খুঁজুন
, ,

পুলিশ মহাপরিদর্শকের ক্রসফায়ার সংক্রান্ত মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
পুলিশ মহাপরিদর্শকের ক্রসফায়ার সংক্রান্ত মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ

বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা কথিত ক্রসফায়ার নিয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ আলী হোসেন ফকিরের সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল পদে থেকে এই ধরনের বক্তব্য আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পারে এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে মনে করছেন দেশের বিশিষ্টজনেরা। এই প্রেক্ষিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এবং মানবাধিকার সংস্থা অধিকার আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে।

টিআইবি এবং অধিকারের পক্ষ থেকে পাঠানো আলাদা বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা যখন আইনের শাসনের পরিপন্থী কোনো বক্তব্য দেন, তখন সেটি সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করে। বিচারবহির্ভূত হত্যা কোনো সভ্য সমাজে পুলিশের আইনি কার্যক্রম হতে পারে না। আইনি কাঠামো অনুযায়ী, অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তার বিচার হওয়ার কথা আদালতে। পুলিশের দায়িত্ব হলো অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা, তাকে বিচার প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করা। কিন্তু ক্রসফায়ারের সাফাই গাওয়া বা এর যৌক্তিকতা নিয়ে কথা বলা সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক।

মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বিগত সময়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, সেগুলোর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দায়মুক্তির সংস্কৃতি লক্ষ্য করা গেছে। এখন পুলিশ মহাপরিদর্শকের মতো দায়িত্বশীল পদে থাকা কেউ যখন এই বিষয়ে বিতর্কিত বক্তব্য প্রদান করেন, তখন তা অপরাধীদের উৎসাহিত করতে পারে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড কেবল মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘনই নয়, এটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ও আইনি কাঠামোর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাকে ধূলিসাৎ করে দেয়।

টিআইবি-এর পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে, পুলিশ মহাপরিদর্শকের এমন বক্তব্যের মাধ্যমে প্রকারান্তরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। যেকোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক শর্ত হলো রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রত্যেকের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা। পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা যদি নিজেরাই আইনের প্রয়োগকর্তা না হয়ে বিচারকের ভূমিকা পালন করতে শুরু করেন, তবে সমাজ ও রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা অনিবার্য হয়ে ওঠে।

উভয় সংস্থার ভাষ্যমতে, পুলিশের কাজ হলো তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও তদন্তের মাধ্যমে অপরাধের রহস্য উদঘাটন করা এবং আদালতে যথাযথ চার্জশিট দাখিল করা। এর পরিবর্তে ক্রসফায়ারের মতো বিচারবহির্ভূত পথ অবলম্বন করা কোনো আইনি সমাধান নয়। এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদেরও সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। টিআইবি ও অধিকার দ্রুত এই ধরনের বিতর্কিত বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, একজন পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য আসার পর বিষয়টি নিয়ে যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত এবং এই বিষয়ে পুলিশের অবস্থানের স্পষ্টীকরণ দরকার। বিচারবহির্ভূত হত্যা বা ক্রসফায়ার বন্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন টিআইবি ও অধিকারের দায়িত্বশীলরা। তাদের মতে, কোনোভাবেই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করার সুযোগ নেই এবং রাষ্ট্রের সকল বাহিনীকে আইনের শাসনের সীমানার ভেতরে থেকেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।

সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির বক্তব্যে এমআরইউ’র উদ্বেগ ও প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
   
সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির বক্তব্যে এমআরইউ’র উদ্বেগ ও প্রতিবাদ

সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের দেওয়া বক্তব্যে উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি (এমআরইউ)। একই সঙ্গে বক্তব্যটি পুনর্বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) পুরান ঢাকার চকবাজারে একটি অনুষ্ঠানে আইজিপির দেওয়া বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গণমাধ্যমে পাঠানো এমআরইউর দপ্তর সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাতের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিকদের মাদক কারবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করে মন্তব্য করা হলে তা সাংবাদিক সমাজের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে। মাদক কারবার, অপরাধ, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা সাংবাদিকদের অন্যতম পেশাগত দায়িত্ব। কোনো সংবাদ বা প্রতিবেদন নিয়ে আপত্তি থাকলে তা সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তুলে ধরা যেতে পারে। তবে ঢালাওভাবে সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলা স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনসাধারণের আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এমআরইউ মনে করে, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত ও নিষ্পত্তি করা উচিত। ব্যক্তিবিশেষের কর্মকাণ্ডের দায় সামগ্রিকভাবে সাংবাদিক সমাজের ওপর চাপানো সমীচীন নয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উভয়ই নিজ নিজ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। তাই দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পেশাগত দায়িত্বশীলতা ও সহযোগিতার পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এমআরইউ আইজিপির বক্তব্যটি পুনর্বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্বশীল বক্তব্য প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

আইন পেশায় তালিকাভুক্তির বয়সসীমা নির্ধারণ করলো বার কাউন্সিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
   
আইন পেশায় তালিকাভুক্তির বয়সসীমা নির্ধারণ করলো বার কাউন্সিল

আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে ৩৫ বছর বা তার কম বয়সী ব্যক্তিরাই কেবল আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বার কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদার স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

দেশের আইন অঙ্গনে এই সিদ্ধান্তটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। জানা গেছে, গত ১৯ আগস্ট বার কাউন্সিলের একটি কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় আইনজীবী তালিকাভুক্তি সংক্রান্ত বিদ্যমান প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর কাউন্সিল সদস্যরা সর্বসম্মতভাবে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য প্রার্থীর সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সেই সভার সিদ্ধান্তের আলোকেই পরবর্তী করণীয় হিসেবে এখন গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

আইন পেশায় নতুনদের সুযোগ তৈরি এবং পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যেই বার কাউন্সিল এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে যারা আইন শিক্ষায় ডিগ্রি অর্জনের পর দ্রুত সময়ের মধ্যে পেশাগত জীবনে প্রবেশ করতে আগ্রহী, তাদের জন্য এই সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন অনেকে। এর আগে তালিকাভুক্তির বয়সসীমা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো কঠোর বাধ্যবাধকতা ছিল না, যার ফলে বিভিন্ন বয়সের শিক্ষার্থীরা আইন পেশায় আসার সুযোগ পেতেন। তবে এখন থেকে সুনির্দিষ্ট বয়সের মধ্যে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

বার কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্তের ফলে যারা বর্তমানে আইন পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার কথা ভাবছেন, তাদের সময়াবদ্ধ পরিকল্পনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। আইন পেশায় দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য নিয়ে যারা এগোতে চান, তাদের জন্য বার কাউন্সিলের এই নতুন নিয়মটি একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে বার কাউন্সিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পূর্বে এবং তালিকাভুক্তির আবেদন করার ক্ষেত্রে প্রার্থীর জন্ম তারিখ ও বয়স এখন গুরুত্বপূর্ণ যাচাইযোগ্য তথ্যে পরিণত হবে।

আইন অঙ্গনের প্রবীণ আইনজীবীদের একাংশ মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে আইন পেশায় তারুণ্যের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং বিচারপ্রার্থীদের সেবায় আরও উদ্যমী আইনজীবীরা যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে যারা ইতোমধ্যে আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং বয়সের এই সীমারেখার কাছাকাছি রয়েছেন, তাদের জন্য এটি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তবুও পেশাগত মান ও শৃঙ্খলার খাতিরে এই নতুন নীতিমালার বাস্তবায়ন প্রয়োজন ছিল বলে মনে করছে বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য যে, এই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে বার কাউন্সিল স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তালিকাভুক্তির আবেদন করার ক্ষেত্রে এখন থেকে বয়সসীমা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। যারা নির্ধারিত এই ৩৫ বছর বয়সসীমার মধ্যে থাকবেন, শুধুমাত্র তারাই পরবর্তী তালিকাভুক্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবেন। এখন থেকে যারা নতুন করে আইন পেশায় আসতে ইচ্ছুক, তাদের প্রত্যেকের আবেদনের সাথে বয়সের প্রমাণপত্র যাচাইয়ের প্রক্রিয়াটি আরও গুরুত্বের সাথে দেখা হবে।

বার কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্তের পরপরই আইন অঙ্গনসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এটি আইন পেশার মান নিয়ন্ত্রণ এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখার একটি অংশ। এই নতুন নিয়ম বলবৎ হওয়ার ফলে তালিকাভুক্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রার্থীদের বয়সের কাঠামোতে পরিবর্তন আসবে এবং দীর্ঘদিনের চর্চায় এক নতুন ধারা সূচিত হবে।

খুলনা বটিয়াঘাটায় গুলিবিদ্ধ যুবক, দুজন গুলিবিদকে গুলি করে পালিয়ে গেলেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
   
খুলনা বটিয়াঘাটায় গুলিবিদ্ধ যুবক, দুজন গুলিবিদকে গুলি করে পালিয়ে গেলেন

খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলায় রাতের অন্ধকারে এক ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে বারোটা টার দিকে, বড় কড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দুই অপরিচিত ব্যক্তি গুলিবিদকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ ছিলেন ৩৪ বছর বয়সী সোহেল শেখ, যিনি স্থানীয় যুবদল নেতারূপে পরিচিত ছিলেন। গুলি হওয়ার পর তাকে প্রথমে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে আঘাতের তীব্রতা এবং চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ঘটনার সময় গুলিবিদরা সোহেল শেখের হাতে থাকা টাকা ও ব্যাগ নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলিবিদদের সুনির্দিষ্ট পরিচয় এখনো জানা যায়নি, তবে স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী তারা গুলিবিদ্ধের কাছ থেকে নগদ অর্থ চুরি করার উদ্দেশ্যে গুলি চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গুলিবিদদের গতি ও গোপনীয়তা নিয়ে পুলিশ তদন্তে ত্বরান্বিত হয়েছে।

সোহেল শেখের পরিবার এবং বন্ধুদের মতে, তিনি সম্প্রতি কিছু সামাজিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন, তবে গুলিবিদদের সঙ্গে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়নি। গুলিবিদ্ধের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে স্থানীয় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গুলি আঘাতের ফলে তার শিরা ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গুরুতর ক্ষতি হয়েছে, তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানীর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল, তবে চিকিৎসা চলমান রয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে তৎক্ষণাৎ পৌঁছে তদন্ত শুরু করেন। গুলিবিদদের গাড়ি, গুলি চালানোর সময়ের সেলফি বা ভিডিও রেকর্ডিং ইত্যাদি কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে আশেপাশের বাসিন্দাদের কাছ থেকে শোনা গলিপথের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গুলিবিদদের সনাক্তকরণে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, সিসিটিভি ফুটেজ এবং মোবাইল ডেটা বিশ্লেষণ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এই ঘটনার পর খুলনা জেলার নিরাপত্তা সংস্থা স্থানীয় জনগণকে সতর্ক করেছে এবং রাতে একা গাড়ি চালানো বা অন্ধকারে একা হাঁটা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে। এছাড়া, গুলিবিদদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের শাসন বজায় রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সোহেল শেখের পরিবার এবং বন্ধুদের কাছ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন এবং পরিবারের সকলের প্রার্থনা ও সমর্থন তার দ্রুত সুস্থতার জন্য অপরিহার্য। গুলিবিদদের শিকারের শিকারী হিসেবে সোহেল শেখের এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা স্থানীয় সমাজে শক সৃষ্টি করেছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।

সর্বশেষ
পুলিশ মহাপরিদর্শকের ক্রসফায়ার সংক্রান্ত মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ সাংবাদিকদের নিয়ে আইজিপির বক্তব্যে এমআরইউ’র উদ্বেগ ও প্রতিবাদ আইন পেশায় তালিকাভুক্তির বয়সসীমা নির্ধারণ করলো বার কাউন্সিল খুলনা বটিয়াঘাটায় গুলিবিদ্ধ যুবক, দুজন গুলিবিদকে গুলি করে পালিয়ে গেলেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ইউরেনিয়ামের নতুন চালান আগমন মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার অভিযোগ, জাবিতে সাঈদীর কুশপুত্তলিকা দাহ দুর্নীতির মামলায় বিসিএস ক্যাডার সঞ্জয় ও মুসার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রথম স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে শ্যালিকাকে বিয়ে, ক্ষোভে টিকটকারের মুখে চুন-কালি দিয়ে এলাকাছাড়া স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেল ঢাকার ঐতিহ্যবাহী কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি টঙ্গীর মাদ্রাসায় ছাত্রকে চুমু দেওয়ার অভিযোগ, উত্তাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম
Advertisement