খুঁজুন
, ,

নিরাপদ জীবনের প্রহরী ঠাকুরগাঁওয়ের নুর ইসলাম

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
নিরাপদ জীবনের প্রহরী ঠাকুরগাঁওয়ের নুর ইসলাম

প্রথাগত কোনো নিয়োগপত্র নেই, নেই সরকারি কোনো বেতন কিংবা নিয়মিত কাজের নিশ্চয়তা। তবুও সমাজের দায়বদ্ধতা থেকে গত পাঁচটি বছর ধরে এক ঝুঁকিপূর্ণ রেলক্রসিং পাহারা দিয়ে আসছেন ঠাকুরগাঁওয়ের এক সাধারণ ভ্যানচালক নুর ইসলাম। কোনো কর্তৃপক্ষের আদেশে নয়, বরং এক মর্মান্তিক অভিজ্ঞতার সাক্ষী হয়ে নিজ উদ্যোগে তিনি পালন করে আসছেন এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তার এই নিঃস্বার্থ কাজের ফলে ওই এলাকায় ছোটখাটো থেকে বড় ধরনের দুর্ঘটনার সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমে এসেছে।

ঘটনার শুরুটা হয়েছিল প্রায় পাঁচ বছর আগে। সে সময় ওই রেলক্রসিংয়ে ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় দুজন পথচারীর প্রাণহানি ঘটে। চোখের সামনে মানুষের এমন করুণ মৃত্যু নুর ইসলামকে দারুণভাবে নাড়া দেয়। মূলত সেই দিন থেকেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন, এই ক্রসিংয়ে যেন আর কোনো প্রাণ না ঝরে। ভ্যান চালিয়ে সংসার চালানো নুর ইসলাম নিজের কাজের ফাঁকে সময় বের করে নেন রেলক্রসিংয়ে দাঁড়িয়ে সংকেত দেওয়ার জন্য। যখনই ট্রেনের হুইসেল শোনা যায়, তিনি লাল পতাকা হাতে নিয়ে ছুটে যান ক্রসিংয়ের দিকে। থামিয়ে দেন পথচারী ও যানবাহনকে। তার এই উপস্থিত বুদ্ধি এবং সতর্কবাণী স্থানীয়দের কাছে তাকে এক আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নুর ইসলাম যেভাবে প্রতিদিন রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দায়িত্ব পালন করেন, তা সত্যিই বিরল। বিশেষ করে যেসব ক্রসিংয়ে কোনো স্থায়ী গেইটম্যান বা সতর্কবার্তা নেই, সেখানে নুর ইসলামের মতো একজন সচেতন মানুষের উপস্থিতি অনেক বড় আশীর্বাদ। যদিও তার এই কাজের কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই, তবু তিনি থেমে নেই। প্রতিদিনের জীবিকার তাগিদে ভ্যান চালানো আর জীবন রক্ষায় রেলক্রসিংয়ে দাঁড়িয়ে থাকা—দুটো কাজই তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে চালিয়ে যাচ্ছেন। তার এই নীরব সেবা অনেকেরই জীবন রক্ষা করছে, যা স্থানীয় জনসাধারণের প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করেন, নুর ইসলামের মতো সাধারণ মানুষের এই উদ্যোগ আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, অনেক সময় বড় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর চেয়েও ব্যক্তিগত সচেতনতা ও মানবিকতা অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারে। রেলওয়ের নীতিনির্ধারকদের উচিত এমন ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করা এবং নুর ইসলামের মতো যারা মানবিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় এগিয়ে আসছেন, তাদের কাজের সঠিক মূল্যায়ন করা। সরকারিভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না হওয়া পর্যন্ত নুর ইসলামের এই স্বেচ্ছাশ্রম স্থানীয়দের জন্য বড় ভরসার জায়গা হয়ে থাকবে। তবে নুর ইসলামের দীর্ঘমেয়াদী এই প্রচেষ্টার প্রতি সাধারণ মানুষের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন, কোনো পদবি বা বেতন নয়, মানুষের জীবনের চেয়ে বড় কোনো অর্জন নেই।

ইসরায়েলপন্থি সিনেটরের আসনে ২৮ বছর পর ডেমোক্র্যাটদের জয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
ইসরায়েলপন্থি সিনেটরের আসনে ২৮ বছর পর ডেমোক্র্যাটদের জয়

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী রাজনীতিতে এক চমকপ্রদ ও ঐতিহাসিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ প্রায় তিন দশকের অপেক্ষার পর সাউথ ক্যারোলিনায় ডেমোক্রেটিক পার্টির এক প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এই অঙ্গরাজ্যটি ঐতিহাসিকভাবে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। দীর্ঘ ২৮ বছর পর সেখানে ডেমোক্র্যাটদের এই জয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রিপাবলিকানদের দীর্ঘদিনের দখলে থাকা এই আসনটি ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। মূলত ইসরায়েলপন্থি হিসেবে পরিচিত সিনেটরের আসনে ডেমোক্র্যাটদের এই জয় মার্কিন রাজনীতির নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সাউথ ক্যারোলিনার নির্বাচনী ফলাফল শুধু একটি আসনের জয়-পরাজয়ের বিষয় নয়, বরং এটি মার্কিন জনমতের এক নতুন ধারার ইঙ্গিত দিচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে রিপাবলিকান পার্টির আধিপত্য বজায় থাকা এই আসনে এবার জয় পেয়েছেন শিশু বিশেষজ্ঞ ড. অ্যানি অ্যান্ড্রুজ। তার এই বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে ডেমোক্র্যাটরা এই অঞ্চলে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে হিমশিম খাচ্ছিল। অবশেষে সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটল। আমেরিকার বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ডেমোক্র্যাটদের এই জয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সাউথ ক্যারোলিনা বরাবরই রিপাবলিকানদের জন্য একটি নিরাপদ আসন হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল। সেখানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর উত্থান এবং জয়লাভ করা সহজ কোনো বিষয় ছিল না। তবে এবারের নির্বাচনে ভোটারদের রায়ে পরিবর্তন স্পষ্ট হয়েছে।

ড. অ্যানি অ্যান্ড্রুজের প্রচারণার মূল সুর ছিল স্বাস্থ্যসেবা ও জনকল্যাণমূলক কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ানো, যা ভোটারদের আকৃষ্ট করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণার সময় ডেমোক্র্যাটরা তাদের নীতির ভিন্নতা তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। এর ফলে গত কয়েক দশকের জমানো রাজনৈতিক মেরুকরণ কিছুটা হলেও পরিবর্তিত হয়েছে। রিপাবলিকানদের দীর্ঘদিনের দুর্গে ফাটল ধরানোটা ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জন্য বড় এক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই ফলাফল আসন্ন অন্যান্য নির্বাচনে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে তা নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা। আমেরিকার রাজনীতিতে যে মেরুকরণ দেখা যায়, তার চেয়েও গভীর কিছু বিষয় এখানে কাজ করেছে বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন। ড. অ্যানি অ্যান্ড্রুজের এই জয় শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এটি তার দলের কৌশলগত পরিবর্তনেরও প্রতিফলন। বিগত দিনগুলোতে ভোটারদের সাথে সংযোগ স্থাপনে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, তা এবার কমিয়ে আনতে পেরেছেন ডেমোক্র্যাটরা। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে ড. অ্যান্ড্রুজের পরিচিতিও তাকে সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিল। বিশেষ করে শিশু স্বাস্থ্যের উন্নয়নে তার দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা ভোটারদের মনে আস্থা তৈরি করেছে।

পরিশেষে বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের এই ফলাফল দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব রাখতে পারে। যদিও রাজনৈতিক অঙ্গন সবসময়ই অস্থির থাকে, তবুও সাউথ ক্যারোলিনার এই পরিবর্তনটি আমেরিকার নির্বাচনী ইতিহাসের পাতায় বিশেষ স্থান দখল করে নেবে। ২৮ বছরের যে অচলাবস্থা ভেঙেছে, তা ডেমোক্র্যাটদের জন্য ভবিষ্যতের নতুন পথপ্রদর্শক হতে পারে। এই জয়ের পর এখন দেখার বিষয়, আগামী দিনে তারা এই অর্জিত আস্থার জায়গাটি কীভাবে ধরে রাখেন এবং রাজ্যটির সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কী ভূমিকা পালন করেন। এটি মার্কিন রাজনীতির নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে বলে অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মনে করছেন। জনমতের এই পরিবর্তন আগামী জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রেও নতুন কোনো ইঙ্গিত বহন করে কি না, সেটি এখন সময়ের অপেক্ষায়। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি স্পষ্ট যে, ভোটাররা এবার গতানুগতিক রাজনৈতিক ধারার বাইরে গিয়ে নতুন নেতৃত্বের সন্ধানে আগ্রহী হয়েছেন।

শীতের সুইডিশ ল্যাপল্যান্ডে স্বপ্নময় মেরুজ্যোতির হাতছানি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
শীতের সুইডিশ ল্যাপল্যান্ডে স্বপ্নময় মেরুজ্যোতির হাতছানি

শীতের আগমন মানেই প্রকৃতিতে এক ধরনের স্থবিরতা। কিন্তু পৃথিবীর কোনো কোনো প্রান্ত এই সময়েই হয়ে ওঠে সবচেয়ে জীবন্ত ও রহস্যময়। তেমনই এক জায়গা হলো সুইডেনের উত্তরের জনপদ ল্যাপল্যান্ড। যখন দিনের আলো ফিকে হয়ে আসে এবং দীর্ঘ শীতের রাত নামে, তখন সেখানকার আকাশজুড়ে শুরু হয় আলোর এক অদ্ভুত মায়াবী খেলা। আকাশের গায়ে সবুজাভ বা গোলাপি আভার সেই আলোকচ্ছটা ভ্রমণপিপাসুদের কাছে পরিচিত নর্দার্ন লাইটস বা মেরুজ্যোতি হিসেবে। বরফে মোড়ানো পাহাড়, জমে যাওয়া স্থির হ্রদ আর চারপাশ জুড়ে থাকা নিস্তব্ধতা সব মিলিয়ে ল্যাপল্যান্ডের শীতকালীন পরিবেশ যেন কোনো রূপকথার গল্পের মতো।

বিশ্বজুড়ে যারা ভ্রমণ করতে ভালোবাসেন, তাদের কাছে শীতের গন্তব্য হিসেবে সুইডিশ ল্যাপল্যান্ড সবসময়ই এক বিশেষ আকর্ষণ। এর প্রধান কারণ এখানকার অনন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ। বিশেষ করে ল্যাপল্যান্ডের আবিস্কো গ্রামটি মেরুজ্যোতি পর্যবেক্ষণের জন্য সারা বিশ্বে এক বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছে। আবহাওয়া ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানকার আকাশ পরিষ্কার থাকে, যা নর্দার্ন লাইটস দেখার জন্য সবচেয়ে অনুকূল। বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে সৌরকণার সংঘর্ষের ফলে এই আলোর সৃষ্টি হয়, তবে সাধারণ মানুষের চোখে এই দৃশ্য প্রকৃতির এক বিশাল বিস্ময় ছাড়া আর কিছুই নয়।

শুধুমাত্র মেরুজ্যোতি দেখার জন্যই যে ল্যাপল্যান্ডে যেতে হবে এমন নয়, বরং এখানকার শীতকালীন জীবনযাত্রা ও প্রকৃতিও পর্যটকদের মুগ্ধ করে। জমে যাওয়া হ্রদে বরফের ওপর হাঁটার অভিজ্ঞতা কিংবা ধবল তুষারপাতের মধ্যে সময় কাটানো এক দারুণ রোমাঞ্চকর বিষয়। এই অঞ্চলে শীতকালে তাপমাত্রা বেশ নিচে নেমে যায়, যা সেখানকার পরিবেশকে আরও বেশি শুদ্ধ ও স্বচ্ছ করে তোলে। স্থানীয়রা এই আবহাওয়াতেই তাদের ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা বজায় রেখে চলেন, যা বাইরের দেশের পর্যটকদের কাছে খুব কৌতূহল জাগানিয়া।

যারা এই শীতের মরসুমে ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য সুইডিশ ল্যাপল্যান্ড হতে পারে একটি অন্যরকম গন্তব্য। এখানে যাওয়ার পরিকল্পনা করলে কিছুটা প্রস্তুতি ও ধৈর্য প্রয়োজন, কারণ মেরুজ্যোতি দেখা পুরোপুরি প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং সঠিক সময়ে আকাশ পর্যবেক্ষণ করতে পারলে নর্দার্ন লাইটসের দেখা পাওয়া নিশ্চিত। সব মিলিয়ে, দিনের আলো ফিকে হয়ে আসার পর যে রাত ল্যাপল্যান্ডে নামে, তা বিশ্বের অন্য কোনো প্রান্তের সাথে তুলনা করার মতো নয়। তাই যারা প্রকৃতির অকৃত্রিম রূপ দেখতে পছন্দ করেন, তাদের জীবনের তালিকায় এই সুইডিশ গন্তব্যটি একবার হলেও থাকা প্রয়োজন।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সাইফার অফিসার পদে বাছাই পরীক্ষার ফল প্রকাশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সাইফার অফিসার পদে বাছাই পরীক্ষার ফল প্রকাশ

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ গুপ্তসংকেত পরিদপ্তরে ১০ম গ্রেডের সহকারী সাইফার অফিসার পদের বাছাই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল প্রকাশ করে। গত ২৮ অক্টোবর এই পদের বিপরীতে প্রাথমিক বাছাই বা এমসিকিউ ধরনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ভিত্তিতে এখন লিখিত পরীক্ষার জন্য সাময়িকভাবে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্য থেকে সব মিলিয়ে ২১৪ জনকে লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সরকারি চাকরির প্রত্যাশীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে এই প্রাথমিক ধাপ পেরোলেই নিয়োগ চূড়ান্ত হচ্ছে না, বরং এর পরবর্তী ধাপ হিসেবে রয়েছে লিখিত পরীক্ষা।

নির্বাচিত প্রার্থীদের পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে বিপিএসসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি, ভেন্যু এবং পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনাবলি এখনো ঘোষণা করা হয়নি। কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লিখিত পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও বিস্তারিত সময়সূচি পরবর্তী সময়ে সরকারি কর্ম কমিশনের ওয়েবসাইট এবং জাতীয় দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তির আকারে জানিয়ে দেওয়া হবে। তাই প্রার্থীদের নিয়মিতভাবে কমিশনের দাপ্তরিক ওয়েবসাইট নিয়মিত অনুসরণ করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সহকারী সাইফার অফিসার পদে নিয়োগের জন্য কঠোর ও মানসম্মত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। যারা এবার বাছাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি বা যারা ভবিষ্যতে এমন ধরনের সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিতে আগ্রহী, তাদের জন্য কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে নিয়মিত আপডেট সংগ্রহ করা বাঞ্ছনীয়। সরকারি চাকরির পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য নির্দিষ্ট সিলেবাস ও প্রস্তুতির কৌশল অবলম্বন করা জরুরি।

প্রসঙ্গত, বিপিএসসি নিয়মিতভাবে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে জনবল নিয়োগের জন্য পরীক্ষা আয়োজন করে থাকে। ১০ম গ্রেডের এই পদের জন্য প্রার্থীদের দীর্ঘমেয়াদী প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়। আপাতত যারা উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের এখন লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করার সুযোগ তৈরি হলো। পরীক্ষার সঠিক তারিখ ঘোষণার পর প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় প্রবেশপত্র বা অ্যাডমিট কার্ডও একইভাবে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রার্থীরা নিজেদের রোল নম্বর মিলিয়ে দেখতে কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফল তালিকাটি যাচাই করে নিতে পারেন। কোনো ধরনের বিভ্রান্তি এড়াতে শুধুমাত্র সরকারি কর্ম কমিশনের ওয়েবসাইট থেকেই তথ্য সংগ্রহের জন্য সতর্ক করা হয়েছে। নিয়োগ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য সরাসরি কমিশনের বিজ্ঞপ্তিই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। যারা এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের পরবর্তী ধাপের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ
ইসরায়েলপন্থি সিনেটরের আসনে ২৮ বছর পর ডেমোক্র্যাটদের জয় শীতের সুইডিশ ল্যাপল্যান্ডে স্বপ্নময় মেরুজ্যোতির হাতছানি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সাইফার অফিসার পদে বাছাই পরীক্ষার ফল প্রকাশ রাজধানীর কল্যাণপুরে বাস-লেগুনা সংঘর্ষে চারজনের প্রাণহানি গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামল বিজিবি ও আনসার বায়ুদূষণের প্রভাবে রুক্ষ চুল: যেভাবে নেবেন ৫ ঘরোয়া যত্ন মানি হাইস্টের পর দর্শকদের নতুন আকর্ষণ কলিশন কোর্স ডিজিটাল যুগে সাংবাদিকতার নতুন চ্যালেঞ্জ ও প্রাসঙ্গিকতা নিরাপদ জীবনের প্রহরী ঠাকুরগাঁওয়ের নুর ইসলাম নতুন প্রজন্মের ভিড়ে অভিজ্ঞদের অভিনয়ের সুযোগ কেন জরুরি
Advertisement