খুঁজুন
, ,

পর্যটন খাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ফিলিপাইন

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
পর্যটন খাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ফিলিপাইন

বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার ক্ষেত্রগুলো আরও বিস্তৃত করার জন্য পর্যটন শিল্পকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছে ফিলিপাইন। দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পর্যটনের মাধ্যমে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন কূটনীতিকরা।

বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ক্ষেত্রগুলো আরও জোরালো করার জন্য পর্যটন শিল্পকে এক অনন্য মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সম্প্রতি দুই দেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক আলোচনায় পর্যটন খাতের উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ফিলিপাইন সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন বিষয়ক সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপারে ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যা আগামী দিনে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির নতুন পথ উন্মোচন করতে পারে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভৌগোলিক অবস্থান এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের দিক থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দুই রাষ্ট্র একে অপরের পরিপূরক হতে পারে। ফিলিপাইন তাদের পর্যটন শিল্পের প্রসারে বেশ অভিজ্ঞ এবং তারা বিশ্ববাজারে নিজেদের একটি শক্তিশালী গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশও তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফিলিপাইনের এই আগ্রহ বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এর মাধ্যমে দুই দেশের পর্যটন সংশ্লিষ্ট খাতের অভিজ্ঞতা বিনিময়, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত হবে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, শুধুমাত্র দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ নয়, বরং পর্যটনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ও বাড়বে। ফিলিপাইন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন খাতে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে তা উভয় দেশের পর্যটন অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে বিমান যোগাযোগ সহজতর করা, ভিসা প্রক্রিয়ায় নমনীয়তা আনা এবং পর্যটকদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা তৈরির বিষয়ে দুই দেশ যৌথভাবে কাজ করতে পারে।

দুই দেশের পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এই সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে পর্যটন খাতের অবদান অনস্বীকার্য। ফিলিপাইন মনে করে, পর্যটকদের আদান-প্রদানের মাধ্যমে দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে এবং ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পর্যটন খাত একটি বড় অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, আর সেই ধারায় নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে ফিলিপাইন বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার এই উদ্যোগকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে।

পরিশেষে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে তা শুধুমাত্র অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিই বয়ে আনবে না, বরং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক পর্যটন সার্কিট তৈরিতেও ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ ও ফিলিপাইন সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো এখন এই সহযোগিতার রূপরেখা তৈরির কাজ এগিয়ে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। পর্যটন খাতকে কেন্দ্র করে দুই দেশের এই নতুন প্রয়াস নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুরের বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে নতুন আলোচনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুরের বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে নতুন আলোচনা

বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুরের ব্যক্তিগত জীবন ও বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে চলছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা। দীর্ঘ ক্যারিয়ার ও বর্তমান ব্যস্ততার মাঝেও তার বিয়ের খবরের সত্যতা নিয়ে সরব হয়েছে নেটদুনিয়া।

বলিউড ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম জনপ্রিয় এবং উদীয়মান তারকা জাহ্নবী কাপুর। রূপালি পর্দায় তার পদচারণা যেমন নজর কাড়ছে, তেমনি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কৌতূহলের শেষ নেই ভক্তদের। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন বিনোদন পোর্টালে এই অভিনেত্রীর বিয়ের খবর নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, ঠিক কবে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন শ্রীদেবী কন্যা। এই খবরটি কেন্দ্র করে বলিউডের অন্দরমহলে নানা গুঞ্জন ডালপালা মেলছে, যা প্রতিনিয়ত আলোচনার খোরাক জোগাচ্ছে অনুরাগীদের কাছে।

জাহ্নবী কাপুর নিজের ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই অভিনয়ের দক্ষতা প্রমাণ করে আসছেন। একের পর এক চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছেন। সিনেমার শুটিং, প্রচারণামূলক অনুষ্ঠান এবং ফটোশুট নিয়ে সারাবছরই তিনি ভীষণ ব্যস্ত থাকেন। এমন কর্মচঞ্চল জীবনের মাঝে বিয়ের খবরটি নতুন করে সামনে আসায় ভক্তরা বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। তবে এখন পর্যন্ত জাহ্নবী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের দিনক্ষণ বা কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। বলিউড তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সাধারণত যে ধরনের গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়, এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিনোদন বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জাহ্নবী কাপুর এখন তার ক্যারিয়ারের এমন এক পর্যায়ে রয়েছেন যেখানে তিনি অভিনয়ে পূর্ণ মনোনিবেশ করতে চাইছেন। গত কয়েক বছরে একাধিক বড় প্রজেক্টে তাকে দেখা গেছে এবং সামনেও বেশ কয়েকটি সিনেমার কাজ তার হাতে রয়েছে। বিয়ের মতো একটি বড় সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তিনি স্বাভাবিকভাবেই সময় নিতে চাইবেন। অন্যদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন পোস্টে বিয়ের ইঙ্গিত দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও, সেসবের কোনো নির্ভরযোগ্য ভিত্তি নেই। বেশিরভাগ তথ্যই মূলত ভিত্তিহীন গুজব বা ভক্তদের তৈরি করা জল্পনা।

বলিউডে বিয়ের মৌসুম সবসময়ই একটি আলোচিত বিষয়। তারকাদের জীবনযাত্রার বড় একটি অংশ জুড়ে থাকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের রসায়ন। জাহ্নবী কাপুর যেহেতু মিডিয়ার নিয়মিত নজরদারিতে থাকেন, তাই তার জীবনের প্রতিটি ছোটখাটো বিষয় নিয়ে সংবাদ তৈরি হওয়াটা নতুন কিছু নয়। তবে বিয়ের মতো সংবেদনশীল বিষয়ের ক্ষেত্রে তারকা নিজেই যখন কোনো মন্তব্য করেন না, তখন নিশ্চিত করে কিছু বলা কঠিন। বর্তমান সময়ে অনেক তারকাই তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ককে একান্তই নিজস্ব রাখতে পছন্দ করেন এবং উপযুক্ত সময়ে নিজেই তা প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন।

পরিশেষে, জাহ্নবী কাপুরের বিয়ের বিষয়টি নিয়ে আপাতত গুঞ্জন বা আলোচনার পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকা ভালো। তার ক্যারিয়ারের বর্তমান গতিপথ এবং ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ভক্তদের অপেক্ষা করাই শ্রেয়। যখনই কোনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের খবর আসবে, তা নিশ্চিতভাবেই তার তরফ থেকেই জানানো হবে। আপাতত তিনি তার আগামী কাজগুলো নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন এবং সেই ব্যস্ততাই এখন তার ক্যারিয়ারের মূল মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু। ভবিষ্যতে যদি বিশেষ কোনো ঘোষণা আসে, তবে তা সব মহলেই আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যাবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমোদন

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। দেশের প্রথম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রাথমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বা বায়েরা। এই অনুমোদনের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটির বাণিজ্যিক উৎপাদনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াটি আরও এক ধাপ গতি পেল। দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে শিগগিরই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রাথমিক ধাপ শুরু করার জন্য যে ধরনের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার মানদণ্ড পূরণ করা প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করার পরই নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে এই সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো সংবেদনশীল প্রকল্পের ক্ষেত্রে প্রতিটি ধাপের জন্য কঠোরভাবে নিরাপত্তার নিয়ম মেনে চলতে হয়। বায়েরা এই প্রকল্পের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত দিক, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পরিচালনার সক্ষমতা যাচাই-বাছাই করার পর বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমতি প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি প্রকল্পটির দীর্ঘমেয়াদী সফলতার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

কর্মকর্তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মাসের যেকোনো সময়ে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে। এটি কেবল একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র চালু হওয়া নয়, বরং বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে একটি বিশাল অর্জন। পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে গ্রিডের সঙ্গে সংযোগ ও অন্যান্য কারিগরি দিকগুলো নিয়মিতভাবে মনিটরিং করা হবে। এই পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পরেই বাণিজ্যিক উৎপাদনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের এই ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়া মানে দেশের জ্বালানি মিশ্রণে এক নতুন শক্তির উৎস যুক্ত হওয়া। প্রাকৃতিক গ্যাস বা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের তুলনায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশবান্ধব এবং সাশ্রয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি অনেকাংশে কমে আসবে এবং শিল্পায়নসহ সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি সঞ্চারিত হবে। প্রকল্পটি বাংলাদেশের সক্ষমতার এক অনন্য প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বর্তমানে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এবং কর্মীরা চূড়ান্ত প্রস্তুতির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো ধরনের আপস না করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সব ধরনের প্রটোকল পালন করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। আগামী দিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরীক্ষামূলক সরবরাহ চলাকালে সিস্টেমের কার্যকারিতা ও স্থিতিশীলতা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। বায়েরার দেওয়া এই অনুমোদন প্রকল্পটির চূড়ান্ত সফলতার পথে এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। দেশের মানুষ এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে সেই মুহূর্তের জন্য, যখন রূপপুর থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সারাদেশের ঘরে ঘরে পৌঁছাবে এবং জাতীয় গ্রিডের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে। আগামী মাসগুলো এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের সফল কার্যক্রমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দেশের ছয় বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দেশের ছয় বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা

সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার দেশের আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। আবহাওয়া অফিসের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, দিনের শুরু থেকেই দেশের ছয়টি বিভাগে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আকাশ মেঘলা থাকার পাশাপাশি তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনাও রয়েছে, যা জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যমতে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সপ্তাহান্তে বৃষ্টির এই পূর্বাভাসে স্বাভাবিকভাবেই তাপমাত্রার পারদ কিছুটা নিম্নমুখী হতে পারে। যেসব এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে।

দেশের অন্যান্য অঞ্চলের আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের পক্ষ থেকে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার জন্য যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, সেখানে এই বৃষ্টির পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়। এই সময়ে আকাশ মেঘলা থাকলেও সারা দেশের কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

প্রকৃতির এমন পরিবর্তনের ফলে তাপমাত্রার স্বাভাবিক যে ভারসাম্য তা কিছুটা হলেও ব্যাহত হতে পারে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যেহেতু এটি সাপ্তাহিক ছুটির দিন, তাই যাদের বাইরে বের হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, তারা যেন আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। বিশেষ করে আকাশ মেঘলা থাকা এবং দমকা হাওয়ার মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

সামগ্রিকভাবে, মৌসুমের এই পর্যায়ে এমন বৃষ্টিপাত খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দিনগুলোতে আকাশ মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার প্রবাহ থাকতে পারে। তবে বৃষ্টির তীব্রতা বা স্থায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সময় গড়ানোর সাথে সাথে আরও পরিষ্কার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন এবং কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন হলে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানানো হবে।

জনসাধারণকে বলা হয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস থাকলে বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গায় অবস্থান না করতে এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। বৃষ্টির ফলে তাপমাত্রার যে পরিবর্তন হতে পারে, তাতে শীতের আগমনী বার্তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। সপ্তাহান্তে এই আবহাওয়া পরিস্থিতি মানুষের ভ্রমণ ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে কোনো প্রভাব ফেলে কি না, তা দেখার বিষয়। তবে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও তা খুব বড় ধরনের কোনো দুর্যোগ বয়ে আনবে না বলেই আশা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ
বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুরের বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে নতুন আলোচনা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমোদন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দেশের ছয় বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করলেন মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী পর্যটন খাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ফিলিপাইন টিভির পর্দায় আজকের খেলার সূচি: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ রাস্তা দখলমুক্ত রাখতে কঠোর ডিএসসিসি প্রশাসক: মালামাল জব্দসহ আইনি ব্যবস্থা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন তথ্যকাঠামো ব্যাংকিং খাতে প্রথম ওয়েবভিত্তিক ইন্টারেক্টিভ সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ করল ইউসিবি মৌলভীবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গৃহবধূ হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড
Advertisement