খুঁজুন
সোমবার, ১৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে গেছে সিনেমা হলের সোনালী দিন

রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে গেছে সিনেমা হলের সোনালী দিন

‘চলিতেছ… চলিতেছে..’ এবং পরবর্তী আকর্ষণ ‘আসিতেছে….’ আসিতেছে…’  সাথে ছায়াছবির সংলাপ। একসময়ে ছোট-বড় সব বয়সী মানুষের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম ছিল সিনেমা হল। তখন মানুষ পরিবার পরিজনসহ দল বেঁধে সিনেমা হলে সিনেমা দেখতে যেতো। কিন্তু বর্তমান আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় টেলিভিশন, ক্যাবল লাইন, স্মার্টফোন, ইন্টারনেটের দাপটে হারিয়ে গেছে সিনেমা হলের বড় পর্দায় সিনেমা দেখার পুরোনোঐতিহ্যের সোনালি সেই দিনগুলো।

নব্বইয়ের দশকে দর্শকদের কাছে সিনেমা হলে চলা সিনেমার বার্তা প্রচারের জন্য রিকশায় মাইক ঝুলিয়ে রিকশার দু’পাশে চাটাইয়ে পোস্টার ঝুলিয়ে এলাকার মূল সড়ক, গ্রাম-গঞ্জের বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার আনাছে-কানাছে, মাইকিংয়ে, মাইকিংয়ে ছিলো জাঁকজমকপূর্ণ। রিকশায় বসা মাইকিং ম্যানের কন্ঠে বিভিন্ন আওয়াজে ভেসে আসতো ফাইট, এ্যাকশান, সংলাপ, হাঁসি-কান্না, ও বাংলা ছায়াছবির গানের ফাঁকে, ফাঁকে বলা হতো- চলিতেছ… চলিতেছে.. এবং পরবর্তী আকর্ষণ আসিতেছে.. আসিতেছে.. ইত্যাদি। এছাড়াও বিভিন্ন ছায়াছবির পোস্টারিং ছিলো বিদ্যুতের খুটি, দেয়ালে, রাস্তার ধারে ধারির চাটাইয়ে। অথচ কালের বিবর্তনে আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন সেই আওয়াজ করা বাংলা ছায়াছবির মাইকিং আর শুনা যায় না। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখা হয় না বাংলা ছায়াছবির পোস্টারিং। হলগুলোতে তখন সময়ের কাটা হিসেব করে দিন-রাত চলতো একের পর এক শো। মর্নিং শো- দুপুর ১২ টায়, ইভিনিং শো- সন্ধ্যা ৬ টায় এবং রাত ১২ টায় নাইট শো চলতো হলগুলোতে। মফস্বলের হলগুলোতে বসার সিটগুলোকে তিন স্তরে ভাগ করা হতো (ডিসি, প্রথম শ্রেণি, দ্বিতীয় শ্রেণি) দর্শকের সংখ্যা বেশি হলে কখনো কখনো হলের সামনে সাইনবোর্ডে টানানো হতো হাউসফুল।

দর্শক, সিনেমা হল মালিক ও সিনেমা হল সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বললে তারা জানান, নব্বইয়ের দশক ছিলো বাংলা সিনেমার সোনালী যুগ। তবে সময়ের বিবর্তনে আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে গেছে বড় পর্দায় সিনেমা দেখার কদর, হারিয়ে গেছে সিনেমা হলের যৌবন-জৌলুশ। টেলিভিশন, মোবাইল, ইন্টারনেটের দাপটে দিন দিন দর্শক ভাটা পড়েছে এক সময়ের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম সিনেমা হলগুলোতে। ফলে অস্তিত্ব সংকটে পড়ছে সিনেমা হলগুলো আধুনিক যুগের স্রোতের সাথে তাল মিলাতে না পেরে বন্ধ হয়ে গেছে অধিকাংশ সিনেমা হল।

তারা বলেন, সিনেমা হলগুলো হারিয়ে যাওয়া মানে শুধু একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হারানো নয় বরং একটি ঐতিহ্য, একটি মিলনমেলা, একটি যুগের স্মৃতিকে হারিয়ে ফেলা। নতুন প্রজন্মের কাছে এই হলগুলোর অস্তিত্ব অজানাই থেকে যাচ্ছে। অথচ সংরক্ষণ ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে এগুলোকে ফিরিয়ে আনা যেতো নতুন রূপে, নতুন প্রাণে।

বারহাট্টা উপজেলা সদরের স্থানীয় বাসিন্দা ও সিনেমা প্রেমী মো. কামরুজ্জামান, বেলাল হোসেন, বাউসী এলাকার সাজ্জাদ মিয়া, মুকুল সরকার, বিক্রমশ্রী এলাকার জানু মিয়া, সাহতা এলাকার আক্কাস আলী, মনোরঞ্জন দাসের সাথে কথা বললে তারা সকালের সময়কে বলেন, আমাদের বারহাট্টায় একটি মাত্র সিনেমা হল ছিল (মাধবী) পরে মালিকানা পরিবর্তন হয়ে ‘আঁচল’ নাম হয়েছিল। এই সিনেমা হলটি শুধু বিনোদনের জায়গা ছিল না, ছিল মানুষের সম্পর্ক গড়ার কেন্দ্রস্থল। আমাদের মাঝে বন্ধুত্ব, প্রেম, পরিবার সবকিছুরই সূচনা হয়েছে এই হলকে কেন্দ্র করেই। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের বিনোদনের একমাত্র সিনেমা হলটির অস্তিত্ব বিলীন হয়ে বর্তমানে বসত বাড়িতে পরিনত হয়েছে।

তারা আরও বলেন, আমাদের উপজেলার অন্যতম পুরোনো ও জনপ্রিয় চলচ্চিত্র প্রদর্শন কেন্দ্র হিসাবে একটি মাত্র সিনেমা হল’ই ছিল। বারহাট্টার হল ছাড়াও পার্শ্ববর্তী উপজেলা মোহনগঞ্জে তিনটা হলে (দিলশাদ, মিতালী ও কংকন) এবং নেত্রকোনা শহরেরর দুইটা হলে (হাসনা, হেনা) পরবর্তীতে দুইটা মিলে হীরামন নামকরণ করা হয়। আমরা সমবয়সী বন্ধুরা মিলে সিনেমা দেখতে যেতাম হলগুলোতে। শুক্রবার থেকে শুরু করে ঈদ কিংবা পূজার ছুটিতে সিনেমা হলগুলোতে উপচে পড়ত দর্শকের ভিড়। সেইসব দিনে দর্শকেরা দেখতে পেতেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের সোনালি যুগের সিনেমার জনপ্রিয় জসিম, রাজ্জাক, আলমগীর, শাবানা, সুচরিতা, কবরী কিংবা আধুনিক যুগের মান্না, সালমান শাহ’র অভিনীত সিনেমা। সে সময়ে পরিবার, বন্ধু বা প্রতিবেশীদের সঙ্গে হলমুখী হওয়া ছিল এক সামাজিক মেলবন্ধনের উপলক্ষ্য। শুধু সিনেমা দেখা নয়, বরং এটি ছিল এক ধরনের আনন্দ উৎসব। কিন্তু সময় এখন বদলেগেছে।

উপজেলার রায়পুর গ্রামের রিকশা চালক মৌজ আলী (৭০), নিবারণ দাস (৭৫) ও ডেমুরা গ্রামের ভ্যান চালক নান্টু মিয়া, দশাল গ্রামের বাস হেলপার জজ মিয়া বলেন, আজ থেকে ৪০ বছর আগে সিনেমা হলের চারপাশে মানুষের ভীড় আর চিৎকার চেঁচামেচিই জানান দিতো সিনেমা হলে চলছে নতুন কোন ছবি। যার জন্য সিনেমা প্রেমী উৎসুক দর্শকের হৈ-হুল্লোড়ে মেতে থাকতো পুরো সিনেমা হলের আশপাশের এলাকা কিন্তু বর্তমানে সিনেমা হলগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন খুবই কষ্ট লাগে।

কথা হয় সত্তর বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী বিধান চন্দ্র দাসের সাথে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, একসময়ে বিশেষ কোনো উপলক্ষে বা বিশেষ ছবি মুক্তি পেলে দর্শকরা সিনেমা হলের টিকিট কাউন্টারে লাইন ধরত। টিকিট পেতেও অনেক কাঠখড় পোহাতে হয়েছে। সিনেমা শুরু হলে ছায়াছবির বিশেষ কোনো দৃশ্য পর্দায় ভেসে উঠলে করতালিতে ভরে যেত পুরো হল। ‘আগুনের পরশমণি’, ‘দাঙ্গা’, ‘বাবা কেন চাকর’, ‘জজ- ব্যারিস্টার’, ‘বেদের মেয়ে জোসনার মতো জনপ্রিয় ছবিতো দুই-তিন সপ্তাহ জুড়ে চলেছে। সেই সিনেমা হলগুলো তো এখন অস্তিত্বহারা। আঁচল, দিলশাদ, মিতালী, কংকন, হীরামন সিনেমা হলের মতো বেশিরভাগ সিনেমা হলই তো এখন বন্ধ হয়ে গেছে। আসলে দেশি সিনেমায়-ই তো এখন দুর্দিন চলছে।

পঞ্চাশোর্ধ বয়সী সিনেমাপ্রেমী ইকবাল মিয়া বলেন, বড় পর্দায় সিনেমা অনেক দেখেছি। টিকিট কেটে দেখেছি, টিকিট ছাড়াও দেখেছি যা এখন শুধুই স্মৃতি। আজও মনেপড়ে ঈদের দিন কিংবা শুক্রবারে একটি টিকিটের জন্য গরমে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়েছি। শতজনের পিছনে লাইনে থেকে ঘন্টা খানেক পর টিকিট পেয়ে আনন্দ পেয়েছি। ভীড়ের মধ্যে ছাড়পোকার কামড়ে সিনেমা দেখে ঘামে শরীর ভিজে একাকার হলে শার্ট খুলে চিপে আবার গায়ে দিয়েছি। কিন্তু শত কষ্ট হলেও সিনেমা দেখা বন্ধ করিনি। সেই সময়ের কষ্টের স্মৃতি আমাদের জীবনে মধুর আনন্দের স্মৃতি।

এই বেহাল দশা নিয়ে আঁচল সিনেমা হলের মেশিন অপারেটর খাদেম আলী জানান, আমি ৪০ বছর আগে সিনেমা হলের অপারেটরের কাজ করেছি। সিনেমা হলে দর্শক না আসায় সিনেমা হলটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমি এ পেশা ছেড়ে ঢাকাতে কোম্পানিতে কাজ করছি।

এই সিনেমা হলের আরেক স্টাফ গেটম্যান কার্তিক সরকার জানান, আমি.আঁচল সিনেমা হলে ৩৫ বছর চাকরি করেছি। পুরনো এই হলটা বন্ধ হয়ে গেছে। তাই জীবন চালাতে অন্য পেশা বেছে নিয়েছি।

বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক ফারুক বলেন, আজকের প্রযুক্তিনির্ভর যুগে আমরা হয়ত চাইলেই সিনেমা দেখতে পারি হাতে ধরা মোবাইলের পর্দায়। কিন্তু হলের অন্ধকার ঘরে একসঙ্গে শ’খানেক মানুষের হাসিকান্না ভাগ করে নেওয়ার যে অভিজ্ঞতা, তার তুলনা নেই। সেই অভিজ্ঞতা, সেই ঐতিহ্যই যেন হারিয়ে না যায় এটাই সময়ের দাবি।

চাঁদপুর ভূঁইয়ার ঘাট ডিঙ্গি মাঝি সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী, চাঁদপুর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
   
চাঁদপুর ভূঁইয়ার ঘাট ডিঙ্গি মাঝি সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন
চাঁদপুর ভূঁইয়ার ঘাট ডিঙ্গি মাঝি সমবায় সমিতি রেজি নং ৮৪০/চাঁদ ০৭ এর আগামী ৩ বছরের জন্য ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের বড় স্টেশন ভূঁইয়াঘাট নিজস্ব কার্যালয়ে কমিটি গঠন এর পূর্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতি করেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রধানীয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নিজাম মিজির পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সমিতির উপদেষ্টা সোলেমান প্রদানীয়া, মঞ্জিল হক খান, তফিল দেওয়ান, রহিম মিজি, সাবেক প্রচার সম্পাদক আলী হোসেন ও উপদেষ্টা মনির প্রধানীয়া।

আলোচনা সভা শেষে সমিতির সকল মাঝিদের সর্বো সম্মতিক্রমে ৬ সদস্য বিশিষ্ট ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রধানীয়া, সহ সভাপতি জয়দল প্রদানীয়া, সাধারণ সম্পাদক, নিজাম মিজি, যুগ্ম সম্পাদক শেকুল মোল্লা, কোষাধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন প্রদানীয়া ও প্রচার সম্পাদক বাসার দেওয়ান।

চাঁদপুরে সোনালী ব্যাংকের সিবিএ নেতা আবদুস সামাদ মিয়ার ইন্তেকাল—সহকর্মীদের মাঝে গভীর শোক

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী, চাঁদপুর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
   
চাঁদপুরে সোনালী ব্যাংকের সিবিএ নেতা আবদুস সামাদ মিয়ার ইন্তেকাল—সহকর্মীদের মাঝে গভীর শোক
সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়ীজ এসোসিয়েশন (সিবিএ) এর চাঁদপুর জেলা কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ আবদুস সামাদ মিয়া (৫১) আর নেই। তিনি হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, সোমবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তার মৃত্যু সংবাদে পুরো সোনালী ব্যাংক পরিবারসহ চাঁদপুরের সর্বস্তরের ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মোঃ আবদুস সামাদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সোনালী ব্যাংক সিবিএ’র বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন এবং সহকর্মীদের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি সততা, নিষ্ঠা ও মানবিক গুণাবলির জন্য সহকর্মীদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ছিলেন। কর্মক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা এবং সংগঠনী কাজে আন্তরিকতার কারণে তিনি সহকর্মী ও পরিচিত মহলে ছিলেন জনপ্রিয়।

তার মৃত্যুতে সোনালী ব্যাংক এমপ্লয়ীজ এসোসিয়েশন (সিবিএ) চাঁদপুর জেলা কমিটির সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান খান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

তারা বলেন, “মোঃ আবদুস সামাদ মিয়া ছিলেন সংগঠনের এক নিবেদিত প্রাণ। তার মতো একজন সৎ, পরিশ্রমী এবং অঙ্গীকারবদ্ধ নেতার মৃত্যু আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”

এদিকে, সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও মরহুমের পরিবারকে সমবেদনা জানাচ্ছেন। সবাই মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন।

চট্টগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

ইফতি হোসেন ,চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
চট্টগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় চট্টগ্রামে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে হযরত সুলতানুল আরেফিন বায়েজিদ বোস্তামী (রহ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। তারা বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশের শান্তি-উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন—

  • শিল্পী আবুল হাশেম আজাদ, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম) ও সভাপতি, জিসাস চট্টগ্রাম মহানগর

  • মোঃ নুন নবী, সিনিয়র সহ-সভাপতি, জিসাস চট্টগ্রাম মহানগর

  • মোঃ শাহ আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক, তাঁতীদল চট্টগ্রাম মহানগর

  • ফয়সাল মাহমুদ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল

  • মোর্শেদ আলম, সদস্য সচিব, বায়েজিদ থানা তাঁতীদল

  • তারেক সিদ্দিকী মুন্না, সাবেক সদস্য, বায়েজিদ থানা স্বেচ্ছাসেবক দল

  • মোঃ ওসমান গনি, নেতা, বায়েজিদ থানা যুবদল

  • তোফাজ্জল হোসেন সিদ্দিকী, নেতা, থানা শ্রমিকদল

  • গোলাম রাব্বানী ও আমিনুল ইসলাম মামুন

  • মোঃ ইফতি হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক, মহানগর জিসাস

  • মোহাম্মদ বুলবুল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর জিসাস

এছাড়া মহানগর ও বিভিন্ন থানা ইউনিট থেকে আরও নেতাকর্মী, সমর্থক এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষও মিলাদ ও দোয়ায় অংশগ্রহণ করেন।

মাহফিল শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।