খুঁজুন
, ,

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর দৃষ্টিভঙ্গি: একাডেমিক যোগ্যতা ছাড়া টিকে থাকা কঠিন হবে

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর দৃষ্টিভঙ্গি: একাডেমিক যোগ্যতা ছাড়া টিকে থাকা কঠিন হবে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের ছাত্র সাব্বির হোসেন এবং ইস্ট‑ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আনিকা মাহজাবিনের মতামত শেয়ার করা হয়েছে যে, কেবলমাত্র একাডেমিক যোগ্যতা দিয়ে ভবিষ্যতের চাকরি বাজারে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। তারা দুজনই এআই‑চালিত টুলস যেমন চ্যাটজিপিটি, গুগল জেমিনাই এবং নোটবুকএলএম ব্যবহার করে তাদের পড়াশোনা, গবেষণা ও দৈনন্দিন কাজকে আরও কার্যকর করে তুলছেন।

সাব্বির হোসেন বলেন, সিলেবাসে সব দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব নয়; তাই শিক্ষার্থীদের স্বপ্রণোদিতভাবে প্রযুক্তিগত দক্ষতা, বহুভাষিক ক্ষমতা, সৃজনশীল চিন্তা এবং বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। তিনি এআই প্ল্যাটফর্মগুলোকে তথ্য অনুসন্ধান, যাচাই, লেখালেখি ও গবেষণার সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং এদের কার্যকর ব্যবহার আয়ত্ত করার চেষ্টা করছেন।

আনিকা মাহজাবিনও একই রকম দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এআই ভবিষ্যতের কাজের ধরণকে পরিবর্তন করে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে। তাই তিনি ব্যবসা প্রশাসনের পাশাপাশি চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে জটিল ধারণাগুলোকে সহজভাবে বুঝে নিজের লেখালেখি ও চিন্তাধারাকে গুছিয়ে তুলছেন। তিনি গুগল স্কিলশপ, মাইক্রোসফট লার্নের মতো অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত জ্ঞান ছাড়াও যোগাযোগ, নেতৃত্ব ও সৃজনশীলতা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।

উভয় শিক্ষার্থীই একমত যে, এআই‑নির্ভর বিশ্বে প্রচলিত কাজের পদ্ধতি বদলে যাবে, কিছু পেশার চাহিদা কমে যাবে এবং নতুন পেশা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই পরিবর্তনের মুখে কেবলমাত্র তত্ত্বগত জ্ঞান নয়, বাস্তবিক দক্ষতা ও সমালোচনামূলক চিন্তার ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের এই দৃষ্টিভঙ্গি বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি চ্যালেঞ্জও বটে। সিলেবাসে প্রযুক্তি ও সফট স্কিলের অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে হবে, আর শিক্ষকগণকে শিক্ষার্থীদের স্বশিক্ষা ও স্বনির্ভরতা গড়ে তোলার জন্য গাইডলাইন প্রদান করতে হবে। এদিকে, শিক্ষার্থীদেরও নিজেদের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা করতে হবে এবং এআই টুলসকে সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করে দক্ষতা বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

এই আলোচনার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, ভবিষ্যতে একাডেমিক যোগ্যতা একা যথেষ্ট হবে না; সৃজনশীলতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং সমালোচনামূলক বিশ্লেষণই শিক্ষার্থীদেরকে কর্মবাজারে আলাদা করে তুলবে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শিক্ষার কাঠামোতে এই দিকগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার জরুরি প্রয়োজন রয়েছে।

ইউনেস্কো: বিশ্বব্যাপী সাংবাদিক হত্যার ৮৬ শতাংশ ঘটনার বিচার হয়নি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
   
ইউনেস্কো: বিশ্বব্যাপী সাংবাদিক হত্যার ৮৬ শতাংশ ঘটনার বিচার হয়নি

ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক দিবসের উপলক্ষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাম্প্রতিক দুই বছরে (২০২৪ ও ২০২৫) বিশ্বব্যাপী ১৮৯ জন সাংবাদিক, গণমাধ্যম কর্মী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট নির্মাতা নিহত হয়েছেন। এই সংখ্যার মধ্যে ৬৭ শতাংশের মৃত্যু সশস্ত্র সংঘাতের মধ্যে চলমান দেশগুলোতে ঘটেছে, যা মিডিয়া কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের ৮৬ শতাংশের কোনো বিচার হয়নি। অর্থাৎ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপরাধীর বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বা মামলাগুলো যথাযথভাবে সমাধান হয়নি। ইউনেস্কো এই পরিস্থিতি সংশোধনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে, যাতে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধহীনতা দূর করা যায়।

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডের বিশ্লেষণে দেখা যায়, অধিকাংশ ঘটনা সংঘাতপূর্ণ দেশগুলোতে ঘটেছে, যেখানে সশস্ত্র গোষ্ঠী, সশস্ত্র গৃহযুদ্ধ বা রাজনৈতিক অস্থিরতা বিদ্যমান। এসব পরিবেশে সাংবাদিকদের কাজ করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে, কারণ তারা প্রায়ই সংঘাতের বাস্তবতা প্রকাশ করে এবং বিভিন্ন পক্ষের কর্মকাণ্ডের উপর আলোকপাত করে। ফলে, তারা লক্ষ্যবস্তু হয়ে পড়ে।

ইউনেস্কোর মতে, বিচারহীনতা কেবলমাত্র একক ঘটনার পরিণতি নয়; এটি সাংবাদিকদের স্বচ্ছতা ও স্বাধীনতার ওপর আঘাত হানে এবং তথ্যের প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে। যখন অপরাধীকে শাস্তি না দেওয়া হয়, তখন অন্যরা একই রকম কাজের জন্য অনুপ্রাণিত হতে পারে, যা মিডিয়া পরিবেশকে আরও অনিরাপদ করে তুলবে।

এই সমস্যার সমাধানে ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে জোর দিয়েছে। বিশেষ করে, জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং জাতীয় বিচারব্যবস্থাগুলোকে একসাথে কাজ করে দ্রুত তদন্ত, ন্যায়বিচার এবং শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য বিশেষ নীতি ও প্রোটোকল তৈরি করা এবং তা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা জরুরি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারকে এই বিষয়ে দায়িত্বশীল হতে বলা হয়েছে, যাতে তারা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে। একই সঙ্গে, মিডিয়া সংস্থাগুলোও তাদের কর্মীদের জন্য নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও সুরক্ষা ব্যবস্থা বাড়াতে হবে।

ইউনেস্কোর এই প্রকাশনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও সাংবাদিক সংস্থার কাছ থেকে সমর্থন পেয়েছে। তারা একত্রে একটি সমন্বিত কৌশল গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা কমে এবং ঘটনার পর যথাযথ বিচার নিশ্চিত হয়।

সারসংক্ষেপে, ইউনেস্কোর এই তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে সাংবাদিক হত্যার ব্যাপকতা ও বিচারহীনতার মাত্রা স্পষ্ট হয়েছে। এটি একটি সতর্কবার্তা যে, তথ্যের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও দৃঢ় আইনি পদক্ষেপ অপরিহার্য।

আইসিইউতে বরেণ্য ক্রীড়া সংগঠক হারুনুর রশীদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
   
আইসিইউতে বরেণ্য ক্রীড়া সংগঠক হারুনুর রশীদ

বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতে দীর্ঘদিনের অবদান রাখার পর, বরেণ্য ক্রীড়া সংগঠক হারুনুর রশীদ আইসিইউতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যিনি পাঁচবারের জন্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যু সংবাদটি ক্রীড়া সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর শোকের স্রোত তৈরি করেছে।

হারুনুর রশীদের ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক তার কর্মজীবনের শুরুর দিন থেকেই দৃঢ় ছিল। তিনি ফুটবলের উন্নয়নে নানা নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করে বাফুফের কাঠামোকে আধুনিকায়নের পথে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। পাঁচবারের সাধারণ সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালীন তিনি দেশের ফুটবল ক্লাব, যুব দল এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, আর্থিক সহায়তা এবং অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার নেতৃত্বে বাফুফে বহু আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পায় এবং দেশীয় লিগের মানোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যায়।

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত হওয়ায় তার ক্রীড়া সংস্থার অবদানের স্বীকৃতি পাওয়া যায়। এই সম্মানটি কেবল তার ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং বাংলাদেশের ক্রীড়া নীতি ও ব্যবস্থাপনায় তার অবদানকে স্বীকৃতি দেয়। পুরস্কারপ্রাপ্তির পরেও তিনি ক্রীড়া সংস্থার উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ চালিয়ে গেছেন, বিশেষ করে তরুণ ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ ও মেন্টরশিপে মনোযোগ দিয়েছেন।

হারুনুর রশীদের পরিবার, বন্ধু এবং ক্রীড়া সংস্থার সহকর্মীরা তার শেষ মুহূর্তে আইসিইউতে উপস্থিত ছিলেন। তার পরিবার জানায়, তিনি দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর আইসিইউতে ভর্তি হন এবং চিকিৎসা সেবা গ্রহণের পরেও তার অবস্থা দ্রুত উন্নত না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তার জীবন শেষ হয়। পরিবার ও সহকর্মীরা তার স্মৃতিকে সম্মান জানাতে একাধিক সমাবেশের আয়োজনের পরিকল্পনা করছেন, যেখানে তার ক্রীড়া সংস্থার অবদান, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং মানবিক দিকগুলোকে তুলে ধরা হবে।

ক্রীড়া সংস্থার প্রতিনিধিরা প্রকাশ্যে জানান, হারুনুর রশীদের অবদান কখনোই ভুলে যাওয়া যাবে না। তিনি ক্রীড়া সংস্থার নীতি-নির্ধারণে যে সততা, নিষ্ঠা এবং দূরদর্শিতা প্রদর্শন করেছেন, তা ভবিষ্যৎ ক্রীড়া নেতাদের জন্য একটি মডেল হিসেবে রয়ে যাবে। তার মৃত্যুর পর বাফুফে একটি স্মারক ট্রাস্ট গঠন করার পরিকল্পনা করেছে, যা তরুণ ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ, স্কলারশিপ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়তা করবে।

হারুনুর রশীদের মৃত্যু ক্রীড়া জগতে এক বড় শূন্যতা তৈরি করেছে, তবে তার আদর্শ ও কর্মদক্ষতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হবে। তার পরিবার ও সমর্থকরা তার স্মৃতিকে চিরন্তন রাখতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রমের মাধ্যমে তার অবদানকে স্মরণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

পুলিশের বিশেষ অভিযানে যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল পোর্ট থানায় আওয়ামী লীগের কর্মী সন্দেহে ৬ জন আটক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
   
পুলিশের বিশেষ অভিযানে যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল পোর্ট থানায় আওয়ামী লীগের কর্মী সন্দেহে ৬ জন আটক

যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকায় পুলিশ বিশেষ অভিযান চালায়। সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে দুপুরে থানা পুলিশ জানায় যে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মী সন্দেহে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই গ্রেফতারকে স্থানীয় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

অভিযানের সময় পুলিশ বেনাপোল পোর্ট থানা অধিক্ষেত্রের সাদিপুর গ্রাম ও বড় আঁচড়া গ্রামের বাসিন্দাদের বাড়ি ও সংলগ্ন স্থানে অনুসন্ধান চালায়। অনুসন্ধানের ফলস্বরূপ ছয়জন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন সাদিপুর গ্রামের শাওন হোসেন, ৩২ বছর বয়সী; একই গ্রামের গোলাম হোসেন, ৫৬ বছর বয়সী; নাজমুল ইসলাম, ৪৫ বছর বয়সী; শাওন গাজী, ২৪ বছর বয়সী; বড় আঁচড়া গ্রামের শামীম হোসেন, ৩৭ বছর বয়সী এবং আরেকজনের নাম সূত্রে উল্লেখ না থাকলেও মোট ছয়জনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।

পুলিশের মতে, এই ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত এবং তারা অবৈধ কার্যক্রমে লিপ্ত থাকার সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগ প্রকাশ করা হয়নি, তবে পুলিশ জানায় যে, অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অবৈধ রাজনৈতিক কার্যক্রম দমন করা এবং এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার ব্যাপারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। কিছু লোক পুলিশকে প্রশংসা করে বলছেন যে, তারা আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছেন, অন্যদিকে কিছু লোক গ্রেফতারকৃতদের রাজনৈতিক দমন হিসেবে দেখছেন। তবে, সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের জন্য এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি।

অভিযানের পর বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে জানানো হয় যে, গ্রেফতারকৃতদের আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় তদন্ত চালিয়ে যাবে। গ্রেফতারকৃতদের পরিবার ও সমর্থকরা এখনো তাদের অবস্থান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানার অপেক্ষায় রয়েছেন।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, শার্শা উপজেলার স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বিভাগও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তারা উল্লেখ করেছে যে, ভবিষ্যতে এমন ধরনের অভিযান পুনরায় না ঘটাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পুলিশের এই বিশেষ অভিযান এবং গ্রেফতারকৃতদের পরিচয় স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন আলোচনার সূচনা করেছে। বিশেষ করে, আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তিদের গ্রেফতারকে রাজনৈতিক দমন হিসেবে বিবেচনা করা হবে কিনা, তা পরবর্তী সময়ে বিচারিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের বিষয় হবে।

সর্বশেষ
ইউনেস্কো: বিশ্বব্যাপী সাংবাদিক হত্যার ৮৬ শতাংশ ঘটনার বিচার হয়নি আইসিইউতে বরেণ্য ক্রীড়া সংগঠক হারুনুর রশীদ পুলিশের বিশেষ অভিযানে যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল পোর্ট থানায় আওয়ামী লীগের কর্মী সন্দেহে ৬ জন আটক সাবেক এমপি ফয়জুর রহমানের গ্রেফতার, মাসুদ হোসাইনের হত্যাচেষ্টার মামলায় জামিন অস্বীকার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর দৃষ্টিভঙ্গি: একাডেমিক যোগ্যতা ছাড়া টিকে থাকা কঠিন হবে মন্ত্রিসভা ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন, মোট ২৯ দিন ইলন মাস্কের নিউরালিংক থেকে টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইটের নতুন চিপের সূচনা পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি দাবিতে সাভার‑আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ অস্ট্রেলিয়ায় এআইইউবির প্রতিনিধিত্বে একাডেমিক সহযোগিতা জোরদার বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালানের মামলায় মিনহাজের পাঁচ দিনের রিমান্ড
Advertisement