জিজ্ঞাসাবাদের পর মুক্তি পেলেন ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা দীপক শীল
রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে আটক করা হয়েছিল ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি দীপক শীলকে। তবে ঘটনার কিছু সময় পরেই তাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। সোমবার ২৬ অক্টোবর রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল হালিম।
শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত একটি মানববন্ধন চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দীপক শীলকে হেফাজতে নেয়। আটক পরবর্তী সময় তাকে মোহাম্মদপুর থানায় নেওয়া হয়। সেখানে তাকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আইন অনুযায়ী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ। ওসির ভাষ্যমতে, জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরই তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে দীপক শীলের মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রচারিত হয়েছে। ছাত্র ইউনিয়নের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভ তার নিজস্ব ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সোমবার রাত ৯টার দিকে একটি পোস্টের মাধ্যমে দীপক শীলের মুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট মহলে স্বস্তি প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
উল্লেখ্য যে, এদিন রাজধানী ঢাকায় বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ধানমন্ডিতে কর্মসূচি চলাকালে তাকে আটক করা হলেও পরবর্তী পরিস্থিতিতে পুলিশি তৎপরতা ও আইনানুগ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়। আটক হওয়ার পরপরই বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তবে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর সেই উদ্বেগ কেটে যায়।
দীপক শীল ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি হিসেবে ছাত্র রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। তার আটকের খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের কর্মীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়ার পর বিষয়টি এখানেই থেমে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং এ বিষয়ে আর কোনো বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সাধারণত যেকোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে কর্মসূচিগুলোতে সতর্ক অবস্থানে থাকেন। ধানমন্ডির এই মানববন্ধন থেকে দীপক শীলকে আটক এবং পরবর্তীতে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টিও সেই সতর্কতামূলক কার্যক্রমের অংশ হতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে বাড়তি সতর্কতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে যেখানে জনসমাগম বেশি থাকে, সেখানে পুলিশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। দীপক শীলের বিষয়টিও সেই ধারাবাহিকতার একটি অংশ হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। সামগ্রিকভাবে সোমবার রাতের এই ঘটনায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির খবর পাওয়া যায়নি।




আপনার মতামত লিখুন
[gs-fb-comments]