খুঁজুন
, ,

ঢাকার রামপুরা এলাকায় বিটিভি ভবনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
ঢাকার রামপুরা এলাকায় বিটিভি ভবনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

ঢাকার রামপুরা এলাকায় মঙ্গলবার বিকালের দিকে একটি অপ্রত্যাশিত সন্ত্রাসী ঘটনার সূত্রপাত হয়। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবনের সামনের সড়কে একটি মোটরসাইকেল চালিয়ে ককটেল বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। ঘটনাটি ৩ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে বিকাল ৪:৪৫ মিনিটের কাছাকাছি সংঘটিত হয় বলে রামপুরা থানার ওসিআই মো. জাহাঙ্গীর হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

বিস্ফোরণের ফলে আশেপাশের গাছপালা ও সাময়িকভাবে সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে ভাগ্যক্রমে কোনো ব্যক্তি আহত হয়নি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ দল দ্রুতই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিস্ফোরণের সূত্রপাতের পেছনের উদ্দেশ্য ও দায়ী ব্যক্তিদের অনুসন্ধান শুরু করে। ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, বর্তমানে তদন্তের অধীনে রয়েছে যে কীভাবে বোমা প্রস্তুত করা হয়েছিল এবং তা কীভাবে মোটরসাইকেলে বহন করা হয়েছিল।

বিটিভি ভবনের সামনে উপস্থিত কর্মী ও পথচারীরা বিস্ফোরণের তীব্র ধ্বনিতে চমকে যায় এবং তৎক্ষণাৎ নিরাপত্তা বজায় রাখতে স্থানীয় পুলিশ ও জরুরি সেবা দলকে জানায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রথম চিকিৎসা দল দ্রুতই কোনো আহতের উপস্থিতি না থাকায় সাইট পরিষ্কার করার কাজ শুরু করে।

রামপুরা থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেনের মতে, এই ধরনের ককটেল বোমা বিস্ফোরণ শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশের একটি চ্যালেঞ্জ। তিনি উল্লেখ করেন, “এধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে ফরেনসিক বিশ্লেষণ চালু করেছি এবং সন্দেহভাজনদের সন্ধানে নজরদারি বাড়িয়ে দিচ্ছি।”

বিটিভি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিও ঘটনাটি সম্পর্কে মন্তব্য করে জানান, “বিটিভি একটি জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা এবং আমরা সর্বদা আমাদের কর্মী ও দর্শকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। এই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনার বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সম্পূর্ণ সমর্থন জানাই।”

স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাটির পর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে, তবে তারা উল্লেখ করেন যে রামপুরা এলাকায় পূর্বে এমন কোনো সন্ত্রাসী হামলা ঘটেনি। কিছু বাসিন্দা বলেন, “এমন ঘটনা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনিশ্চয়তা তৈরি করে, তাই পুলিশকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।”

পুলিশের মতে, ককটেল বোমা সাধারণত সহজে তৈরি করা যায় এবং তা দ্রুত গতি সম্পন্ন যানবাহনে বহন করা সম্ভব। তাই, নিরাপত্তা সংস্থাগুলি শহরের প্রধান সড়ক ও জনসমাগমস্থলে অতিরিক্ত নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

এই ঘটনার পর, ঢাকা শহরের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসন একত্রে সমন্বয় করে শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনা শুরু করেছে। বিশেষ করে, টেলিভিশন ও মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে অতিরিক্ত সিকিউরিটি গার্ড ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

অধিক তথ্য পাওয়া গেলে, রামপুরা থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন সংবাদমাধ্যমকে আপডেট দেবেন। বর্তমানে, তদন্ত চলমান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো নতুন সূত্র প্রকাশিত হলে তা জনসাধারণের সঙ্গে শেয়ার করা হবে।

একনজরে আজকের আলোচিত খবর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
   
একনজরে আজকের আলোচিত খবর

৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে বাংলা ট্রিবিউনের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত ‘একনজরে আজকের আলোচিত খবর’ শিরোনামের সংকলনটি পাঠক সমাজের মধ্যে তীব্র আলোচনা উস্কে দিয়েছে। এই বিশেষ সংকলনে নীতিনির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, আন্তর্জাতিক ভূ‑রাজনৈতিক পরিবর্তন, ক্রীড়া ক্ষেত্রের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিনোদন জগতের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি একসাথে উপস্থাপিত হয়েছে, যা সাধারণ পাঠকের জন্য একাধিক দৃষ্টিকোণ থেকে তথ্য গ্রহণের সুযোগ তৈরি করেছে।

প্রকাশের মুহূর্তে, সংবাদটি নীতি‑নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকারী উদ্যোগের বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদনকে কেন্দ্রবিন্দু করে তুলে ধরেছে। বিশেষ করে, সাম্প্রতিক সময়ে গৃহীত কিছু অর্থনৈতিক নীতি ও সামাজিক কল্যাণমূলক পদক্ষেপের প্রভাব বিশ্লেষণ করে পাঠকদের জানানো হয়েছে কীভাবে এই নীতিগুলি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে অবদান রাখবে। একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে চলমান ভূ‑রাজনৈতিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক সমঝোতার নতুন দিকগুলোও বিশদভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে, যা পাঠকদের বৈশ্বিক ঘটনার সঙ্গে দেশের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা প্রদান করেছে।

ক্রীড়া বিভাগে, সাম্প্রতিক ক্রীড়া ইভেন্টের ফলাফল, খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স এবং ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে, ক্রিকেট ও ফুটবলের ক্ষেত্রে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোকে সংক্ষেপে উপস্থাপন করে পাঠকদের ক্রীড়া জগতের সাম্প্রতিক গতিপথ সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।

বিনোদন বিভাগে, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত ও টেলিভিশন শিল্পের নতুন রিলিজ, শিল্পী সংক্রান্ত খবর এবং দর্শক প্রতিক্রিয়া নিয়ে বিশদ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে দেশে আসার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, যা পাঠকদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। এছাড়া, স্বর্ণের বাজারে চলমান প্রবণতা ও তার পেছনের কারণগুলোও সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়েছে, যা অর্থনৈতিক বিশ্লেষণের অংশ হিসেবে পাঠকদের দৃষ্টিতে নতুন দৃষ্টিকোণ এনে দিয়েছে।

প্রকাশের পরপরই, পাঠক মহলে এই সংকলনের ব্যাপক আলোচনার সূচনা হয়। সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এবং মন্তব্য বিভাগে পাঠকরা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে মতামত প্রকাশ করে, কিছু বিষয়ের ওপর প্রশ্ন তুলেছে, আবার অন্য কিছু বিষয়কে প্রশংসা করেছে। বিশেষ করে, নীতি‑নির্ধারণের বিশ্লেষণ এবং আন্তর্জাতিক ভূ‑রাজনীতির প্রতিবেদনকে পাঠকরা তথ্যবহুল ও সময়োপযোগী বলে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

সার্বিকভাবে, বাংলা ট্রিবিউনের এই বিশেষ প্রকাশটি একাধিক ক্ষেত্রের সংবাদকে একত্রিত করে পাঠকদের জন্য একটি সমন্বিত তথ্যসূত্র হিসেবে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে এমন সমন্বিত সংকলনের মাধ্যমে পাঠকদের তথ্যপ্রাপ্তি সহজতর হবে এবং সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা যায়।

বাংলাদেশের পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন নিয়ে ভারতের সতর্কতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
   
বাংলাদেশের পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন নিয়ে ভারতের সতর্কতা

বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি নিয়ে সম্প্রতি তীব্র প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। শ্রমিক ইউনিয়ন ও কর্মী সংগঠনগুলো রাস্তায় নেমে সঠিক বেতন ও কাজের শর্তের জন্য দাবি তুলে ধরছে। এই পরিস্থিতি শুধু দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনায় নয়, প্রতিবেশী ভারতের দৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল গতকাল একটি পার্শ্বিক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন যে, ভারত এই আন্দোলনকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে যে আন্দোলন চলছে, তা আমাদের দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা এর ওপর কড়া নজর রাখছি।” জয়সওয়াল আরও যোগ করেন, “এই ধরনের সামাজিক অস্থিরতা উভয় দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, তাই আমরা পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছি।”

প্রতিবাদগুলো মূলত দেশের প্রধান গার্মেন্টস পার্কগুলোতে কেন্দ্রীভূত, যেখানে শ্রমিকরা দীর্ঘ সময় কাজের পর যথাযথ পারিশ্রমিক না পাওয়ার অভিযোগ তুলছে। তারা দাবি করে যে, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের চাহিদা পূরণে অতিরিক্ত কাজের চাপের ফলে তাদের জীবনযাত্রার মান হ্রাস পাচ্ছে। শ্রমিকদের মতে, বর্তমান বেতন স্তর আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় যথেষ্ট কম এবং তাৎক্ষণিক সমন্বয় প্রয়োজন।

বাংলাদেশের সরকারও এই আন্দোলনকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। শ্রম মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ইতিমধ্যে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে এবং মজুরি বৃদ্ধির সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে, শ্রমিক সংগঠনগুলো দাবি করে যে, সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং কোনো বিলম্ব না করে বাস্তবিক সমাধান প্রদান করবে।

ভারতীয় পর্যবেক্ষণকে নিয়ে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেন, গার্মেন্টস শিল্পে বাংলাদেশ ও ভারতের সরবরাহ শৃঙ্খলে ঘনিষ্ঠ সংযোগ রয়েছে। উভয় দেশের রপ্তানি বাজারে একই ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ায়, কোনো এক দেশের শ্রমিক সমস্যার প্রভাব অন্য দেশের অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। তাই, ভারতের দৃষ্টিতে এই আন্দোলনকে কেবল বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার একটি সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও শ্রম অধিকার সমর্থক গোষ্ঠীও গার্মেন্টস শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। তারা জোর দিয়ে বলছে, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কাজের পরিবেশ এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের অংশ এবং তা অবহেলা করা যাবে না।

এইসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ই তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্বচ্ছতা ও সমন্বয় বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন স্তরে আলোচনা চালিয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। উভয় দেশের সরকারই স্বীকার করেছে যে, গার্মেন্টস শিল্পের স্থিতিশীলতা ও শ্রমিকদের কল্যাণ উভয়ই দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। ভবিষ্যতে এই ধরনের আন্দোলন যদি পুনরায় দেখা দেয়, তবে তা সমাধানের জন্য আরও সমন্বিত নীতি ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা প্রয়োজন হবে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু, পদ্মা ব্যারেজের কাজ দ্রুততর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
   
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু, পদ্মা ব্যারেজের কাজ দ্রুততর

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তরিক রহমান আজ (৩ নভেম্বর ২০২৬) দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুততর করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বিশেষভাবে Y-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজের নির্মাণে ত্বরান্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা দেশের পরিবহন নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করার পাশাপাশি কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে সরাসরি প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষত পদ্মা ও যমুনা নদীর ওপর নতুন সেতু নির্মাণের মাধ্যমে দেশের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মধ্যে সংযোগ সহজ হবে, ফলে পণ্য পরিবহন ও যাত্রী চলাচল দ্রুত হবে।

Y-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু প্রকল্পটি পূর্বে পরিকল্পনা পর্যায়ে ছিল এবং এর নকশা ও অর্থায়ন সংক্রান্ত আলোচনা চলছিল। প্রধানমন্ত্রী তরিক রহমানের নির্দেশে এখন এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও তহবিল দ্রুত সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে। সেতুটি মূলত দুইটি লেনের সঙ্গে অতিরিক্ত পাদচারণের জন্য পর্যাপ্ত স্থান থাকবে, যা ভবিষ্যতে ট্রাফিকের বৃদ্ধি মোকাবেলায় সহায়ক হবে।

দ্বিতীয় যমুনা সেতু, যা পূর্বে পরিকল্পিত কিন্তু বিভিন্ন কারণে বিলম্বিত হয়ে ছিল, এখন আবার কাজের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। এই সেতুটি দেশের উত্তরাঞ্চলকে রাজধানী ও দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত করবে, ফলে বাণিজ্যিক লেনদেন ও কৃষি পণ্যের রপ্তানি-আমদানি সহজ হবে। সেতুর নির্মাণে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

পদ্মা ব্যারেজের কাজও ত্বরান্বিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ব্যারেজটি দেশের বৃহত্তম নদী পদ্মা নদীর প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ, বন্যা প্রতিরোধ এবং সেচের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ব্যারেজের মাধ্যমে নদীর পানির স্তর নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাবেন কৃষকরা, বিশেষত মৌসুমী বন্যা থেকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগের সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে দ্রুত কাজের সূচি নির্ধারণ, প্রয়োজনীয় অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুততর করা এবং তহবিলের সুষ্ঠু বরাদ্দ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করা হবে, যা নিয়মিতভাবে অগ্রগতি রিপোর্ট করবে।

অবকাঠামো উন্নয়নের এই পদক্ষেপগুলো দেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিশেষত পরিবহন ও সেচের ক্ষেত্রে এই প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হলে দেশের মোট উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে, বেকারত্বের হার কমবে এবং আঞ্চলিক বৈষম্য হ্রাস পাবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা উল্লেখ করেছেন যে, অবকাঠামো প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়ন দেশের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলকতা বাড়াবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা জাগাবে। তবে, প্রকল্পের বাস্তবায়নে সময়মতো তহবিল সরবরাহ, পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

সর্বশেষে, প্রধানমন্ত্রী তরিক রহমানের এই নির্দেশনা দেশের ভবিষ্যৎ অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন।

সর্বশেষ
একনজরে আজকের আলোচিত খবর ঢাকার রামপুরা এলাকায় বিটিভি ভবনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ বাংলাদেশের পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন নিয়ে ভারতের সতর্কতা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু, পদ্মা ব্যারেজের কাজ দ্রুততর বিজ্ঞাপন থেকে সরাসরি সিনেমা ট্রাম্পের ঘোষণায় যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েলকে আর্থিক সহায়তা বন্ধের সিদ্ধান্ত বম্বে হাইকোর্টের আদেশে দিয়া মির্জার ভিডিও পুনরুদ্ধার, বিজেপি নেতাদের আপত্তি অস্বীকারে আদালতের অসন্তোষ অক্টোবর মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় ১২ জনের প্রাণহানি, আহত তিন শতাধিক জুলাই হত্যাচেষ্টার মামলার আসামির নেতৃত্বে আনন্দ র‍্যালি, এলাকায় চাঞ্চল্য গ্রাহকদের জন্য নতুন অ্যাপ মুক্ত আনল বাংলালিংক
Advertisement