খুঁজুন
, ,

স্কুল ত্যাগ করে কারখানায় কাজ করা ঝোউ চুনফেই, চীনের শীর্ষ ধনী নারী

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
স্কুল ত্যাগ করে কারখানায় কাজ করা ঝোউ চুনফেই, চীনের শীর্ষ ধনী নারী

ঝোউ চুনফেই, ৫৬ বছর বয়সী চীনা নারী, আজকের দিনে চীনের সর্বোচ্চ সম্পদশালী নারী হিসেবে পরিচিত। তার সাফল্যের গল্পটি একদমই সহজ নয়; তিনি যখন কিশোর বয়সে স্কুল ত্যাগ করে একটি গ্লাস ফ্যাক্টরিতে কাজ শুরু করেন, তখন তার দৈনিক মজুরি মাত্র ১.২০ ডলার ছিল।

ঝোউয়ের পরিবার আর্থিক সংকটে ছিল, ফলে তাকে শিক্ষার বদলে কাজের দরকার পড়ে। ফ্যাক্টরিতে কাজের সময় তিনি গ্লাস উৎপাদনের প্রতিটি ধাপ শিখে নেন এবং শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রমের সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদন প্রক্রিয়ার দক্ষতা বাড়াতে মনোযোগ দেন। এই অভিজ্ঞতা পরবর্তীতে তার উদ্যোক্তা যাত্রার ভিত্তি হয়ে ওঠে।

১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে, ঝোউ চুনফেই নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে লেন্স টেকনোলজি প্রতিষ্ঠা করেন। কোম্পানিটি মূলত স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের জন্য উচ্চমানের গ্লাস স্ক্রিন উৎপাদনে বিশেষজ্ঞ। তার নেতৃত্বে লেন্স টেকনোলজি দ্রুতই আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করে এবং গ্লাস শিল্পে একটি বিশাল নাম হয়ে ওঠে।

কোম্পানির দ্রুত বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ফলে ঝোউয়ের সম্পদে বিশাল বৃদ্ধি দেখা যায়। ২০২৬ সালে প্রকাশিত হুরুন রিচেস্ট উইমেন ইন চায়না তালিকায় তিনি ১২৭ বিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ১,৪২০ কোটি পাউন্ড) সম্পদের সঙ্গে শীর্ষে স্থান পেয়েছেন। এই তালিকাটি চীনের সর্বোচ্চ সম্পদশালী নারীদের র‌্যাঙ্কিং করে এবং ঝোউয়ের নাম সেখানে প্রথম স্থানে দেখা যায়।

ঝোউ চুনফেইয়ের সাফল্য কেবল তার ব্যক্তিগত সম্পদেই সীমাবদ্ধ নয়; তিনি চীনের গ্লাস শিল্পে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছেন এবং বহু তরুণ উদ্যোক্তাকে অনুপ্রাণিত করেছেন। তার কোম্পানি এখন গ্লাস উৎপাদনে স্বয়ংক্রিয় রোবোটিক সিস্টেম, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন পদ্ধতি এবং উচ্চমানের পণ্য গুণগত মানের জন্য পরিচিত।

ঝোউয়ের গল্পটি সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতির একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তিনি প্রমাণ করেছেন যে কঠোর পরিশ্রম, দৃঢ় সংকল্প এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে, কোনো সামাজিক পটভূমি থেকে উঠে গ্লোবাল বিজনেসের শীর্ষে পৌঁছানো সম্ভব। তার সাফল্য নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেখায় যে লিঙ্গভিত্তিক বাধা সত্ত্বেও নারী ব্যবসায়িক জগতে সমানভাবে সফল হতে পারে।

আজ ঝোউ চুনফেই লেন্স টেকনোলজির সিইও হিসেবে সক্রিয়ভাবে কোম্পানির কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করেন এবং নতুন প্রযুক্তি গবেষণায় বিনিয়োগ চালিয়ে যান। তিনি সামাজিক দায়িত্বের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন দাতব্য প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেন, বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য।

ঝোউয়ের যাত্রা একটি অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ যে, কঠিন আর্থিক পরিস্থিতি এবং সীমিত শিক্ষার সুযোগের মধ্যেও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি এবং সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে কেউ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি অর্জন করতে পারে। তার সাফল্য চীনের অর্থনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন দৃষ্টিকোণ যোগ করেছে এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি নারীকে উদ্যোক্তা পথে অগ্রসর হতে উৎসাহিত করবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর পরিবারে শঙ্কা, রাতে স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছেন নারী সদস্যরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর পরিবারে শঙ্কা, রাতে স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছেন নারী সদস্যরা

বরিশাল অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর পরিবার এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি শোকের রেশ, তবে তার চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা সংক্রান্ত আতঙ্ক। একজন সূর্যসন্তানকে শেষ বিদায় জানানোর সময় যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তার জের এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা। জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে দাফন কাজে বাধা প্রদানের সেই ন্যক্কারজনক ঘটনার পর থেকে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থমকে গেছে তার স্বজনদের। বর্তমানে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, রাতের বেলা নিজেদের বাড়িতে থাকাটাও নিরাপদ মনে করছেন না নিহতের পরিবারের নারী সদস্যরা। বাধ্য হয়ে প্রতিদিন সূর্যাস্তের পর তারা আশ্রয় নিচ্ছেন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে।

নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মেয়ে শিমু গণমাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন, তাদের পরিবার বর্তমানে গভীর শঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। বাবার শেষকৃত্যের দিন যে অপমানের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, তা এখনো তাদের মানসিকভাবে তাড়া করে ফিরছে। দাফনের পরপরই নিরাপত্তাহীনতার কারণে তারা নিজ বাড়ি ছেড়ে আত্মীয়ের বাড়িতে চলে যেতে বাধ্য হন। শুধু মেয়ে নয়, মানিক পশারীর সৎ বোনও এখন আতঙ্কে দিনাতিপাত করছেন। রাতে তারা নিজেদের বাড়িতে থাকার সাহস পাচ্ছেন না। বাড়ির পরিবেশ এখন এতটাই ভয়ার্ত যে, সন্ধ্যার পরই ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটতে হচ্ছে তাদের। বিষয়টি কেবল একটি পরিবারের সংকট নয়, বরং সামাজিকভাবে একটি অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনের সময় রাজনৈতিক পরিচয় ও মতাদর্শগত বিরোধকে কেন্দ্র করে যে বাধার সৃষ্টি করা হয়েছিল, তা স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রাপ্য মর্যাদা ও শেষ শ্রদ্ধাটুকু দেওয়ার ক্ষেত্রেও যারা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছিল, তাদের সেই আচরণের ফল ভোগ করতে হচ্ছে শোকার্ত পরিবারকে। এই ঘটনার পর এলাকায় এক ধরনের চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিবারের সদস্যরা ক্রমাগত ভয় ও উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় পার করছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহলের অনেকে মনে করছেন, একজন জাতীয় বীরের পরিবারের এমন নিগৃহীত হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ছিল।

পরিবারের সদস্যরা আরও জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে যারা দাফনে বাধা দিয়েছিল, তাদের কর্মকাণ্ডের পর থেকেই পরিবারটি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। একাত্তরের রণাঙ্গনের বীর সেনানী যিনি দেশের জন্য লড়াই করেছেন, মৃত্যুর পর তার পরিবারকে কেন এমন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হবে—এই প্রশ্ন এখন স্থানীয় জনগণের মুখে মুখে। দিনের আলোয় পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক মনে হলেও, রাত নামার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির ভেতরে যেন এক অজানা আতঙ্ক ভর করে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য তারা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সহায়তা প্রত্যাশা করছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথাযথ নজরদারি না থাকলে এবং দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা না হলে এই পরিবারের ভয়ের পরিবেশ কাটানো কঠিন হবে বলেই স্থানীয়দের ধারণা। বর্তমানে গোটা বিষয়টি স্থানীয় জনমনে গভীর ক্ষোভ ও হতাশার জন্ম দিয়েছে।

হ্যালোউইন পার্টিতে শ্রীদেবীর স্মৃতি ফিরিয়ে আনলেন জাহ্নবী কাপুর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
হ্যালোউইন পার্টিতে শ্রীদেবীর স্মৃতি ফিরিয়ে আনলেন জাহ্নবী কাপুর

বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর বরাবরই তার ফ্যাশন সচেতনতার জন্য আলোচনায় থাকেন। তবে এবার হ্যালোউইন উপলক্ষ্যে তিনি যা করেছেন, তা কেবল নতুন কোনো সাজ নয়, বরং এক আবেগঘন শ্রদ্ধাঞ্জলি। প্রতি বছর অক্টোবর মাসের শেষ দিকে বিশ্বজুড়ে হ্যালোউইন উদযাপিত হয়। এই অদ্ভুত ও ভুতুড়ে উৎসবের আমেজে অনেকেই নানা সাজে নিজেকে মেলে ধরেন। জাহ্নবীও এর ব্যতিক্রম ছিলেন না, তবে তিনি বেছে নিয়েছেন এমন এক চরিত্র যা ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় হয়ে আছে। তিনি নিজের সাজের অনুপ্রেরণা হিসেবে বেছে নিয়েছেন তার মা, প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেত্রী শ্রীদেবীর কালজয়ী সিনেমা নাগিনার সেই আইকনিক লুককে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাহ্নবীর এই লুক প্রকাশ্যে আসতেই ভক্তদের মধ্যে হইচই পড়ে যায়। অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, শ্রীদেবীকে যেন পুনরায় পর্দায় জীবন্ত করে তুলেছেন তার মেয়ে। নাগিনা সিনেমায় শ্রীদেবীর সেই সাপের চোখের মণি সদৃশ সাজ, বিশেষ ধরনের কস্টিউম এবং লুক—সবকিছুই নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন জাহ্নবী। আশির দশকের সেই সিনেমাটি আজও দর্শকদের কাছে সমান জনপ্রিয়। মা শ্রীদেবীর স্মৃতির প্রতি এমন শ্রদ্ধা নিবেদন দেখে আবেগ আপ্লুত তার ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা। জাহ্নবীর এই সাজের প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয় বেশ প্রশংসা কুড়াচ্ছে। বিশেষ করে তার মেকআপ এবং পোশাকের কারুকাজ হুবহু শ্রীদেবীর সেই চরিত্রটিকে মনে করিয়ে দিচ্ছে।

জাহ্নবী কাপুর নিজের ক্যারিয়ারে একের পর এক নতুন চরিত্রে অভিনয় করে নিজেকে প্রমাণ করছেন, কিন্তু মায়ের প্রতি তার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা যে অটুট, তা এই উদযাপনের মাধ্যমেই আরও একবার স্পষ্ট হলো। হ্যালোউইনের মতো বিদেশি উৎসবে নিজের সংস্কৃতির আইকনিক চরিত্রকে তুলে ধরার এই বিষয়টি অনেকেই ইতিবাচকভাবে দেখছেন। নেটদুনিয়ায় জাহ্নবীর এই রূপান্তর এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। অনেকে মনে করছেন, এটি কেবল একটি হ্যালোউইন কস্টিউম নয়, বরং মায়ের প্রতি এক বিশেষ ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।

প্রতি বছরই হ্যালোউইনে তারকারা বিভিন্ন ভৌতিক বা কাল্পনিক সাজে ক্যামেরাবন্দি হন। কিন্তু জাহ্নবী এমন এক সাজ বেছে নিয়েছেন যা ভয়ের চেয়েও বেশি নস্টালজিয়া তৈরি করেছে। শ্রীদেবীর অকাল প্রয়াণ সারা দেশের ভক্তদের মনে যে শূন্যতা তৈরি করেছিল, জাহ্নবীর এই লুক যেন সেই স্মৃতিকেই নতুন করে উসকে দিল। তার এই সাজের ছবি ও ভিডিও ক্লিপ মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে। ফ্যাশন সমালোচক থেকে শুরু করে সাধারণ দর্শক—সবাই জাহ্নবীর এই সাহসিকতা এবং মায়ের প্রতি অনুরাগের প্রশংসা করছেন। শ্রীদেবীর সেই আইকনিক নাচের মুদ্রা কিংবা চোখের চাহনি, জাহ্নবী তার অভিব্যক্তিতে অনেকটা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন, যা বেশ প্রশংসিত হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে জাহ্নবীর এই হ্যালোউইন লুক এ বছরের বিনোদন দুনিয়ায় এক বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাস কোর্সের ১৯ বিষয়ের সিলেবাস আধুনিকায়নের উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাস কোর্সের ১৯ বিষয়ের সিলেবাস আধুনিকায়নের উদ্যোগ

দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও কর্মমুখী করার লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে চলমান তিন বছর মেয়াদি স্নাতক পাস ডিগ্রি প্রোগ্রামের ১৯টি বিষয়ের সিলেবাস ও কারিকুলাম পরিবর্তনের কাজ শুরু হয়েছে। মূলত বর্তমান সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো পাঠ্যক্রমকে আরও আধুনিক এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করে গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক বা বিএনকিউএফ অনুসরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই ফ্রেমওয়ার্কের ভিত্তিতে আউটকাম বেজড এডুকেশন বা ওবিই পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। এর ফলে পাস কোর্সের শিক্ষার্থীরা কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞানই নয়, বরং বাস্তব জীবনে প্রয়োগযোগ্য দক্ষতায় নিজেদের সমৃদ্ধ করতে পারবে।

গত শনিবার গাজীপুরে অবস্থিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে এই পরিবর্তনের রূপরেখা ও প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষাবিষয়ক নীতিনির্ধারকরা এই আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে পর্যালোচনা করেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের প্রচলিত সিলেবাসের পরিবর্তন বর্তমান সময়ের শ্রমবাজারের চাহিদার সাথে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে সহায়ক হবে। উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকার সক্ষমতা তৈরি করতে এই উদ্যোগ একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

উল্লেখ্য যে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে লক্ষাধিক শিক্ষার্থী সাধারণ ডিগ্রি বা পাস কোর্সে পড়াশোনা করে থাকেন। বিশাল এই জনগোষ্ঠীর শিক্ষাগত উৎকর্ষ সাধনে পাঠ্যক্রমের আধুনিকায়ন অত্যন্ত জরুরি ছিল। নতুন সিলেবাস তৈরির কাজ শেষ হলে তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় শুধু বিষয়বস্তু বা সিলেবাস নয়, বরং শিক্ষার সামগ্রিক পদ্ধতি ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল এবং সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো এই রূপান্তরের সার্বিক প্রক্রিয়া তদারকি করবে।

শিক্ষাবিদদের মতে, ওবিই বা ফলাফলভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষায় একটি স্বীকৃত মডেল। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এই মডেলে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে। সিলেবাস পুনর্গঠনের এই কাজ শেষ হলে শিক্ষার্থীরা যেমন আধুনিক জ্ঞান অর্জনে সক্ষম হবে, তেমনি তাদের ডিগ্রি অর্জনের সার্থকতাও বৃদ্ধি পাবে। আগামী দিনগুলোতে এই নতুন কারিকুলাম কীভাবে কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত রূপরেখা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ
বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর পরিবারে শঙ্কা, রাতে স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছেন নারী সদস্যরা হ্যালোউইন পার্টিতে শ্রীদেবীর স্মৃতি ফিরিয়ে আনলেন জাহ্নবী কাপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাস কোর্সের ১৯ বিষয়ের সিলেবাস আধুনিকায়নের উদ্যোগ ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রতিটি নাগরিকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা জরুরি: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব সম্পন্ন, চূড়ান্ত লড়াই নভেম্বরের শেষে রাজধানীতে জরুরি সেবার কলে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ স্কুল ত্যাগ করে কারখানায় কাজ করা ঝোউ চুনফেই, চীনের শীর্ষ ধনী নারী সংসদের আসন্ন অধিবেশনেই পাস হবে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ আইন নিখোঁজ হওয়ার আগে তাহসিফ ও দীপের শেষ সাত ঘণ্টার রহস্য উচ্চশিক্ষায় ভর্তিতে আসন সংকট হবে না: আশ্বস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী
Advertisement