খুঁজুন
, ,

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৭ নভেম্বর ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৭ নভেম্বর ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ

আসন্ন ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশের সকল তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী ওইদিন সারাদেশে ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

আসন্ন ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ওইদিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের আলোকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ব্যাংক খাতের জন্য চূড়ান্ত নির্দেশনা হিসেবে কার্যকর হবে।

সাধারণত সপ্তাহের অন্যান্য কর্মদিবসে ব্যাংক খোলা থাকলেও জাতীয় দিবস বা বিশেষ কোনো রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে সরকার ব্যাংক ছুটির ঘোষণা দিয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বর তারিখটিকে সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করায় ব্যাংকিং সেবা স্বাভাবিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এই সরকারি ছুটি সারাদেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে। এর ফলে ব্যাংকগুলোর প্রধান কার্যালয় থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের শাখাগুলোতেও কোনো প্রকার লেনদেন বা দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে না।

ব্যাংক গ্রাহকদের সুবিধার্থে এই বিষয়টি আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে করে জরুরি আর্থিক লেনদেন, চেক ক্লিয়ারিং বা অনলাইন ব্যাংকিং সংক্রান্ত কাজগুলো ছুটির আগেই সম্পন্ন করে নেওয়া সম্ভব হয়। সাধারণত ব্যাংক বন্ধের আগে গ্রাহকদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে জাতীয় ছুটির দিনে সব ধরণের ব্যাংকিং কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

৭ নভেম্বর দিনটি অতিক্রান্ত হওয়ার পর ৮ নভেম্বর থেকে পুনরায় ব্যাংকিং কার্যক্রম তার স্বাভাবিক গতিতে ফিরে আসবে। শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় দেশের ব্যাংকগুলোতে এর পরদিন বা ৮ নভেম্বর থেকে স্বাভাবিক লেনদেন পুনরায় চালু হবে। গ্রাহকদের বিশেষ প্রয়োজনে এটি মাথায় রেখে তাদের পরিকল্পনা গুছিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

দেশের ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম যেহেতু অর্থনীতির সাথে সরাসরি জড়িত, তাই এই ধরনের ছুটির প্রজ্ঞাপন জারির পর ব্যাংকগুলো তাদের অভ্যন্তরীণ সিস্টেম ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সে অনুযায়ী প্রস্তুত রাখে। ছুটির দিনগুলোতে এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত টাকা সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অনলাইন ব্যাংকিং সেবা যাতে কোনো প্রকার বিঘ্ন ছাড়াই গ্রাহকরা পেতে পারেন, সে লক্ষ্যে ব্যাংকগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে সরাসরি কাউন্টার বা শাখাভিত্তিক কার্যক্রম বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে সরকারি ঘোষণার মাধ্যমে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এই বিশেষ সরকারি ছুটি দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতের কার্যক্রমে একদিনের বিরতি তৈরি করবে। গ্রাহকদের কোনো প্রকার জরুরি প্রয়োজনে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করতে হলে ছুটির আগেই তা সম্পন্ন করতে হবে। দেশের সার্বিক ব্যাংক ব্যবস্থায় কোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং সরকারি নির্দেশনার সঠিক বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সব ব্যাংক ইতোমধ্যে তাদের গ্রাহকদের এই ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

পশ্চিমবঙ্গে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় পুলিশের গুলিতে নিহত অভিযুক্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
   
পশ্চিমবঙ্গে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় পুলিশের গুলিতে নিহত অভিযুক্ত

পশ্চিমবঙ্গে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাস পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টার সময় এই ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের দাবি।

পশ্চিমবঙ্গে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি পুনর্নির্মাণের জন্য অভিযুক্তকে নিয়ে যখন পুলিশ বিশেষ একটি এলাকায় যাচ্ছিল, তখনই এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়।

প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, ঘটনার পুনর্নির্মাণ বা রিক্রিয়েশন প্রক্রিয়ার সময় অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাস অত্যন্ত ধূর্ততার পরিচয় দেন। পুলিশের হেফাজত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য তিনি পুলিশের এক সদস্যের কাছ থেকে তার ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। অভিযোগ রয়েছে যে, অস্ত্রটি হাতবদলের পর্যায়ে তিনি সেটি দিয়ে পুলিশের ওপর গুলি চালানোর দুঃসাহস দেখান। এই আকস্মিক হামলায় পুলিশের এক সদস্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। পুলিশের এই পাল্টা গুলিতেই অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাস গুলিবিদ্ধ হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পরপরই এলাকা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার মতো বর্বরোচিত ঘটনার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছিল। স্থানীয়দের অনেকেই এই ঘটনায় অভিযুক্তের বিচার দাবি করে আসছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া চলাকালীন অভিযুক্ত যেভাবে পুলিশের ওপর চড়াও হয়েছেন, তা নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর এক বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছিল। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো এখন এই পুরো ঘটনার একটি বিশদ তদন্ত শুরু করেছে, যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হয়।

নিহত অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল, যা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। একজন স্কুলছাত্রীর জীবনের বিনিময়ে যে জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল, তার বিচার প্রক্রিয়া আইনি পথেই এগোচ্ছিল। তবে পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন আসামির মৃত্যুর ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে। অভিযুক্ত কীভাবে পুলিশের অস্ত্র পর্যন্ত হাত দিতে পারলেন, তা নিয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকার কর্মীরা তদন্তের দাবি তুলেছেন। পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, আত্মরক্ষার্থে তাদের এই গুলি চালাতে হয়েছে এবং ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত সদস্যদের জবানবন্দি নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে পুরো এলাকাটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে রয়েছে। অভিযুক্তের মৃত্যুর ফলে ধর্ষণ ও হত্যার মূল মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় কী ধরনের প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে নানা মত রয়েছে। আইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসামি মৃত হওয়ায় এই মামলার ফৌজদারি দায়বদ্ধতা অবসানের পথে, তবে পুরো ঘটনার পেছনের সত্য উন্মোচনে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা পুলিশ সম্পন্ন করবে। মৃতদেহের ময়নাতদন্তসহ যাবতীয় ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়ছে। পুলিশের গুলিতে আসামির মৃত্যুতে এলাকা জুড়ে এক থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিশদ আলোচনার কথা জানিয়েছেন। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি নিয়ে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকছে পুলিশ প্রশাসন।

তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী তকমা থেকে মুক্তি চান প্রাথমিক শিক্ষকরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
   
তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী তকমা থেকে মুক্তি চান প্রাথমিক শিক্ষকরা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বিদ্যমান মর্যাদা নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। এবার তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী পরিচয় থেকে মুক্তি ও ১০ম গ্রেডের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন শিক্ষকরা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও মর্যাদাগত সংকট নিরসনের দাবি আবারও জোরালো হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন সময় শিক্ষকরা তাঁদের পেশাগত অবস্থান পরিবর্তনের দাবি জানালেও এবার নতুন করে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী পরিচয় থেকে মুক্তি পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন সহকারী শিক্ষকরা। বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজ মনে করছেন, প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি গড়ে দেওয়ার মতো দায়িত্বশীল কাজ করার পরেও তাদের পরিচয় যদি নিচু মানের হয়, তবে তা শিক্ষার সামগ্রিক পরিবেশ ও শিক্ষকের সম্মানজনক অবস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সম্প্রতি সহকারী শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌসি এই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, শিক্ষকরা এখন আর তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। তাঁর মতে, একজন শিক্ষক জাতি গড়ার কারিগর, অথচ সরকারি নথিপত্রে তাদের অবস্থান তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর সমতূল্য রাখাটা যুক্তিসঙ্গত নয়। এই পরিচয় থেকে মুক্তি পাওয়ার আকুতি কেবল একজন শিক্ষকের নয়, বরং সামগ্রিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষক সমাজের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের প্রতিফলন। শিক্ষকরা আশা করছেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষাখাতে যে সংস্কারের আলোচনা চলছে, সেখানে তাদের দীর্ঘদিনের এই দাবিটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে।

শিক্ষকদের মূল দাবির জায়গাটি মূলত বেতন স্কেল ও গ্রেড নির্ধারণকে কেন্দ্র করে। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরেই ১০ম গ্রেডের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের দাবি, অন্যান্য দপ্তরের একই শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কাজের পরিধি সম্পন্ন পদে যারা দায়িত্ব পালন করছেন, তারা উচ্চতর গ্রেড সুবিধা পেলেও প্রাথমিক শিক্ষকরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। ১০ম গ্রেড বাস্তবায়িত হলে তাদের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তনের পাশাপাশি সামাজিক মর্যাদাও বাড়বে বলে তারা মনে করছেন। শিক্ষকদের ভাষ্যমতে, বর্তমান সময়ের জীবনযাত্রার ব্যয় এবং পেশার গুরুদায়িত্বের কথা বিবেচনা করলে ১০ম গ্রেড প্রদান এখন সময়ের দাবি।

শিক্ষক নেতারা বলছেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড হিসেবে আখ্যা দেওয়া হলেও শিক্ষকদের প্রাপ্য সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। তারা মনে করেন, শিক্ষকের মর্যাদা এবং তাদের বেতন কাঠামো উন্নয়নের সাথে শিক্ষার গুণগত মানের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। যদি একজন শিক্ষক মানসিকভাবে সন্তুষ্ট না থাকেন এবং আর্থিক সংকটের পাশাপাশি সামাজিক পরিচিতি নিয়ে হীনম্মন্যতায় ভোগেন, তবে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ব্যাহত হওয়া স্বাভাবিক। তাই শিক্ষার মানোন্নয়নের প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত শিক্ষকদের মর্যাদা পুনরুদ্ধার করা।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা বলছেন, শিক্ষকদের বেতন কাঠামো এবং পদমর্যাদা পরিবর্তনের বিষয়টি সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে শিক্ষকদের দাবি অনুযায়ী এটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বাজেট ও প্রশাসনিক কাঠামোর পরিবর্তন প্রয়োজন। জান্নাতুল ফেরদৌসির মতো অনেক শিক্ষকই আশা করছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর এই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নেবে এবং তাদের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী তকমা থেকে মুক্তি দিয়ে ১০ম গ্রেড প্রদানের দাবিটি আমলে নেবে।

প্রাথমিক শিক্ষকরা এখন অপেক্ষায় আছেন যথাযথ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের দিকে। তারা মনে করছেন, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই সরকারি চাকরিতে গ্রেড নির্ধারিত হওয়া উচিত, কেবল সনাতন কোনো প্রথার কারণে শিক্ষকদের অবমূল্যায়ন করা কাম্য নয়। শিক্ষকরা চান, তাদের কাজের স্বীকৃতি মিলুক এবং শিক্ষক হিসেবে আত্মমর্যাদা নিয়ে তারা পাঠদান চালিয়ে যেতে পারেন।

কার্ড অপারেশনস অফিসার পদে নিয়োগ দিচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
   
কার্ড অপারেশনস অফিসার পদে নিয়োগ দিচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক

স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি কার্ড অপারেশনস অফিসার পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।

বাংলাদেশের অন্যতম আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি সম্প্রতি তাদের মানবসম্পদ বিভাগে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে কার্ড অপারেশনস অফিসার পদে আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে। ব্যাংকটির লক্ষ্য হলো দক্ষ জনবল নিয়োগের মাধ্যমে তাদের কার্ড সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত ও মানসম্মত করা।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই পদে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাদার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সাধারণত ব্যাংকিং খাতের কার্ড সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আইটি বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়ে থাকে। তবে আবেদনকারীকে অবশ্যই ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া নিয়মকানুন ও দায়িত্ব পালনে সক্ষম হতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে বা ব্যাংকের নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের জীবনবৃত্তান্ত ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়ে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সময়সীমা খুব বেশি দীর্ঘ নয়; আগামী ৫ নভেম্বর তারিখ পর্যন্ত আগ্রহীরা তাদের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুযোগ পাবেন। এই সময়ের মধ্যে যারা আবেদন করবেন, তাদের মধ্য থেকেই বাছাইকৃত প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপে সাক্ষাৎকার বা পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে।

স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক সাধারণত তাদের কর্মীদের ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকে। প্রতিযোগিতামূলক বেতন কাঠামো, পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ এবং ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘমেয়াদী ক্যারিয়ার গড়ার সম্ভাবনা থাকায় অনেকেই এই ব্যাংকে কাজ করতে আগ্রহী হন। বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যাংকিং খাতে চাকরির সুযোগ তরুণদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।

আবেদন করার আগে আগ্রহীদের ব্যাংকের অফিসিয়াল নিয়োগ সংক্রান্ত পেজ বা সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট ভালোভাবে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করা জরুরি, কারণ ভুল তথ্যের কারণে আবেদন বাতিল হতে পারে। কার্ড অপারেশনস অফিসার পদে যারা ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ হতে পারে। নির্ধারিত তারিখের পর আর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে। তাই সময় শেষ হওয়ার আগেই আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য ব্যাংকটির পক্ষ থেকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, যেকোনো নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। নিয়মিতভাবে ব্যাংকের ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করলে নিয়োগ সংক্রান্ত আরও তথ্য পাওয়া সম্ভব। ক্যারিয়ার গড়ার এই যাত্রায় যারা নিজেদের প্রস্তুত করছেন, তাদের জন্য ব্যাংকিং খাতের এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সর্বশেষ
পশ্চিমবঙ্গে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় পুলিশের গুলিতে নিহত অভিযুক্ত তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী তকমা থেকে মুক্তি চান প্রাথমিক শিক্ষকরা কার্ড অপারেশনস অফিসার পদে নিয়োগ দিচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির বক্তব্যে এমআরইউ’র উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৭ নভেম্বর ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ শরতের ভোরে শিউলির সুবাসে এক স্নিগ্ধ সকাল আইন পেশায় তালিকাভুক্তির বয়সসীমা নির্ধারণ করলো বার কাউন্সিল খুলনা বটিয়াঘাটায় গুলিবিদ্ধ যুবক, দুজন গুলিবিদকে গুলি করে পালিয়ে গেলেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়ামের নতুন চালান আগমন মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার অভিযোগ, জাবিতে সাঈদীর কুশপুত্তলিকা দাহ
Advertisement