খুঁজুন
, ,

১২ দেশে কর্মী পাঠানোর নিয়মে কড়াকড়ি: মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাধ্যতামূলক

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
১২ দেশে কর্মী পাঠানোর নিয়মে কড়াকড়ি: মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাধ্যতামূলক

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। মূলত ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার ১২টি নির্দিষ্ট দেশের ক্ষেত্রে এই কঠোর নীতিমালা কার্যকর করা হয়েছে। এখন থেকে কোনো রিক্রুটিং এজেন্সি বা প্রতিষ্ঠান যদি এসব দেশে কর্মী পাঠাতে চায়, তবে তাদের অবশ্যই মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে পূর্বানুমতি বা নিয়োগানুমতি গ্রহণ করতে হবে। মন্ত্রণালয়ের এই অনুমোদন ছাড়া কোনো কর্মীর অনুকূলে বহির্গমন ছাড়পত্র ইস্যু করা হবে না বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের কর্মসংস্থান-৩ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি জারি করা হয়েছে, যাতে বিষয়টি দ্রুত কার্যকর করার নির্দেশনা রয়েছে। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব গাজী মো. শাহেদ আনোয়ার। বিদেশে কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং কর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় এই বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গত ৪ নভেম্বর এই চিঠি জারির পর থেকেই নতুন নিয়মের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে অবহিত করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগ উঠছিল। বিশেষ করে মধ্যস্বত্বভোগী বা অসাধু চক্রের খপ্পরে পড়ে অনেক কর্মী বিদেশে গিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করেন বা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ পান না। এই ঝুঁকি হ্রাস করতে এবং বৈধ পথে অভিবাসন নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করছে। নতুন এই নিয়মের ফলে এখন থেকে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো বা বিএমইটি বহির্গমন ছাড়পত্র দেওয়ার আগে প্রতিটি আবেদনের খুঁটিনাটি যাচাই করবে। মন্ত্রণালয় থেকে নিয়োগানুমতি না পাওয়া পর্যন্ত কোনো কর্মীকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সুরক্ষিত হবে এবং ভুয়া নিয়োগের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর প্রবণতা কমবে। বিদেশগামী কর্মীদের সুরক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বজায় রাখাও এই সিদ্ধান্তের অন্যতম লক্ষ্য। অনেক সময় কিছু দেশ বা কোম্পানি কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে অস্পষ্ট শর্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ চুক্তির আশ্রয় নেয়। মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নজরদারি থাকলে এসব ঝুঁকি আগে থেকেই শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এজেন্সিগুলোকে এখন থেকে প্রতিটি আবেদনের সাথে সংশ্লিষ্ট দেশের কর্মসংস্থান চুক্তিসহ আনুষঙ্গিক সকল নথিপত্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে। মন্ত্রণালয় যাচাই-বাছাই শেষে যদি সন্তুষ্ট হয়, কেবল তখনই অনুমতি প্রদান করা হবে। এছাড়া, যেসব দেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে আইনগত বা শ্রমবাজারের জটিলতা রয়েছে, সেসব দেশের ক্ষেত্রে বিশেষ পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, নিয়ম না মেনে কর্মী পাঠানোর কোনো সুযোগ নেই। যারা এই নির্দেশনা অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এই নতুন পরিপত্রটি দেশের শ্রম অভিবাসন খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে মাইলফলক হতে পারে বলে মনে করছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, শুধু এই ১২টি দেশ নয়, ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনে একই ধরনের নজরদারি বাড়ানো যেতে পারে। এতে করে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিরাপত্তা যেমন বাড়বে, তেমনি দেশের সুনামও বৃদ্ধি পাবে। মূলত, প্রতিটি কর্মী যাতে সঠিক চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে এবং বৈধ পন্থায় বিদেশে যেতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। এখন থেকে এজেন্সিগুলোকে প্রতিটি ধাপের জন্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে, যা পুরো প্রক্রিয়াকে আরও বেশি দায়িত্বশীল করে তুলবে।

সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে পুলিশ গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
   
সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে পুলিশ গ্রেফতার

ঢাকা শহরের মোহাখালী এলাকায় DB*C অফিসের সামনে আজ (৪ নভেম্বর) পুলিশ দল ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে। চৌধুরী শি খ হাসিনার পূর্ব তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে পরিচিত, তবে গ্রেফতারের সুনির্দিষ্ট কারণ ও অভিযোগ এখনো প্রকাশিত হয়নি।

সকাল ৯ টার দিকে পুলিশ গাড়ি অফিসের প্রবেশদ্বার থেকে চৌধুরীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গাড়িতে বসিয়ে নিয়ে যায়। উপস্থিত সাংবাদিক ও কর্মচারীরা ঘটনাস্থলে তৎক্ষণাৎ জড়ো হয়ে গিয়েছিলেন, তবে পুলিশ কোনো মন্তব্য না করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

গ্রেফতারের পর চৌধুরীর পরিবার ও সহকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে, তিনি স্বাস্থ্যের দিক থেকে সুস্থ ছিলেন বলে জানিয়েছেন। তবে পরিবার এখনও জানার অপেক্ষায় আছে যে, কোন আইনি ধারা অনুযায়ী তাকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারের আগে চৌধুরীর সঙ্গে কিছু তথ্য আদান-প্রদান হয়েছিল, যা তদন্তের অংশ হতে পারে। তবে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না দিয়ে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্পষ্টতা চাওয়া হচ্ছে।

ইকবাল সোবহান চৌধুরী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও মিডিয়া জগতে দীর্ঘদিনের পরিচিত নাম। তিনি শি খ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করার সময় বিভিন্ন মিডিয়া নীতি ও তথ্য সংক্রান্ত নীতি প্রণয়নে ভূমিকা রেখেছেন। তার এই পদত্যাগের পরেও তিনি বিভিন্ন বিশ্লেষণমূলক প্রোগ্রাম ও কলাম লিখে আসছেন।

এই গ্রেফতার ঘটনা দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। কিছু বিশ্লেষক মন্তব্য করেন, এই ধরণের পদক্ষেপ রাজনৈতিক দিক থেকে কোনো সংকেত হতে পারে, আবার অন্যরা বলছেন, এটি স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়ার অংশ।

অধিক তথ্য পাওয়া না গেলে, গ্রেফতারের পরবর্তী প্রক্রিয়া কী হবে তা অনিশ্চিত। সাধারণত, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হতে হয় এবং অভিযোগের ভিত্তিতে জবাব দিতে হয়। চৌধুরীর আইনজীবী দল ইতিমধ্যে তার পক্ষে রক্ষা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা যায়।

এই ঘটনার পর দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংগঠনও মন্তব্য করেছে। তারা গ্রেফতারের স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে, এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত তথ্য প্রকাশের অনুরোধ করেছে।

সামগ্রিকভাবে, ইকবাল সোবহান চৌধুরীর গ্রেফতার দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন এক আলোচনার সূচনা করেছে। এই বিষয়টি কীভাবে বিকশিত হবে এবং আদালতে কী রকম রায় দেওয়া হবে, তা সময়ের সাথে স্পষ্ট হবে।

খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে গর্তে আটকা দুটি বন্য হাতি, তিন ঘণ্টা পর সফল উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে গর্তে আটকা দুটি বন্য হাতি, তিন ঘণ্টা পর সফল উদ্ধার

বুধবার সকাল ৪ নভেম্বর, কক্সবাজারের টেকনাফ রেঞ্জের মধ্যনহীলা বিটের আওতাধীন হোয়াইক্যংয়ের কম্বনিয়াপাড়া মনুমিয়ার ঘোনা এলাকায় দুইটি বন্য হাতি খাবারের সন্ধানে বন থেকে বেরিয়ে এসে স্থানীয় গ্রামাঞ্চলে পৌঁছায়। খাবার খুঁজতে গিয়ে তারা হঠাৎই একটি গভীর কাদামাটির গর্তে পা ফেলতে থাকে এবং দু’জনেই গর্তের ভেতরে আটকে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাটি লক্ষ্য করে সঙ্গে সঙ্গে গ্রাম পরিষদ ও বন বিভাগের কাছে জানায়। দ্রুতই বন বিভাগ, এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ইআরটি) এবং কয়েকজন গ্রামবাসীর সমন্বয়ে একটি উদ্ধার দল গঠন করা হয়। দলটি গর্তের চারপাশে নিরাপত্তা বজায় রেখে, হাতিগুলোর মাথা ও পা থেকে বের করার জন্য মোটা দড়ি ও কাঠের লাঠি ব্যবহার করে কাজ শুরু করে।

উদ্ধার কাজটি প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে। গর্তের মাটি নরম ও পিচ্ছিল হওয়ায় হাতিগুলোকে সরাতে অতিরিক্ত শক্তি ও ধৈর্য প্রয়োজন হয়। ইআরটি দলের সদস্যরা গর্তের পাশে একটি ছোট ট্র্যাক্টর ব্যবহার করে মাটি কিছুটা পরিষ্কার করে, ফলে দড়ি টেনে হাতিগুলোকে ধীরে ধীরে গর্তের বাইরে টানা সম্ভব হয়। গ্রামবাসীরাও দড়ি টেনে সাহায্য করে, যাতে হাতিগুলোকে কোনো আঘাত না হয়।

প্রায় তিন ঘণ্টা পর, শেষ পর্যন্ত দু’জন হাতি গর্ত থেকে বেরিয়ে আসে এবং তৎক্ষণাৎ নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়। উদ্ধার প্রক্রিয়ার শেষে, বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ হাতিগুলোকে পুনরায় তাদের স্বাভাবিক বনের পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়। হাতিগুলোকে নিরাপদে বনে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি ছোট ট্র্যাক্টর ও কয়েকটি গাড়ি ব্যবহার করা হয়, যাতে তারা দ্রুত ও নিরাপদে তাদের স্বাভাবিক বাসস্থানে পৌঁছাতে পারে।

স্থানীয় মানুষ এবং বন বিভাগের কর্মকর্তারা এই সফল উদ্ধারকে প্রশংসা করে, বলেন যে দ্রুত সাড়া এবং সমন্বিত কাজের ফলে প্রাণী ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া, এই ঘটনার মাধ্যমে বন্যপ্রাণীর সঙ্গে মানুষের সংযোগে সতর্কতা ও সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা আবারও তুলে ধরা হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন ধরনের ঘটনা রোধে বন বিভাগ স্থানীয় জনগণকে বন্যপ্রাণীর চলাচল ও খাবার সন্ধানের সময় সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছে।

পোশাকশিল্পে রফতানি বন্ধ, কারখানায় অগ্নিকাণ্ড: ক্ষতির পরিমাণ ও কর্মীদের দাবি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
পোশাকশিল্পে রফতানি বন্ধ, কারখানায় অগ্নিকাণ্ড: ক্ষতির পরিমাণ ও কর্মীদের দাবি

ঢাকার বিভিন্ন গার্মেন্টস পার্কে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি নিয়ে টানা কর্মবিরতি, সড়ক অবরোধ এবং সংঘর্ষের পরিণতিতে দেশের পোশাকশিল্পে বড় ধরণের ক্ষতি দেখা দিয়েছে। শ্রমিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনগুলো একাধিক দিন ধরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে শত শত কারখানা উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।

বিক্ষোভের সময় কর্মীরা কারখানার গেট বন্ধ করে, গেটের সামনে সড়ক অবরোধ করে এবং কখনো কখনো গার্মেন্টস পার্কের প্রবেশদ্বারগুলোতে বাধা সৃষ্টি করে। এই অবরোধের ফলে রফতানি কার্যক্রমে বিশাল ব্যাঘাত ঘটেছে। রপ্তানি সংস্থা অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে রপ্তানি আদেশের পরিমাণে শত শত কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে, যদিও সঠিক পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।

বিক্ষোভের পাশাপাশি কিছু কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। কর্মী ও নিরাপত্তা কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় কিছু গার্মেন্টস ইউনিটে আগুন লেগে গিয়ে উৎপাদন সরঞ্জাম, গুদামজাত পণ্য এবং কিছু যানবাহন নষ্ট হয়েছে। যদিও অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনও তদন্তাধীন, তবে সূত্রগুলো ইঙ্গিত করে যে কিছু ক্ষেত্রে ভাঙচুরের সময় অগ্নি সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

শ্রমিকদের দাবি অনুযায়ী, বর্তমান ন্যূনতম মজুরি ২০,০০০ টাকা, যা জীবনের মৌলিক চাহিদা মেটাতে অপর্যাপ্ত। তারা ৩০,০০০ টাকার মজুরি দাবি করে, যা শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে বলে তারা যুক্তি দেয়। তবে শিল্প সংস্থা ও ব্যবসায়িক গোষ্ঠী বলছে, হঠাৎ মজুরি বৃদ্ধি উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার ক্ষমতা হ্রাস করবে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন যে, যদি এই বিরোধ দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে দেশের গার্মেন্টস রপ্তানি, যা মোট রপ্তানির প্রায় ৪০% অংশ, তা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে। এছাড়া, বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা হারিয়ে যেতে পারে, যা ভবিষ্যতে অর্ডার কমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়াবে।

সরকারি পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট সমাধান প্রকাশিত হয়নি। শ্রম মন্ত্রণালয় ও শিল্প মন্ত্রণালয় একত্রে আলোচনার টেবিলে বসার ইঙ্গিত দিয়েছে, তবে সময়সীমা এখনও অজানা। শ্রমিক সংগঠনগুলো দাবি করছে যে, মজুরি বৃদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত তারা কর্মবিরতি চালিয়ে যাবে এবং রফতানি বন্ধের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সমঝোতা স্বীকার করবে না।

এই পরিস্থিতিতে গার্মেন্টস শিল্পের কর্মচারী, ব্যবসায়িক মালিক এবং রপ্তানি সংস্থাগুলো সবাই একসঙ্গে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি, নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি এবং রফতানি চেইনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য সমন্বিত নীতি প্রণয়ন জরুরি। না হলে, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান দুটোই গুরুতর প্রভাবের মুখে পড়তে পারে।

সর্বশেষ
সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে পুলিশ গ্রেফতার খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে গর্তে আটকা দুটি বন্য হাতি, তিন ঘণ্টা পর সফল উদ্ধার পোশাকশিল্পে রফতানি বন্ধ, কারখানায় অগ্নিকাণ্ড: ক্ষতির পরিমাণ ও কর্মীদের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ভরাডুবি, দায় চাপালেন ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া সিনেট নির্বাচনে জয়ী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শেখ মুজাহিদুর রহমান ১২ দেশে কর্মী পাঠানোর নিয়মে কড়াকড়ি: মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাধ্যতামূলক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৫ ডিবি হেফাজতে দুই সাংবাদিক: সাংবাদিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া বরিশালে সরকারি রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগ স্থানীয় শ্রমিক দল নেতার বিরুদ্ধে প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তনের জন্য নতুন মনিটরিং নীতি চালু