খুঁজুন
, ,

জোরারগঞ্জে ড্রাম ট্রাকে সার পাচারের চেষ্টা: ৩০১ বস্তা সারসহ আটক ৮

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
জোরারগঞ্জে ড্রাম ট্রাকে সার পাচারের চেষ্টা: ৩০১ বস্তা সারসহ আটক ৮

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়েছে। অবৈধভাবে প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় এসব সার উদ্ধার করা হয়। অভিযানে জড়িত আট ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া সারের পরিমাণ ৩০১ বস্তা এবং এ কাজে ব্যবহৃত দুটি ড্রাম ট্রাকও জব্দ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ প্রশাসন অভিযানে নামে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার অন্তর্গত মুহুরী প্রজেক্ট ৪০ নম্বর গেট এলাকা থেকে ট্রাক দুটি আটক করা হয়। ট্রাকগুলোতে সারগুলো এমনভাবে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল যাতে সহজে নজর না পড়ে। পুলিশের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় পাচারকারীদের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয় এবং অবৈধ এ চালানটি আটক করা সম্ভব হয়।

ঘটনার বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হালিম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে এটি স্পষ্ট যে সারগুলো পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারে পাচারের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে পুলিশ ওই এলাকায় বিশেষ নজরদারি চালিয়ে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় ভোরে সন্দেহজনক দুটি ড্রাম ট্রাক থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণ সার উদ্ধার হওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকেই আটজনকে আটক করা হয়। বর্তমানে তাদের থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। চক্রটি সারগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করেছিল এবং কার নির্দেশে বা কাদের সহায়তায় সীমান্তে পাচারের চেষ্টা করছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, কৃষি কাজে ব্যবহারের জন্য সরকার অনুমোদিত সার অবৈধভাবে দেশের বাইরে পাচার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কৃষি খাতে ভর্তুকি মূল্যের সার পাচার রোধে প্রশাসন বরাবরই সতর্ক অবস্থানে থাকে। জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, সীমান্তে চোরাচালান রোধে এবং দেশের সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তাদের নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশের এ দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, এ ধরনের চোরাকারবারি চক্রের মূল হোতাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারলে সীমান্তবর্তী এলাকায় পাচার রোধ সহজ হবে। আপাতত আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে তাদের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় সোপর্দ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

এইচএসসির ফল প্রকাশ: সন্তানের কৃতিত্ব দেখার আগেই নিথর হলো বাবার বুক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
এইচএসসির ফল প্রকাশ: সন্তানের কৃতিত্ব দেখার আগেই নিথর হলো বাবার বুক

অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে। হাজারো পরিবারে এখন মিষ্টি বিতরণের ধুম, কেউবা মেতেছে সাফল্যের আনন্দে। কিন্তু এরই মাঝে একটি পরিবারের অন্দরমহলজুড়ে নেমে এসেছে ঘোর অন্ধকার। যে সন্তানের সাফল্যে গর্বে বুক ফুলে ওঠার কথা ছিল বাবার, সেই সন্তানের নিথর দেহ এখন মাটির নিচে। ফলাফলের পাতায় সন্তানের উত্তীর্ণ হওয়ার খবরটি যখন সামনে এলো, তখন বাবা আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। কান্নায় ভেঙে পড়া সেই বাবার আর্তনাদ যেন আকাশ-বাতাস ভারী করে তুলেছে।

ঘটনাটি ঘটেছিল গত আগস্ট মাসে। এইচএসসি পরীক্ষার ব্যবহারিক পরীক্ষা চলাকালীন রোজান নামে এক শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়েও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচাতে পারেননি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। সেই সময়টা শোকের চাদরে মুড়ে ফেলেছিল পরিবারটিকে। এরপর কেটে গেছে আড়াই মাস। ছেলে বেঁচে নেই, কিন্তু নিয়তির ফেরে সে যে পরীক্ষা দিয়েছিল, তার আনুষ্ঠানিক ফল আজ প্রকাশিত হলো।

পরিবারের আশা ছিল, মৃত্যুর পরেও হয়তো ছেলের ফলাফলটি বিশেষ কোনো বার্তাবাহক হবে। ফলাফলের দিন যখন রেজাল্ট শিটে তার সাফল্যের বিষয়টি নিশ্চিত হলো, তখন সেই শোকের ক্ষত নতুন করে জেগে উঠল। সন্তানের পরীক্ষার খাতা বা রেজাল্ট শিট হাতে নিয়ে এক বাবা যখন দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন তার চোখে ছিল অঝোর ধারা। তার কান্নার শব্দ যেন বলে দিচ্ছিল, পৃথিবীর সমস্ত সাফল্য এক নিমিষেই অর্থহীন হয়ে পড়ে যখন সেই অর্জনের পাশে প্রিয় মানুষটি বেঁচে থাকে না। স্বজনরা সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। আশেপাশের মানুষও স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন এক বাবার অসহায়ত্ব।

এই ঘটনাটি কেবল একটি পরিবারের ব্যক্তিগত শোকের গল্প নয়, বরং এটি জীবনের চরম অনিশ্চয়তার এক বাস্তব প্রতিচ্ছবি। একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় কত স্বপ্ন বুনেছিল, কত সাধনা করেছিল, তার সেই পরিশ্রমের স্বীকৃতি আজ এসেছে, কিন্তু সে নিজে তা দেখার জন্য নেই। শিক্ষাজীবনের এই চূড়ান্ত ধাপ পার করার আনন্দ যখন শোকের মিছিলে পরিণত হয়, তখন সেই কষ্টের পরিমাপ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

শিক্ষাঙ্গনে এমন অনেক ঘটনা ঘটে যা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় জীবন কতটুকু ক্ষণস্থায়ী। আজকের ফলাফল প্রকাশের দিনে রোজানের বাবা যে বেদনার মুখোমুখি হলেন, তা যেকোনো বিবেকবান মানুষকে কাঁদাবে। তার কান্না যেন নিথর হয়ে যাওয়া সেই মেধাবী শিক্ষার্থীর স্মৃতির প্রতি এক নীরব অশ্রুঞ্জলি। সামাজিক মাধ্যমেও এই ঘটনা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। অনেকেই শোক প্রকাশ করছেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছেন। সাফল্যের দিনের এমন এক বিয়োগান্তক চিত্র আমাদের শিখিয়ে দিয়ে গেল, জীবনের কোনো অর্জনই প্রিয়জনের জীবনের চেয়ে বড় নয়। এইচএসসির এই রেজাল্ট শিট হয়তো কেবল এক টুকরো কাগজ, কিন্তু বাবার কাছে এটি এখন বেঁচে থাকার এক অবুঝ স্মৃতিচিহ্ন মাত্র।

জামালপুরে চারটি কলেজে এইচএসসিতে শূন্য পাস, হতাশ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
জামালপুরে চারটি কলেজে এইচএসসিতে শূন্য পাস, হতাশ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় এবারের ফলাফল বিশ্লেষণ করতে গিয়ে এক উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এসেছে। ময়মনসিংহের শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত জামালপুর জেলার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণকারী কোনো শিক্ষার্থীই সাফল্যের মুখ দেখেননি। অর্থাৎ, এই চারটি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া মোট ২২ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি। শনিবার সকালে বোর্ড কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশের পর বিষয়টি জানাজানি হয় এবং স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, জামালপুর সদর উপজেলার শ্রীপুর কুমারিয়া নাসুবা হাকিম বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এ বছর ছয়জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তাদের কেউই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে পারেননি। একই অবস্থা জেলার অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও। ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, শুধুমাত্র একটি বা দুটি প্রতিষ্ঠান নয়, বরং চারটি প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত পাসের হার শূন্য শতাংশ। এই ফলাফলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মাঝে চরম হতাশা বিরাজ করছে।

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি খুবই গুরুত্বের সাথে দেখার দাবি রাখে। এর পেছনে প্রতিষ্ঠানের পাঠদান পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা, নিয়মিত ক্লাসের অভাব, বিষয়ভিত্তিক দক্ষ শিক্ষকের সংকট কিংবা শিক্ষার্থীদের যথাযথ প্রস্তুতির ঘাটতি অন্যতম কারণ হতে পারে। স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলছেন, বিগত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন স্তরে শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল, এবারের এই ফলাফল সেই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিল।

জামালপুর জেলার মতো একটি অঞ্চলে চারটি কলেজ থেকে একজনও পাস না করার পেছনে আরও কিছু কারণ থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। অনেকের মতে, গ্রাম কিংবা মফস্বল এলাকায় অবস্থিত অনেক প্রতিষ্ঠানে এখনো বিজ্ঞান বা মানবিক শাখার প্রয়োজনীয় ল্যাব ও সরঞ্জামের সংকট রয়েছে। এছাড়া, গত কয়েক বছরে চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং নানা অস্থিরতার কারণে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে যে ছেদ পড়েছে, তার প্রভাবও হয়তো পরীক্ষার ফলে প্রতিফলিত হয়েছে। তবে প্রতিটি শিক্ষার্থীর স্বপ্নভঙ্গ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এমন বিপর্যয় শিক্ষা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি তদন্তের দাবি রাখে।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, যারা অকৃতকার্য হয়েছেন, তাদের পুনরায় মূল্যায়ন বা পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ রয়েছে। তবে পাসের হারের এই করুণ দশা কাটিয়ে উঠতে ওইসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আমূল পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন অভিভাবকরা। বিষয়টি নিয়ে জেলা শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া না গেলেও, অদূর ভবিষ্যতে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের সাথে আলোচনা করে বিশেষ কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে, কেবল পাস-ফেল নয়, বরং শিক্ষার মানোন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা পর্যবেক্ষকরা।

আমরা ঘরে বসে রাজনীতি করি না, আমাদের সাংগঠনিক শক্তি ও জনসমর্থন অটুট: মির্জা আব্বাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
আমরা ঘরে বসে রাজনীতি করি না, আমাদের সাংগঠনিক শক্তি ও জনসমর্থন অটুট: মির্জা আব্বাস

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে গিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস এক জোরালো বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বিএনপি সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করার কোনো অবকাশ নেই। তিনি দাবি করেন যে, দলটির সাংগঠনিক ভিত্তি যেমন শক্তিশালী, তেমনি দেশের সাধারণ জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনও তাদের রয়েছে। মির্জা আব্বাস দৃঢ় কণ্ঠে উল্লেখ করেন যে, তারা কেবল ঘরে বসে রাজনীতি বা লড়াই চালিয়ে যান না। রাজপথের আন্দোলনের পাশাপাশি তাদের সাংগঠনিক শক্তির শিকড় অনেক গভীরে প্রোথিত রয়েছে।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে বিভিন্ন মহল থেকে বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে যে ধরনের তীর্যক মন্তব্য বা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, তা প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। তিনি বলেন, বিএনপির রাজনৈতিক খুঁটি অত্যন্ত মজবুত। দলীয় নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে গিয়ে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, কেবল বাহ্যিক কোনো উপায়ে বা সাময়িক উত্তেজনার মাধ্যমে এই দলকে দাবিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তার ভাষ্যমতে, বিএনপির শক্তির উৎস হলো সাধারণ মানুষ, যারা সবসময়ই তাদের পাশে ছিল। দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে দলের নেতাকর্মীরা সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন এবং রাজপথে সক্রিয় থেকে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছেন।

একই সঙ্গে দলের অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, অনেকে বিএনপিকে দুর্বল মনে করে ভুল করছেন। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিএনপির কর্মপদ্ধতি ও আদর্শের পার্থক্য রয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বিএনপি কোনো বিচ্ছিন্ন দল নয়, বরং এটি একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক শক্তি, যারা তৃণমূলের মানুষের ওপর ভিত্তি করে টিকে আছে। মির্জা আব্বাসের এই বক্তব্যকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে, যখন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে, তখন দলের পক্ষ থেকে এমন কঠোর ও আত্মবিশ্বাসী বার্তা তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাহস জোগাতে কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মির্জা আব্বাস আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ও আস্থাই তাদের রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি। যারা মনে করেন বিএনপি ভেসে এসেছে, তারা মাঠপর্যায়ের রাজনীতির বাস্তবতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। তিনি মনে করেন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও দৃঢ় মনোবল থাকলে যে কোনো রাজনৈতিক প্রতিকূলতা মোকাবিলা করা সম্ভব। তিনি স্পষ্ট করে দেন, তাদের শক্তি কেবল ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সমষ্টিগত ও সাংগঠনিক। দেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, জনগণই শেষ পর্যন্ত তাদের শক্তি হিসেবে কাজ করে। বিরোধী পক্ষকে বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় লিপ্ত না হয়ে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসার আহ্বান জানান তিনি। তার বক্তব্য থেকে এটা পরিষ্কার যে, বিএনপি আগামী দিনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত এবং তারা তাদের অবস্থান থেকে এক চুলও নড়তে রাজি নয়। মাঠপর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্য নিয়েই দলটি এগিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।

সর্বশেষ
এইচএসসির ফল প্রকাশ: সন্তানের কৃতিত্ব দেখার আগেই নিথর হলো বাবার বুক জামালপুরে চারটি কলেজে এইচএসসিতে শূন্য পাস, হতাশ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা আমরা ঘরে বসে রাজনীতি করি না, আমাদের সাংগঠনিক শক্তি ও জনসমর্থন অটুট: মির্জা আব্বাস কৃষিপণ্যের স্থায়িত্ব বাড়াতে বিনায় উদ্বোধন হলো অত্যাধুনিক গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র জোরারগঞ্জে ড্রাম ট্রাকে সার পাচারের চেষ্টা: ৩০১ বস্তা সারসহ আটক ৮ ইরানে হামলা চালালে কঠিন জবাবের হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির বিশ্বব্যাংক থেকে আর্থিক খাত সংস্কারের জন্য ৪৫ কোটি ডলার ঋণ তরুণ প্রজন্মের ক্ষমতায়নে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলীয় সভাপতি হাসানুল হক ইনুর মুক্তির দাবি জানাল জাসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর পরিবারে শঙ্কা, রাতে স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছেন নারী সদস্যরা
Advertisement