খুঁজুন
, ,

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় মুরার আঘাত, সমুদ্রবন্দরগুলোতে ২ নম্বর সতর্কবার্তা

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় মুরার আঘাত, সমুদ্রবন্দরগুলোতে ২ নম্বর সতর্কবার্তা

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড় মুরার রূপ নিয়েছে। এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। মূলত বঙ্গোপসাগর এখন যথেষ্ট উত্তাল হয়ে উঠেছে এবং এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের আকাশ মেঘলাসহ কোথাও কোথাও দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। সমুদ্র বন্দরসমূহের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং সতর্কতা অবলম্বনের অংশ হিসেবে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমান গতিপথে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রাথমিক গতিবিধি পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে যে, এটি ভারতের অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ২ নভেম্বরের দিকে এই ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের উপকূলরেখা অতিক্রম করতে পারে বলে ধারণা করছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ এবং এর তীব্রতার ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দক্ষিণপূর্ব এবং দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পর তার গতিপথ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সমুদ্রের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে এবং জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে গভীর সাগরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যারা সাগরে অবস্থান করছেন, তাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলাগুলোর প্রশাসনকেও দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টি কেবল ভারতের উপকূলের দিকেই অগ্রসর হচ্ছে না, বরং এর বিস্তৃতি ও প্রভাব অঞ্চল অনুযায়ী আবহাওয়ার পূর্বাভাসে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন আসতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ঘূর্ণিঝড় মুরার প্রভাবে আগামী কয়েকদিন বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ জলরাশি উত্তাল থাকবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি দূর করতে এবং সঠিক তথ্য প্রচারের লক্ষ্যে আবহাওয়া অফিস থেকে প্রতিনিয়ত আপডেট দেওয়া হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ বা দিক পরিবর্তন হলে তা দ্রুত জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। উপকূলের সাধারণ মানুষকে আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষ বুলেটিনগুলো নিয়মিত অনুসরণ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। দুর্যোগের সময় যে কোনো ধরনের গুজব থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবক কর্মীদের জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রবন্দরগুলোতে জারি করা এই সংকেত পরিস্থিতি উন্নতির আগে পর্যন্ত বলবৎ থাকবে এবং জাহাজগুলোকে সতর্কতার সাথে নোঙর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বন্দর কর্তৃপক্ষকে পরবর্তী সংকেতের জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।

সাভারে পোশাক কারখানায় হামলা ও ভাঙচুর, সাংবাদিক লাঞ্ছিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
   
সাভারে পোশাক কারখানায় হামলা ও ভাঙচুর, সাংবাদিক লাঞ্ছিত

সাভারের হেমায়েতপুরে শ্রমিক বিক্ষোভের জের ধরে একটি পোশাক কারখানায় নজিরবিহীন হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। উত্তাল পরিস্থিতিতে কারখানাটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে এবং এক পর্যায়ে স্থানীয় এক সাংবাদিককে মারধরের শিকার হতে হয়। ঘটনার সূত্রপাত হয় রবিবার দুপুরে, যখন কারখানার সামনে জড়ো হওয়া একদল বিক্ষোভকারী শ্রমিক সহিংস হয়ে ওঠেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কারখানাটির সামনে শ্রমিকদের জমায়েত ও বিশৃঙ্খলা হঠাৎ করেই রূপ নেয় বড় ধরনের তাণ্ডবে। তারা কারখানার মূল ফটক ও অন্যান্য অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন।

কারখানার ভেতরের নিরাপত্তা কর্মীদের চোখের সামনেই একদল বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি ভেতরে প্রবেশ করে এবং আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুর করতে থাকে। ঘটনার সময় শ্রমিকদের একটি বড় অংশকে মারমুখী অবস্থানে দেখা গেছে। কারখানায় কর্মরত অবস্থায় থাকা সাধারণ কর্মীরা ভয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য হন। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় এক সংবাদকর্মী ভিডিও ধারণ করতে গেলে তিনি হামলার শিকার হন। বিক্ষুব্ধরা ওই সাংবাদিককে ঘিরে ফেলে এবং তার ওপর চড়াও হয়। এতে তিনি গুরুতর লাঞ্ছনার শিকার হন বলে জানা গেছে।

কারখানার ভেতরে তাণ্ডব চালানোর পাশাপাশি বিক্ষোভকারীরা কারখানা সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এর ফলে ওই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে দীর্ঘ সময় যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। মহাসড়ক অবরোধের ফলে ঘরমুখো মানুষসহ সাধারণ পথচারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হন। সড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তি ছিল চরমে। দীর্ঘক্ষণ মহাসড়ক অবরুদ্ধ থাকায় এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলার সময়কার পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত উদ্বেগজনক। যে যেভাবে পেরেছে কারখানাটির ভেতরে ভাঙচুর চালিয়েছে এবং সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই হেনস্তা বা মারধর করা হয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ভাঙচুরের বড় অংশ সম্পন্ন হয়ে যায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের অবস্থানের কারণে প্রাথমিক পর্যায়ে বেশ বেগ পেতে হয়।

কারখানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য না করলেও স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবি দাওয়াকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে কারখানাটিতে যে অস্থিরতা চলছিল, তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এই হামলায়। আহত সাংবাদিককে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘটনা পরবর্তী সময়ে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি পুনরায় তৈরি না হয়। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত হলেও পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং কারখানার কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহীতে বৃষ্টিহীন আবহেও মাঠে গড়াল না বরিশাল-ঢাকা ম্যাচ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
   
রাজশাহীতে বৃষ্টিহীন আবহেও মাঠে গড়াল না বরিশাল-ঢাকা ম্যাচ

রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের মধ্যকার ক্রিকেট ম্যাচটি ঘিরে রহস্য আর অনিশ্চয়তা যেন কাটছেই না। গত দুই দিনে রাজশাহীতে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও এবং বৃষ্টির কোনো চিহ্ন না থাকলেও অদ্ভুত কারণে মাঠে বল গড়ানোর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। মাঠের ভেজা অবস্থার কারণে টস করাও সম্ভব হয়নি, যা ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য হতাশাজনক। যদিও মাঠ পরিচর্যার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের তৎপরতা দেখা গেছে, তবে বাস্তবে খেলার উপযুক্ত পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি।

ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও মাঠের আউটফিল্ড এবং উইকেট খেলার জন্য উপযোগী কি না, তা নিয়ে আম্পায়ারদের রয়েছে যথেষ্ট সন্দেহ। স্থানীয় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা না থাকলেও মাঠে পানির আধিক্য বা মাঠ শুকানোর প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রুটি থেকে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাধারণত মাঠ ভেজা থাকলে আউটফিল্ডের অবস্থা বিবেচনা করে ম্যাচ অফিসিয়ালরা সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। কিন্তু এখানে বিষয়টি যেন আরও বেশি জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুই দিন কোনো বৃষ্টিপাত না হওয়া সত্ত্বেও মাঠ কেন খেলার অনুপযোগী রয়ে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আয়োজক বা গ্রাউন্ডস কমিটির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।

খেলোয়াড়দের মাঠের অভিজ্ঞতা হলো যে, বৃষ্টির সময় খেলা বন্ধ থাকলে তা মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু আকাশ পরিষ্কার থাকার পরও যখন মাঠের কারণে খেলা শুরু হয় না, তখন তা খেলোয়াড়দের মানসিক প্রস্তুতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। দীর্ঘ সময় ড্রেসিংরুমে বসে থাকা এবং বারবার মাঠে নামার প্রস্তুতি নেওয়া একজন ক্রিকেটারের মনোযোগ নষ্ট করে দেয়। বরিশাল এবং ঢাকা উভয় দলের ক্রিকেটাররাই এখন এই অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

বর্তমানে মাঠের যে পরিস্থিতি, তাতে আগামীকাল খেলা শুরু হবে কি না, তা নিয়ে কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না ম্যাচ সংশ্লিষ্টরা। কালকের ম্যাচ আয়োজন আদৌ সম্ভব হবে কি না, তা নির্ভর করছে গ্রাউন্ডস স্টাফদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং আম্পায়ারদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর। যদি পরিস্থিতির উন্নতি না হয়, তবে ম্যাচটি বাতিল বা পরিত্যক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ মাঠ শুকাতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে, তবে রোদের তেজ বা বাতাসের প্রবাহ মাঠ শুকানোর জন্য যথেষ্ট কি না, তা আগামীকাল সকালের আগে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।

ক্রিকেট প্রেমীদের অনেকেরই প্রশ্ন, আধুনিক স্টেডিয়াম ব্যবস্থাপনা থাকার পরেও মাঠ কেন এত দীর্ঘ সময় খেলার অনুপযোগী থাকছে? যেখানে আবহাওয়া অনুকূলে ছিল, সেখানে মাঠের প্রস্তুতি কেন আগেভাগে সম্পন্ন হলো না? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজছেন স্থানীয় সমর্থকরা। সব মিলিয়ে, রাজশাহী স্টেডিয়ামের এই ধোঁয়াশাচ্ছন্ন পরিস্থিতি ঘরোয়া ক্রিকেটের ব্যবস্থাপনার ওপরই কিছুটা প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, আগামী দিনের সূচি অনুযায়ী ম্যাচটি মাঠে গড়ায়, নাকি নতুন কোনো সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে হয় সংশ্লিষ্টদের।

কলকাতার কাছে দুদিনের ছুটি: ঘুরে আসতে পারেন প্রকৃতির কোলে থাকা ৫টি গন্তব্যে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
   
কলকাতার কাছে দুদিনের ছুটি: ঘুরে আসতে পারেন প্রকৃতির কোলে থাকা ৫টি গন্তব্যে

কাজের ব্যস্ততা কিংবা শহরের যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি কাটাতে আমাদের মাঝে মাঝেই একটু নিরিবিলির খোঁজে বেরিয়ে পড়তে ইচ্ছে করে। কলকাতা ভ্রমণের পরিকল্পনা যদি আপনার থাকে, তবে কেবল শহরের ভেতরেই আটকে না থেকে আশেপাশের শান্ত ও সুন্দর জায়গাগুলো ঘুরে আসতে পারেন। হাতে মাত্র দুদিন সময় থাকলে শহরের কাছাকাছি অবস্থিত চমৎকার পাঁচটি গন্তব্য আপনাকে দিতে পারে একঘেয়েমি থেকে মুক্তির দারুণ সুযোগ। প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে চাইলে এই জায়গাগুলো হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ।

প্রথমেই আসা যাক ইতিহাসের ছোঁয়া আর নদীর পাড়ের শান্ত পরিবেশের কথা। কলকাতার কাছাকাছি এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে এখনো ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে পুরনো সব স্থাপত্য। নদীর বাঁকে সূর্যাস্ত দেখার আনন্দ বা শান্ত বিকেলে নদীপাড়ে বসে সময় কাটানো—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত প্রশান্তি মেলে এসব জায়গায়। যান্ত্রিক জীবনের কোলাহল থেকে দূরে এসব গ্রামে বা ছোট জনপদগুলোতে আপনি পাবেন গ্রামবাংলার সেই চিরচেনা রূপ। যারা সবুজের সমারোহ পছন্দ করেন, তাদের জন্য রয়েছে শালবন ঘেরা এলাকা। অরণ্যের গভীরে হারিয়ে যাওয়ার সুযোগ এখানে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। বিশেষ করে শীতের আমেজ আসার আগেই বাতাসে হালকা হিমেল ভাব আর মিঠে হাওয়া যখন বইতে শুরু করে, তখন এই জায়গাগুলো ভ্রমণের জন্য আদর্শ হয়ে ওঠে।

আমাদের মধ্যে অনেকেই পরিকল্পনা করতে গিয়ে হিমশিম খান যে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার ভ্রমণে কোথায় যাওয়া সম্ভব। মূলত কলকাতার চারপাশের জেলাগুলোতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এই গন্তব্যগুলো খুব অল্প সময়েই পৌঁছানো যায়। আপনি চাইলে নিজের গাড়ি বা গণপরিবহন ব্যবহার করে সহজেই এই ভ্রমণটুকু সেরে নিতে পারেন। নদী, জঙ্গল আর প্রাচীন ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে গড়া এই জায়গাগুলো শুধু যে ঘোরার জন্যই ভালো তা নয়, বরং ফটোগ্রাফি বা নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য যারা জায়গা খুঁজছেন, তাদের জন্যও বেশ উপযোগী।

ভ্রমণপিপাসুদের জন্য কলকাতা ভ্রমণের তালিকায় এগুলো রাখা যেতে পারে নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের জন্য। প্রতিটি জায়গার নিজস্ব সৌন্দর্য রয়েছে। কোথাও হয়তো আপনি পাবেন শালবনের গভীর অরণ্য, আবার কোথাও পাবেন নদীর উন্মুক্ত প্রান্তর। সব মিলিয়ে এই দুদিনের সফর আপনার কাজের সপ্তাহের ধকল কাটিয়ে উঠতে নতুন প্রাণশক্তি জোগাবে। তাই চটজলদি ব্যাগ গুছিয়ে নিতে পারেন কলকাতার আশেপাশে থাকা এই পাঁচটি চমৎকার ঠিকানার যেকোনো একটিতে। শহরের কাছাকাছি থেকেও যে এত শান্তি আর সৌন্দর্যের দেখা পাওয়া সম্ভব, তা একবার না গেলে বোঝা দায়।

পরিশেষে বলা যায়, হাতে থাকা অল্প সময়কে কাজে লাগিয়ে প্রকৃতির কাছে ফিরে যাওয়াটা মানসিক প্রশান্তির জন্য খুব জরুরি। কলকাতার অদূরে ছড়িয়ে থাকা এই গন্তব্যগুলোতে ভ্রমণের মাধ্যমে আপনি নতুন করে খুঁজে পেতে পারেন নিজেকে। তাই দেরি না করে আপনার পরবর্তী উইকেন্ডের বা ছুটির দিনগুলো সাজিয়ে নিতে পারেন এই পাঁচটি চমৎকার গন্তব্যের হাত ধরে।

সর্বশেষ
সাভারে পোশাক কারখানায় হামলা ও ভাঙচুর, সাংবাদিক লাঞ্ছিত রাজশাহীতে বৃষ্টিহীন আবহেও মাঠে গড়াল না বরিশাল-ঢাকা ম্যাচ কলকাতার কাছে দুদিনের ছুটি: ঘুরে আসতে পারেন প্রকৃতির কোলে থাকা ৫টি গন্তব্যে লাঠিচার্জের ভিডিও করায় সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিলেন এডিসি উপসাগরে কাতারের এলএনজিবাহী জাহাজে রহস্যময় হামলা তাহসিফ হত্যা মামলা: গ্রেফতার তরুণী ৪ দিনের রিমান্ডে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমীর ও নায়েবে আমীরের রোকন পদ বাতিল বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় মুরার আঘাত, সমুদ্রবন্দরগুলোতে ২ নম্বর সতর্কবার্তা তাহসিফ হত্যা মামলা: বান্ধবী জেরিকার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন গ্যাস সংকটের মুখে নতুন শঙ্কা: ৪ নভেম্বর থেকে সরবরাহ হ্রাসের ঘোষণা
Advertisement