সরকারের জন্য বড় রাজনৈতিক হুমকি বলতে হলে আন্দোলনের বিস্তার, সমর্থন ও প্রভাব সম্পর্কে আরও তথ্য প্রয়োজন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারের বিরুদ্ধে তরুণদের আন্দোলনে নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় এসেছেন ২৯ বছর বয়সী নেহা বোরাই। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই তরুণীর পরিচিতি বাড়লেও, তাঁকে এখনই মোদী সরকারের জন্য ‘আসল হুমকি’ বলে চিহ্নিত করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য নেই। আন্দোলনে তাঁর উপস্থিতি এবং জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব—দুটি বিষয়কে আলাদা করে দেখা জরুরি।

নেহা বোরাইকে ঘিরে যে তথ্য জানা যাচ্ছে, তাতে তিনি ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে এসে তরুণদের সরকারবিরোধী আন্দোলনে নতুন মুখ হিসেবে সামনে এসেছেন। বয়স ও রাজনৈতিক পথচলার এই পরিচয় তাঁকে আলোচনায় এনেছে। কিন্তু তাঁর নেতৃত্বের পরিসর কত বড়, আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তরুণদের সংখ্যা কত, কিংবা তাঁদের সমর্থন কোন কোন এলাকায় ছড়িয়েছে—এসব বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য ছাড়া তাঁর রাজনৈতিক শক্তি নিরূপণ করা কঠিন।

রাজনীতিতে নতুন মুখের উত্থান জনদৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। বিশেষত তরুণদের অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা আন্দোলনে পরিচিত নেতৃত্ব তৈরি হলে সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে তা নিয়ে আগ্রহ বাড়ে। তবে আলোচনায় আসা মানেই জনসমর্থন প্রতিষ্ঠিত হওয়া নয়। একইভাবে, কোনো আন্দোলনে সামনের সারিতে থাকা একজন ব্যক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃহত্তর রাজনৈতিক শক্তির প্রতিনিধিও হয়ে যান না। নেহা বোরাইয়ের ক্ষেত্রেও এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ।

মোদী সরকারের জন্য তাঁকে সরাসরি হুমকি বলতে হলে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার। আন্দোলনটি কী দাবিতে হচ্ছে, সেই দাবিগুলো কতটা জনসমর্থন পাচ্ছে, বোরাইয়ের ভূমিকা নেতৃত্বের পর্যায়ে কি না এবং আন্দোলনটি কতটা সংগঠিত—এসবের উত্তর প্রয়োজন। পাশাপাশি, প্রতিবাদ রাজপথের উপস্থিতি ছাড়িয়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, জনমত বা নির্বাচনী সমীকরণে প্রভাব ফেলছে কি না, সেটিও বিবেচ্য। বর্তমানে পাওয়া সংক্ষিপ্ত তথ্য থেকে এসব বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

ছাত্ররাজনীতির অভিজ্ঞতা একজন তরুণ নেতাকে সংগঠন ও জনসংযোগের সুযোগ দিতে পারে। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা জাতীয় পর্যায়ে প্রভাব বিস্তারের নিশ্চয়তা দেয় না। আন্দোলনের ধারাবাহিকতা, অংশগ্রহণকারীদের আস্থা এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্য সামনে রেখে কাজ করার সক্ষমতা—এসবের ওপরই একজন নতুন মুখের দীর্ঘমেয়াদি গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে। নেহা বোরাইয়ের রাজনৈতিক অবস্থান কতটা দৃঢ়, তা বুঝতে হলে তাঁর বক্তব্য, সাংগঠনিক ভূমিকা এবং আন্দোলনের পরবর্তী গতিপথ সম্পর্কে আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য দরকার।

তরুণদের কোনো আন্দোলনকে মূল্যায়নের সময় শুধু একজন আলোচিত ব্যক্তির পরিচয়কে কেন্দ্র করে দেখলে সামগ্রিক চিত্র আড়াল হতে পারে। আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীরা কী পরিবর্তন চাইছেন, তাঁদের দাবির পক্ষে কত মানুষের সমর্থন আছে এবং তাঁরা কীভাবে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরছেন—এসব প্রশ্নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একজন নতুন মুখ সংবাদ-আলোচনার কেন্দ্র হতে পারেন, কিন্তু আন্দোলনের শক্তি নির্ধারিত হয় তার বিস্তার, স্থায়িত্ব ও মানুষের সঙ্গে সংযোগ দিয়ে।

এখানে আরেকটি সতর্কতা প্রযোজ্য: সরকারবিরোধী প্রতিবাদ এবং সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার রাজনৈতিক সক্ষমতা এক বিষয় নয়। কোনো প্রতিবাদ সরকারের ওপর চাপ তৈরি করতে পারে বা নির্দিষ্ট ইস্যু নিয়ে বিতর্ক বাড়াতে পারে। কিন্তু তা থেকে সরাসরি ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে গেছে—এমন সিদ্ধান্ত টানতে হলে জনসমর্থন, সংগঠন এবং রাজনৈতিক ফলাফলের প্রমাণ দরকার। নেহা বোরাইকে ঘিরে আলোচনাতেও এই মাপকাঠি প্রয়োগ করা প্রয়োজন।

তাই আপাতত তাঁকে তরুণদের আন্দোলনে উঠে আসা আলোচিত নতুন মুখ বলা যায়। তাঁর বয়স, ছাত্ররাজনীতি থেকে আসা এবং মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তরুণদের আন্দোলনে উপস্থিতি—এই তথ্যগুলো তাঁর পরিচিতির ভিত্তি। কিন্তু আন্দোলনের ভৌগোলিক বিস্তার, নির্দিষ্ট দাবি, সমর্থনের মাত্রা কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না থাকায় তাঁকে মোদী সরকারের জন্য বড় বা তাৎক্ষণিক হুমকি বলা যাবে না। আগামী দিনে তাঁর ভূমিকা ও আন্দোলনের গতিপথ সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে এলে সেই মূল্যায়ন বদলাতে পারে।

খাবার দিতে বাক্স খুলে গোখরার কামড়, হাসপাতালে কাঠমিস্ত্রি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
   
খাবার দিতে বাক্স খুলে গোখরার কামড়, হাসপাতালে কাঠমিস্ত্রি

শখ করে পোষা গোখরাকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন। এ সময় সাপটি তাঁকে কামড় দেয়।

শখ করে পোষা গোখরাকে খাবার দিতে বাক্স খুলতেই সাপের কামড়ের শিকার হয়েছেন কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সাপটি প্রায় তিন মাস আগে মাছ ধরার জালে আটকে ছিল। সেখান থেকে সেটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে রাখেন ইকবাল।

প্রাথমিক বিবরণ অনুযায়ী, গোখরাটি বাক্সে রাখা ছিল। সেটিকে খাবার দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাক্স খুলেছিলেন ইকবাল। ওই সময় সাপটি তাঁকে কামড় দেয়। কামড়ের পর তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেলেও তাঁর শারীরিক অবস্থা, চিকিৎসার ধরন কিংবা হাসপাতালের নাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। ঘটনার স্থান ও কামড়ের সুনির্দিষ্ট সময়ও প্রাথমিক তথ্যে উল্লেখ নেই।

বিষধর গোখরাকে পোষা প্রাণী হিসেবে বাড়িতে রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। সাপটি উদ্ধার করে আনার পর প্রায় তিন মাস কেটে গেলেও তাকে খাবার দেওয়ার সময় বাক্স খোলার ঘটনাটি বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাপটি কীভাবে বাক্সে রাখা হয়েছিল, সেটি নিরাপদে আটকে রাখার ব্যবস্থা ছিল কি না, কিংবা এর আগে কাউকে কামড়েছিল কি না—এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য মেলেনি।

বন্য প্রাণী বা বিষধর সাপ উদ্ধার হলে নিজের কাছে রেখে পরিচর্যা করার বদলে প্রশিক্ষিত উদ্ধারকর্মী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা নেওয়া জরুরি। সাপকে খাঁচা বা বাক্সে আটকে রাখলেও সেটি নিরাপদ পোষা প্রাণী হয়ে যায় না। তাকে ধরতে, সরাতে বা খাবার দিতে গেলে কাছাকাছি থাকা মানুষেরও বিপদের আশঙ্কা থাকে। ইকবালের ঘটনায় খাবার দিতে বাক্স খোলার সময়ই কামড়ের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

সাপের কামড়ের পর দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কামড়ের শিকার ব্যক্তিকে হাসপাতালে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে এবং সাপ ধরতে বা মেরে ফেলতে গিয়ে নতুন ঝুঁকি তৈরি করা উচিত নয়। ক্ষতস্থানে কাটা, বিষ চুষে বের করার চেষ্টা বা শক্ত করে বেঁধে রাখার মতো পদ্ধতি বিপজ্জনক হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো পদক্ষেপ না নেওয়াই নিরাপদ। ইকবালকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে; তবে তাঁর চিকিৎসা নিয়ে পরবর্তী কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সাপটি মাছ ধরার জালে আটকে ছিল—এই তথ্য থেকে বোঝা যায়, ইকবাল সেটিকে উদ্ধার করেছিলেন। তবে উদ্ধারের পর তিনি কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কি না, সাপটি কোথায় বা কীভাবে পেয়েছিলেন, কিংবা সেটিকে বাড়িতে রাখার বিষয়ে অন্য কেউ জানতেন কি না, তা জানা যায়নি। এ বিষয়ে অনুমান করে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। নিশ্চিত তথ্য হলো, প্রায় তিন মাস আগে জাল থেকে সাপটিকে উদ্ধার করা হয়েছিল এবং পরে সেটি বাড়িতে রাখা হয়।

ঘটনাটি বিষধর প্রাণীকে শখের বশে বাড়িতে রাখার বিপদ সামনে এনেছে। গোখরা বিষধর সাপ; তাই তাকে পোষ মানানো বা বাক্সে আটকে রাখাকে নিরাপদ বলে ধরে নেওয়া যায় না। খাবার দেওয়ার মতো নিয়মিত কাজেও সাপের কাছে যেতে হয়, আর সেটিই কামড়ের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। উদ্ধার করা প্রাণীকে নিজের তত্ত্বাবধানে রাখার বদলে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করাই মানুষ ও প্রাণী—দুই পক্ষের জন্য ভালো।

ইকবালের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত নিশ্চিত না হওয়ায় তাঁর চিকিৎসার অগ্রগতি নিয়ে কোনো দাবি করা যাচ্ছে না। একইভাবে, ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে বা হাসপাতালে তাঁকে কী চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, সে তথ্যও পাওয়া যায়নি। এসব তথ্য নিশ্চিত হলে ঘটনার পূর্ণ চিত্র জানা যাবে। আপাতত জানা গেছে, খাবার দিতে বাক্স খোলার সময় পোষা গোখরার কামড়ে আহত হওয়ার পর কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক ভাবনা নিয়ে চাকসুর ‘প্রবন্ধসমগ্র’ প্রকাশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
   
শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক ভাবনা নিয়ে চাকসুর ‘প্রবন্ধসমগ্র’ প্রকাশ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের উদ্যোগে বিভিন্ন বিভাগের সেমিনারে উপস্থাপিত নির্বাচিত প্রবন্ধ নিয়ে ‘প্রবন্ধসমগ্র’ প্রকাশিত হয়েছে। গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক ভাবনা নিয়ে ‘প্রবন্ধসমগ্র’ নামে একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সেমিনারে উপস্থাপিত নির্বাচিত প্রবন্ধ এতে সংকলিত করা হয়েছে। গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের গবেষণাভিত্তিক লেখা এক জায়গায় পাঠকের সামনে আনার উদ্যোগটি আনুষ্ঠানিকভাবে সামনে এসেছে।

সংকলনটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানা যাচ্ছে, এতে বিভিন্ন বিভাগের সেমিনারে উপস্থাপিত নির্বাচিত প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে। অর্থাৎ এটি একক কোনো বিভাগের লেখা বা একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সংকলন হিসেবে পরিচিত নয়; বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক বিভাগের সেমিনার-পরিসরে উপস্থাপিত গবেষণামূলক ভাবনার নির্বাচিত অংশ এতে একত্র হয়েছে। তবে কোন কোন বিভাগ থেকে লেখা নেওয়া হয়েছে, তা প্রকাশিত তথ্যের মধ্যে উল্লেখ নেই।

‘প্রবন্ধসমগ্র’ নামটি গ্রন্থটির সংকলনধর্মী বৈশিষ্ট্যকে সামনে আনে। সেমিনারে উপস্থাপিত কোনো লেখা পাঠকসমাজে পৌঁছানোর সুযোগ পেলে আলোচনার পরিসর শ্রেণিকক্ষ বা নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানের গণ্ডি ছাড়িয়ে যেতে পারে। এই প্রকাশনার ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক ভাবনা মুদ্রিত গ্রন্থের মাধ্যমে সংরক্ষণ ও পাঠের সুযোগ তৈরি হয়েছে—এটিই উদ্যোগটির মূল দিক। তবে সংকলিত প্রবন্ধের সংখ্যা, বিষয়ভিত্তিক বিন্যাস কিংবা লেখকদের পরিচয় সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী কাজের একটি অংশ সেমিনারে উপস্থাপিত হয়। সেসব উপস্থাপনা থেকে নির্বাচিত লেখা নিয়ে সংকলন প্রকাশের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের চিন্তা ও বিশ্লেষণকে লিখিত আকারে তুলে ধরার পথ তৈরি করে। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের সেমিনারে আলোচিত বিষয়গুলো এক মলাটে আসায় পাঠক একাধিক ক্ষেত্রের ভাবনার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। তবে গ্রন্থটি কীভাবে নির্বাচন করা হয়েছে, সম্পাদনার দায়িত্ব কারা পালন করেছেন কিংবা কোন মানদণ্ডে প্রবন্ধগুলো বাছাই করা হয়েছে—এসব বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যে বিস্তারিত নেই।

চাকসুর উদ্যোগে প্রকাশিত এই সংকলন শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক কাজকে দৃশ্যমান করার একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়াস হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। গবেষণার ভাবনা শুধু উপস্থাপনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে তা প্রকাশিত গ্রন্থে সংরক্ষণ করলে ভবিষ্যৎ পাঠক ও শিক্ষার্থীদের কাছে তা পৌঁছানোর সুযোগ থাকে। তবে ‘প্রবন্ধসমগ্র’ প্রকাশের পর এটি কোথায় পাওয়া যাবে, এর মুদ্রণসংখ্যা কত, কিংবা পাঠাগার বা অনলাইন মাধ্যমে সহজলভ্য হবে কি না—এসব তথ্য এখনো জানানো হয়নি।

গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। তবে অনুষ্ঠানের স্থান, সময়, উপস্থিত অতিথি বা বক্তাদের নাম, এবং মোড়ক উন্মোচনের সময় দেওয়া বক্তব্য সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে প্রকাশনা অনুষ্ঠানে লেখক বা প্রবন্ধ উপস্থাপকদের অংশগ্রহণ ছিল কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত জানা যায়নি। এসব তথ্য না থাকায় আয়োজনের আনুষঙ্গিক বিবরণ যোগ করা সম্ভব নয়; নিশ্চিতভাবে বলা যায়, চাকসুর উদ্যোগে নির্বাচিত প্রবন্ধগুলো নিয়ে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে এবং তার মোড়ক উন্মোচন সম্পন্ন হয়েছে।

প্রবন্ধগুলোর বিষয়বস্তু প্রকাশিত তথ্য থেকে নির্দিষ্ট করা যায়নি। ফলে সংকলনে কোন শাস্ত্র, গবেষণা-পদ্ধতি বা সমসাময়িক প্রসঙ্গের প্রাধান্য রয়েছে, সে বিষয়ে অনুমান করা ঠিক হবে না। বিভিন্ন বিভাগের সেমিনারে উপস্থাপিত নির্বাচিত লেখা থাকার তথ্য থেকে শুধু এটুকু স্পষ্ট যে সংকলনটির পরিধি এক বিভাগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পাঠক গ্রন্থটি হাতে পেলে এর সূচি ও প্রবন্ধগুলো দেখে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র, লেখক এবং আলোচ্য বিষয়ের বিস্তারিত জানতে পারবেন।

শিক্ষার্থীদের গবেষণাভিত্তিক চিন্তা প্রকাশের জন্য এমন সংকলন কতটা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হবে, সে সম্পর্কেও কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। ‘প্রবন্ধসমগ্র’ এককালীন প্রকাশনা, নাকি ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও সংকলন প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে—তা স্পষ্ট নয়। আপাতত প্রকাশনার নিশ্চিত তাৎপর্য হলো, বিভিন্ন বিভাগের সেমিনারে উপস্থাপিত নির্বাচিত প্রবন্ধগুলো একটি গ্রন্থে স্থান পেয়েছে। এর মাধ্যমে সেমিনারে উপস্থাপিত গবেষণামূলক ভাবনা পাঠযোগ্য সংকলনের রূপ পেয়েছে; গ্রন্থটির বিষয়বস্তু ও প্রকাশ-সংক্রান্ত অতিরিক্ত তথ্য সামনে এলে এর পরিসর সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীদের গণসংযোগ

আলোকিত সারাদেশ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
   
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীদের গণসংযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: আসন্ন ঠাকুরগাঁও সদর-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিনের পক্ষে গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীরা। 

বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও শহরের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও জনবহুল এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পথচারীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট চান তাঁরা। নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবসায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শহরের বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

গণসংযোগকালে ব্যবসায়ীরা স্লোগান দেন, “ব্যবসায়ী ব্যবসায়ী ভাই ভাই, আমাদের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নাই—ধানের শীষে ভোট চাই।” এ স্লোগানের মাধ্যমে তাঁরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে আসন্ন উপনির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে জনসমর্থন গড়ে তুলতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন।

গণসংযোগে অংশ নেওয়া সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীরা জানান, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। তাঁরা মনে করেন, ব্যবসায়ীদের ন্যায্য দাবি ও প্রত্যাশা পূরণে দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় সামনে রেখে তাঁরা বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিনের পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন।

তাঁরা আরও জানান, আসন্ন উপনির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ ভোটারদের কাছে প্রার্থীর পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে এ গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত তাঁরা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

গণসংযোগের মাধ্যমে সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে তাঁদের সমর্থন তুলে ধরেন। শহরের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পথচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে তাঁরা নির্বাচনী প্রচারণা চালান।

ঠাকুরগাঁও সদর-১ আসনের উপনির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে নির্বাচনী আলোচনা ও প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীদের এ গণসংযোগ নির্বাচনী মাঠে নতুন করে প্রচারণার মাত্রা যোগ করেছে।

সর্বশেষ
ভারতের নতুন ‘লাল তারকা’ নেহা বোরাই: মোদী সরকারের জন্য কতটা হুমকি? খাবার দিতে বাক্স খুলে গোখরার কামড়, হাসপাতালে কাঠমিস্ত্রি শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক ভাবনা নিয়ে চাকসুর ‘প্রবন্ধসমগ্র’ প্রকাশ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীদের গণসংযোগ বরিশালে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে ‘মাদকবিরোধী অভিযান’, মারধরের অভিযোগ সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগে ফেঁসে গেলেন অফ স্পিনার আলিস আল ইসলাম দিল্লিতে নতুন করে বিক্ষোভের ডাক: ‘পিপল এগেইনস্ট এসআইআর’-এর কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা চীনে আন্তর্জাতিক কোল্ড চেইন এক্সপোতে নেতৃত্বে ঠাকুরগাঁওয়ের রবিন উপনির্বাচন ঘিরে ভূল্লীতে বিসিডিএসের ঔষধ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মসজিদে নয়, পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় বক্তব্য দিয়েছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী
Advertisement