খুঁজুন
, ,

মায়ের শেষ বিদায়ে প্যারোলে মুক্তি পেলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:২০ পূর্বাহ্ণ
মায়ের শেষ বিদায়ে প্যারোলে মুক্তি পেলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা

মায়ের শেষ শয্যায় শরিক হতে কারাগার থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব। বুধবার রাতে অনুষ্ঠিত মায়ের জানাজায় অংশ নেন তিনি। দীর্ঘ সময় কারাবন্দি থাকা এই নেতা তার মায়ের জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন, যার প্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে নারায়ণগঞ্জের নাসিক ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বটতলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের প্রাঙ্গণে জানাজার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে হাবিবুর রহমান হাবিব উপস্থিত থেকে তার প্রয়াত মায়ের জন্য শেষবারের মতো দোয়া ও মোনাজাতে শরিক হন। এই ঘটনা এলাকায় শোকের আবহ তৈরি করে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে আলোচনার জন্ম দেয়।

প্রয়াত এই নারীর নাম বিলকিস আমিন, যার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি স্থানীয় নয়াআটি মুক্তিনগর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং রুহুল আমিনের স্ত্রী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মায়ের মৃত্যুসংবাদ শোনার পর থেকে হাবিবুর রহমান হাবিব মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় তাকে আনা হয়। জানাজা শেষে তাকে পুনরায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছে দায়িত্বশীল সূত্র।

উল্লেখ্য যে, হাবিবুর রহমান হাবিব বর্তমান প্রেক্ষাপটে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি কারাগারে বন্দি জীবন কাটাচ্ছিলেন। তার এই সাময়িক মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়া ও মানবিক আবেদনের আলোকে বিবেচনায় নেওয়া হয়। জানাজার সময় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও স্বজনদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। শোকাতুর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মায়ের জানাজায় অংশ নিতে পেরে তিনি কিছুটা হলেও শান্তি পেয়েছেন। পুরো জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়াটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে এবং স্থানীয় পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ সময় বিশেষ নজরদারি বজায় রাখে। এই ঘটনায় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো অবনতি ঘটেনি বরং শোকের ছায়ায় স্থানীয়রা পরিস্থিতির প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন করেছেন।

ইতালিতে কঠোর হচ্ছে অভিবাসন নীতি, বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সতর্কবার্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
ইতালিতে কঠোর হচ্ছে অভিবাসন নীতি, বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সতর্কবার্তা

ইউরোপের অন্যতম গন্তব্য ইতালিতে অভিবাসন পরিস্থিতি বর্তমানে এক বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ভূমধ্যসাগর হয়ে অবৈধ পথে দেশটিতে প্রবেশের প্রবণতা ঠেকাতে রোম প্রশাসন তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এনেছে। বিশেষ করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় কঠোরতা আরোপের ঘোষণা দিয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুমোদিত একটি সংস্কার প্যাকেজ বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, যা মূলত দেশটির সীমান্ত সুরক্ষা এবং অভিবাসন নীতির মূল ভিত্তি বদলে দিচ্ছে। ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য এই পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কোনো ধরনের আইনি নথি ছাড়া দেশটিতে অবস্থান এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

নতুন এই নীতিমালার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো অবৈধ অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করা। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাদের কাছে বৈধ কাগজপত্র নেই বা যারা নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে ইতালিতে প্রবেশ করেননি, তাদের শনাক্ত করে দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হবে। সীমান্ত এলাকায় এখন নজরদারি বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নৌ-সীমান্তে টহল জোরদার করা হয়েছে, যাতে অবৈধভাবে কোনো নৌযান উপকূলে পৌঁছাতে না পারে। কেবল আইন প্রয়োগ নয়, ইতালির নতুন অভিবাসন বিলের আওতায় প্রশাসনিক ব্যবস্থাতেও বড় ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। যারা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করছেন, তাদের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

তবে ইতালির এই নতুন অভিবাসন নীতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বৈধ শ্রমবাজারকে আরও সুসংগঠিত করা। সরকার কেবল অবৈধ পথে আসা মানুষদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিচ্ছে না, বরং ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত ফ্লো ডিক্রির মাধ্যমে বৈধ শ্রমিকদের জন্য অভিবাসনের সুযোগও উন্মুক্ত রেখেছে। এটি মূলত সেসব দেশের জন্য ভালো খবর যারা ইতালির শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বৈধ পথে লোক পাঠাতে আগ্রহী। দেশটির প্রশাসন মনে করছে, অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন ব্যবস্থার চেয়ে সুশৃঙ্খল এবং আইনি পথে দক্ষ জনশক্তি আমদানি করা তাদের অর্থনীতির জন্য দীর্ঘমেয়াদে উপকারী হবে। তাই যারা বৈধভাবে ইতালিতে কাজ করতে আগ্রহী, তাদের জন্য এখনকার নিয়ম-কানুন ও প্রক্রিয়াগুলো আরও স্বচ্ছ করার চেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক ক্ষেত্রে দালালদের খপ্পরে পড়ে তারা অবৈধ পথে ইউরোপ পাড়ি জমানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় এই পথ অত্যন্ত বিপদসংকুল। যারা ইতিমধ্যে অবৈধভাবে ইতালিতে অবস্থান করছেন, তাদের জন্য বৈধ হওয়ার সুযোগ খুবই সীমিত। সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কারণে যেকোনো সময় তারা ধরপাকড়ের মুখে পড়তে পারেন এবং শেষ পর্যন্ত নিজ দেশে ফেরত যাওয়ার ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন। তাই প্রবাসী ও তাদের পরিবারকে দালালদের প্রলোভন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

পরিশেষে, ইতালির বর্তমান অভিবাসন পরিস্থিতি একটি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে যে, নিয়ম বা আইনি কাঠামো বহির্ভূত কোনো পথ এখন আর নিরাপদ নয়। যারা ইতালিতে যেতে চান বা সেখানে কাজ খুঁজছেন, তাদের অবশ্যই সরকারি অনুমোদিত পথ এবং সঠিক কর্মসংস্থান প্রক্রিয়া অনুসরণ করা উচিত। অবৈধ পথে দেশটিতে পাড়ি জমানোর চেষ্টা এখন শুধু আইনি জটিলতাই বাড়াবে না, বরং একজন অভিবাসীর ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেবে। সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে এবং আইনি প্রক্রিয়া মেনে বিদেশ যাত্রা করাই এখন সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে সিলেটে নতুন কৌশল বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে সিলেটে নতুন কৌশল বাংলাদেশের

দীর্ঘ ফরম্যাটের ক্রিকেটে ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠের লড়াইয়ে নামছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিকরা। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই ম্যাচটি শুরু হবে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে। প্রথম টেস্টে হারের পর সিরিজে টিকে থাকা এবং হোয়াইটওয়াশ এড়ানোই এখন বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য। এই ম্যাচটি টি স্পোর্টসে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্টে বড় ব্যবধানে হেরে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। সেই পরাজয়ের ক্ষত এখনও তাজা, যা টাইগারদের মনোবলে কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলেছে। তবে ঘরের মাঠে সিরিজ শেষ করার আগে নিজেদের সেরাটা উজার করে দিতে মরিয়া শান্ত বাহিনী। প্রথম টেস্টের ফলাফল থেকে শিক্ষা নিয়ে সিলেটে নতুন পরিকল্পনায় মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে স্বাগতিক দল। বিশেষ করে একাদশ নির্বাচন ও কৌশলগত দিক থেকে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

গত কয়েক বছর ধরে ঘরের মাঠে টেস্টে বাংলাদেশ মূলত স্পিন সহায়ক উইকেটে খেলে অভ্যস্ত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়গুলোতে দেখা গেছে, স্পিননির্ভর কৌশলে বড় দলের বিপক্ষেও সাফল্য পাওয়াটা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। তাই এই ম্যাচে স্পিন ট্র্যাপের চিরাচরিত ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে পেসারদের ওপর বেশি ভরসা রাখতে চায় টিম ম্যানেজমেন্ট। সিলেটের উইকেট সাধারণত স্পিনারদের জন্য সহায়ক হলেও, উইকেট প্রস্তুতকারকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কিছুটা ভিন্নভাবে। ঘাসের পরিমাণ এবং সিম মুভমেন্টের সুবিধা কাজে লাগিয়ে পেসারদের দিয়ে উইন্ডিজ ব্যাটারদের চাপে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। দলের প্রধান কোচ ও অধিনায়কের সাম্প্রতিক আলোচনাতেও এই পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল এই মুহূর্তে বেশ আত্মবিশ্বাসী। প্রথম টেস্টের পারফরম্যান্স তাদের বাড়তি প্রেরণা যোগাচ্ছে। তবে বাংলাদেশ দলও সিলেটের কন্ডিশন সম্পর্কে ভালোভাবেই অবগত। এখানকার বাতাস এবং উইকেটের চরিত্র কাজে লাগিয়ে যদি পেস বোলাররা শুরুতেই উইকেট তুলে নিতে পারেন, তবে ম্যাচের মোমেন্টাম নিজেদের দিকে টেনে নেওয়া সম্ভব হবে বলে ক্রিকেট বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এছাড়া ব্যাটিং অর্ডারেও কিছু রদবদল আসতে পারে, যাতে মধ্যম সারিতে অভিজ্ঞ ব্যাটাররা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে পারেন।

সিরিজের এই শেষ ম্যাচটি কেবল হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াই নয়, বরং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থান উন্নত করারও সুযোগ। দেশের ক্রিকেট ভক্তদের প্রত্যাশা, ঢাকায় যে ভুলগুলো হয়েছে তা শুধরে নিয়ে নতুন উদ্দীপনায় সিলেটে বাংলাদেশ দল নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দেবে। যদিও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং লাইনআপ বেশ শক্তিশালী, তবুও নিজস্ব কন্ডিশনে ভালো ক্রিকেট খেলে সমতা ফেরাতে সক্ষম টাইগাররা। এখন দেখার বিষয়, কৌশল পরিবর্তনের এই নতুন ভাবনা মাঠে কতটা সফল হয় এবং শেষ পর্যন্ত সিরিজে মান বাঁচানো সম্ভব কি না।

স্ত্রী ২-এর তুমুল সাফল্যের পর কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন শ্রদ্ধা কাপুর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
স্ত্রী ২-এর তুমুল সাফল্যের পর কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন শ্রদ্ধা কাপুর

বলিউড তারকা শ্রদ্ধা কাপুরের ক্যারিয়ার এখন এক দারুণ উচ্চতায়। সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তি পাওয়া ‘স্ত্রী ২’ সিনেমাটি বক্স অফিসে যে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে, তা রূপালি পর্দায় শ্রদ্ধাকে এক নতুন উচ্চতায় আসীন করেছে। দর্শকদের ভালোবাসা এবং সমালোচকদের প্রশংসায় সিক্ত হওয়ার পর এখন তিনি নিজের পেশাগত জীবন নিয়ে এক নতুন পথে হাঁটার পরিকল্পনা করেছেন। সম্প্রতি অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছেন যে, সাফল্যের এই জোয়ারে গা ভাসিয়ে হুটহাট কোনো সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ না হয়ে তিনি বরং বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কঠিন ও কঠোর এক নীতি গ্রহণ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে ভক্ত ও অনুরাগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সময় বিষয়টি সামনে আসে। গত মঙ্গলবার তিনি একটি প্রশ্নোত্তর পর্বের আয়োজন করেছিলেন। সেখানে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি নিজের সাম্প্রতিক কাজ এবং ক্যারিয়ারের পছন্দ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন এই তারকা। শ্রদ্ধা জানান, ‘স্ত্রী ২’ মুক্তির পর তার কাছে একের পর এক নতুন সিনেমার প্রস্তাব আসতে থাকে। অনেক ক্ষেত্রেই বড় বড় প্রোডাকশন হাউজ থেকে বিশাল অংকের পারিশ্রমিকের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি তার বর্তমান অবস্থানে থেকে সেই সব প্রস্তাব বিনয়ের সাথে ফিরিয়ে দিয়েছেন।

কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, সেই ব্যাখ্যায় শ্রদ্ধা বলেন, তিনি বর্তমানে কাজের পরিমাণের চেয়ে গুণগত মানের দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। যে ধরণের চরিত্র বা গল্পের গভীরতা তাকে মুগ্ধ করছে না, কেবল বাণিজ্যিক সাফল্যের লোভে কিংবা মোটা অংকের পারিশ্রমিকের আশায় সেগুলোতে কাজ করতে তিনি ইচ্ছুক নন। তার এই সিদ্ধান্ত বলিউডের অন্দরমহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সাফল্যের চূড়ায় দাঁড়িয়ে নিজের ক্যারিয়ারকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য এমন আত্মবিশ্বাস ও ধৈর্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

শ্রদ্ধা কাপুরের ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে দেখা যায়, তিনি বরাবরই বাণিজ্যিক সিনেমার পাশাপাশি বিষয়ভিত্তিক এবং চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে নিজেকে তুলে ধরতে পছন্দ করেন। ‘স্ত্রী’ সিরিজের এই নতুন কিস্তিতে তার অভিনয় দর্শকদের মন জয় করেছে। এখন ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তার পরবর্তী পদক্ষেপ। তবে অভিনেত্রী আপাতত তাড়াহুড়ো না করে কিছুটা সময় নিয়ে নিজের পরবর্তী প্রজেক্ট বেছে নিতেই আগ্রহী। তিনি মনে করেন, একজন অভিনয়শিল্পীর জন্য প্রতিটি সিনেমার নির্বাচন একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলে, তাই সব দিক বিবেচনা করেই তিনি পা বাড়াচ্ছেন।

তার এই সাহসী পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে, তিনি কেবল জনপ্রিয়তার স্রোতে গা ভাসাতে চান না। বরং একজন শিল্পী হিসেবে তিনি মানসম্মত কাজ উপহার দিয়ে দর্শকদের ধরে রাখতে চান। ক্যারিয়ারের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার নেওয়া এই কঠিন সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে তাকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে বলেই মনে করছেন চলচ্চিত্র বোদ্ধারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার এই স্বচ্ছ ধারণা ভক্তদের মাঝেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। শ্রদ্ধা এখন নতুন কোনো কাজের জন্য চিত্রনাট্য ও চরিত্র নিয়ে আরও সময় নিয়ে ভাবছেন।

সর্বশেষ
ইতালিতে কঠোর হচ্ছে অভিবাসন নীতি, বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সতর্কবার্তা হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে সিলেটে নতুন কৌশল বাংলাদেশের স্ত্রী ২-এর তুমুল সাফল্যের পর কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন শ্রদ্ধা কাপুর মায়ের শেষ বিদায়ে প্যারোলে মুক্তি পেলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা নতুন প্রজন্মের মেধা ও দেশপ্রেমই উন্নত বাংলাদেশ গড়ার মূল ভিত্তি: প্রধানমন্ত্রী রাকসুর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি সালাহউদ্দিন আম্মারের মা-ছেলের স্বপ্নের শেষ: বাংলাদেশে ডাক্তারি শিক্ষার পথে গন্তব্যে মৃত্যু কটিয়াদীতে সাবেক এমপি মেজর আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলা, ছুরিকাঘাতে আহত নিহত শ্রমিক তৌফিককে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ক্ষতিপূরণের দাবি নাহিদ ইসলামের দফতর ছাড়লেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার