খুঁজুন
, ,

শারদীয় দুর্গোৎসবের টানা ছুটি শেষে কর্মচঞ্চল ব্যাংক ও পুঁজিবাজার

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
শারদীয় দুর্গোৎসবের টানা ছুটি শেষে কর্মচঞ্চল ব্যাংক ও পুঁজিবাজার

শারদীয় দুর্গাপূজার টানা পাঁচ দিনের সরকারি ও ব্যাংক ছুটির সমাপ্তি ঘটেছে। রবিবার থেকে দেশের ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও পুঁজিবাজারের লেনদেন স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী শুরু হয়েছে। দীর্ঘ বিরতির পর কর্মব্যস্ততায় ফিরেছেন পেশাজীবীরা।

শারদীয় দুর্গাপূজার আমেজ কাটিয়ে আজ রবিবার থেকে আবার কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে দেশের ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং পুঁজিবাজার। টানা পাঁচ দিনের ছুটি শেষে দাপ্তরিক কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে শুরু হয়েছে। উৎসবের এই দীর্ঘ বিরতির পর আজ প্রথম কর্মদিবসে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে লেনদেনের জন্য গ্রাহকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারেও লেনদেনের স্বাভাবিক গতি ফিরে এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

উৎসবের ছুটি শেষে রাজধানীতে জনজীবন ও কর্মক্ষেত্রে নতুন করে ব্যস্ততা শুরু হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলো খোলার প্রথম দিনেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতির হার ছিল চোখে পড়ার মতো। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল, তা শেষ হওয়ায় পেশাজীবীরা আবার তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে এসেছেন। ব্যাংকিং খাতের লেনদেন সকাল থেকে শুরু হলেও গ্রাহকদের চাপ ছিল অন্যান্য সাধারণ কর্মদিবসের মতোই। জরুরি আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে এবং জমে থাকা কাজগুলো সম্পন্ন করতে আজ গ্রাহকদের ব্যাংকগুলোতে উপস্থিত হতে দেখা গেছে।

দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতের পাশাপাশি পুঁজিবাজারের লেনদেনও আজ থেকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে। দীর্ঘ ছুটির পর পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আগ্রহ ও কৌতূহল দেখা গেছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ছুটির কারণে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে যে স্থবিরতা ছিল, তা কাটিয়ে উঠতে আজ থেকেই লেনদেনের গতি বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের সার্বিক অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ব্যাংকিং ও পুঁজিবাজারের এই স্বাভাবিক কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে, শুধু ব্যাংক বা পুঁজিবাজার নয়, সরকারি ও বেসরকারি সব ধরনের অফিস-আদালতও আজ যথারীতি খুলেছে। টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর সব দপ্তর খুলায় কর্মক্ষেত্রে পুনরায় স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। রাজধানীতে গণপরিবহন ও মানুষের উপস্থিতিও আজ বেশ লক্ষনীয়। দীর্ঘ বিরতির পর কাজে ফেরা নিয়ে সাধারণ কর্মজীবীদের মধ্যেও এক ধরনের প্রস্তুতি ছিল, যা আজকের কর্মদিবসের সূচনালগ্ন থেকেই ফুটে উঠেছে।

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ছুটির সময় অনলাইনে বা ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা চালু থাকলেও সশরীরে উপস্থিত হয়ে যেসব কাজ করার প্রয়োজন ছিল, তা আজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে ব্যাংকগুলো তাদের সব শাখা ও উপশাখায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সবকিছু মিলিয়ে উৎসবের আনন্দ শেষে নতুন করে কাজের ছন্দে ফিরছে গোটা দেশ। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে লেনদেনের যে স্বাভাবিক সময়সূচি, তা আজ থেকে যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।

৯৯৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করলেন অভিনেতা সুজাত শিমুল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
   
৯৯৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করলেন অভিনেতা সুজাত শিমুল

অভিনেতা সুজাত শিমুল বিয়ে করেছেন। বিয়েতে দেনমোহরের অঙ্ক নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৯৯ টাকা। এই অঙ্ক বেছে নেওয়ার পেছনে বর ও কনের নিজস্ব ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তাঁদের সেই ভাবনার নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা বা সিদ্ধান্তের পেছনের বিস্তারিত কারণ প্রকাশিত তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

দেনমোহরের অঙ্কটি নিয়ে খবর প্রকাশের পর বিয়ের এই দিকটি আলোচনায় এসেছে। অঙ্কটি নির্দিষ্ট হলেও, এটিকে ঘিরে বর-কনের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে যতটুকু জানা গেছে, তা হলো তাঁরা নিজেদের ভাবনা থেকেই ৯৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছেন। তাঁদের বক্তব্যের বিস্তারিত, কিংবা অঙ্কটি বেছে নেওয়ার পেছনে কোনো বিশেষ ঘটনা বা উপলক্ষ আছে কি না—এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

তাই ৯৯৯ টাকার সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকী অর্থ, ব্যক্তিগত স্মৃতি বা বিশেষ বার্তা জুড়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। এমন কোনো কারণ উল্লেখ না থাকলে তা ধরে নিয়ে লেখা ঠিক হবে না। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, দেনমোহরের অঙ্কটি ৯৯৯ টাকা এবং সিদ্ধান্তটি বর-কনের নিজস্ব ভাবনার সঙ্গে সম্পর্কিত। এর বাইরে তাঁদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে বলার মতো তথ্য নেই।

দেনমোহর বিয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর অঙ্ক বর-কনের সম্মতিতে নির্ধারিত হয়। তবে সুজাত শিমুলের বিয়েতে এই অঙ্ক নির্ধারণের সময় তাঁদের মধ্যে কী আলোচনা হয়েছিল, সিদ্ধান্তটি কে প্রস্তাব করেছিলেন, কিংবা দুজনের ভাবনার কোন দিকটি এতে প্রতিফলিত হয়েছে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। ফলে এই বিয়েকে ঘিরে প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত তথ্যের বাইরে কোনো ব্যাখ্যা যোগ করা সমীচীন নয়।

বিয়ের স্থান, অনুষ্ঠানের সময়, কনের পরিচয় এবং আয়োজনের অন্যান্য দিক সম্পর্কেও এখানে নিশ্চিত তথ্য নেই। এসব বিষয়ে অনুমান করে কোনো বিবরণ দেওয়া হচ্ছে না। একইভাবে, দেনমোহরের অঙ্কটি অন্য কোনো সামাজিক বা আর্থিক পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া—এমন দাবিরও ভিত্তি পাওয়া যায়নি। সংবাদে যে তথ্যটি স্পষ্ট, তা হলো শিমুলের বিয়েতে দেনমোহর ৯৯৯ টাকা রাখা হয়েছে এবং বর-কনের ব্যক্তিগত ভাবনাই এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে।

শিমুলের বিয়ের এই খবর বিনোদন অঙ্গনের আলোচনায় এসেছে মূলত দেনমোহরের অঙ্কটির কারণে। তবে আলোচনার কেন্দ্রে থাকা অঙ্কটিকে ঘিরে অতিরিক্ত তাৎপর্য আরোপ না করে বর-কনের সিদ্ধান্তকে তাঁদের ব্যক্তিগত পছন্দ হিসেবেই দেখা যায়। তাঁরা নিজেরা এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলে সিদ্ধান্তের কারণ আরও স্পষ্ট হবে। আপাতত তাঁদের ভাবনার উল্লেখ থাকলেও সেই ভাবনার পূর্ণ বিবরণ জানা যায়নি।

রাজউক প্লট বরাদ্দে নজিরবিহীন অনিয়ম, পূর্বাচল ও ঝিলমিলে স্থগিত কার্যক্রম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
   
রাজউক প্লট বরাদ্দে নজিরবিহীন অনিয়ম, পূর্বাচল ও ঝিলমিলে স্থগিত কার্যক্রম

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আবাসন প্রকল্পগুলোতে বিগত দেড় দশকে রাজনৈতিক বিবেচনায় প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে পূর্বাচল নতুন শহর এবং ঝিলমিল প্রকল্পের বড় একটি অংশ জুড়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে প্লট হস্তান্তরের বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। এসব বরাদ্দের বৈধতা ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সকল নথিপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং প্রকল্পের পরবর্তী সকল কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।

সূত্রগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত একটি দীর্ঘ সময়কাল ধরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মোট ১,৪১৩টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পর্যালোচনায় উঠে এসেছে যে, এর মধ্যে ১,০৭৪টি প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা পুরোপুরি অনুসরণ করা হয়নি। বরাদ্দের এই তালিকায় রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের প্লট সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। প্রশাসনিকভাবে বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং যারা এই প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন, তাদের কর্মকাণ্ডও অনুসন্ধানের আওতায় আনা হচ্ছে।

সাধারণত রাজউকের প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু নিয়মাবলি অনুসরণ করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক পরিচয়ের সুবাদে অনেকে নিয়ম ভেঙে সুবিধা গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পূর্বাচল প্রকল্পে প্রায় ৯৪৪টি প্লট এভাবে বিতরণের তথ্য পাওয়া গেছে, যা ওই প্রকল্পের আবাসন পরিকল্পনাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। ঝিলমিল প্রকল্পেও একইভাবে অনিয়মের ছায়া পড়েছে। সরকারি এই মূল্যবান সম্পদ বিতরণে স্বচ্ছতার অভাব এবং নথিপত্রে গরমিল থাকায় কর্তৃপক্ষ এখন কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হয়েছে।

বর্তমানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নথিপত্র ও বরাদ্দের তালিকাগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এই অনিয়মের সঙ্গে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী জড়িত কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যেহেতু বরাদ্দ প্রক্রিয়াটিতে বড় ধরনের অসংগতি পাওয়া গেছে, তাই কোনো নতুন বরাদ্দ বা নথি সংক্রান্ত কোনো ধরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।

ভুক্তভোগী মহল ও আবাসন খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজউকের মতো প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম কেবল সরকারি সম্পদের অপচয়ই নয়, বরং পরিকল্পিত নগরায়ণ প্রক্রিয়ার জন্য বড় ধরনের বাধা। যারা প্রকৃত অর্থে প্লট পাওয়ার যোগ্য ছিলেন, তারা রাজনৈতিক বিবেচনায় বঞ্চিত হয়েছেন কি না, সেটিও এখন তদন্তের দাবি রাখছে। সাধারণ মানুষের মাঝেও এ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সকল তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কোনো তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। অনিয়ম প্রমাণিত হলে বরাদ্দের ক্ষেত্রে যথাযথ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসাথে ভবিষ্যতে যাতে কোনো প্রকল্পেই রাজনৈতিক বিবেচনায় এই ধরনের অনিয়মের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরির কাজও চলমান রয়েছে। আগামীতে প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়েও জোর দেওয়া হচ্ছে বলে রাজউকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা আভাস দিয়েছেন।

লালমনিরহাটের দুর্গম চরে জ্ঞানের আলো ছড়াতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
   
লালমনিরহাটের দুর্গম চরে জ্ঞানের আলো ছড়াতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

প্রান্তিক ও নদীভাঙন কবলিত চরাঞ্চলের শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে ও তাদের পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে লালমনিরহাটের হরিণচড়া মাঝের চরে স্থাপিত হলো নতুন একটি লাইব্রেরি। রংপুর বন্ধুসভার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই লাইব্রেরির নামকরণ করা হয়েছে ‘আলোর লাইব্রেরি’। দীর্ঘদিন ধরে যারা দুর্গম এলাকার শিশুদের নিয়ে শিক্ষা ও সচেতনতামূলক কাজ করে আসছেন, তাদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার একটি অংশ হিসেবে এই নতুন সংযোজনটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে। মূলত শিশুদের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করা এবং তাদের সৃজনশীল চিন্তার বিকাশে সহায়তা করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

দীর্ঘ এক বছর ধরে রংপুর বন্ধুসভার উদ্যোগে হরিণচড়া মাঝের চরে ‘আলোর পাঠশালা’ নামের একটি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দুর্গম এই জনপদে সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বল্পতা এবং নিয়মিত পড়াশোনার সুযোগের অভাব পূরণ করতে এই পাঠশালাটি কাজ করে যাচ্ছে। পাঠশালার কার্যক্রমের এক বছর পূর্তি এবং প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী—এই দুটি বিশেষ উপলক্ষকে সামনে রেখেই নতুন এই লাইব্রেরিটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, লাইব্রেরিটি চরাঞ্চলের শিশুদের জন্য বাইরের পৃথিবী সম্পর্কে জানার একটি বড় জানালা হয়ে উঠবে।

সদ্য যাত্রা শুরু করা এই লাইব্রেরিটিতে এখন পর্যন্ত ২০০টি বই সংরক্ষিত রয়েছে। গল্প, ছড়া, সাধারণ জ্ঞান ও পাঠ্যবইয়ের সমন্বয়ে বইয়ের সংগ্রহটি সাজানো হয়েছে, যাতে শিশুরা তাদের বয়স ও পছন্দ অনুযায়ী বই নির্বাচন করতে পারে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পূজার দীর্ঘ ছুটির পর শিশুদের উপস্থিতিতে লাইব্রেরির কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হবে। সেই সময়ের মধ্যেই বইয়ের সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে চরের সব বয়সী শিশুই তাদের পছন্দমতো বই পড়ার সুযোগ পায়।

স্থানীয় অভিভাবকদের মতে, চরাঞ্চলে লাইব্রেরির মতো একটি স্থাপনা শিশুদের পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে। এর আগে অনেক শিশুই বইয়ের সান্নিধ্য পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। এখন লাইব্রেরির মাধ্যমে তাদের সেই অভাব পূরণ হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। রংপুর বন্ধুসভার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ভবিষ্যতে শুধু বই পড়াই নয়, এই লাইব্রেরিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও জ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করারও ইচ্ছা রয়েছে আয়োজকদের।

রংপুর বন্ধুসভার সদস্যরা জানিয়েছেন, দুর্গম এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং শিশুদের শিক্ষার মূলধারায় নিয়ে আসার এই প্রচেষ্টা দীর্ঘমেয়াদী। তারা স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে এই লাইব্রেরিকে একটি পূর্ণাঙ্গ পাঠাগারে রূপান্তর করতে চান। চরের শিশুদের মাঝে বই পড়ার যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, তা অব্যাহত থাকলে এই লাইব্রেরিটি অদূর ভবিষ্যতে এলাকার শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ
৯৯৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করলেন অভিনেতা সুজাত শিমুল রাজউক প্লট বরাদ্দে নজিরবিহীন অনিয়ম, পূর্বাচল ও ঝিলমিলে স্থগিত কার্যক্রম লালমনিরহাটের দুর্গম চরে জ্ঞানের আলো ছড়াতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শাহজালাল রুমি গ্রেফতার ইস্যু: বিভ্রান্তিকর তথ্য নিয়ে সতর্কতা ফ্লাইট চালুর ঘোষণার পরই রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হুথিদের হুমকি আজকের খেলার সূচি: এল ক্লাসিকোর উত্তেজনা ও ত্রিদেশীয় সিরিজের লড়াই নারায়ণগঞ্জে নবজাতকের মৃত্যুতে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ শারদীয় দুর্গোৎসবের টানা ছুটি শেষে কর্মচঞ্চল ব্যাংক ও পুঁজিবাজার ছুটি শেষে কাল খুলছে স্কুল-মাদরাসা, কলেজ খুলছে নভেম্বরের শুরুতে ছুটি শেষে কর্মমুখর অফিস পাড়া
Advertisement