খুঁজুন
, ,

তিন ঘণ্টার দাবা যুদ্ধে শেষ হাসি আনিকার

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
তিন ঘণ্টার দাবা যুদ্ধে শেষ হাসি আনিকার

গতকাল বিকেলে শহরের একটি সম্প্রদায়িক হলে দাবা প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। সূচনালগ্নে অংশগ্রহণকারী বন্ধুদের চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয় এবং প্রতিটি গ্রুপে সমান সংখ্যক খেলোয়াড় বসে কৌশলগত লড়াই শুরু করে। প্রতিযোগিতার মোট সময়কাল ছিল তিন ঘণ্টা, যা বেলা ২:৩০ টা থেকে বিকেল ৫:৩০ টা পর্যন্ত চলেছিল।

প্রথম রাউন্ডে অংশগ্রহণকারীরা মৌলিক চাল চালার দক্ষতা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা প্রদর্শন করেন। এই পর্যায়ে বেশ কিছু খেলোয়াড়ের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা দেখা যায়, তবে গ্রুপের শীর্ষস্থান অর্জনকারী খেলোয়াড়দেরই পরবর্তী রাউন্ডে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

দ্বিতীয় রাউন্ডে কৌশলগত চিন্তা এবং ধৈর্যের পরীক্ষা আরও কঠিন হয়ে ওঠে। এখানে খেলোয়াড়দেরকে একাধিক চালের সম্ভাব্য ফলাফল বিশ্লেষণ করে সঠিক পদক্ষেপ নিতে হয়। এই রাউন্ডে অংশগ্রহণকারী আনিকা তার বিশ্লেষণ ক্ষমতা এবং শান্ত স্বভাবের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জয়লাভ করেন, যা তাকে গ্রুপের শীর্ষে রাখে।

তৃতীয় রাউন্ডে প্রতিযোগিতার তীব্রতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এখানে শুধুমাত্র চালের সঠিকতা নয়, বরং মানসিক স্থিতিশীলতা এবং সময় ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আনিকা এই রাউন্ডে তার প্রতিপক্ষের অপ্রত্যাশিত চালকে সঠিকভাবে মোকাবিলা করে একাধিক জয় অর্জন করেন, ফলে তিনি চূড়ান্ত ফাইনাল রাউন্ডে প্রবেশের যোগ্যতা অর্জন করেন।

চূড়ান্ত রাউন্ডে দুইজন শীর্ষ খেলোয়াড়ের মধ্যে তীব্র মুখোমুখি হয়। প্রতিটি চালের পেছনে গভীর বিশ্লেষণ এবং দ্রুত সিদ্ধান্তের প্রয়োজন ছিল। আনিকা ধারাবাহিকভাবে সঠিক চাল চালিয়ে প্রতিপক্ষকে একাধিকবার চেকমেটের পথে ঠেলে দেন। শেষ পর্যন্ত তিনি চেকমেটের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত বিজয়ী হন।

বিকেল ৫:৩০ টায় প্রতিযোগিতা সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত সকলের মধ্যে আনন্দের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে। বিজয়ী হিসেবে স্বীকৃত হওয়ার পর আনিকা তার মুখে উজ্জ্বল হাসি নিয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন। তার এই হাসি পুরো ইভেন্টের সেরা মুহূর্ত হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রতিযোগিতার আয়োজকরা উল্লেখ করেন যে, এই ধরনের দীর্ঘ সময়ের দাবা ইভেন্ট অংশগ্রহণকারীদের মেধা, ধৈর্য এবং কৌশলগত দক্ষতা বিকাশে সহায়ক। এছাড়া, বন্ধুদের সঙ্গে দলবদ্ধ হয়ে খেলায় অংশ নেওয়া সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।

এই তিন ঘণ্টার দাবা যুদ্ধে আনিকার শেষ হাসি শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং সমগ্র সম্প্রদায়ের জন্য গর্বের বিষয়। ভবিষ্যতে এধরনের আরও ইভেন্টের মাধ্যমে তরুণদের মানসিক বিকাশে সহায়তা করা হবে, এটাই সকলের প্রত্যাশা।

বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সাইবার অপরাধের পথ বেছে নিচ্ছে উত্তর কোরিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
   
বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সাইবার অপরাধের পথ বেছে নিচ্ছে উত্তর কোরিয়া

বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্সসহ বিভিন্ন ডিজিটাল আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটছে। এসব হামলার পেছনে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ আলোচিত। দীর্ঘদিন ধরেই দেশটি সাইবার অপরাধের মাধ্যমে বিশাল অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, উত্তর কোরিয়া রাষ্ট্রায়ত্ত পৃষ্ঠপোষকতায় এই সাইবার কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মূল লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বৈদেশিক মুদ্রার উৎস খুঁজে বের করা।

সাম্প্রতিক তথ্য ও সাইবার হামলা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে তাদের আক্রমণ পরিচালনা করে। তারা মূলত ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্মগুলোকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নিয়েছে, কারণ এই খাতটি তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণহীন এবং লেনদেনের গোপনীয়তা বজায় রাখা সহজ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বড় বড় এক্সচেঞ্জে হানা দিয়ে তারা ডিজিটাল সম্পদ চুরি করছে। এই চুরি করা অর্থ পরবর্তীতে বিভিন্ন ধাপে ধৌতকরণের মাধ্যমে আসল মুদ্রায় রূপান্তর করা হয়, যা দেশটির আর্থিক সংকট সমাধানে ব্যবহৃত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে উত্তর কোরিয়া বিশ্ববাজার থেকে পণ্য আমদানি বা রপ্তানির ক্ষেত্রে নানা বাধার সম্মুখীন হয়। এর ফলে দেশের ভেতরে বৈদেশিক মুদ্রার চরম অভাব দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার উপায় হিসেবে তারা সাইবার জগতকে একটি বিকল্প আয়ের পথ হিসেবে গ্রহণ করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথাগত পন্থার চেয়ে ডিজিটাল ক্রিপ্টো চুরিতে ঝুঁকি কম এবং শনাক্ত করা বেশ জটিল। ফলে হ্যাকাররা বারবার একই ধরনের কৌশল অবলম্বন করে সফল হচ্ছে। তারা শুধু বাইন্যান্সের মতো বড় প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং ছোট ও মাঝারি সাইটগুলোতেও নিয়মিত নজর রাখছে।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, উত্তর কোরিয়ার হ্যাকার গ্রুপগুলো ক্রমাগত তাদের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে। তারা ফিশিং আক্রমণ থেকে শুরু করে ম্যালওয়্যার ব্যবহারসহ আধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ক্রিপ্টো ওয়ালেটগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে ফেলছে। এই ঘটনাগুলো বিশ্বব্যাপী ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে আস্থার সংকট তৈরি করছে। বিনিয়োগকারীরা এখন তাদের ডিজিটাল সম্পদ সুরক্ষিত রাখতে নতুন করে ভাবছেন।

এই ধরনের সাইবার অপরাধ দমনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, একক কোনো দেশের পক্ষে এই শক্তিশালী হ্যাকার নেটওয়ার্ককে থামানো প্রায় অসম্ভব। বিভিন্ন দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো তাদের গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করার মাধ্যমে এই অপরাধী চক্রকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। তবে উত্তর কোরিয়ার এমন কর্মকাণ্ড আগামী দিনে বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল আর্থিক নিরাপত্তাকে আরও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সাইবার তৎপরতা কেবল বাইন্যান্সের মতো প্রতিষ্ঠানের জন্যই হুমকি নয়, বরং এটি সামগ্রিকভাবে বিশ্ব আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতার জন্যও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গণশুনানি কি কেবল এলপিজির দাম বৃদ্ধির আনুষ্ঠানিকতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
   
গণশুনানি কি কেবল এলপিজির দাম বৃদ্ধির আনুষ্ঠানিকতা

এলপিজি বা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের দাম সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের জীবনযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। রান্নার প্রধান জ্বালানি হিসেবে এর ওপর নির্ভরশীল দেশের সিংহভাগ পরিবার। কিন্তু এই প্রয়োজনীয় পণ্যটির দাম নির্ধারণের প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই জনমনে এক গভীর সংশয় ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। আইন অনুযায়ী গণশুনানির মাধ্যমে সব পক্ষের মতামত নেওয়ার কথা থাকলেও, বাস্তবে এই প্রক্রিয়াটি কেবল দাম বৃদ্ধির একটি আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, তা নিয়ে এখন বড় ধরনের প্রশ্ন উঠছে। গণশুনানির নামে যে নাটকীয়তা চলে, তা শেষ পর্যন্ত সাধারণ গ্রাহকের ঘাড়ে বাড়তি খরচের বোঝা চাপিয়ে দেয়।

পরিসংখ্যান ও সাম্প্রতিক ঘটনার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই খাতে তিনটি বড় গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অথচ বিস্ময়কর বিষয় হলো, প্রতিটি শুনানিতেই ঘুরেফিরে দাম বাড়ানোর সুপারিশ বা প্রস্তাব এসেছে। এর বিপরীতে দাম কমানোর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা এমন কোনো জোরালো প্রস্তাব সাধারণত দেখা যায় না। যখনই কোনো কোম্পানি বা সংস্থা শুনানিতে অংশ নেয়, তখন তাদের মূল এজেন্ডা থাকে ব্যয় বৃদ্ধি ও মুনাফার অজুহাত দেখিয়ে গ্যাসের দাম সমন্বয় বা বৃদ্ধির দাবি জানানো। গ্রাহক পর্যায়ে এই বর্ধিত মূল্য কতটুকু সহনীয় হবে বা তাদের জীবনযাত্রায় এর কী প্রভাব পড়বে, তা যেন গৌণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

সর্বশেষ শুনানির প্রসঙ্গটি এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য। সেখানে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম ১৩৯ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। এই ধরনের বিশাল অঙ্কের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় কতটা চাপ সৃষ্টি করে, তা স্পষ্ট। গণশুনানির মূল চেতনা ছিল স্বচ্ছতা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ। কিন্তু যখন প্রতিটি শুনানিতেই কেবল দাম বাড়ানোর প্রস্তাব আসে এবং তা অনুমোদনের পথ প্রশস্ত হয়, তখন এই শুনানির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। এটি কি কেবল কোম্পানিগুলোর বাড়তি মুনাফা নিশ্চিত করার একটি আইনি মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোর উচিত কোম্পানিগুলোর খরচ ও মুনাফার হিসাব নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা। কিন্তু বারবার একই ধারার দাম বৃদ্ধি প্রমাণ করে যে, যথাযথ যাচাই-বাছাই বা গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষায় ঘাটতি রয়ে গেছে। যদি প্রতিটি শুনানিতে দাম বৃদ্ধির সুপারিশই প্রাধান্য পায়, তবে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়? জ্বালানি খাতের অস্থিরতা কমাতে এবং সাধারণ মানুষের ওপর চাপ লাঘব করতে এই প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। কেবল দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত না নিয়ে, বরং কীভাবে সাশ্রয়ী মূল্যে এলপিজি নিশ্চিত করা যায় এবং জ্বালানি কোম্পানিগুলোর অব্যবস্থাপনা কমিয়ে খরচ কমানো যায়, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। অন্যথায়, গণশুনানি নামক এই প্রক্রিয়াটি সাধারণ মানুষের কাছে কেবল এক অসার ও হতাশাজনক অভিজ্ঞতায় পরিণত হবে, যা কোনোভাবেই একটি জনবান্ধব অর্থনীতির কাম্য হতে পারে না।

বিশেষ চিঠির আড়ালে মানবিক আর ব্যক্তিগত আবেগের বহিঃপ্রকাশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
   
বিশেষ চিঠির আড়ালে মানবিক আর ব্যক্তিগত আবেগের বহিঃপ্রকাশ

সমাজে চিঠির গুরুত্ব কখনো ফুরিয়ে যায় না। প্রযুক্তির এই যুগে ডিজিটাল যোগাযোগের উৎকর্ষতা বাড়লেও চিঠির আবেদন এখনো ভিন্ন মাত্রা ধরে রেখেছে। সম্প্রতি জনপরিসরে বিশেষ কিছু চিঠির বিষয়বস্তু সামনে আসার পর নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একদিকে দেশের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার তাগিদে নীতিনির্ধারকদের কাছে পাঠানো আবেদন, অন্যদিকে হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসা একান্ত ব্যক্তিগত আবেগের বহিঃপ্রকাশ—সব মিলিয়ে চিঠির এই বহুমুখী রূপ নতুন করে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

দেশের জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি মহলের পক্ষ থেকে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে একটি বিশেষ খোলা চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে দেশের কিডনি রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং বিশেষ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা সরকারি পর্যায়ে সহজলভ্য করার জোর দাবি জানানো হয়েছে। কিডনি রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়লেও এর ব্যয়বহুল চিকিৎসা সবার নাগালের মধ্যে নেই। এই চিঠির মূল উদ্দেশ্য ছিল নীতিনির্ধারকদের নজরে আনা যে, সাধারণ মানুষ কিভাবে আর্থিক সংকটের কারণে সঠিক সময়ে উন্নত পরীক্ষা ও চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই উদ্যোগটি মূলত দেশের স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা এবং রোগীদের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেছে। জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এই দাবিটিকে যথাযথ গুরুত্বের সাথে দেখার অনুরোধ জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি সহায়তা বাড়লে বহু প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হতো। এটি কেবল একটি চিঠির আবেদন নয়, বরং এটি হাজারো রোগীর বাঁচার আকুতি।

একইসাথে সম্প্রতি ব্যক্তিগত পরিসরে বিশেষ একটি চিরকুটের বিষয়বস্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ৩১ অক্টোবর তারিখটি কেন্দ্র করে লেখা সেই চিঠিতে কোনো প্রশাসনিক দাবি বা নীতিগত অভিযোগ ছিল না। বরং সেখানে ছিল এক নিভৃতচারী প্রেমিকের অব্যক্ত ভালোবাসা। বিশেষ ওই বার্তায় প্রিয় মানুষের জন্মদিনে তাকে স্মরণ করে এক অদ্ভুত সুন্দর অনুভূতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। কোনো এক অজানিত প্রিয়তমাকে উদ্দেশ করে লেখা সেই আবেগঘন পঙ্ক্তিমালা পাঠককে মনে করিয়ে দিয়েছে যে, আধুনিক যুগেও মানুষ নিভৃতে কাউকে ভালোবাসতে জানে এবং সেই ভালোবাসার প্রকাশে আধুনিকতার চেয়ে আন্তরিকতাই প্রধান হয়ে ওঠে। চিঠির ভাষায় ফুটে উঠেছে এক ধরনের দার্শনিক বিষণ্ণতা এবং প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির চিরন্তন দ্বন্দ্ব। কোনো এক নাম না জানা মানুষের প্রতি এই ভালোবাসা এবং সম্মানের বার্তাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিন্ন ধরনের মানবিক আবহ তৈরি করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, চিঠির এই দুই ভিন্ন ধারা সমাজের বর্তমান অবস্থার প্রতিফলন ঘটায়। একপাশে রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা ও অধিকার আদায়ের লড়াই, অন্যপাশে মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের প্রেম ও মমতা। রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে যে চিঠি পাঠানো হয় তা যেমন আমাদের অধিকার ও দাবির কথা বলে, তেমনি ব্যক্তিগত চিঠিগুলো আমাদের সম্পর্কের উষ্ণতা ও মানবিক সত্তার পরিচয় দেয়। দুটি বিষয়ই আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। রাষ্ট্র পরিচালনায় যেমন সংবেদনশীলতা প্রয়োজন, তেমনি মানুষের ব্যক্তিগত জীবনেও আবেগ ও ভালোবাসার চর্চা জরুরি। এই বিশেষ দিনগুলোতে যখন বিভিন্ন ধরণের চিঠি সামনে আসে, তখন তা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমরা একে অপরের সাথে কতভাবে যুক্ত। একদিকে স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা চেয়ে আর্তনাদ, অন্যদিকে ভালোবাসার মানুষের জন্য শুভকামনা—এই দুইয়ের সমন্বয়েই আমাদের সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব। সব মিলিয়ে চিঠিগুলো আমাদের জানান দিচ্ছে যে, যোগাযোগের মাধ্যম বদলালেও মানুষের আবেগ এবং দাবিগুলো এখনো আগের মতোই তীব্র ও অকৃত্রিম।

সর্বশেষ
বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সাইবার অপরাধের পথ বেছে নিচ্ছে উত্তর কোরিয়া গণশুনানি কি কেবল এলপিজির দাম বৃদ্ধির আনুষ্ঠানিকতা বিশেষ চিঠির আড়ালে মানবিক আর ব্যক্তিগত আবেগের বহিঃপ্রকাশ তিন ঘণ্টার দাবা যুদ্ধে শেষ হাসি আনিকার বিভাজন না চাইলে, রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য ও সমঝোতা অপরিহার্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৫৬ বছর বয়সে জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহের নতুন দম্পতি, পাত্রী হলেন জনপ্রিয় সাংবাদিক নিধি রাজদান জামায়াত‑ইসলামি ও কওমিপন্থীর বিরোধের মূল কারণ ও উত্স তৃতীয় সপ্তাহের বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, হ্যালোইন ঘিরে বাড়তি সতর্কতা বিশ্ব বাজারে চীনা স্লিপ টেক ব্র্যান্ডের দাপট চাঁদা ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি, ভাইয়ের সঙ্গে কথা না বললে ছেলেপুলে পাঠানো হবে—সাব্বির হোসেন গ্রেফতার
Advertisement