খুঁজুন
সোমবার, ১৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন;মায়ের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ এবং অতীতের নির্মম স্মৃতি

আলোকিত সারাদেশ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন;মায়ের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ এবং অতীতের নির্মম স্মৃতি
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আজ সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন—তারেক রহমান দেশে ফিরছেন না কেন? তিনি কি নিজের দেশকে ভালোবাসেন না? সত্যটা অনেক গভীর।এর ভিতরে আছে মায়ের জন্য সন্তানের হৃদয়ভাঙা অপেক্ষা, আছে নিরাপত্তার অজানা শঙ্কা, আর আছে ইতিহাসের নির্মমতা। তারেক রহমান বহুবার বলেছেন যে,বাংলাদেশই তাঁর হৃদয়। বাংলাদেশই তাঁর বাড়ি,তাঁর শেকড়।তাঁর মা,দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া,যাঁর জন্য তিনি সবসময় ব্যাকুল।মায়ের অসুস্থতার প্রতিটি মুহূর্ত তাঁর জন্য অসহনীয় কষ্টের।একজন সন্তানের কাছে এর চেয়ে বড় ট্র্যাজেডি আর কী হতে পারে? প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে তাঁর একটাই ভাবনা কবে আমি মায়ের পাশে দাঁড়াতে পারব?
কিন্তু বাস্তবতা অন্য কথা বলে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বেগম জিয়ার জরুরি উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। যে কোনো সময় তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডনে স্থানান্তর করতে হতে পারে। সেই প্রস্তুতি নিয়েই তারেক রহমান এবং তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান লন্ডনে প্রতিটি দিন কাটাচ্ছেন – বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশ্বসেরা চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে,চিকিৎসার সব ব্যবস্থা করে,শুধু নির্দেশের অপেক্ষায়। লন্ডন তাদের জন্য এখন বিশ্রামের নিবাস নয়; লন্ডন এখন মায়ের জীবন বাঁচানোর অপেক্ষার ঘর। এখানেই শেষ নয়। বাংলাদেশে তারেক রহমানের ওপর এখনো গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। অতীতের স্মৃতি তাঁর পরিবার এবং দলের কাছে এখনো তাজা। ফখরুদ্দিন-মইন মদদপুষ্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তিনি রাষ্ট্রযন্ত্রের নামে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। আইনের ন্যূনতম সুরক্ষা পাননি। সমাজের বিবেক – মিডিয়া ও সিভিল সোসাইটি – তখন নীরব ছিল। তখন ওনার উপর যে ভয়াবহ নির্মমতা হয়েছিল, তা ছিল মানবাধিকারের প্রকাশ্য লঙ্ঘন। রাষ্ট্র যখন নিজেই প্রতিশোধে মেতে ওঠে, সুরক্ষা ছাড়া দেশে ফেরা বীরত্ব নয় – এটি ফাঁদ। আজও সেই অজানা ভয়,সেই রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের সম্ভাবনা একেবারে চলে যায়নি। তাই তাঁর ফিরে আসা শুধু আবেগ নয়, এটি রাজনৈতিক হিসাব,ভবিষ্যতের দায়িত্ব এবং জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। তবু দূরে থেকেও তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন গণতন্ত্রের অধিকারের জন্য, মানুষের ভোটের মর্যাদার জন্য, দেশকে নতুন ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য যার মধ্যে প্রাধান্য পেয়েছে কৃষি,স্বাস্থ্য,সহ নারী ও তরুণ-যুবাদের জীবন ও জীবিকার উন্নতি।দূরত্ব তাঁর নেতৃত্বকে কমিয়ে দেয়নি; বরং আরও প্রখর করেছে। যারা প্রশ্ন করেন,এখনই কেন ফিরছেন না? তাদের মনে রাখতে হবে: একজন দায়িত্ববান নেতা শুধু আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেন না;সঠিক সময়ের অপেক্ষা করেন। আজ তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব—মাকে বাঁচানো। আর দেশের জন্য তাঁর সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি, একদিন ফিরে এসে জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার করা। তারেক রহমানের দেশের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তাঁর ফেরা হবে। কিন্তু,তা হবে শক্তভাবে,নিরাপদে এবং দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে। সেই প্রত্যাবর্তন হবে বাংলাদেশের নতুন সূচনার দিন।
লেখকঃ 
বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার।

চাঁদপুর ভূঁইয়ার ঘাট ডিঙ্গি মাঝি সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী, চাঁদপুর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
   
চাঁদপুর ভূঁইয়ার ঘাট ডিঙ্গি মাঝি সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন
চাঁদপুর ভূঁইয়ার ঘাট ডিঙ্গি মাঝি সমবায় সমিতি রেজি নং ৮৪০/চাঁদ ০৭ এর আগামী ৩ বছরের জন্য ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের বড় স্টেশন ভূঁইয়াঘাট নিজস্ব কার্যালয়ে কমিটি গঠন এর পূর্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতি করেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রধানীয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নিজাম মিজির পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সমিতির উপদেষ্টা সোলেমান প্রদানীয়া, মঞ্জিল হক খান, তফিল দেওয়ান, রহিম মিজি, সাবেক প্রচার সম্পাদক আলী হোসেন ও উপদেষ্টা মনির প্রধানীয়া।

আলোচনা সভা শেষে সমিতির সকল মাঝিদের সর্বো সম্মতিক্রমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রধানীয়া, সহ সভাপতি জয়দল প্রদানীয়া, সাধারণ সম্পাদক, নিজাম মিজি, যুগ্ম সম্পাদক শেকুল মোল্লা, কোষাধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন প্রদানীয়া ও প্রচার সম্পাদক বাসার দেওয়ান।

চাঁদপুরে সোনালী ব্যাংকের সিবিএ নেতা আবদুস সামাদ মিয়ার ইন্তেকাল—সহকর্মীদের মাঝে গভীর শোক

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী, চাঁদপুর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
   
চাঁদপুরে সোনালী ব্যাংকের সিবিএ নেতা আবদুস সামাদ মিয়ার ইন্তেকাল—সহকর্মীদের মাঝে গভীর শোক
সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়ীজ এসোসিয়েশন (সিবিএ) এর চাঁদপুর জেলা কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ আবদুস সামাদ মিয়া (৫১) আর নেই। তিনি হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, সোমবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তার মৃত্যু সংবাদে পুরো সোনালী ব্যাংক পরিবারসহ চাঁদপুরের সর্বস্তরের ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মোঃ আবদুস সামাদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সোনালী ব্যাংক সিবিএ’র বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন এবং সহকর্মীদের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি সততা, নিষ্ঠা ও মানবিক গুণাবলির জন্য সহকর্মীদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ছিলেন। কর্মক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা এবং সংগঠনী কাজে আন্তরিকতার কারণে তিনি সহকর্মী ও পরিচিত মহলে ছিলেন জনপ্রিয়।

তার মৃত্যুতে সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়ীজ এসোসিয়েশন (সিবিএ) চাঁদপুর জেলা কমিটির সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান খান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

তারা বলেন, “মোঃ আবদুস সামাদ মিয়া ছিলেন সংগঠনের এক নিবেদিত প্রাণ। তার মতো একজন সৎ, পরিশ্রমী এবং অঙ্গীকারবদ্ধ নেতার মৃত্যু আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”

এদিকে, সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও মরহুমের পরিবারকে সমবেদনা জানাচ্ছেন। সবাই মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন।

চট্টগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

ইফতি হোসেন ,চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
চট্টগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় চট্টগ্রামে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে হযরত সুলতানুল আরেফিন বায়েজিদ বোস্তামী (রহ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। তারা বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশের শান্তি-উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন—

  • শিল্পী আবুল হাশেম আজাদ, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম) ও সভাপতি, জিসাস চট্টগ্রাম মহানগর

  • মোঃ নুন নবী, সিনিয়র সহ-সভাপতি, জিসাস চট্টগ্রাম মহানগর

  • মোঃ শাহ আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক, তাঁতীদল চট্টগ্রাম মহানগর

  • ফয়সাল মাহমুদ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল

  • মোর্শেদ আলম, সদস্য সচিব, বায়েজিদ থানা তাঁতীদল

  • তারেক সিদ্দিকী মুন্না, সাবেক সদস্য, বায়েজিদ থানা স্বেচ্ছাসেবক দল

  • মোঃ ওসমান গনি, নেতা, বায়েজিদ থানা যুবদল

  • তোফাজ্জল হোসেন সিদ্দিকী, নেতা, থানা শ্রমিকদল

  • গোলাম রাব্বানী ও আমিনুল ইসলাম মামুন

  • মোঃ ইফতি হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক, মহানগর জিসাস

  • মোহাম্মদ বুলবুল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর জিসাস

এছাড়া মহানগর ও বিভিন্ন থানা ইউনিট থেকে আরও নেতাকর্মী, সমর্থক এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষও মিলাদ ও দোয়ায় অংশগ্রহণ করেন।

মাহফিল শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।