খুঁজুন
, ,

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন তথ্যকাঠামো

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন তথ্যকাঠামো

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলা এবং দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষার অধিকার সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে একটি সমন্বিত তথ্যব্যবস্থা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা খাতকে জলবায়ু সহনশীল করার উদ্দেশ্যে এই নতুন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। মূলত জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে কীভাবে শিক্ষার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলো নিয়মিতই বন্যা, ঘূর্ণিঝড় কিংবা তীব্র দাবদাহের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়। অনেক ক্ষেত্রেই দুর্যোগের পর শিক্ষা কার্যক্রম দীর্ঘমেয়াদে ব্যাহত হয়। এই সমস্যা সমাধানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। নতুন এই পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য হলো দেশের প্রতিটি বিদ্যালয়ের ভৌগোলিক অবস্থান এবং জলবায়ুগত সংবেদনশীলতা যাচাই করা। এর মাধ্যমে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি নিরূপণ করে দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের মতে, শিক্ষার মানোন্নয়নে তথ্যের সঠিক ব্যবহার অপরিহার্য। তাই শিক্ষা খাতের তথ্যের সাথে জলবায়ু ও দুর্যোগবিষয়ক তথ্যের সমন্বয় ঘটানো হচ্ছে। এতে করে কোনো একটি অঞ্চলে দুর্যোগের পূর্বাভাস পাওয়ার সাথে সাথেই ওই এলাকার বিদ্যালয়গুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পাঠদানের বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা সহজ হবে। বিশেষ করে চরাঞ্চল, উপকূলীয় এলাকা এবং হাওর অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিশেষ নজরদারিতে আসবে।

এই তথ্যব্যবস্থা কেবল ঝুঁকি চিহ্নিতকরণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষা খাতে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ কোন কোন ক্ষেত্রে বেশি প্রয়োজন, তার অগ্রাধিকার নির্ধারণেও এই তথ্য ব্যবহৃত হবে। যেসব বিদ্যালয়ের অবকাঠামো নাজুক বা যা নিয়মিত দুর্যোগের কবলে পড়ে, সেগুলোকে সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের ক্ষেত্রে এই তথ্যের ভিত্তিতেই বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হবে। এটি শিক্ষার সামগ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নেও বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শিক্ষাবিদদের মতে, একটি তথ্যভাণ্ডার থাকলে দুর্যোগকালে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সরকারের জন্য সহজ হবে। বর্তমানে অনেক সময় দুর্যোগের কারণে বছরের বিভিন্ন সময়ে স্কুল বন্ধ রাখতে হয়, যার ফলে শিখনফল অর্জনে ঘাটতি তৈরি হয়। নতুন এই সমন্বিত ব্যবস্থার ফলে দুর্যোগকালীন বিকল্প পাঠদান পদ্ধতি বা দূরশিক্ষণ কার্যক্রম সচল রাখা সহজতর হবে। এই উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে দুর্যোগপ্রবণ এলাকার শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে এবং তারা শিক্ষার মূলধারা থেকে ছিটকে পড়বে না।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া শুরু করবে। জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রতিটি স্কুলের হালনাগাদ তথ্য কেন্দ্রীয় সার্ভারে যুক্ত করা হবে। এই ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তা জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতির সাথেও একীভূত করা হবে। মূলত একটি জলবায়ু-সহনশীল শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের এই কৌশলের মূল লক্ষ্য। সব মিলিয়ে এই উদ্যোগটি দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে জলবায়ু অভিযোজনের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করলেন মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করলেন মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ফিরে পেয়েছেন নির্মাতা ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী। অ্যাকাউন্ট ফিরে পেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কয়েকদিন পর আবারও সেই প্ল্যাটফর্মে সরব হয়েছেন জনপ্রিয় নির্মাতা ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী। দীর্ঘ কয়েকদিনের জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে তিনি নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি তিনি নিজেই তার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে নিশ্চিত করেছেন।

অ্যাকাউন্ট ফিরে পাওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ফারুকী এক সংক্ষিপ্ত পোস্টে লিখেছেন, সিনিয়র ফেসবুকার ইজ ব্যাক। মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ফিরে আসার ঘোষণাটি তিনি বেশ রসাত্মকভাবেই দিয়েছেন। একই পোস্টে তিনি তার অ্যাকাউন্টটি হ্যাক বা নিষ্ক্রিয় হওয়ার ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে লেখেন, যারা আমার অ্যাকাউন্ট খাওয়ার কাজটা করেছেন তাদের ধন্যবাদ। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি কিছুটা শ্লেষও প্রকাশ করেছেন বলে মনে করছেন নেটিজেনরা।

এর আগে গত ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যা নাগাদ হঠাৎ করেই মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। ওই সময় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তার অনুপস্থিতি নিয়ে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে বেশ কৌতূহল ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ কয়েকদিন ধরে তিনি ফেসবুকের মূলধারার যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। যদিও সেই সময়ে বিষয়টি নিয়ে তিনি সরাসরি কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি, তবে অ্যাকাউন্ট ফিরে পাওয়ার পর তার এই পোস্টটি দ্রুতই সাধারণ ব্যবহারকারীদের নজরে আসে।

উল্লেখ্য যে, বর্তমান সময়ে পরিচিত ব্যক্তিদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া বা প্রযুক্তিগত জটিলতায় অ্যাকাউন্ট হারিয়ে ফেলা নতুন কিছু নয়। তবে সরকারি দায়িত্ব পালন করা কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে এমন ঘটনা নিরাপত্তার খাতিরেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফারুকীর ক্ষেত্রে ঠিক কী ধরনের প্রযুক্তিগত জটিলতা বা প্রতিবন্ধকতা ছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তিনি যে স্বাভাবিকভাবেই নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফিরতে পেরেছেন, তা তার সাম্প্রতিক পোস্ট থেকেই নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ফারুকীর এই পোস্ট দেওয়ার পরপরই তার অনুসারীরা ইতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সরব উপস্থিতি ফেরায় অনেকে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। নির্মাতা হিসেবে তার নিয়মিত ফেসবুক কার্যক্রম এবং সমসাময়িক বিষয়ে তার মতামতের জন্য অনেকেই তার প্রোফাইলের ওপর নির্ভর করেন। অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে তিনি আবারও সেই যোগাযোগগুলো চালু করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী বাংলা চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণের জগতে এক উজ্জ্বল নাম। কেবল সৃজনশীল কাজের মাধ্যমেই নয়, বরং সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ে নিজের বলিষ্ঠ মতামতের কারণেও তিনি ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে বেশ সরব থাকেন। তার অ্যাকাউন্টটি সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়ায় তিনি ডিজিটাল যোগাযোগের ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন। তবে এখন পুনরায় অ্যাকাউন্ট ফিরে পাওয়ায় এবং নিজের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে পোস্ট দেওয়ায় এটি নিশ্চিত যে, তিনি আবারও আগের মতোই নিয়মিত সক্রিয় থাকবেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা বজায় রেখে আগামী দিনগুলোতে তিনি তার কাজ ও চিন্তাগুলো দর্শকদের সাথে ভাগ করে নেবেন, এমনটাই প্রত্যাশা তার ভক্তদের।

পর্যটন খাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ফিলিপাইন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
পর্যটন খাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ফিলিপাইন

বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার ক্ষেত্রগুলো আরও বিস্তৃত করার জন্য পর্যটন শিল্পকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছে ফিলিপাইন। দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পর্যটনের মাধ্যমে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন কূটনীতিকরা।

বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ক্ষেত্রগুলো আরও জোরালো করার জন্য পর্যটন শিল্পকে এক অনন্য মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সম্প্রতি দুই দেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক আলোচনায় পর্যটন খাতের উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ফিলিপাইন সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন বিষয়ক সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপারে ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যা আগামী দিনে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির নতুন পথ উন্মোচন করতে পারে।

কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভৌগোলিক অবস্থান এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের দিক থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দুই রাষ্ট্র একে অপরের পরিপূরক হতে পারে। ফিলিপাইন তাদের পর্যটন শিল্পের প্রসারে বেশ অভিজ্ঞ এবং তারা বিশ্ববাজারে নিজেদের একটি শক্তিশালী গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশও তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফিলিপাইনের এই আগ্রহ বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এর মাধ্যমে দুই দেশের পর্যটন সংশ্লিষ্ট খাতের অভিজ্ঞতা বিনিময়, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত হবে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, শুধুমাত্র দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ নয়, বরং পর্যটনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ও বাড়বে। ফিলিপাইন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন খাতে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে তা উভয় দেশের পর্যটন অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে বিমান যোগাযোগ সহজতর করা, ভিসা প্রক্রিয়ায় নমনীয়তা আনা এবং পর্যটকদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা তৈরির বিষয়ে দুই দেশ যৌথভাবে কাজ করতে পারে।

দুই দেশের পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এই সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে পর্যটন খাতের অবদান অনস্বীকার্য। ফিলিপাইন মনে করে, পর্যটকদের আদান-প্রদানের মাধ্যমে দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে এবং ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পর্যটন খাত একটি বড় অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, আর সেই ধারায় নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে ফিলিপাইন বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার এই উদ্যোগকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে।

পরিশেষে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে তা শুধুমাত্র অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিই বয়ে আনবে না, বরং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক পর্যটন সার্কিট তৈরিতেও ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ ও ফিলিপাইন সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো এখন এই সহযোগিতার রূপরেখা তৈরির কাজ এগিয়ে নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। পর্যটন খাতকে কেন্দ্র করে দুই দেশের এই নতুন প্রয়াস নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

টিভির পর্দায় আজকের খেলার সূচি: ৩০ অক্টোবর ২০২৬

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
টিভির পর্দায় আজকের খেলার সূচি: ৩০ অক্টোবর ২০২৬

ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের জন্য নতুন দিনের নতুন উত্তেজনার নাম হলো টেলিভিশনের খেলার সূচি। বছরের বিভিন্ন সময়ে মাঠের লড়াই যখন জমে ওঠে, তখন টিভি স্ক্রিনই হয়ে ওঠে কোটি মানুষের প্রধান বিনোদনের উৎস। আজ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, বুধবার ক্রিকেট বিশ্বের ব্যস্ততার দিনে দর্শকদের জন্য থাকছে বেশ কিছু আকর্ষণীয় ম্যাচ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের এই ব্যস্ত সূচির খোঁজখবর রাখা ক্রীড়ামোদীদের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

আজকের দিনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার প্রথম টেস্ট ম্যাচ। এই টেস্ট সিরিজের তৃতীয় দিনে মাঠে নামছে দুই দল। ক্রিকেটের দীর্ঘ সংস্করণের লড়াইয়ের উত্তাপ ছড়াতে এই ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। টি স্পোর্টস চ্যানেলটি এই খেলা সরাসরি সম্প্রচার করবে বলে জানানো হয়েছে। টেস্ট ক্রিকেটের এই রোমাঞ্চকর মুহূর্ত উপভোগ করার জন্য ভক্তদের চোখ থাকবে টিভি স্ক্রিনের দিকে।

টেস্ট ক্রিকেটের পাশাপাশি আজ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের উত্তেজনাও উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা। গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ব্র্যাম্পটন ও ভ্যাঙ্কুভার। এই ম্যাচটি রাত ৮টায় মাঠে গড়াবে। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের এই লড়াইটিও টি স্পোর্টস চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। বিনোদনপ্রেমীদের জন্য গ্লোবাল টি-টোয়েন্টির এই ম্যাচটি বেশ আগ্রহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাধারণত খেলাধুলা বিষয়ক বিভিন্ন চ্যানেল তাদের সূচি প্রতিনিয়ত আপডেট করে থাকে, তবে আজকের উল্লিখিত ম্যাচগুলো খেলাপ্রেমীদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। মাঠের উত্তেজনার সঙ্গে তাল মিলিয়ে টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখা এখন অনেক দর্শকেরই নিত্যদিনের রুটিন। যারা মাঠে গিয়ে খেলা দেখার সুযোগ পান না, তাদের জন্য সরাসরি সম্প্রচারই একমাত্র ভরসা। তাই সময়মতো টিভি চ্যানেলগুলোয় চোখ রাখলে দিনভর ক্রিকেটের আমেজে ডুবে থাকা সম্ভব হবে।

আজকের খেলার এই আয়োজনগুলো মূলত ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্যই সাজানো হয়েছে। টেস্টের ধৈর্য ও টি-টোয়েন্টির গতি—দুই ভিন্ন ধারার ক্রিকেট আজ দর্শকদের মনে এক নতুন অনুভূতির সঞ্চার করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ক্রীড়াসূচি ও সম্প্রচারের সময় পরিবর্তনশীল হতে পারে, তাই দর্শকদের টি স্পোর্টসসহ সংশ্লিষ্ট চ্যানেলগুলোর পরবর্তী আপডেট অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। দিনটি সব মিলিয়ে ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বেশ ব্যস্ত ও উপভোগ্য হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করলেন মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী পর্যটন খাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ফিলিপাইন টিভির পর্দায় আজকের খেলার সূচি: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ রাস্তা দখলমুক্ত রাখতে কঠোর ডিএসসিসি প্রশাসক: মালামাল জব্দসহ আইনি ব্যবস্থা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন তথ্যকাঠামো ব্যাংকিং খাতে প্রথম ওয়েবভিত্তিক ইন্টারেক্টিভ সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ করল ইউসিবি মৌলভীবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গৃহবধূ হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: চুয়াডাঙ্গায় স্কুল অফিস সহায়ক কারাগারে জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী যাত্রাবাড়ীতে এসআরবির অভিযানকালে তরুণের মৃত্যু, বাড়ছে উত্তজনা
Advertisement