খুঁজুন
, ,

মুমতাহিনা টয়া ও বন্ধুরা লালাখালে আনন্দময় ভ্রমণ, ৮টি ছবি প্রকাশ

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ণ
মুমতাহিনা টয়া ও বন্ধুরা লালাখালে আনন্দময় ভ্রমণ, ৮টি ছবি প্রকাশ

অভিনেত্রী মুমতাহিনা টয়া সম্প্রতি সিলেটের লালাখাল এলাকায় বন্ধু তৌসিফের জন্মদিন উদযাপনের জন্য একটি ছোট ভ্রমণ করেন। তার সঙ্গে ছিলেন শাওন এবং সাফা, যারা দুজনই টয়ার ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। লালাখালের রৌদ্রোজ্জ্বল পরিবেশে তিনজনের মেলবন্ধন এবং আনন্দের মুহূর্তগুলো ক্যামেরায় ধরা পড়ে, মোট আটটি ছবি প্রকাশিত হয়েছে।

টয়া ফেসবুকের ক্যাপশনে লিখেছেন, “বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার সময় সুন্দর পোজ দেওয়ার চেয়ে হাসি থামানো অনেক বেশি কঠিন।” এই মন্তব্যটি তার স্বাভাবিক হাস্যরস এবং বন্ধুত্বের মধুরতা প্রকাশ করে। ছবিগুলোতে দেখা যায়, ত্রয়ী লালাখালের সবুজ নদীর তীরের পাশে হালকা হাওয়া উপভোগ করছেন, মাঝে মাঝে দুষ্টু‑মিষ্টি ভঙ্গিতে ক্যামেরার সামনে হাসছেন।

লালাখাল, যা সিলেটের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনস্থল, তার স্বচ্ছ জলপ্রপাত এবং ঘন সবুজে ভরা পরিবেশের জন্য পরিচিত। টয়া ও তার সঙ্গীরা এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি, বন্ধুর জন্মদিনের বিশেষ মুহূর্তগুলোকে স্মরণীয় করে তোলার জন্য বিভিন্ন স্থানে থেমে ছবি তোলেন। তাদের হাসি‑খুশির ছবি, পোজের চেয়ে স্বাভাবিক হাসি বেশি দেখা যায়, যা দর্শকদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে।

টয়ার পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, “শেষ পর্যন্ত সুন্দর পোজের চেয়ে হাসতে হাসতে তোলা ছবির সংখ্যাই বেশি হয়।” এই বাক্যটি তাদের ভ্রমণের মূল সত্তা—মজা এবং স্বাভাবিকতা—কে তুলে ধরে। ছবিগুলোতে দেখা যায়, টয়া এবং শাওন মজার ছলে একে অপরের পেছনে দাঁড়িয়ে, সাফা মাঝখানে হাসি থামাতে না পারা মুহূর্তে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছেন।

এই ভ্রমণটি শুধুমাত্র একটি জন্মদিনের উদযাপন নয়, বরং বন্ধুত্বের বন্ধনকে দৃঢ় করার একটি সুযোগও হয়ে দাঁড়িয়েছে। ত্রয়ীর মধ্যে গড়ে ওঠা হাস্যরস এবং মধুর কথোপকথন, লালাখালের প্রাকৃতিক দৃশ্যের সঙ্গে মিলে একটি মনোরম পরিবেশ তৈরি করেছে। তাছাড়া, টয়া তার সামাজিক মাধ্যমে এই মুহূর্তগুলো শেয়ার করে ভক্তদের সঙ্গে তার আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

লালাখালের এই সফরটি টয়ার জন্য একটি রিফ্রেশিং বিরতি, যেখানে তিনি দৈনন্দিন কাজের চাপ থেকে দূরে সরে প্রকৃতির সঙ্গে মেলামেশা করতে পেরেছেন। ত্রয়ীর এই আনন্দময় ভ্রমণটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে, যেখানে ভক্তরা টয়ারের স্বাভাবিক হাসি এবং বন্ধুত্বের দৃশ্যকে প্রশংসা করেছেন।

স্কুল ত্যাগ করে কারখানায় কাজ করা ঝোউ চুনফেই, চীনের শীর্ষ ধনী নারী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
   
স্কুল ত্যাগ করে কারখানায় কাজ করা ঝোউ চুনফেই, চীনের শীর্ষ ধনী নারী

ঝোউ চুনফেই, ৫৬ বছর বয়সী চীনা নারী, আজকের দিনে চীনের সর্বোচ্চ সম্পদশালী নারী হিসেবে পরিচিত। তার সাফল্যের গল্পটি একদমই সহজ নয়; তিনি যখন কিশোর বয়সে স্কুল ত্যাগ করে একটি গ্লাস ফ্যাক্টরিতে কাজ শুরু করেন, তখন তার দৈনিক মজুরি মাত্র ১.২০ ডলার ছিল।

ঝোউয়ের পরিবার আর্থিক সংকটে ছিল, ফলে তাকে শিক্ষার বদলে কাজের দরকার পড়ে। ফ্যাক্টরিতে কাজের সময় তিনি গ্লাস উৎপাদনের প্রতিটি ধাপ শিখে নেন এবং শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রমের সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদন প্রক্রিয়ার দক্ষতা বাড়াতে মনোযোগ দেন। এই অভিজ্ঞতা পরবর্তীতে তার উদ্যোক্তা যাত্রার ভিত্তি হয়ে ওঠে।

১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে, ঝোউ চুনফেই নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে লেন্স টেকনোলজি প্রতিষ্ঠা করেন। কোম্পানিটি মূলত স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের জন্য উচ্চমানের গ্লাস স্ক্রিন উৎপাদনে বিশেষজ্ঞ। তার নেতৃত্বে লেন্স টেকনোলজি দ্রুতই আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করে এবং গ্লাস শিল্পে একটি বিশাল নাম হয়ে ওঠে।

কোম্পানির দ্রুত বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ফলে ঝোউয়ের সম্পদে বিশাল বৃদ্ধি দেখা যায়। ২০২৬ সালে প্রকাশিত হুরুন রিচেস্ট উইমেন ইন চায়না তালিকায় তিনি ১২৭ বিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ১,৪২০ কোটি পাউন্ড) সম্পদের সঙ্গে শীর্ষে স্থান পেয়েছেন। এই তালিকাটি চীনের সর্বোচ্চ সম্পদশালী নারীদের র‌্যাঙ্কিং করে এবং ঝোউয়ের নাম সেখানে প্রথম স্থানে দেখা যায়।

ঝোউ চুনফেইয়ের সাফল্য কেবল তার ব্যক্তিগত সম্পদেই সীমাবদ্ধ নয়; তিনি চীনের গ্লাস শিল্পে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছেন এবং বহু তরুণ উদ্যোক্তাকে অনুপ্রাণিত করেছেন। তার কোম্পানি এখন গ্লাস উৎপাদনে স্বয়ংক্রিয় রোবোটিক সিস্টেম, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন পদ্ধতি এবং উচ্চমানের পণ্য গুণগত মানের জন্য পরিচিত।

ঝোউয়ের গল্পটি সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতির একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তিনি প্রমাণ করেছেন যে কঠোর পরিশ্রম, দৃঢ় সংকল্প এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে, কোনো সামাজিক পটভূমি থেকে উঠে গ্লোবাল বিজনেসের শীর্ষে পৌঁছানো সম্ভব। তার সাফল্য নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেখায় যে লিঙ্গভিত্তিক বাধা সত্ত্বেও নারী ব্যবসায়িক জগতে সমানভাবে সফল হতে পারে।

আজ ঝোউ চুনফেই লেন্স টেকনোলজির সিইও হিসেবে সক্রিয়ভাবে কোম্পানির কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করেন এবং নতুন প্রযুক্তি গবেষণায় বিনিয়োগ চালিয়ে যান। তিনি সামাজিক দায়িত্বের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন দাতব্য প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেন, বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য।

ঝোউয়ের যাত্রা একটি অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ যে, কঠিন আর্থিক পরিস্থিতি এবং সীমিত শিক্ষার সুযোগের মধ্যেও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি এবং সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে কেউ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি অর্জন করতে পারে। তার সাফল্য চীনের অর্থনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন দৃষ্টিকোণ যোগ করেছে এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি নারীকে উদ্যোক্তা পথে অগ্রসর হতে উৎসাহিত করবে।

সংসদের আসন্ন অধিবেশনেই পাস হবে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ আইন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
সংসদের আসন্ন অধিবেশনেই পাস হবে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ আইন

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চলমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে, যা সংসদের আসন্ন অধিবেশনেই পাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে এবং গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সহজতর করতে এই আইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতের যে বৈশ্বিক সংকট চলছে, তা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদী বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। এর মধ্যেই সৌরবিদ্যুৎ আইনটি অন্যতম একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং সরবরাহের ঘাটতি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হচ্ছে। সরকার চেষ্টা করছে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখার জন্য, তবে রাতারাতি সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে রাখার কাজ চলমান রয়েছে। ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহকরা নিজস্ব ব্যবহারের পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে বাড়তি বিদ্যুৎ প্রদানের সুযোগ পাবেন, যা বিদ্যুৎ খাতের ওপর চাপ অনেকাংশে কমিয়ে আনবে। এই উদ্দেশ্যে একটি সুনির্দিষ্ট আইন কাঠামোর অভাব ছিল, যা নতুন আইন পাসের মধ্য দিয়ে পূরণ করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই আইনটি পাস হলে বাড়ির ছাদে বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনের ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা অনেক কমে আসবে। বিদ্যুৎ গ্রাহকরা উৎসাহিত হবেন এবং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন নতুন বিনিয়োগ তৈরি হবে। সরকারি ও বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগে এই খাতটি এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। সরকার কেবল বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের দিকেই মনোযোগ দিচ্ছে না, বরং ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে ক্ষুদ্র আকারে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সংস্কৃতিকেও উৎসাহিত করছে। এটি একদিকে যেমন পরিবেশবান্ধব, অন্যদিকে সাশ্রয়ী।

আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতের সংস্কারের যে প্রক্রিয়া চলমান, সেটির অংশ হিসেবেই এই সৌরবিদ্যুৎ আইনকে দেখা হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, খসড়া আইনে সৌরবিদ্যুতের নেট মিটারিং পদ্ধতিসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সহজ করা হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকরা সহজেই উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে পারবেন। সরকারের লক্ষ্য হলো আগামী কয়েক বছরের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা। মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও উল্লেখ করেন যে, সরকারি পর্যায়ে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য নিরলসভাবে কাজ চলছে এবং নতুন আইনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হবে। সংসদের আসন্ন অধিবেশন শুরুর আগে আইনের চূড়ান্ত খসড়া নিয়ে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশে একটি সবুজ ও টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পথে সরকার আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে মনে করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

নিখোঁজ হওয়ার আগে তাহসিফ ও দীপের শেষ সাত ঘণ্টার রহস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
নিখোঁজ হওয়ার আগে তাহসিফ ও দীপের শেষ সাত ঘণ্টার রহস্য

রাজধানীর উত্তরা থেকে নিখোঁজ হওয়া বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরি এবং তার বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের শেষ মুহূর্তের কর্মকাণ্ড নিয়ে রহস্য দানা বাঁধছে। গত ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টা ৩১ মিনিটে তারা দুজন আলাদা মোটরসাইকেলে চড়ে উত্তরার বাসা থেকে বেরিয়ে আসেন। এরপর থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘ সাত ঘণ্টার এই সময়ের মধ্যে তারা কোথায় কোথায় গিয়েছেন এবং কাদের সাথে দেখা করেছেন, তা নিয়ে এখন বিশদ অনুসন্ধান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। প্রাপ্ত সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় তাদের চলাচলের একটি আংশিক চিত্র পাওয়া গেলেও, বড় একটি সময় তারা সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারির বাইরে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তদন্তকারী সূত্র ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাসা থেকে বের হওয়ার পর রাত দশটা ১৭ মিনিটে তারা উত্তরার একটি রেস্টুরেন্ট ও বারে পৌঁছান। সেখানে তারা প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করেন বলে জানা গেছে। বার থেকে রাত ১১টা ৫১ মিনিটে তাদের বেরিয়ে যাওয়ার দৃশ্য সিসিটিভি ফুটেজে রেকর্ড হয়েছে। এর ঠিক পর থেকে শুরু হয় দীর্ঘ সময়ের এক অস্পষ্টতা। রাত একটার পর তাদের চলাচলের আর কোনো স্পষ্ট প্রমাণ বা ফুটেজ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এই দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে তারা কোথায় অবস্থান করছিলেন, তা এখন গোয়েন্দাদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রাথমিক তথ্যমতে, ওই বার থেকে বের হওয়ার পর তারা আর কোনো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত এলাকায় দৃশ্যমান হননি। তাদের মোবাইল ফোনের লোকেশন বা কল রেকর্ড বিশ্লেষণ করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য এখনই প্রকাশ করা হয়নি। তবে তারা মাজার বস্তি এলাকা বা আশপাশের কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে গিয়েছিলেন কি না, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তাদের উদ্ধারে কোনো কুলকিনারা না মেলায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা শুধু সিসিটিভি ফুটেজের ওপর নির্ভর করছেন না। তাদের শেষ সময়ের পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ওই রাতে তাদের যোগাযোগের তালিকা যাচাই করা হচ্ছে। রেস্টুরেন্টে অবস্থানকালীন তারা কারো সঙ্গে দেখা করেছিলেন কি না বা কার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যেহেতু রাত ১১টা ৫১ মিনিটের পর থেকে তাদের আর কোনো ভিডিও ফুটেজ পাওয়া যায়নি, তাই ধরে নেওয়া হচ্ছে যে তারা খুব সম্ভবত অন্য কোনো পথে বা বিকল্প ব্যবস্থায় যাতায়াত করেছিলেন যা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতার বাইরে ছিল।

এদিকে, এই নিখোঁজের ঘটনার সাথে কোনো পূর্ব শত্রুতা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিখোঁজ হওয়া দুই ব্যক্তির সর্বশেষ অবস্থানের সূত্র ধরে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং প্রযুক্তিগত সহায়তায় তাদের শেষ গন্তব্য শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এখন পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব না হলেও, তাদের শেষ সাত ঘণ্টার কর্মকাণ্ডই এই রহস্যময় নিখোঁজের চাবিকাঠি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সর্বশেষ
স্কুল ত্যাগ করে কারখানায় কাজ করা ঝোউ চুনফেই, চীনের শীর্ষ ধনী নারী সংসদের আসন্ন অধিবেশনেই পাস হবে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ আইন নিখোঁজ হওয়ার আগে তাহসিফ ও দীপের শেষ সাত ঘণ্টার রহস্য উচ্চশিক্ষায় ভর্তিতে আসন সংকট হবে না: আশ্বস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী রাজধানীর উত্তরায় তাহসিফ সাউরির নতুন সিসিটিভি ফুটেজ রাজপথে সক্রিয় বিরোধী জোট: বিভাগীয় পর্যায়ে লং মার্চ কর্মসূচিতে উত্তপ্ত রাজনীতি মুমতাহিনা টয়া ও বন্ধুরা লালাখালে আনন্দময় ভ্রমণ, ৮টি ছবি প্রকাশ ইদে দেশে ফেরার স্বপ্ন ভেঙে কফিনবন্দি হয়ে ফিরে এলেন দুই প্রবাসী সিরিয়া মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগদানের সম্ভাবনা বিবেচনা করছে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সাইবার অপরাধের পথ বেছে নিচ্ছে উত্তর কোরিয়া
Advertisement