খুঁজুন
, ,

এইচএসসি পরীক্ষায় বিদেশের কেন্দ্রে নজরকাড়া সাফল্য, পাসের হার নব্বই শতাংশের বেশি

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
এইচএসসি পরীক্ষায় বিদেশের কেন্দ্রে নজরকাড়া সাফল্য, পাসের হার নব্বই শতাংশের বেশি

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। দেশজুড়ে ফলাফলের মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও বিদেশের কেন্দ্রগুলোর ফলাফল বেশ চমকপ্রদ। শনিবার বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। এবার বিদেশের কেন্দ্রগুলোতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৯০ দশমিক ৮৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা বিগত সময়ের তুলনায় বেশ ইতিবাচক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সচিবালয়ে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। এর আগে, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে ফলাফলের বিভিন্ন দিক ও পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি জানান যে, দেশের বাইরের পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে এবার শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি এবং পরীক্ষার ফলাফল বিগত বছরগুলোর তুলনায় বেশ আশাব্যঞ্জক হয়েছে।

বিদেশের কেন্দ্রগুলোতে পাসের এই হার শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম এবং শিক্ষকদের নির্দেশনার প্রতিফলন বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে বিদেশের শিক্ষাকেন্দ্রগুলোর ব্যবস্থাপনা এবং পাঠদান পদ্ধতিতে যে আধুনিকায়ন আনা হয়েছে, তার সুফল এবারের পরীক্ষায় পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে, ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাঠদান এবং নিয়মিত মনিটরিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পারফরম্যান্সে উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষাবোর্ডগুলোর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান যে, বিদেশের কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক কম সুযোগ-সুবিধা পেয়েও যে সাফল্যের হার দেখিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। বিশেষ পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া এবং সময়মতো ফলাফল প্রকাশের বিষয়েও মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন যে, বিশ্বমানের শিক্ষার সাথে তাল মিলিয়ে পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করায় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বাড়ছে এবং এর প্রভাব পড়ছে পরীক্ষার ফলাফলে।

ফলাফল প্রকাশের পর অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে। যদিও দেশের অভ্যন্তরে এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার নিয়ে কিছুটা বিতর্ক রয়েছে, তবে বিদেশের কেন্দ্রগুলোর এই সাফল্য শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির একটি ইতিবাচক সূচক হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের বাইরের শিক্ষা কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থীরা যেভাবে ভালো ফলাফল করছে, তা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করার প্রচেষ্টাকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

সবশেষে শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফলের জন্য শুভকামনা ব্যক্ত করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, পরবর্তী বছরগুলোতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিদেশের কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সামগ্রিক ফলাফলের বিস্তারিত পরিসংখ্যান ও বোর্ডভিত্তিক তথ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং স্ব স্ব শিক্ষাবোর্ডের প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

ভয়ঙ্কর ধাওয়ার মুখে নদীতে ঝাঁপ, নিখোঁজ তরুণের সন্ধানে তল্লাশি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৬ অপরাহ্ণ
   
ভয়ঙ্কর ধাওয়ার মুখে নদীতে ঝাঁপ, নিখোঁজ তরুণের সন্ধানে তল্লাশি

রাজধানীর উপকণ্ঠের এক জনপদ থেকে মর্মান্তিক এক ঘটনার সংবাদ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি কিছু অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির ধাওয়ার মুখে পড়ে তাহসিফ নামের এক তরুণ প্রাণভয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনার পর থেকেই ওই তরুণ নিখোঁজ রয়েছেন। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও তার সঙ্গীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ঘটনার দিন তাহসিফ এবং তার এক বন্ধু কোনো এক কাজে বের হয়েছিলেন। হঠাৎ করেই কিছু লোক তাদের পিছু নেয়। উত্তপ্ত পরিস্থিতির এক পর্যায়ে আতঙ্কে তারা দিকবিদিক ছুটতে থাকেন। বিপদের তীব্রতা বাড়লে এক পর্যায়ে তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেন, আর তার সঙ্গী কৌশলে পালিয়ে নিজের প্রাণ বাঁচান। এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সেই সঙ্গী জানান, ধাওয়াকারীরা কারা ছিল বা কী উদ্দেশ্যে তারা পিছু নিয়েছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তাদের কোনো পূর্বশত্রুতা ছিল কি না, কিংবা কোনো ভুল বোঝাবুঝির কারণে এই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঘটনার আকস্মিকতায় সঙ্গী যুবকটি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই তরুণরা কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার লক্ষণ পাওয়া যায়নি, বরং তারা স্বাভাবিকভাবেই চলাফেরা করছিলেন। হঠাৎ এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে তারা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল নদী এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। তবে স্রোত এবং পানির গভীরতার কারণে নিখোঁজ তরুণকে খুঁজে বের করতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ধাওয়াকারীরা কারা এবং তাদের পরিচয় কী, তা উদঘাটন করা গেলে ঘটনার পেছনের রহস্য উন্মোচিত হবে বলে আশা করছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের সদস্যরা চরম উৎকণ্ঠায় নদীর পাড়ে অপেক্ষা করছেন।

অন্যদিকে, মানুষ কখনো কখনো জীবনের কঠিন বাস্তবতায় নিজেকে হারিয়ে ফেলে। কখনো মনে হয় নিজের ছায়া হয়ে কেউ যেন পেছনে ঘুরছে, আবার কখনো মনে হয় এই আমিই যেন অন্য কোথাও অন্যরূপে বেঁচে আছি। তাহসিফের এই ঘটনাটি কেবল একটি নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ নয়, বরং এটি একটি জীবনের ট্র্যাজেডি। জীবনের কঠিন সময়ে মানুষ যখন নিজেকে অসহায় মনে করে, তখন নিজের অজান্তেই যেন দ্বৈত সত্তার মুখোমুখি হয়। ঠিক যেমন কবিতার ভাষায় বলা হয়, অনেক সময় নিজেরই ছায়া কিংবা প্রতিচ্ছবি যমজ হয়ে পাশে চলে। তাহসিফের ক্ষেত্রে বাস্তবতার এই ধাওয়া তাকে এমন এক জায়গায় নিয়ে গেছে, যেখানে সে হয়তো খুঁজে ফিরছে নিজেকেই। প্রশাসন এই ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে এবং দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুতই নিখোঁজ তরুণের খোঁজ মিলবে এবং রহস্যের জট খুলবে।

শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন: শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর মন্তব্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
   
শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন: শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর মন্তব্য

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ৩১ অক্টোবর রাজধানীর একটি সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কাজ করছে বলে সতর্কবার্তা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে শ্রমিক সংগঠনগুলোকে রাজনৈতিক দলগুলোর হাতিয়ার বানিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার প্রচেষ্টা চলছে।

মন্ত্রীর বক্তব্যের মূল উদাহরণ হিসেবে তিনি মিরপুরে ঘটিত পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের ঘটনাকে তুলে ধরেছেন। গত সপ্তাহে মিরপুরের কিছু গার্মেন্টস ইউনিটের কর্মীরা বেতন, কাজের শর্ত এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত দাবি নিয়ে রাস্তায় বাধা সৃষ্টি করে, যা শহরের ট্রাফিককে ব্যাহত করে এবং স্থানীয় ব্যবসায়িক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলেছে।

চৌধুরী জানান, এই ধরনের প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারী কর্মীদের মধ্যে কে সত্যিকারের শ্রমিক, আর কে রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সহায়তায় কাজ করছে, তা মিডিয়ার কাছে ইতিমধ্যে স্পষ্ট। তিনি সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, এই তথ্যগুলো প্রকাশ করে জনসাধারণকে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করতে।

মন্ত্রীর মতে, শ্রমিক আন্দোলনকে রাজনৈতিক ইন্ধন দিয়ে চালিত করা হলে তা শুধুমাত্র শ্রমিকদের স্বার্থের ক্ষতি নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক পরিবেশকে অস্থির করে তুলতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করবে, তবে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অনুমতি দেবে না।

এই মন্তব্যের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও শ্রমিক সংগঠন থেকে ভিন্নমত প্রকাশ পেয়েছে। কিছু বিশ্লেষক দাবি করেন, শ্রমিকদের বেতন ও কাজের শর্তের উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তাদের প্রতিবাদ স্বাভাবিক এবং বৈধ। অন্যদিকে, কিছু শ্রমিক সংগঠন মন্ত্রীর মন্তব্যকে “অবৈধ দমন” হিসেবে সমালোচনা করেছে।

সরকার ইতিমধ্যে মিরপুরে অবরোধের সময় গৃহীত পদক্ষেপগুলো ব্যাখ্যা করেছে। পুলিশকে অবরোধ ভাঙতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং কিছু কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। তবে মন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, এই পদক্ষেপগুলো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রতিক্রিয়া নয়, বরং শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনের শেষে চৌধুরী উল্লেখ করেন, শ্রমিক আন্দোলনের প্রকৃত উদ্দেশ্য যদি সত্যিই শ্রমিকের অধিকার রক্ষায় হয়, তবে তা রাজনৈতিক মঞ্চে ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি মিডিয়াকে আহ্বান জানান, শ্রমিক ও রাজনৈতিক বিষয়ের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করে জনমতকে বিভ্রান্ত করা থেকে বিরত থাকতে।

এই ঘটনায় দেশের বিভিন্ন অংশে শ্রমিকদের অধিকার ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা তীব্রতর হয়েছে। বিশেষ করে গার্মেন্টস শিল্পের কর্মীরা দীর্ঘ সময়ের জন্য ন্যূনতম মজুরি, নিরাপত্তা মান এবং সামাজিক সুরক্ষার দাবি তুলে ধরছে, যা সরকারকে নীতি নির্ধারণে নতুন দৃষ্টিকোণ প্রদান করতে পারে।

শেষ পর্যন্ত, শ্রমিক আন্দোলন ও রাজনৈতিক ইন্ধনের মধ্যে সীমানা নির্ধারণের জন্য সরকার, শ্রমিক সংগঠন এবং মিডিয়ার সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। মন্ত্রীর মন্তব্য এই আলোচনার সূচনা মাত্র, এবং ভবিষ্যতে কী ধরনের নীতি ও পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা সময়ই বলে দেবে।

তাহসিফের মৃত্যুর মামলায় নৌ‑পুলিশের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
   
তাহসিফের মৃত্যুর মামলায় নৌ‑পুলিশের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন

ঢাকা শহরে সাম্প্রতিক সময়ে এক শকিং অপরাধের খবর ছড়িয়ে পড়েছে। বিমান বাহিনীর প্রাক্তন কর্মকর্তা তাহসিফ সৌরির লাশ উদ্ধার হওয়ার পর, তার হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। তদন্তকারী নৌ‑পুলিশের ফাঁড়ি ইন্সপেক্টর ফিরোজ উদ্দিনের নেতৃত্বে গৃহীত পদক্ষেপের মধ্যে অন্যতম হলেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের ওপর রিমান্ডের আবেদন।

তাহসিফের লাশের উদ্ধার ঘটেছিল যখন স্থানীয় পুলিশ ও সামরিক কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে একটি অনুসন্ধান অভিযান চালানো হয়। লাশের অবস্থান ও মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের পর, তদন্তকারী দল দ্রুত সন্দেহভাজনদের তালিকায় দীপকে অন্তর্ভুক্ত করে। দীপকে মামলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে কারণ তিনি তাহসিফের ‘বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং ঘটনাস্থলে তার উপস্থিতি সন্দেহজনক বলে চিহ্নিত হয়েছে।

নৌ‑পুলিশের ফাঁড়ি ইন্সপেক্টর ফিরোজ উদ্দিন রিমান্ডের আবেদনটি নিশ্চিত করে জানান যে, দীপের জিজ্ঞাসাবাদে অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমান রিমান্ডের সময়সীমা অপর্যাপ্ত এবং তদন্তের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ৭ দিনের অতিরিক্ত রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। এই আবেদনটি সংশ্লিষ্ট প্রসিকিউশন অফিসার সি.আই. সাইফুল ইসলামের সমর্থন পেয়েছে, যিনি জানান যে, মামলাটি ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবের অধীনে চলমান।

প্রসিকিউশন বিভাগের সি.আই. সাইফুল ইসলাম মামলার জটিলতা ও প্রমাণ সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে রিমান্ডের অনুমোদনের পক্ষে মত প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, তদন্তে নতুন সূত্র ও সাক্ষীর সাক্ষাৎকার নেওয়া দরকার, যা বর্তমান রিমান্ডের সময়সীমার মধ্যে সম্ভব নয়। তাই, রিমান্ডের সময় বাড়িয়ে তদন্তকে সুষ্ঠু ও সম্পূর্ণ করা হবে, তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

দীপের আইনজীবী পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে সূত্র অনুযায়ী তিনি রিমান্ডের আবেদনকে স্বীকার করে আদালতে উপস্থিত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলাটির পরবর্তী শুনানির তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি, তবে আদালত দ্রুতই রিমান্ডের অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত নেবে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি একত্রে কাজ করে অপরাধের মূল কারণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সনাক্ত করার চেষ্টা করছে। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, এমন ধরনের উচ্চপ্রোফাইল মামলায় দ্রুত ও সঠিক তদন্তের গুরুত্ব অপরিসীম, যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায় এবং সমাজে অপরাধের প্রতি শূন্য সহনশীলতা বজায় থাকে।

মামলাটি এখনও চলমান এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের কাছ থেকে আরও তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন রয়েছে। নৌ‑পুলিশের রিমান্ডের আবেদন এবং আদালতের অনুমোদন মামলার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ
ভয়ঙ্কর ধাওয়ার মুখে নদীতে ঝাঁপ, নিখোঁজ তরুণের সন্ধানে তল্লাশি শ্রমিক আন্দোলনের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন: শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর মন্তব্য তাহসিফের মৃত্যুর মামলায় নৌ‑পুলিশের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে দীর্ঘদিনের অসুস্থতায় অতিষ্ঠ হয়ে গলায় ফাঁস দিলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তি ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ, মাজারের খুঁটি ভাঙচুর এইচএসসি পরীক্ষায় বিদেশের কেন্দ্রে নজরকাড়া সাফল্য, পাসের হার নব্বই শতাংশের বেশি মিরপুরে ধুঁকছে বাংলাদেশ, জয়ের পথে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাপানে নিজের হাতে ট্রেন চালানোর রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ, ২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস ফ্লোরিডায় নির্বাচনী প্রচারণায় বিক্ষোভের মুখে ট্রাম্প, মেজাজ হারিয়ে গালি দিলেন প্রতিবাদীকে
Advertisement