খুঁজুন
, ,

ভূল্লী বশিরপাড়ায় মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের আহ্বান ওসি নূরে আলম

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
ভূল্লী বশিরপাড়ায় মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের আহ্বান ওসি নূরে আলম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেছেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তিনি স্থানীয় জনগণকে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে ভূল্লী উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের বশিরপাড়া গ্রামে আয়োজিত মাদকবিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওসি নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, মাদক একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ হুমকি। মাদকের কারণে তরুণ সমাজ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাই মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে ভূল্লী থানা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদকের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না এবং মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

তিনি আরও বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ একা লড়াই করে সফল হতে পারবে না। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনারা এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দিন। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ওসি বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সমাজের সচেতন মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে সামাজিক প্রতিরোধ আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টো, বালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোতাহার হোসেন, বালিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি রইসুল ইসলাম এবং ভূল্লী প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক বাপ্পী।

এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, যুবসমাজ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করতে হবে।

সমাবেশে উপস্থিত স্থানীয়রা মাদকবিরোধী এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পুলিশের কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলে বশিরপাড়াসহ বালিয়া ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করা সম্ভব হবে।

ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
   
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ

পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ। সোমবার দুপুরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের শিবু মার্কেট এলাকায় শত শত শ্রমিক জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় তারা নিজেদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেন। শ্রমিকের এই আকস্মিক কর্মসূচিতে সড়কের দুই পাশে আটকা পড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ফলে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরের দিকে শ্রমিকরা লাঠিসোঁটা হাতে দলে দলে শিবু মার্কেট এলাকায় এসে অবস্থান নিতে শুরু করেন। এরপর তারা সড়ক আটকে দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। শ্রমিকদের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে প্রচলিত মজুরি দিয়ে জীবন ধারণ করা প্রায় অসম্ভব। তাই জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে এবং ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করতে ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা অপরিহার্য। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে, যৌক্তিক এই দাবি মেনে নেওয়া না হলে কঠোর কর্মসূচির দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, শ্রমিকদের এই অবরোধের ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকায় স্থবিরতা নেমে আসে। অফিসগামী যাত্রী, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ তীব্র যানজটে আটকা পড়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে বাধ্য হন। অনেক যাত্রী বাস থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতির প্রয়োজন দেখা দেয়, তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া চলমান ছিল।

পোশাক খাতের শ্রমিকদের এই আন্দোলন নতুন নয়, তবে নারায়ণগঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলে এ ধরনের অবরোধ জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। শিল্প মালিকপক্ষ এবং সরকার পক্ষ থেকে শ্রমিকদের এই দাবির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনার খবর তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। শ্রমিকদের দাবি, তারা দীর্ঘ সময় ধরে বেতন বৈষম্য ও দ্রব্যমূল্যের চাপে পিষ্ট। তাই তাদের এই লড়াই কেবল মজুরি বৃদ্ধির জন্য নয়, বরং বেঁচে থাকার অধিকার আদায়ের একটি অংশ। সড়ক অবরোধে অংশ নেওয়া শ্রমিকদের বেশিরভাগই স্থানীয় বিভিন্ন পোশাক কারখানার কর্মী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

বিক্ষোভের ফলে সৃষ্টি হওয়া যানজট নিরসন এবং পরিস্থিতি শান্ত রাখতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তৎপরতা চালানো হচ্ছে। শ্রমিকরা যাতে কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা তৈরি না করেন, সে বিষয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। তবে শ্রমিকরা তাদের অবস্থানে অনড় থেকে দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। দিনব্যাপী এই অবরোধের ফলে স্থানীয় জনজীবনে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, শ্রমিকদের একটি অংশ সড়কে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছিলেন এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

খুলনায় তাঁতী দল নেতা হত্যায় ছাত্রদল নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ১

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
   
খুলনায় তাঁতী দল নেতা হত্যায় ছাত্রদল নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ১

খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ হুমায়ুন কবির হত্যার ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ছাত্রদল নেতা আরাফাতসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত শেখ সিদ্দিক (৫৩) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে।

রোববার রাতে নিহত সৈয়দ হুমায়ুন কবিরের ছেলে সৈয়দ নুর আমিন সৌহার্ত্য বাদী হয়ে আড়ংঘাটা থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ১ নভেম্বর রাতের দিকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা ও পুলিশ প্রশাসনের নজরে এলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে মাঠে নেমেছে এবং আসামিদের গ্রেফতারে তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেফতার হওয়া আসামি শেখ সিদ্দিক নগরীর রায়েরমহল এলাকার বাসিন্দা। মামলার অন্যান্য আসামিদের নাম এজাহারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকায় পুলিশ তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে কাজ করছে। তবে ঠিক কী কারণে বা কি অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তারা বিস্তারিত তথ্য অনুসন্ধানে কাজ করছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। দলের পক্ষ থেকেও হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।

আড়ংঘাটা থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পর পরই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কাজ শেষ করে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃতি এবং মৃত্যুর সঠিক কারণ আরও সুনির্দিষ্টভাবে জানা সম্ভব হবে। পুলিশ প্রশাসন আশ্বাস দিয়েছে যে, রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে এবং মামলার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

ঘটনার প্রেক্ষাপটে খুলনার স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। নিহত সৈয়দ হুমায়ুন কবির স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন, তাই এই হত্যাকাণ্ড কেবল একটি অপরাধমূলক ঘটনা নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে ঘটেছে কি না, সেটিও গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃত শেখ সিদ্দিককে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে আড়ংঘাটা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে পুনরায় কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। স্থানীয়রা দ্রুত এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেছেন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থানের অপেক্ষায় রয়েছেন সাধারণ মানুষ।

মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ: সংঘাতের জেরে ৫ মামলা ও গ্রেফতারের সংখ্যা বাড়ছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
   
মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ: সংঘাতের জেরে ৫ মামলা ও গ্রেফতারের সংখ্যা বাড়ছে

রাজধানীর মিরপুরে গত কয়েকদিন ধরে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের জেরে সৃষ্ট অস্থিরতা ও সংঘাতের ঘটনায় কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে শ্রমিকদের যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মিরপুর এলাকা থেকে আন্দোলনকারী ও বিশৃঙ্খলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৩০ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে এই পরিস্থিতি সম্পর্কে ব্রিফিং করা হয়। পুলিশের ভাষ্যমতে, শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে যাতে কেউ কোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পোশাক শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবির পাশাপাশি আন্দোলনের নামে কোনো মহল যেন পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আন্দোলনের দুই দিন ধরে মিরপুরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক ও মোড়ে শ্রমিকদের অবস্থান ও পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বেশ কিছু স্থানে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাস্তা অবরোধের কারণে মিরপুর এলাকার যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। বর্তমানে মিরপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ ও দাঙ্গা দমন ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে।

শ্রমিক নেতাদের দাবি, তারা দীর্ঘ সময় ধরে তাদের দাবি জানিয়ে এলেও কোনো কার্যকর সমাধান না মেলায় তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন। অন্যদিকে মালিকপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বা সরকারি সম্পদ ধ্বংস করে কোনো দাবি আদায় করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এই সংঘাতের ঘটনায় যারা আইন ভঙ্গ করেছেন এবং সরকারি কাজে বাধা দিয়েছেন, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সংঘর্ষে উস্কানি দেওয়া বা এর নেপথ্যে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। যেসব থানায় মামলা হয়েছে, সেখানে সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এলাকায় জনজীবনে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে পুলিশ টহল অব্যাহত রেখেছে এবং স্থানীয়দের আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি যেন আর কোনোভাবেই উত্তপ্ত না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। পোশাক কারখানার মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর তাগিদ দিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

সর্বশেষ
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ খুলনায় তাঁতী দল নেতা হত্যায় ছাত্রদল নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ১ মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ: সংঘাতের জেরে ৫ মামলা ও গ্রেফতারের সংখ্যা বাড়ছে লাহোরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৫ সন্তান ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের কর্মযজ্ঞ: এক অসামান্য সাহিত্যিক আড্ডার অন্দরে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ: মহাসড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল তৈরি পোশাকশিল্পের নতুন মজুরি জানুয়ারিতেই কার্যকর করার দাবি শ্রমিকনেতাদের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে সামরিক অভিযানের জন্য ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন নেতানিয়াহু ভাবুক সম্রাট: দৈনন্দিন যাতায়াত ও ভাড়ার অসামঞ্জস্য নিয়ে এক বিশ্লেষণ
Advertisement