খুঁজুন
, ,

অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি, সিসা সংক্রমণের সতর্কতা

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি, সিসা সংক্রমণের সতর্কতা

দৈনন্দিন রান্নার কাজে আমরা যেসব অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি বা কড়াই ব্যবহার করি, সেগুলো থেকে খাবারে সিসা মিশে যাওয়ার একটি বড় ঝুঁকি রয়েছে বলে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে। আইসিসিডিআর,বি এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই গবেষণায় রান্নার পাত্রের মান ও উপাদানের নিরাপত্তার বিষয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয়ভাবে তৈরি অ্যালুমিনিয়ামের পাত্রগুলো থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় সিসা খাবারের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গবেষকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রান্নার পাত্র ব্যবহারের শুরুর দিকে এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। বিশেষ করে নতুন কেনা অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র যখন প্রথম কয়েকবার ব্যবহার করা হয়, তখন তা থেকে সিসার নিঃসরণ বেশি হওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে। এই বিষাক্ত ধাতু খাদ্যচক্রের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করছে, যা দীর্ঘমেয়াদে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। সিসা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর একটি উপাদান। বিশেষ করে শিশু ও ক্রমবর্ধমান বয়সের মানুষের জন্য এটি ভয়াবহ পরিণাম বয়ে আনতে পারে। শিশুদের মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশে সিসা বাধা সৃষ্টি করে, যা তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা ও শারীরিক বৃদ্ধিকে দীর্ঘস্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে সক্ষম।

সিসার বিষক্রিয়া কেবল বড়দের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং এটি অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুদের জন্য অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ। চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, রক্তে সিসার উপস্থিতি স্নায়ুতন্ত্রের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করতে পারে। স্থানীয় বাজারে সহজলভ্য অ্যালুমিনিয়ামের পাত্রগুলো তৈরির সময় যেসব কাঁচামাল বা প্রক্রিয়ার ব্যবহার করা হয়, তার মান নিয়ন্ত্রণ সঠিক না হওয়ার কারণে এই সমস্যার উদ্ভব হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সাধারণ মানুষ অজানতেই প্রতিদিনের রান্নার মাধ্যমে এই বিষ গ্রহণ করছে, যা পরিবারগুলোর জন্য একটি নীরব স্বাস্থ্যবিপর্যয় ডেকে আনছে।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় গবেষকরা নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত রান্নার পাত্র তৈরির ওপর জোর দিয়েছেন। শুধু মান নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং পাত্রের উপাদানের গুণগত মান নিশ্চিত করা জরুরি। পরিবার পর্যায়েও সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। তবে বিষয়টি কেবল ব্যক্তিগত সচেতনতার ওপর ছেড়ে দিলে চলবে না, বরং সামগ্রিকভাবে রান্নাঘরের উপকরণের মান যাচাই ও তদারকি বাড়ানো প্রয়োজন। পাত্র তৈরির কারখানায় কাঁচামাল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর নীতিমালা থাকা আবশ্যক। নতুন পাত্র ব্যবহারের আগে বিশেষ কোনো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে গবেষণা চলছে। তবে সাধারণ ভোক্তা হিসেবে আমাদের এখনই সচেতন হওয়ার সময় এসেছে। রান্নার পাত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রে অ্যালুমিনিয়ামের বিকল্প কোনো নিরাপদ ধাতু যেমন স্টেইনলেস স্টিল বা অন্য কোনো উন্নত উপাদানের তৈরি পাত্র ব্যবহারের দিকে নজর দেওয়া এখন সময়ের দাবি। সিসা কোনোভাবেই শরীরের জন্য সহনীয় নয়, তাই খাবারের মাধ্যমে এটি শরীরে প্রবেশের পথ বন্ধ করাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের জন্য রান্নাঘরের প্রতিটি সরঞ্জাম হতে হবে নিরাপদ। আশা করা যায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই গবেষণার আলোকে দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং রান্নার পাত্রের মান নিশ্চিত করতে জরুরি নির্দেশনা প্রদান করবে।

বারাণসীর যানজট নিরসনে নতুন আশার আলো, রোপওয়ে সেবায় মাত্র ১৫ মিনিটে গন্তব্যে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
   
বারাণসীর যানজট নিরসনে নতুন আশার আলো, রোপওয়ে সেবায় মাত্র ১৫ মিনিটে গন্তব্যে

প্রাচীন শহর বারাণসী ভারতের অন্যতম ব্যস্ত ও জনবহুল এলাকাগুলোর মধ্যে একটি। পর্যটক এবং স্থানীয়দের পদচারণায় মুখরিত এই শহরে যানজট একটি নিত্যনৈমিত্তিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিশেষ করে ক্যান্ট রেলস্টেশন থেকে শহরের প্রাণকেন্দ্র গোদৌলিয়া চক পর্যন্ত পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হয় সাধারণ মানুষকে। ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকায় গাড়িতে চেপে এই স্বল্প দূরত্ব পার করতে প্রায় ৪৫ মিনিট পর্যন্ত সময় লেগে যায়। দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি লাঘবে এবার নতুন এক গণপরিবহণ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। ভারতের প্রথম গণপরিবহণ ব্যবস্থা হিসেবে বারাণসীতে রোপওয়ে পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই নতুন পরিবহন ব্যবস্থাটি চালু হলে যাতায়াতের চিত্র সম্পূর্ণ বদলে যাবে। এখন যে দূরত্ব অতিক্রম করতে পঁয়তাল্লিশ মিনিট ব্যয় হয়, রোপওয়ে চালু হলে তা মাত্র ১৫ থেকে ১৬ মিনিটেই সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। যানজটের কবলে পড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকার বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি পাবেন যাত্রীরা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত কাজ চলছে এবং চলতি বছরের শেষ নাগাদ এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শহরের প্রধান কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে রোপওয়ের ব্যবহার একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি কেবল সময় বাঁচাবে না, বরং পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করবে। বারাণসীর সরু রাস্তাগুলোতে নিয়মিত যানজটের কারণে যে সমস্যার সৃষ্টি হয়, রোপওয়ে সেবার মাধ্যমে তা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পর্যটকদের জন্য এটি কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, বরং আকাশপথে শহর দেখার এক দারুণ অভিজ্ঞতার সুযোগ করে দেবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা এবং যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে এই প্রকল্পটির নকশা করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে এটি অত্যন্ত নিরাপদ এবং আরামদায়ক হবে। বারাণসীর মতো ঐতিহাসিক এবং ঘনবসতিপূর্ণ শহরে এমন একটি উদ্ভাবনী পরিবহণ ব্যবস্থা স্থানীয়দের জন্য এক বড় উপহার হতে যাচ্ছে। প্রকল্পটি পুরোপুরি চালু হওয়ার পর শহরের অভ্যন্তরীণ পরিবহণ ব্যবস্থায় নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে মনে করছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা। ভারতের অন্যান্য শহরের জন্যও এটি একটি সফল মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সব মিলিয়ে, বারাণসীর বাসিন্দারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন কবে এই আকাশপথের ভ্রমণ বাস্তবে রূপ নেবে।

স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার জন্য কর্মীদের বিশেষ প্যাকেজ দিচ্ছে মেটা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
   
স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার জন্য কর্মীদের বিশেষ প্যাকেজ দিচ্ছে মেটা

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি খাতে অস্থিরতা ও ব্যয় সংকোচনের ঢেউয়ের মধ্যে এবার নতুন পথে হাঁটছে ফেসবুকের মূল কোম্পানি মেটা। গত কয়েক মাসে বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যখন ব্যাপক হারে কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হেঁটেছে, তখন মেটা কিছুটা ভিন্ন কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি এখন তাদের কর্মীদের স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার জন্য উৎসাহিত করছে এবং বিনিময়ে আকর্ষণীয় আর্থিক প্যাকেজের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। মূলত সরাসরি ছাঁটাইয়ের পরিবর্তে কর্মীদের নিজ ইচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েই প্রতিষ্ঠানটি কর্মী সংখ্যা কমাতে চাইছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মার্ক জাকারবার্গের নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠানটি এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বড় অঙ্কের সেভারেন্স প্যাকেজ বা বিশেষ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ফ্রান্সে কার্যক্রম পরিচালনা করা মেটার কর্মীদের জন্য এই বিশেষ প্রস্তাবটি বিশেষভাবে কার্যকর হচ্ছে বলে জানা গেছে। ফরাসি সংবাদমাধ্যম লা লেত্রে-এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, যারা স্বেচ্ছায় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন, তাদের দুই মাসের বেতনের চেয়েও বেশি অর্থ প্রদানের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। এটি কেবল একটি সাধারণ বিদায় সংবর্ধনা নয়, বরং কর্মীদের জন্য একটি আর্থিক সুরক্ষামূলক প্রস্তাব হিসেবে দেখা হচ্ছে, যাতে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘমেয়াদী ব্যয় সংকোচন নীতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে।

প্রযুক্তি শিল্পে বর্তমানে যে সংকটময় সময় চলছে, তাতে গুগল, মাইক্রোসফটের মতো জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানগুলো এর আগেই ছাঁটাইয়ের পথে হেঁটেছে। তবে মেটা তাদের কর্মীদের সামনে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের এই প্রস্তাব রেখে একধাপ বাড়তি সহমর্মিতা বা কৌশলী নমনীয়তা দেখানোর চেষ্টা করেছে। সাধারণ ছাঁটাই প্রক্রিয়ায় অনেক সময় কর্মীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপের সৃষ্টি হয়, সেই তুলনায় স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সুযোগটি কর্মীদের জন্য অপেক্ষাকৃত ভালো আর্থিক নিশ্চয়তা নিয়ে আসছে। তবে এটি কতজন কর্মীর ওপর প্রভাব ফেলবে বা ঠিক কত মাসের বেতনের সমান ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মেটার এই পদক্ষেপটি মূলত তাদের ব্যবসায়িক পুনর্গঠনের অংশ। বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির পেছনে বড় বিনিয়োগ করার পাশাপাশি মূল পরিচালন ব্যয় কমানোর দিকে নজর দিচ্ছেন জাকারবার্গ। এর আগে গত বছরগুলোতেও মেটা বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী সংকোচনের মধ্য দিয়ে গেছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রযুক্তি খাতের অস্থিরতার ইঙ্গিতই বহন করে। বর্তমান এই নতুন প্রস্তাবের মাধ্যমে তারা মূলত প্রতিষ্ঠানের ব্যয় কাঠামোর দক্ষতা বাড়াতে চাইছে।

কর্মীদের তরফ থেকে এই প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়, তবে বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধার কারণে অনেকেই এই সুযোগটি কাজে লাগানোর কথা বিবেচনা করছেন বলে মনে করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর টিকে থাকার লড়াইয়ে এই ধরনের পদক্ষেপ আগামী দিনে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্যও নজির হয়ে থাকতে পারে। আপাতত ফ্রান্সে কার্যক্রম চালানো কর্মীদের জন্য এই বিশেষ অফারটি কার্যকর হলেও ভবিষ্যতে এটি অন্যান্য দেশেও বিস্তৃত হতে পারে কিনা, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। বিশ্ববাজারে মেটার এই নতুন কৌশল প্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের ধরনে এক বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তুরিনো চলচ্চিত্র উৎসবে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন পামেলা অ্যান্ডারসন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
   
তুরিনো চলচ্চিত্র উৎসবে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন পামেলা অ্যান্ডারসন

বিশ্বের চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিজের স্বতন্ত্র ছাপ রাখা তারকাদের বিশেষ সম্মান জানানোর ধারা অব্যাহত রেখেছে ইতালির অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন তুরিনো চলচ্চিত্র উৎসব। এই ধারাবাহিকতায় এবার আজীবন সম্মাননা প্রদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী পামেলা অ্যান্ডারসন। এর আগে এই উৎসবে স্পাইক লি এবং অ্যাঞ্জেলিনা জোলির মতো ব্যক্তিত্বরা সম্মানিত হয়েছেন, এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো পামেলা অ্যান্ডারসনের নাম। দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে তার অবদানকে স্বীকৃতি জানাতেই উৎসব কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় শহর তুরিনে আগামী ২৪ নভেম্বর পর্দা উঠবে এই চলচ্চিত্র উৎসবের ৪৪তম আসরের। দীর্ঘ আট দিনব্যাপী চলা এই উৎসব শেষ হবে ২ ডিসেম্বর। ইতালির ন্যাশনাল ফিল্ম মিউজিয়ামের আয়োজনে প্রতিবছরই বিশ্ব চলচ্চিত্রের গুণী শিল্পীদের মিলনমেলায় পরিণত হয় এই উৎসব। এবার উৎসবের মূল আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন পামেলা অ্যান্ডারসন। বিশেষ এই সম্মাননা প্রাপ্তির পাশাপাশি উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে তিনি উপস্থিত থাকবেন দর্শকদের মাঝে।

উৎসবে গিয়া কোপোলা পরিচালিত দ্য লাস্ট শোগার্ল সিনেমাটির একটি বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রদর্শনীকে ঘিরে দর্শকদের মাঝে বেশ উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সিনেমাটির স্ক্রিনিং বা বিশেষ প্রদর্শনীর ঠিক আগে মঞ্চে উপস্থিত হবেন পামেলা। সেখানে তিনি তার অভিনয়জীবন, সিনেমা নিয়ে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং সমসাময়িক চলচ্চিত্রের নানা দিক নিয়ে উপস্থিত দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনে অংশ নেবেন। দর্শকদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি সিনেমার নেপথ্যের গল্পগুলো শেয়ার করবেন তিনি, যা উৎসবের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে বলে প্রত্যাশা আয়োজকদের।

পামেলা অ্যান্ডারসন নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় সিরিজ বেওয়াচ-এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেলেও, পরবর্তী সময়ে তিনি তার বহুমুখী অভিনয়ের মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। সমসাময়িক চলচ্চিত্রে তার উপস্থিতি এবং চরিত্রের বৈচিত্র্য তাকে নতুন প্রজন্মের কাছেও সমান জনপ্রিয় করে তুলেছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তার ক্যারিয়ারে যে পরিণত অভিনয়ের ছাপ দেখা গেছে, তা চলচ্চিত্র সমালোচকদেরও নজর কেড়েছে।

তুরিনো চলচ্চিত্র উৎসবের এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার হচ্ছে। উৎসবের সার্বিক আয়োজন সফল করতে এরই মধ্যে প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পামেলা অ্যান্ডারসনের মতো একজন তারকার উপস্থিতি উৎসবের জৌলুস ও গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র বোদ্ধারা। ইতালির এই উৎসবটি কেবল সিনেমার প্রদর্শনী নয়, বরং বিশ্ব চলচ্চিত্রের মেধাবীদের স্বীকৃতি দেওয়ার একটি বড় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত। এবারের আয়োজনে পামেলা অ্যান্ডারসনের অংশগ্রহণ এবং সম্মাননা প্রাপ্তি বিশ্ব সিনেমার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে থাকবে।

উৎসব কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট দিনে আয়োজিত ওই বিশেষ সেশনে পামেলার উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। চলচ্চিত্রপ্রেমীরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন ২৪ নভেম্বরের জন্য, যখন পর্দা উঠবে ৪৪তম তুরিনো চলচ্চিত্র উৎসবের। পামেলার সম্মাননা প্রাপ্তি ও তার সাথে সরাসরি কথোপকথনের সুযোগকে ঘিরে দর্শকদের প্রত্যাশার পারদ এখন তুঙ্গে।

সর্বশেষ
বারাণসীর যানজট নিরসনে নতুন আশার আলো, রোপওয়ে সেবায় মাত্র ১৫ মিনিটে গন্তব্যে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার জন্য কর্মীদের বিশেষ প্যাকেজ দিচ্ছে মেটা তুরিনো চলচ্চিত্র উৎসবে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন পামেলা অ্যান্ডারসন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প, রিপাবলিকান শিবিরে বাড়ছে অস্থিরতা অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি, সিসা সংক্রমণের সতর্কতা মাত্র ১০ হাজার টাকায় সিম ভাড়া দিয়ে ফেঁসে গেলেন যুবক, তিন দিনে ২ কোটি লেনদেন গাজীপুরে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ: শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শরীরে আয়রনের ঘাটতি মেটাতে পালং শাকের বিকল্প হিসেবে কী কী খাবেন ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করলো সিটি ব্যাংক এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্যদের ভাগ্য নির্ধারণে ডিসেম্বর মাসে বিশেষ পরীক্ষা