খুঁজুন
, ,

বিলের ছাড় নিয়ে বিরোধে মোহাম্মদপুরের সিটি হাসপাতালে ভাঙচুর

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
বিলের ছাড় নিয়ে বিরোধে মোহাম্মদপুরের সিটি হাসপাতালে ভাঙচুর

ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত সিটি হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ১২টার কাছাকাছি একদল যুবক চিকিৎসা বিলের ছাড় নিয়ে বিরোধের কারণে হাসপাতালের সামনের অংশ এবং নিচতলার রিসেপশনে প্রবেশ করে ভাঙচুরের কাজ করে। ভাঙচুরের ফলে হাসপাতালের আসবাবপত্র, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং রিসেপশন কাউন্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজনকে তৎক্ষণাৎ গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের সম্পর্কে তদন্তের কথা পুলিশ জানায়।

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী, রোগী ও তাদের আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে বিলের পরিমাণ ও ছাড়ের বিষয়ে অসন্তোষ দেখা দিচ্ছিল। কিছু রোগীর দাবি ছিল যে, একই ধরনের সেবার জন্য অন্য হাসপাতালগুলো তুলনামূলকভাবে কম চার্জ আরোপ করে, ফলে তারা সিটি হাসপাতালের বিলের ওপর অতিরিক্ত চাপ অনুভব করছিল। এই অসন্তোষই শেষ পর্যন্ত ভাঙচুরের রূপ নেয়।

ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত现场ে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গ্রেফতারকৃত কয়েকজনের পরিচয় প্রকাশ না করা হলেও, তাদের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে বলে জানা যায়। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ভাঙচুর, সম্পত্তি ধ্বংস এবং অবৈধ লুটপাটের অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া, ঘটনার তদন্ত চলাকালীন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বিবৃতি সংগ্রহ করা হবে।

সিটি হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসক ও প্রশাসক ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করে, “আমাদের হাসপাতাল রোগীর সেবা ও স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। বিলের বিষয়ে কোনো ভুল বোঝাবুঝি হলে তা সমাধানের জন্য আমরা সবসময়ই প্রস্তুত। তবে, এ ধরনের হিংসাত্মক কাজ রোগী ও কর্মীদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলছে।” বলেন। তিনি আরও যোগ করেন, “পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে আমরা দ্রুতই এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সম্পন্ন করব এবং দায়ী ব্যক্তিদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করব।”

স্থানীয় বাসিন্দা ও রোগীরাও এই ঘটনার প্রতি শোক প্রকাশ করে। একজন রোগীর আত্মীয় বলেন, “বিলের ওপর আমাদের অসন্তোষ ছিল, তবে এভাবে হিংসা করা কখনোই সমাধান নয়। আমরা আশা করি কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটে।” পুলিশ কর্মকর্তার মতে, এই ধরনের ঘটনা রোধে হাসপাতাল ও রোগীর মধ্যে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং বিল সংক্রান্ত নীতি স্পষ্ট করা জরুরি। বর্তমানে, সিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিলের ছাড়ের নীতি পুনর্বিবেচনা করার কথা জানিয়েছে, যাতে রোগীর আর্থিক বোঝা কমে এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ বিরোধ এড়ানো যায়।

ডেঙ্গু আক্রান্ত এ বি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ ট্রাইব্যুনালের শুনানির তারিখ পরিবর্তনের আবেদন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ
   
ডেঙ্গু আক্রান্ত এ বি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ ট্রাইব্যুনালের শুনানির তারিখ পরিবর্তনের আবেদন

ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত হতে না পারার জন্য এ বি পার্টির (বাংলাদেশ পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ তার আইনজীবীদের মাধ্যমে সময়ের অনুরোধ করেন। ফুয়াদ, যিনি দেশের রাজনৈতিক ও আইনি পরিমণ্ডলে সুপরিচিত, সাম্প্রতিক সময়ে উচ্চ জ্বর ও শারীরিক দুর্বলতার শিকার হয়ে পড়েছেন, যা তাকে ট্রাইব্যুনালের উপস্থিতি থেকে বিরত রাখে।

ফুয়াদের স্বাস্থ্য অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়েছে যে, তিনি ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্ত, যার ফলে শারীরিক শক্তি হ্রাস পেয়েছে এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি নিজে উপস্থিত হতে অক্ষম বলে, তার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিরা ট্রাইব্যুনালের আদালতে অনুরোধ পেশ করেন।

ফুয়াদের পক্ষে কাজ করা আইনজীবী দলটিতে ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক এবং একজন অ্যাডভোকেট অন্তর্ভুক্ত। তারা ট্রাইব্যুনালের রেকর্ডে ফুয়াদের স্বাস্থ্যগত অবস্থা উল্লেখ করে, রোগের তীব্রতা ও চিকিৎসা প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে, এবং একটি যুক্তিসঙ্গত সময়সীমা নির্ধারণের জন্য অনুরোধ করেন। এই আবেদনটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রোটোকল অনুযায়ী যথাযথভাবে দাখিল করা হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, যা হাগের নিকটবর্তী স্থানে অবস্থিত, বুধবার, ৪ নভেম্বরের সেশনে ফুয়াদের অনুরোধ বিবেচনা করে ২৩ নভেম্বরকে নতুন উপস্থিতির তারিখ হিসেবে নির্ধারণ করে। ট্রাইব্যুনালের এই সিদ্ধান্তটি ফুয়াদের স্বাস্থ্যগত অবস্থা এবং তার আইনগত প্রতিনিধিদের উপস্থাপিত প্রমাণের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। নতুন তারিখের মাধ্যমে ফুয়াদকে যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণের সময় দেওয়া হবে এবং একই সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, যা যুদ্ধাপরাধ, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অন্যান্য গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার করে, তার কার্যক্রমে সময়সীমা ও উপস্থিতি নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করে। তবে, রোগ বা অপ্রত্যাশিত শারীরিক সমস্যার ক্ষেত্রে আদালত প্রয়োজনীয় ছাড় প্রদান করে থাকে, যাতে ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া মানবিক দিক থেকে সুষম থাকে। ফুয়াদের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রয়োগ করা হয়েছে এবং তার স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারের জন্য পর্যাপ্ত সময় প্রদান করা হয়েছে।

ফুয়াদের এই আবেদন এবং ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের ফলে দেশের রাজনৈতিক ও আইনি বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন যে, স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে আইনি প্রক্রিয়ার বিলম্ব কখনো কখনো অনিবার্য, তবে তা ন্যায়বিচারের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতাকে প্রভাবিত না করে সমাধান করা উচিত। ফুয়াদ, যিনি দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন, এখন তার স্বাস্থ্যের পুনরুদ্ধারের দিকে মনোযোগ দেবেন এবং নির্ধারিত ২৩ নভেম্বরের তারিখে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে তার আইনি দায়িত্ব পূরণ করবেন।

কোয়ান্টাম জগৎ: মহাবিশ্ব কীসের তৈরি, কণা নাকি তরঙ্গ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ
   
কোয়ান্টাম জগৎ: মহাবিশ্ব কীসের তৈরি, কণা নাকি তরঙ্গ

কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় দেখা গেছে, ইলেকট্রনগুলো যখন দু’টি সূক্ষ্ম ছিদ্রের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে, তখন তাদের আচরণ কণার মতো নয়, বরং তরঙ্গের মতোই প্রকাশ পায়। এই ঘটনাটি ইন্টারফেয়ারেন্স প্যাটার্ন তৈরি করে, যেখানে উজ্জ্বল ও অন্ধকার দাগের ধারাবাহিকতা পর্দায় ফুটে ওঠে।

প্রাথমিকভাবে গবেষকরা বালুর কণাগুলোকে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করে দেখেছিলেন, কীভাবে দুটি ছিদ্রের মধ্য দিয়ে বালু গড়িয়ে গেলে দু’টি পৃথক স্তূপ গঠিত হয়। তবে একই সেট‑আপে ইলেকট্রন ছুঁড়লে ফলাফল সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়; বালুর তুলনায় ইলেকট্রনগুলো ছিদ্রের মাঝামাঝি অঞ্চলে বেশি উপস্থিতি দেখায়, যা কণার বদলে তরঙ্গের হস্তক্ষেপের ফল।

পরীক্ষাটি দুই ধাপে সম্পন্ন করা হয়। প্রথমে একসাথে বহু ইলেকট্রন ছুঁড়ে দেওয়া হয়, ফলে পর্দায় ছিটে ছিটে কিছু বিন্দু দেখা যায়, তবে স্পষ্ট কোনো প্যাটার্ন গঠিত হয় না। এরপর গবেষকরা একে একে ইলেকট্রন পাঠাতে শুরু করেন। ধারাবাহিকভাবে একাধিক ইলেকট্রন পাঠানোর সঙ্গে সঙ্গে, পর্দায় ধীরে ধীরে উজ্জ্বল ও অন্ধকার দাগের একটি সুস্পষ্ট ইন্টারফেয়ারেন্স নকশা গড়ে ওঠে, যা ক্লাসিক্যাল কণার আচরণকে অস্বীকার করে।

এই ফলাফল কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল ধারণা, অর্থাৎ কণা‑তরঙ্গ দ্বৈততা,কে পুনরায় নিশ্চিত করে। তত্ত্ব অনুযায়ী, কোনো কণাই একই সময়ে কণার এবং তরঙ্গের উভয় বৈশিষ্ট্য ধারণ করে; তবে পর্যবেক্ষণের পদ্ধতি নির্ধারণ করে কোন দিকটি প্রকাশ পায়। ইলেকট্রনের ক্ষেত্রে, যখন তাদের পথের তথ্য অজানা থাকে, তখন তারা তরঙ্গের মতো হস্তক্ষেপ করে, আর যখন পথ নির্ধারিত হয়, তখন তারা কণার মতো আচরণ করে।

এই গবেষণার ফলাফল মহাবিশ্বের মৌলিক গঠন নিয়ে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করে। যদি ইলেকট্রন, যা মৌলিক কণার একটি, তরঙ্গের মতো আচরণ করে, তবে বৃহত্তর স্কেলে গ্যালাক্সি, নক্ষত্র ও গ্রহের গঠনেও একই ধরনের দ্বৈততা থাকতে পারে কি? বিজ্ঞানীরা এখন এই ধারণা নিয়ে আরও বিশ্লেষণ ও পরীক্ষার পরিকল্পনা করছেন, যাতে কোয়ান্টাম স্তরে ঘটমান ঘটনাগুলোকে বৃহত্তর মহাবিশ্বের কাঠামোর সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়।

এই গবেষণার গুরুত্ব কেবল তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে নয়, প্রযুক্তিগত প্রয়োগেও দেখা যায়। কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি এবং উচ্চ নির্ভুলতার সেন্সর তৈরিতে ইলেকট্রনের তরঙ্গ‑সদৃশ আচরণকে কাজে লাগানো সম্ভব। ফলে ভবিষ্যতে এই ধরনের মৌলিক গবেষণা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।

শ্রমিক বিক্ষোভে সাভার-আশুলিয়ায় রণক্ষেত্র, ওসির গাড়িতে আগুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
   
শ্রমিক বিক্ষোভে সাভার-আশুলিয়ায় রণক্ষেত্র, ওসির গাড়িতে আগুন

বুধবার সকালবেলা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর ও উলাইল এলাকায় তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের বিক্ষোভে রণক্ষেত্র গড়ে ওঠে। শ্রমিকরা বেতন, কাজের পরিবেশ এবং অতিরিক্ত কাজের বিরোধে প্রতিবাদ জানাতে সমাবেশ করে, ফলে পুলিশ দফা উপস্থিত হয়। উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র শব্দবিনিময় এবং শারীরিক সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

সংঘর্ষের মাঝখানে পুলিশ ওসি সাইফুল আলমের ব্যবহৃত গাড়িতে অজানা কারণে আগুন লেগে যায়। গাড়ির আগুনের ফলে আশেপাশের কয়েকজন কর্মী ও সাংবাদিকও আহত হন। মোট আহতের সংখ্যা প্রাথমিকভাবে পঞ্চাশের কাছাকাছি জানানো হয়েছে, যার মধ্যে সাতজন পুলিশ সদস্য, ওসি সাইফুল আলম এবং তিনজন সাংবাদিক অন্তর্ভুক্ত। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে নিকটস্থ হাসপাতাল ও সাভার মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, শ্রমিকদের দাবি ছিল বেতন বৃদ্ধি, কাজের সময়সীমা হ্রাস এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি। তবে বিক্ষোভের সময় কিছু শ্রমিক গোষ্ঠী অতিরিক্ত চাহিদা ও হিংসাত্মক রীতিতে লিপ্ত হওয়ায় পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। পুলিশ দফা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য গুলিবিদ্ধি ব্যবহার না করে, গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডার ফাটিয়ে আগুন লাগার সম্ভাবনা নিয়ে তদন্ত চলছে।

এই ঘটনার পর সাভার মডেল থানা ওসির অফিসার সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। পুলিশ বিভাগে অভ্যন্তরীণ তদন্তের পাশাপাশি, স্থানীয় প্রশাসনও ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছে। শ্রমিক ইউনিয়নগুলোও দাবি করেছে যে, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরণের বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করা যাবে না।

এই রণক্ষেত্রের ফলে সাভার-আশুলিয়া অঞ্চলের শ্রমিক আন্দোলন পুনরায় আলোচনার মুখে এসেছে। শ্রমিক সংগঠন, মানবাধিকার সংস্থা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলো একত্রে একটি সমন্বিত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষা পায় এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকে। ভবিষ্যতে এ ধরনের সংঘর্ষ এড়াতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংলাপের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

সর্বশেষ
ডেঙ্গু আক্রান্ত এ বি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ ট্রাইব্যুনালের শুনানির তারিখ পরিবর্তনের আবেদন কোয়ান্টাম জগৎ: মহাবিশ্ব কীসের তৈরি, কণা নাকি তরঙ্গ শ্রমিক বিক্ষোভে সাভার-আশুলিয়ায় রণক্ষেত্র, ওসির গাড়িতে আগুন ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশায় স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা বিলের ছাড় নিয়ে বিরোধে মোহাম্মদপুরের সিটি হাসপাতালে ভাঙচুর ডিসেম্বরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, জানুয়ারি থেকে কার্যকর শক্তি সংকটে সাভার‑আশুলিয়া শিল্পে শতাধিক গার্মেন্ট কারখানা বন্ধ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ জানালেন কারণ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগীয় প্রধানের বৈঠক সন্তান বড় হওয়ার সাথে কি দূরত্ব বাড়ছে? অভিভাবকত্বের নতুন সংকট ইউরোপের আকাশে উড়োজাহাজে বোমার হুমকি, ব্যাপক আতঙ্ক
Advertisement