খুঁজুন
, ,

চাঁদপুরে নতুন খাবারের আকর্ষণ ‘কাচ্চি ডাইন’ গ্রাহকদের ভিড় বেড়েই চলছে

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী-চাঁদপুর
প্রকাশিত: Monday, 1 December, 2025, 8:43 pm
চাঁদপুরে নতুন খাবারের আকর্ষণ ‘কাচ্চি ডাইন’ গ্রাহকদের ভিড় বেড়েই চলছে

চাঁদপুর শহরের খাদ্যপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন যে নামটি সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে, তা হলো ‘কাচ্চি ডাইন’। প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এটি শহরের অন্যতম জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মানসম্মত খাবার, চমৎকার পরিবেশ এবং সুলভ মূল্যের সমন্বয়ে ‘কাচ্চি ডাইন’ শহরের খাদ্যরসিকদের কাছে এক বিশেষ অভিজ্ঞতার জায়গা করে নিয়েছে।
স্বাদে, গন্ধে আর পরিবেশনে অনন্য এই রেস্টুরেন্টের কাচ্চি বিরিয়ানি ইতোমধ্যে শহরজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

রেস্তোরাঁটিতে প্রতিদিনই ভিড় জমে বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষদের, ব্যবহৃত উপকরণের মান, সাজানো-গোছানো পরিবেশ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা গ্রাহকদের সন্তুষ্টির মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। শহরের তরুণ-তরুণী, পরিবার কিংবা অফিসের আড্ডা সবার জন্য এটি এখন এক নির্ভরযোগ্য গন্তব্য।

শুধু বিক্রির অংক নয়, ক্রেতাদের সন্তুষ্টিই এখন ‘কাচ্চি ডাইন’-এর সবচেয়ে বড় সাফল্য। শহরের ভোজনরসিকরা জানাচ্ছেন, কাচ্চির হালকা মসলার সুবাস, নরম মাংস ও দমে রাঁধা বাসমতী চালের নিখুঁত মিশ্রণ তাদের মন জয় করে নিয়েছে।

স্থানীয় কলেজ ছাত্র রিফাত হোসেন বলেন, “চাঁদপুরে অনেক জায়গায় কাচ্চি খেয়েছি, কিন্তু কাচ্চি ডাইনের কাচ্চিতে এক আলাদা স্বাদ আছে। দাম অনুযায়ী মানও চমৎকার।”

একই মত প্রকাশ করেন ব্যবসায়ী ফারহানা লিজা। তিনি বলেন, “পরিবার নিয়ে এখানে বেশ কয়েকবার খেয়েছি। স্বাদ, পরিবেশন আর সেবার মান—সব মিলিয়ে একেবারে সন্তোষজনক।”

রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ জানান, নরম-ঝরঝরে মাংস, সুগন্ধি বাসমতী চাল এবং ঐতিহ্যবাহী মসলার সমন্বয়ে প্রস্তুত তাদের বিশেষ কাচ্চি শহরের কাচ্চিপ্রেমীদের কাছে ইতোমধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। প্রতিদিন দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের দীর্ঘ সারি দেখা যায় রেস্টুরেন্টের সামনে। মান বজায় রাখাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, তারা প্রতিদিনই মানসম্মত উপকরণ দিয়ে কাচ্চি প্রস্তুত করছেন এবং গ্রাহকদের সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। আর সেই সন্তুষ্টি যেন গ্রাহকদের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ছে। আর
গ্রাহকদের চাহিদা প্রত্যাশার চেয়েও বেশি হওয়ায় প্রতিদিনই অতিরিক্ত প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। তবুও মানুষের ভালোবাসা ও আগ্রহ তাদের আরও উৎসাহিত করছে। ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা দেখে তারা ভবিষ্যতে আরও খাবার আইটেম যুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন।

চাঁদপুরের খাদ্য বাজারে প্রতিযোগিতা থাকলেও, ‘কাচ্চি ডাইন’ খুব অল্প সময়েই ভোজনরসিকদের আস্থা অর্জন করেছে। স্বাদের এই সাফল্য ধরে রাখতে তারা মানসম্মত খাবার পরিবেশনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।

শহরের অনেকে বলছেন, চাঁদপুরে মানসম্মত কাচ্চির যে অভাব ছিল, ‘কাচ্চি ডাইন’ সেটাই পূরণ করেছে। আর তাই রেস্তোরাঁটির সামনে প্রতিদিনই দেখা যায় ভিড়ের চিত্র।

চাঁদপুর শাখার উদ্বোধন উপলক্ষে ঘোষণা করা হয়েছে স্পেশাল র‌্যাফেল ড্র অফার। ২৪ নভেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫০০ টাকা বা তার বেশি টাকার খাবার নিলেই মিলবে একটি টোকেন। ৩১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে জমকালো র‌্যাফেল ড্র।

পুরস্কারসমূহ—
১ম পুরস্কার: মোটরসাইকেল, ২য়: ফ্রিজ, ৩য়: টিভি, ৪র্থ: স্মার্টফোন, ৫ম: চার্জার ফ্যান।

উল্লেখ্য: রেস্টুরেন্টের এই সাফল্য শুধুমাত্র ভালো খাবারের কারণে নয়, বরং ভোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা প্রদানের কারণে। শহরের খাদ্যপ্রেমীরা ইতোমধ্যেই এটি তাদের প্রিয় খাবারের গন্তব্য হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

দৌড়ের ছন্দে ঠাকুরগাঁও—রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Friday, 28 August, 2026, 4:13 pm
   
দৌড়ের ছন্দে ঠাকুরগাঁও—রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:  দৌড় শুধু শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য নয়। কখনো কখনো দৌড় হয়ে ওঠে মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধন তৈরির ভাষা। আর সেই দৌড়ের ছন্দেই এবার এক হলো দেশের ৩০ জেলার মানুষ।

রাষ্ট্রপতির জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত হলো হাফ ম্যারাথন। যে আয়োজন উৎসর্গ করা হয়েছে বাংলাদেশের ২৩ তম নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। স্বাস্থ্য, সম্প্রীতি আর বন্ধুত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া এই আয়োজন ঘিরে ঠাকুরগাঁওয়ে ছিল উৎসবের আমেজ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরের আলো তখনও পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েনি। নীরব শহরটায় হঠাৎই যেন ছন্দের জন্ম হলো। আব্দুর রশিদ ডিগ্রী কলেজ থেকে  কেউ ছুটছেন নিজের রেকর্ড ভাঙতে, কেউ ছুটছেন সুস্থ থাকার প্রত্যয়ে।

আবার কারও কাছে—এই দৌড়, মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধুত্বের এক নতুন গল্পের সূচনা। দেশের ৩০ জেলা থেকে আসা দৌড়বিদদের পদচারণায় মুখর ঠাকুরগাঁও।

ম্যারাথনে অংশ নেয়া ঢাকা থেকে আসা কিশোরী জিন্নাথ পারভীন বলেন, এ ম্যারাথন শুধুই একটি প্রতিযোগিতা নয় একটি জেলার সঙ্গে আরেকটি জেলার,

একজন মানুষের সঙ্গে আরেকজন মানুষের হৃদয়ের সংযোগ। ‘সুস্থতা, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের জয়গানে’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও রানার্সের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে ‘ঠাকুরগাঁও হাফ ম্যারাথন ২০২৬’। আর আয়োজনটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে মেসার্স গার্ডেনিয়া। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি আবেগের গল্প। রাষ্ট্রপতির জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত এই হাফ ম্যারাথন উৎসর্গ করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে

আয়োজকদের ভাষ্য—একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে যেমন তিনি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছেন, তেমনি খেলাধুলার সঙ্গেও রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক। সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়ামোদী রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান জানাতেই এই আয়োজনকে উৎসর্গ করা হয়েছে।

তরুন রানার এলিন খান বলেন,  একজন দৌড়বিদের কাছে প্রতিটি কিলোমিটার মানে নতুন এক চ্যালেঞ্জ। শ্বাস ভারী হওয়া।পা ক্লান্ত হয়ে যাওয়া। কিন্তু থেমে যাওয়া না। কারণ গন্তব্য শুধু ফিনিশিং লাইন নয়—গন্তব্য নিজের সীমাবদ্ধতাকে জয় করা। আর সেই জয়কে উদযাপন করতেই যেন একসঙ্গে ছুটছি আমরা।

তবে ঠাকুরগাঁওয়ের এই আয়োজনের গল্প শুধু দৌড়েই শেষ হয়নি। অতিথি ও দৌড়বিদদের মন প্রফুল্ল রাখতে তাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর প্রকৃতির সৌন্দর্য। আয়োজক কমিটি দৌড়ের পাশাপাশি দৌড়বিদদের ঘুরে দেখিয়েছে  ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলো। একদিকে শরীরচর্চা,

অন্যদিকে একটি জনপদকে নতুন করে চেনানোর প্রয়াস থেকেই এ উদ্যোগ নিয়েছে কমিটি।

একজন মানুষ যখন অন্য জেলার মাটিতে দৌড়ান,

তখন শুধু তার পায়ের ছাপ পড়ে না সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে পরিচয়, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসা। ঠাকুরগাঁও তাই এবার শুধু একটি ম্যারাথনের আয়োজক নয়;

৩২ জেলার মানুষের মিলনমেলারও সাক্ষী।

ঠাকুরগাঁও রানারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক নুর ই শাহাদাত স্বজন বলেন, “আমরা চাই খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষকে একত্রিত করতে। রাষ্ট্রপতির জেলা হিসেবে ঠাকুরগাঁওকে সামনে তুলে ধরতে এবং তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতেই আমাদের এই আয়োজন।”

পরে দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে  বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন l ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন(ইএসডিওর) নির্বাহী পরিচালক ড. শহীদ উজ জামান। এ সময় শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বাবু

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 9:37 pm
   
ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বাবু

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবু সাঈদ নূর আলম বাবু। নতুন এই দায়িত্বের মধ্য দিয়ে ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনে সংগঠিত ও নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রমের পথ আরও সুগম হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ পরিষদ গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবু সাঈদ নূর আলম বাবুর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় উপজেলার ক্রীড়াপ্রেমী ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন নেতৃত্বে ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন বাড়ানোর পাশাপাশি ইউনিয়ন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করা সম্ভব হবে।

ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত প্রতিযোগিতা, প্রশিক্ষণের সুযোগ এবং খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে ভূল্লী উপজেলা থেকেই ভবিষ্যতে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের মানসম্পন্ন খেলোয়াড় তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাখার সুযোগ তৈরি হবে।

ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নূর আলম বাবু বলেন, “আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করব। সকলের সহযোগিতা নিয়ে ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও প্রাণবন্ত ও সমৃদ্ধ করতে চাই। তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা, নিয়মিত প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হবে আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভূল্লী উপজেলা থেকে ভবিষ্যতে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের ভালো মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে আশা করি।”

ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন বলেন, “ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নূর আলম বাবুর নেতৃত্বে বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়দের সম্পৃক্ত করে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ক্যাসিনো সম্রাট নূর আলম গ্রেপ্তার

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 3:16 pm
   
ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ক্যাসিনো সম্রাট নূর আলম গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. নূর আলম (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত ২৭ আগস্ট রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার নূর আলম ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার হাজীপাড়া-শিলুলতলা এলাকার মো. সুফিয়ার রহমানের ছেলে। ডিবি পুলিশ জানায়, তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ক্যাসিনো সংক্রান্ত ২০টি অ্যাপ পাওয়া গেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নূর আলমের বিরুদ্ধে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা রয়েছে। ওই মামলায় এর আগে তাকে রংপুরে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ডিবি পুলিশ আরও জানায়, নূর আলম রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও এলাকায় অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার বিস্তার ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬ অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে। অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনো কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।