খুঁজুন
, ,

স্মৃতিতে অম্লান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস

আলোকিত সারাদেশ
প্রকাশিত: Friday, 23 January, 2026, 9:36 pm
স্মৃতিতে অম্লান মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস

বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের বাঁকগুলোতে এমন কিছু মানুষের দেখা মেলে, যাঁদের জীবন ও কর্ম একটি দেশ ও জাতির পরিচয়ের সাথে সমান্তরালভাবে মিশে যায়। তেমনই একজন বহুমাত্রিক ও ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব ছিলেন প্রয়াত মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস। আজ ২৫শে জানুয়ারি তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৪৯ সালের ৪ঠা মার্চ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া এই মহামানব তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনে একাধারে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তা, সফল শিল্প উদ্যোক্তা এবং নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক।

 

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায়। দেশের টানে নিজের প্রাণ বাজি রেখে সম্মুখ সমরে অংশ নিয়েছিলেন এই অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার পর তিনি জাতির সেবায় যোগ দেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে। একজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর কর্মজীবন ছিল সততা, সাহস ও শৃঙ্খলার এক অনন্য উদাহরণ। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তাঁর আপসহীন ভূমিকা আজও পুলিশ প্রশাসনে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়।

বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক শিল্পকে বিশ্বদরবারে সুসংগঠিত করতে মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস যে দূরদর্শিতা দেখিয়েছেন, তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। দেশের ‘সুয়েটার্স শিল্পের পথিকৃৎ’ হিসেবে তাঁর হাত ধরেই এই খাতের বাণিজ্যিক অগ্রযাত্রা শুরু হয়। বিজিএমইএ-র সভাপতি হিসেবে তিনি যখন দায়িত্ব পালন করেন, তখন বাংলাদেশের পোশাক খাত এক কঠিন সময় পার করছিল। বিশেষ করে, তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এ শিল্প থেকে শিশু শ্রম নির্মূলের ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়, যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতাকে আমূল বদলে দিয়েছিল।

উদ্যোক্তা হিসেবে তাঁর প্রতিভা শুধু পোশাক শিল্পেই সীমাবদ্ধ ছিল না। দেশের বীমা খাতকে গণমানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন রূপালী ইন্স্যুরেন্স ও সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড। আধুনিক ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা এবং গ্রাহকসেবার মাধ্যমে তিনি এই খাতকে একটি শক্তিশালী কাঠামোর ওপর দাঁড় করান। তাঁর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো আজ হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান ও আর্থিক নিরাপত্তার ভরসাস্থল।

ব্যক্তিজীবনে মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী ও মানবিক। প্রচারের আড়ালে থেকে তিনি অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছেন। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার প্রসারে তাঁর অবদান ছিল অবারিত। বিশেষ করে তাঁর নিজ এলাকা কুমিল্লার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তিনি যে অবদান রেখেছেন, তা যুগ যুগ ধরে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবে।

২০২৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি এই মহৎপ্রাণ ব্যক্তিত্ব আমাদের ছেড়ে চলে যান। আজ তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা শুধু একজন মানুষকে হারাইনি, হারিয়েছি এক দিকপালকে। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ, দেশপ্রেম এবং ত্যাগের মহিমা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে। মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস কোনো একক ব্যক্তি নন, তিনি একটি আদর্শ, যিনি শিখিয়েছেন কীভাবে দেশ, সমাজ ও মানুষের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করতে হয়।

আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

 

সাইফুদ্দিন ইমন

পরিচালক ( অপারেশন্স)

মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস ফাউন্ডেশন।

দৌড়ের ছন্দে ঠাকুরগাঁও—রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Friday, 28 August, 2026, 4:13 pm
   
দৌড়ের ছন্দে ঠাকুরগাঁও—রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:  দৌড় শুধু শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য নয়। কখনো কখনো দৌড় হয়ে ওঠে মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধন তৈরির ভাষা। আর সেই দৌড়ের ছন্দেই এবার এক হলো দেশের ৩০ জেলার মানুষ।

রাষ্ট্রপতির জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত হলো হাফ ম্যারাথন। যে আয়োজন উৎসর্গ করা হয়েছে বাংলাদেশের ২৩ তম নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। স্বাস্থ্য, সম্প্রীতি আর বন্ধুত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া এই আয়োজন ঘিরে ঠাকুরগাঁওয়ে ছিল উৎসবের আমেজ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরের আলো তখনও পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েনি। নীরব শহরটায় হঠাৎই যেন ছন্দের জন্ম হলো। আব্দুর রশিদ ডিগ্রী কলেজ থেকে  কেউ ছুটছেন নিজের রেকর্ড ভাঙতে, কেউ ছুটছেন সুস্থ থাকার প্রত্যয়ে।

আবার কারও কাছে—এই দৌড়, মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধুত্বের এক নতুন গল্পের সূচনা। দেশের ৩০ জেলা থেকে আসা দৌড়বিদদের পদচারণায় মুখর ঠাকুরগাঁও।

ম্যারাথনে অংশ নেয়া ঢাকা থেকে আসা কিশোরী জিন্নাথ পারভীন বলেন, এ ম্যারাথন শুধুই একটি প্রতিযোগিতা নয় একটি জেলার সঙ্গে আরেকটি জেলার,

একজন মানুষের সঙ্গে আরেকজন মানুষের হৃদয়ের সংযোগ। ‘সুস্থতা, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের জয়গানে’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও রানার্সের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে ‘ঠাকুরগাঁও হাফ ম্যারাথন ২০২৬’। আর আয়োজনটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে মেসার্স গার্ডেনিয়া। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি আবেগের গল্প। রাষ্ট্রপতির জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত এই হাফ ম্যারাথন উৎসর্গ করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে

আয়োজকদের ভাষ্য—একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে যেমন তিনি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছেন, তেমনি খেলাধুলার সঙ্গেও রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক। সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়ামোদী রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান জানাতেই এই আয়োজনকে উৎসর্গ করা হয়েছে।

তরুন রানার এলিন খান বলেন,  একজন দৌড়বিদের কাছে প্রতিটি কিলোমিটার মানে নতুন এক চ্যালেঞ্জ। শ্বাস ভারী হওয়া।পা ক্লান্ত হয়ে যাওয়া। কিন্তু থেমে যাওয়া না। কারণ গন্তব্য শুধু ফিনিশিং লাইন নয়—গন্তব্য নিজের সীমাবদ্ধতাকে জয় করা। আর সেই জয়কে উদযাপন করতেই যেন একসঙ্গে ছুটছি আমরা।

তবে ঠাকুরগাঁওয়ের এই আয়োজনের গল্প শুধু দৌড়েই শেষ হয়নি। অতিথি ও দৌড়বিদদের মন প্রফুল্ল রাখতে তাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর প্রকৃতির সৌন্দর্য। আয়োজক কমিটি দৌড়ের পাশাপাশি দৌড়বিদদের ঘুরে দেখিয়েছে  ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলো। একদিকে শরীরচর্চা,

অন্যদিকে একটি জনপদকে নতুন করে চেনানোর প্রয়াস থেকেই এ উদ্যোগ নিয়েছে কমিটি।

একজন মানুষ যখন অন্য জেলার মাটিতে দৌড়ান,

তখন শুধু তার পায়ের ছাপ পড়ে না সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে পরিচয়, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসা। ঠাকুরগাঁও তাই এবার শুধু একটি ম্যারাথনের আয়োজক নয়;

৩২ জেলার মানুষের মিলনমেলারও সাক্ষী।

ঠাকুরগাঁও রানারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক নুর ই শাহাদাত স্বজন বলেন, “আমরা চাই খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষকে একত্রিত করতে। রাষ্ট্রপতির জেলা হিসেবে ঠাকুরগাঁওকে সামনে তুলে ধরতে এবং তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতেই আমাদের এই আয়োজন।”

পরে দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে  বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন l ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন(ইএসডিওর) নির্বাহী পরিচালক ড. শহীদ উজ জামান। এ সময় শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বাবু

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 9:37 pm
   
ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বাবু

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবু সাঈদ নূর আলম বাবু। নতুন এই দায়িত্বের মধ্য দিয়ে ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনে সংগঠিত ও নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রমের পথ আরও সুগম হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ পরিষদ গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবু সাঈদ নূর আলম বাবুর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় উপজেলার ক্রীড়াপ্রেমী ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন নেতৃত্বে ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন বাড়ানোর পাশাপাশি ইউনিয়ন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করা সম্ভব হবে।

ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত প্রতিযোগিতা, প্রশিক্ষণের সুযোগ এবং খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে ভূল্লী উপজেলা থেকেই ভবিষ্যতে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের মানসম্পন্ন খেলোয়াড় তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাখার সুযোগ তৈরি হবে।

ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নূর আলম বাবু বলেন, “আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করব। সকলের সহযোগিতা নিয়ে ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও প্রাণবন্ত ও সমৃদ্ধ করতে চাই। তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা, নিয়মিত প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হবে আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভূল্লী উপজেলা থেকে ভবিষ্যতে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের ভালো মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে আশা করি।”

ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন বলেন, “ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নূর আলম বাবুর নেতৃত্বে বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়দের সম্পৃক্ত করে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ক্যাসিনো সম্রাট নূর আলম গ্রেপ্তার

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 3:16 pm
   
ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ক্যাসিনো সম্রাট নূর আলম গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. নূর আলম (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত ২৭ আগস্ট রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার নূর আলম ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার হাজীপাড়া-শিলুলতলা এলাকার মো. সুফিয়ার রহমানের ছেলে। ডিবি পুলিশ জানায়, তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ক্যাসিনো সংক্রান্ত ২০টি অ্যাপ পাওয়া গেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নূর আলমের বিরুদ্ধে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা রয়েছে। ওই মামলায় এর আগে তাকে রংপুরে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ডিবি পুলিশ আরও জানায়, নূর আলম রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও এলাকায় অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার বিস্তার ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬ অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে। অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনো কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।