খুঁজুন
, ,

সন্তান বড় হওয়ার সাথে কি দূরত্ব বাড়ছে? অভিভাবকত্বের নতুন সংকট

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
সন্তান বড় হওয়ার সাথে কি দূরত্ব বাড়ছে? অভিভাবকত্বের নতুন সংকট

আধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে সন্তান বড় হওয়ার সাথে সাথে অনেক অভিভাবকই একটি সূক্ষ্ম অথচ গভীর শূন্যতা অনুভব করেন। ঠিক যেমনটি ঘটেছে তাহেরা বেগমের ক্ষেত্রে। তার তেরো বছর বয়সী মেয়ে অরু এখন পড়ার টেবিলে বই খুলে রাখলেও তার সমস্ত মনোযোগ আটকে থাকে মুঠোফোনের স্ক্রিনে। কয়েক দিন ধরে মেয়েটির আচরণের এই পরিবর্তন মা হিসেবে তাকে বেশ চিন্তিত করে তুলেছে। অরু এখন স্কুল থেকে ফিরে খুব কম কথা বলে, সারাদিনের অভিজ্ঞতার গল্পগুলো যেন হারিয়ে গেছে কোথাও। কোনো কিছু জিজ্ঞেস করলে সে এখন আর প্রাণ খুলে উত্তর দেয় না, বরং খুব সংক্ষিপ্ত ও যান্ত্রিক জবাবে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এমন চিত্র আজ অনেকের ঘরেই নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মনোবিজ্ঞানীরা এই অবস্থাকে কৈশোরের একটি সাধারণ পর্যায় হিসেবে দেখলেও অভিভাবকরা একে বিচ্ছিন্নতা হিসেবে দেখেন। শৈশবে যেসব শিশু বাবা-মায়ের ছায়াসঙ্গী হয়ে থাকত, তারাই কৈশোরে পা দিয়ে নিজের জগৎ তৈরি করতে চায়। এই বয়সে তাদের মনে এক ধরনের নতুন সত্তার জন্ম নেয়, যেখানে বন্ধুদের গুরুত্ব বাড়ে এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখার প্রবণতা প্রকট হয়ে ওঠে। মা-বাবারা যখন দেখেন তাদের প্রাণবন্ত সন্তানটি হঠাৎ করেই নিজেকে ঘরের চার দেয়ালের মাঝে গুটিয়ে নিচ্ছে, তখন তারা আতঙ্কে ভোগেন। এই অকারণ নীরবতা কি বড় হওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, নাকি পরিবারের সাথে তাদের মানসিক দূরত্ব বাড়ছে, সেই প্রশ্নটিই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

প্রযুক্তির সহজলভ্যতা এই দূরত্বের কারণগুলোকে আরও ঘনীভূত করেছে। আগে সন্তানরা অবসরে বাবা-মায়ের সাথে সময় কাটাত, এখন সেই সময়টুকু তারা ভার্চুয়াল জগতে ব্যয় করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, গেম কিংবা ইন্টারনেটের অসীম দুনিয়া তাদের মনস্তাত্ত্বিক জগতের অনেকটা দখল করে নিয়েছে। ফলে বাস্তব জীবনের সম্পর্কের চেয়ে তারা ডিজিটাল সম্পর্কের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে। বাবা-মায়েরা যখন তাদের সাথে আলাপ করতে চান, তখন তারা এটিকে হস্তক্ষেপ মনে করে বিরক্ত হয়। এই দুই প্রজন্মের চিন্তাধারার ফারাক পারিবারিক বন্ধনগুলোকে আরও ঠুনকো করে তুলছে।

বিশেষজ্ঞগণ পরামর্শ দেন যে, এই সংকটের মুহূর্তে কঠোর শাসনের চেয়ে ধৈর্যের পরিচয় দেওয়া বেশি জরুরি। জোর করে তাদের জগত থেকে টেনে বের না করে বরং তাদের জগতটা বোঝার চেষ্টা করা দরকার। অরু যেমন তার মায়ের প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাচ্ছে, তেমনি অনেক কিশোর-কিশোরীই মনে করে অভিভাবকরা তাদের আবেগ বুঝতে অক্ষম। তাই সন্তানদের সাথে সম্পর্কের ভিত মজবুত করতে হলে আলাপচারিতার ধরন বদলাতে হবে। তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি না করে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি। সন্তানদের কথা শোনার সংস্কৃতি গড়ে তোলা না গেলে এই দূরত্ব আরও বাড়তে পারে।

পরিশেষে, সন্তান বড় হওয়ার মানে এই নয় যে তারা আমাদের থেকে চিরতরে দূরে সরে যাচ্ছে। এটি জীবনের একটি স্বাভাবিক পরিবর্তনের ধাপ। অভিভাবক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো, তাদের এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া এবং তাদের পাশে থাকা। প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো তাদের সাথে গুণগত সময় কাটানো, যেখানে ফোনের কোনো জায়গা থাকবে না। ভালোবাসা, বিশ্বাস এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার মাধ্যমেই এই মানসিক দূরত্ব ঘুচিয়ে আবার তাদের কাছাকাছি আসা সম্ভব। অরু বা তাহেরা বেগমের গল্পটি হয়তো প্রতিটি বাড়িরই চিত্র, তবে সঠিক বোঝাপড়া ও সহমর্মিতা দিয়ে এই জটিলতাকে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

শ্রমিক বিক্ষোভে সাভার-আশুলিয়ায় রণক্ষেত্র, ওসির গাড়িতে আগুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
   
শ্রমিক বিক্ষোভে সাভার-আশুলিয়ায় রণক্ষেত্র, ওসির গাড়িতে আগুন

বুধবার সকালবেলা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর ও উলাইল এলাকায় তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের বিক্ষোভে রণক্ষেত্র গড়ে ওঠে। শ্রমিকরা বেতন, কাজের পরিবেশ এবং অতিরিক্ত কাজের বিরোধে প্রতিবাদ জানাতে সমাবেশ করে, ফলে পুলিশ দফা উপস্থিত হয়। উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র শব্দবিনিময় এবং শারীরিক সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

সংঘর্ষের মাঝখানে পুলিশ ওসি সাইফুল আলমের ব্যবহৃত গাড়িতে অজানা কারণে আগুন লেগে যায়। গাড়ির আগুনের ফলে আশেপাশের কয়েকজন কর্মী ও সাংবাদিকও আহত হন। মোট আহতের সংখ্যা প্রাথমিকভাবে পঞ্চাশের কাছাকাছি জানানো হয়েছে, যার মধ্যে সাতজন পুলিশ সদস্য, ওসি সাইফুল আলম এবং তিনজন সাংবাদিক অন্তর্ভুক্ত। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে নিকটস্থ হাসপাতাল ও সাভার মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, শ্রমিকদের দাবি ছিল বেতন বৃদ্ধি, কাজের সময়সীমা হ্রাস এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি। তবে বিক্ষোভের সময় কিছু শ্রমিক গোষ্ঠী অতিরিক্ত চাহিদা ও হিংসাত্মক রীতিতে লিপ্ত হওয়ায় পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। পুলিশ দফা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য গুলিবিদ্ধি ব্যবহার না করে, গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডার ফাটিয়ে আগুন লাগার সম্ভাবনা নিয়ে তদন্ত চলছে।

এই ঘটনার পর সাভার মডেল থানা ওসির অফিসার সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। পুলিশ বিভাগে অভ্যন্তরীণ তদন্তের পাশাপাশি, স্থানীয় প্রশাসনও ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছে। শ্রমিক ইউনিয়নগুলোও দাবি করেছে যে, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরণের বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করা যাবে না।

এই রণক্ষেত্রের ফলে সাভার-আশুলিয়া অঞ্চলের শ্রমিক আন্দোলন পুনরায় আলোচনার মুখে এসেছে। শ্রমিক সংগঠন, মানবাধিকার সংস্থা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলো একত্রে একটি সমন্বিত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষা পায় এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকে। ভবিষ্যতে এ ধরনের সংঘর্ষ এড়াতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংলাপের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশায় স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
   
ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশায় স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার ফল ভালো না হওয়ায় হতাশা থেকে পুতুল রায় (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে ভূল্লী উপজেলার কিসামত শুখানপুকুরী (পাটবাড়ী) গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত পুতুল রায় ওই গ্রামের দীপেনের ছেলে। সে জাঠিভাঙ্গা শিডিউল কাস্ট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ অক্টোবর থেকে বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষাগুলো ভালো না হওয়ায় পুতুল বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সদস্যদের কাছে মন খারাপের কথা বলত। এ নিয়ে সে বেশ কিছুদিন ধরে হতাশায় ভুগছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতের খাবার শেষে আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে নিজ শয়নকক্ষে ঘুমাতে যায় পুতুল। বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তার বাবা পড়াশোনার জন্য ঘুম থেকে ডাকতে গিয়ে ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। পরে ঘরের বেড়ার ফাঁক দিয়ে ছেলেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে নিচে নামালে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

পরিবারের সদস্যদের ধারণা, পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশা ও পড়াশোনার চাপের কারণে সে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা সন্দেহ প্রকাশ করা হয়নি।

ভূল্লী থানার সেকেন্ড অফিসার রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, “টেস্ট পরীক্ষা ভালো না হওয়ায় পুতুল রায় হতাশায় ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

বিলের ছাড় নিয়ে বিরোধে মোহাম্মদপুরের সিটি হাসপাতালে ভাঙচুর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
   
বিলের ছাড় নিয়ে বিরোধে মোহাম্মদপুরের সিটি হাসপাতালে ভাঙচুর

ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত সিটি হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ১২টার কাছাকাছি একদল যুবক চিকিৎসা বিলের ছাড় নিয়ে বিরোধের কারণে হাসপাতালের সামনের অংশ এবং নিচতলার রিসেপশনে প্রবেশ করে ভাঙচুরের কাজ করে। ভাঙচুরের ফলে হাসপাতালের আসবাবপত্র, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং রিসেপশন কাউন্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজনকে তৎক্ষণাৎ গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের সম্পর্কে তদন্তের কথা পুলিশ জানায়।

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী, রোগী ও তাদের আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে বিলের পরিমাণ ও ছাড়ের বিষয়ে অসন্তোষ দেখা দিচ্ছিল। কিছু রোগীর দাবি ছিল যে, একই ধরনের সেবার জন্য অন্য হাসপাতালগুলো তুলনামূলকভাবে কম চার্জ আরোপ করে, ফলে তারা সিটি হাসপাতালের বিলের ওপর অতিরিক্ত চাপ অনুভব করছিল। এই অসন্তোষই শেষ পর্যন্ত ভাঙচুরের রূপ নেয়।

ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত现场ে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গ্রেফতারকৃত কয়েকজনের পরিচয় প্রকাশ না করা হলেও, তাদের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে বলে জানা যায়। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ভাঙচুর, সম্পত্তি ধ্বংস এবং অবৈধ লুটপাটের অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া, ঘটনার তদন্ত চলাকালীন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বিবৃতি সংগ্রহ করা হবে।

সিটি হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসক ও প্রশাসক ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করে, “আমাদের হাসপাতাল রোগীর সেবা ও স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। বিলের বিষয়ে কোনো ভুল বোঝাবুঝি হলে তা সমাধানের জন্য আমরা সবসময়ই প্রস্তুত। তবে, এ ধরনের হিংসাত্মক কাজ রোগী ও কর্মীদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলছে।” বলেন। তিনি আরও যোগ করেন, “পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে আমরা দ্রুতই এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সম্পন্ন করব এবং দায়ী ব্যক্তিদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করব।”

স্থানীয় বাসিন্দা ও রোগীরাও এই ঘটনার প্রতি শোক প্রকাশ করে। একজন রোগীর আত্মীয় বলেন, “বিলের ওপর আমাদের অসন্তোষ ছিল, তবে এভাবে হিংসা করা কখনোই সমাধান নয়। আমরা আশা করি কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটে।” পুলিশ কর্মকর্তার মতে, এই ধরনের ঘটনা রোধে হাসপাতাল ও রোগীর মধ্যে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং বিল সংক্রান্ত নীতি স্পষ্ট করা জরুরি। বর্তমানে, সিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিলের ছাড়ের নীতি পুনর্বিবেচনা করার কথা জানিয়েছে, যাতে রোগীর আর্থিক বোঝা কমে এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ বিরোধ এড়ানো যায়।

সর্বশেষ
শ্রমিক বিক্ষোভে সাভার-আশুলিয়ায় রণক্ষেত্র, ওসির গাড়িতে আগুন ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে পরীক্ষার ফল নিয়ে হতাশায় স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা বিলের ছাড় নিয়ে বিরোধে মোহাম্মদপুরের সিটি হাসপাতালে ভাঙচুর ডিসেম্বরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, জানুয়ারি থেকে কার্যকর শক্তি সংকটে সাভার‑আশুলিয়া শিল্পে শতাধিক গার্মেন্ট কারখানা বন্ধ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ জানালেন কারণ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগীয় প্রধানের বৈঠক সন্তান বড় হওয়ার সাথে কি দূরত্ব বাড়ছে? অভিভাবকত্বের নতুন সংকট ইউরোপের আকাশে উড়োজাহাজে বোমার হুমকি, ব্যাপক আতঙ্ক ডেমোক্র্যাটদের কংগ্রেস নিয়ন্ত্রণে কী কী পদক্ষেপ সম্ভব ‘আমি সহজে ক্লান্ত হই না’ শিরোনামের নতুন ভিডিও প্রথম আলোতে প্রকাশ
Advertisement