খুঁজুন
, ,

জেমস অ্যান্ডারসনের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন না করায় ল্যাঙ্কশায়ারের সমালোচনা করলেন ব্রড

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
জেমস অ্যান্ডারসনের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন না করায় ল্যাঙ্কশায়ারের সমালোচনা করলেন ব্রড

ইংলিশ ক্রিকেটের ইতিহাসে জেমস অ্যান্ডারসনের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ইংল্যান্ডের পেস বোলিং আক্রমণের প্রধান ভরসা ছিলেন এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে তার দাপট অব্যাহত ছিল। তবে সম্প্রতি ল্যাঙ্কশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের একটি সিদ্ধান্ত ক্রিকেট বিশ্বে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অ্যান্ডারসনের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের পথচলা শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্লাবটি। ল্যাঙ্কশায়ারের এমন সিদ্ধান্তে যারপরনাই ক্ষুব্ধ হয়েছেন অ্যান্ডারসনের দীর্ঘদিনের সতীর্থ স্টুয়ার্ট ব্রড। তিনি ল্যাঙ্কশায়ারের এই পদক্ষেপকে স্রেফ অসম্মানজনক বলে বর্ণনা করেছেন।

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে কাউন্টি ক্রিকেটে ল্যাঙ্কশায়ারের নতুন মৌসুমের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে। জানা গেছে, জেমস অ্যান্ডারসনের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। অথচ অ্যান্ডারসন শুধু ইংল্যান্ডের হয়েই নয়, কাউন্টি ক্রিকেটেও ল্যাঙ্কশায়ারের জার্সিতে বছরের পর বছর ধরে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে এসেছেন। একজন খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ারের এমন পর্যায়ে এসে ক্লাব কর্তৃক চুক্তি বাতিলের বিষয়টি অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। বিশেষ করে যে মানের বোলার অ্যান্ডারসন, তার বিদায়টা আরেকটু সম্মানজনক হওয়া উচিত ছিল বলে মনে করছেন ক্রিকেট বোদ্ধারা।

স্টুয়ার্ট ব্রড, যিনি অ্যান্ডারসনের সঙ্গে জুটি বেঁধে বিশ্ব ক্রিকেটে বহু রেকর্ড গড়েছেন, তিনি এই ঘটনাটি জানার পরপরই নিজের ক্ষোভ চেপে রাখেননি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ক্রিকেট মহলে তিনি স্পষ্টভাবে তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ব্রডের মতে, অ্যান্ডারসন ল্যাঙ্কশায়ারের জন্য যা করেছেন, তাতে তার বিদায়টা এমন হওয়া একেবারেই উচিত হয়নি। ব্রড মনে করেন, ল্যাঙ্কশায়ার কর্তৃপক্ষের এই আচরণ কিংবদন্তি এই বোলারের প্রতি এক ধরনের অমর্যাদা প্রদর্শন। তার মতে, একজন খেলোয়াড় যিনি দীর্ঘ সময় ধরে ক্লাবের মর্যাদা রক্ষা করেছেন, তাকে কোনো ধরনের পূর্বালোচনা ছাড়াই এমনভাবে বিদায় জানানোটা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, জেমস অ্যান্ডারসন কেবল একজন বোলার নন, তিনি ল্যাঙ্কশায়ারের ইতিহাসের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনন্য সব মাইলফলক স্পর্শ করার পাশাপাশি কাউন্টি ক্রিকেটেও তিনি ছিলেন দলের প্রধান অস্ত্র। এমন একজন ক্রিকেটারের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন না করার বিষয়টি ল্যাঙ্কশায়ার কোন যুক্তিতে গ্রহণ করল, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ক্লাব কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি, যা পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ল্যাঙ্কশায়ারের দল পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই হয়তো এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বয়সের ভারে বা পারফরম্যান্সের বিচারে বিচার না করে, অ্যান্ডারসনের মতো একজন ক্রিকেটারের প্রতি যে পরিমাণ সম্মান প্রদর্শন করা প্রয়োজন ছিল, ল্যাঙ্কশায়ার তাতে ব্যর্থ হয়েছে বলেই মনে করছেন ব্রড। ক্রিকেটের অভিজাত এই খেলায় ক্লাব এবং খেলোয়াড়ের সম্পর্কটা কেবল চুক্তিভিত্তিক নয়, এটি অনেক ক্ষেত্রেই পারস্পরিক শ্রদ্ধার জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে। অ্যান্ডারসনের ঘটনাটি সেই শ্রদ্ধার জায়গাটিকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে।

সব মিলিয়ে, জেমস অ্যান্ডারসনের সঙ্গে ল্যাঙ্কশায়ারের এই বিচ্ছেদ কেবল একটি চুক্তি শেষ হওয়া নয়, বরং একটি যুগের অবসানের মতো ঘটনা। তবে সেই অবসানের সুরটা যে বড্ড বেসুরো এবং তিক্ত হয়েছে, তাতে সন্দেহ নেই। স্টুয়ার্ট ব্রডের এই সমালোচনার পর ল্যাঙ্কশায়ার কর্তৃপক্ষ নিজেদের অবস্থান নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায় কি না, তা দেখার অপেক্ষায় আছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। একইসঙ্গে অ্যান্ডারসন ভবিষ্যতে অন্য কোনো ক্লাবে যোগ দেবেন কি না, নাকি তিনিও সব ধরনের ক্রিকেট থেকে বিদায়ের পথে হাঁটবেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা-কল্পনা। আপাতত ক্রিকেট বিশ্বের নজর এখন ল্যাঙ্কশায়ারের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে।

ডিসেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুরের বিদ্যুৎ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
   
ডিসেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুরের বিদ্যুৎ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্রিডে সরবরাহের প্রস্তুতিতে অগ্রগতির কথা জানানো হয়েছে। তবে ডিসেম্বরের সম্ভাবনা এখনো নিশ্চিত সময়সূচি নয়।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ ডিসেম্বরেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে। ইউনিটটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং তা গ্রিডে সরবরাহের পথে প্রয়োজনীয় ফিজিক্যাল স্টার্টআপ-সংক্রান্ত অগ্রগতি হয়েছে। তবে ‘যেতে পারে’ কথাটি সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়; ডিসেম্বরেই সরবরাহ শুরু হবে—এমন নিশ্চিত ঘোষণা হিসেবে বিষয়টিকে দেখার সুযোগ নেই।

প্রথম ইউনিটকে ঘিরে এই অগ্রগতি প্রকল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা এবং সেই বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে পাঠানো একই ধাপ নয়। একটি কেন্দ্র উৎপাদনের উপযোগী পর্যায়ে পৌঁছানোর পরও গ্রিডে সরবরাহের আগে নির্ধারিত কারিগরি প্রস্তুতি ও যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রূপপুরের প্রথম ইউনিটের ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি হয়েছে। তবে কোন কোন পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে, কী কাজ বাকি আছে কিংবা পরবর্তী ধাপগুলোর সময়সীমা কী—এসব বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ফিজিক্যাল স্টার্টআপ বলতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্রম চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়কে বোঝায়। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এ ধরনের পর্যায়ে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ এবং নিরাপত্তা ও কারিগরি শর্ত পূরণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। তবে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে এই পর্যায়ের সুনির্দিষ্ট অবস্থা, কাজের অগ্রগতির মাত্রা কিংবা কোনো নির্দিষ্ট পরীক্ষার ফল সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। ফলে একটি ধাপের অগ্রগতিকে পুরো কেন্দ্রের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর সমান ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।

জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর অর্থ হলো উৎপাদিত বিদ্যুৎ দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হবে। গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাব্য সময় সামনে আসায় প্রকল্পটির পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে আগ্রহ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তবে সম্ভাব্য সময়ের সঙ্গে বাস্তব সরবরাহ শুরুর তারিখের পার্থক্য থাকতে পারে। কাজের অগ্রগতি, প্রয়োজনীয় যাচাই এবং প্রক্রিয়ার অন্যান্য শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত নির্দিষ্ট দিন বা সময় নিশ্চিত করে বলা যায় না। এ কারণে ডিসেম্বরের কথা সম্ভাব্য সময় হিসেবেই বিবেচনা করা প্রয়োজন।

প্রথম ইউনিটের অগ্রগতি প্রকল্পের একটি নির্দিষ্ট অংশের খবর; এটি থেকে দ্বিতীয় ইউনিটের অবস্থা বা পুরো বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনক্ষমতা সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। একইভাবে, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনার তথ্যের ভিত্তিতে সরবরাহের পরিমাণ, উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বা দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় এর প্রভাব নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। এসব বিষয়ে পরিষ্কার ধারণার জন্য ইউনিটের উৎপাদন শুরু, সরবরাহের মাত্রা এবং পরবর্তী কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত ও নিশ্চিত তথ্য প্রয়োজন।

রূপপুরের বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হলে তা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থায় নতুন একটি উৎস যোগ করবে—এটি সম্ভাব্য সরবরাহের অর্থ থেকে বোঝা যায়। তবে এর ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতি কতটা কমবে, কোন এলাকায় কীভাবে সরবরাহ বাড়বে কিংবা বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় কী পরিবর্তন আসবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। এমন প্রভাব নির্ভর করবে বাস্তবে কত বিদ্যুৎ উৎপাদিত ও সরবরাহ করা হচ্ছে এবং জাতীয় গ্রিডে তা কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে—সেসব বিষয়ের ওপর।

এখন মূল নজর থাকবে প্রথম ইউনিটের পরবর্তী কাজ এবং সম্ভাব্য সময়সূচির বাস্তবায়নের দিকে। ডিসেম্বরের মধ্যে গ্রিডে বিদ্যুৎ পাঠানোর সম্ভাবনা জানানো হলেও তার নিশ্চয়তা বা কার্যক্রমের বিস্তারিত সময়রেখা প্রকাশিত তথ্যে স্পষ্ট নয়। ফলে নতুন অগ্রগতিকে প্রকল্পের একটি আশাব্যঞ্জক ধাপ হিসেবে দেখা যেতে পারে, কিন্তু সরবরাহ শুরুর চূড়ান্ত ঘোষণা হিসেবে নয়। ইউনিটটি কখন গ্রিডে যুক্ত হবে, তা নিশ্চিত হবে পরবর্তী কারিগরি অগ্রগতি ও আনুষ্ঠানিক তথ্যের ভিত্তিতে।

‘এই লজ্জা আজীবন বয়ে বেড়াতে হবে’, শরীর প্রদর্শন বিতর্কে জাহ্নবী কাপুর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
   
‘এই লজ্জা আজীবন বয়ে বেড়াতে হবে’, শরীর প্রদর্শন বিতর্কে জাহ্নবী কাপুর

দক্ষিণী সিনেমা ‘পেদ্দি’-তে নারী চরিত্রের উপস্থাপনা ও কয়েকটি দৃশ্য নিয়ে বিতর্কের মধ্যে কথা বলেছেন অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর।

দক্ষিণী সিনেমা ‘পেদ্দি’-তে নারী চরিত্রের উপস্থাপনা নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যে মুখ খুলেছেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। ছবিটির কয়েকটি দৃশ্য ঘিরে শরীর প্রদর্শনের অভিযোগ ও আলোচনা সামনে এসেছে। এ প্রসঙ্গে জাহ্নবীর বক্তব্যের সঙ্গে ‘এই লজ্জা আজীবন বয়ে বেড়াতে হবে’ কথাটি আলোচনায় এসেছে।

বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ছবিতে নারী চরিত্রকে কীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, সেই প্রশ্ন। দৃশ্যগুলোর উপস্থাপনা নিয়ে আপত্তি উঠেছে—তবে কোন দৃশ্য, তার প্রেক্ষাপট কী, কিংবা দৃশ্যগুলো ছবির কাহিনিতে কী ভূমিকা রাখে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিতর্কের নির্দিষ্ট কারণ বা দৃশ্যের প্রকৃতি সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে আরও কিছু বলা যাচ্ছে না।

জাহ্নবী কাপুরের বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে তাঁর মন্তব্যের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ, বক্তব্যটি কোন পরিস্থিতিতে দেওয়া হয়েছে এবং তিনি বিতর্কের কোন নির্দিষ্ট দিক নিয়ে কথা বলেছেন—এসব তথ্যও স্পষ্ট নয়। তাই তাঁর কথার ব্যাখ্যা বা উদ্দেশ্য সম্পর্কে অনুমান করার সুযোগ নেই।

‘পেদ্দি’ দক্ষিণী সিনেমা হিসেবে পরিচিত হলেও ছবিটির নির্মাণ, কাহিনি, অভিনয়শিল্পীদের ভূমিকা কিংবা মুক্তির সময় নিয়ে এখানে নির্ভরযোগ্য বিস্তারিত তথ্য নেই। একইভাবে বিতর্কে ছবির নির্মাতা বা অন্য অভিনয়শিল্পীদের বক্তব্য, দর্শকদের প্রতিক্রিয়ার ধরন এবং ছবির দৃশ্যগুলো প্রকাশিত হয়েছে কি না—এসব বিষয়ও নিশ্চিত করা যায়নি।

নারী চরিত্রের উপস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে দৃশ্যের প্রেক্ষাপট, চরিত্রের ভূমিকা এবং নির্মাতাদের পরিকল্পনা—সবকিছু বিবেচনা করা জরুরি। কিন্তু ‘পেদ্দি’কে ঘিরে চলমান আলোচনার ক্ষেত্রে এসব তথ্য অনুপস্থিত থাকায় বিতর্কের পূর্ণ চিত্র তুলে ধরা সম্ভব নয়। জাহ্নবী কাপুরের বক্তব্যের বিস্তারিত জানা গেলে তাঁর মন্তব্যের তাৎপর্য এবং ছবির দৃশ্য নিয়ে ওঠা আপত্তির বিষয়টি আরও পরিষ্কার হতে পারে।

এ পর্যায়ে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, ‘পেদ্দি’-তে নারী চরিত্রের উপস্থাপনা ও কয়েকটি দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে এবং এ বিষয়ে জাহ্নবী কাপুর কথা বলেছেন। এর বাইরে নির্দিষ্ট দৃশ্য, বক্তব্যের পূর্ণ প্রেক্ষাপট কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না থাকায় সেগুলোকে ঘটনার অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে না।

ব্যাংকিং খাতের নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করলেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
   
ব্যাংকিং খাতের নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করলেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ

দেশের আর্থিক খাতের মূল চালিকাশক্তি হলো ব্যাংকিং ব্যবস্থা। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই খাতের যে করুণ দশা পরিলক্ষিত হচ্ছে, তা সচেতন মহলকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। জাতীয় অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে, ব্যাংকিং খাত এখন ধ্বংসের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। তার মতে, বিদ্যমান অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে এই খাতের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থাও তলানিতে ঠেকেছে।

দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকিং খাতে সুশাসনের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। ঋণখেলাপি সংস্কৃতির প্রসার, জালিয়াতি এবং বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা খাতটিকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিয়েছে। অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, দেশের অর্থনীতি ইতিমধ্যে অনেকটা লাইনচ্যুত হয়ে পড়েছে। যদি সময়মতো এবং কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করা যায়, তবে পুরো দেশের অর্থনীতি মারাত্মক বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত হতে পারে, যা অনেকটা নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার মতো আশঙ্কার সৃষ্টি করবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাংক খাতের এই অস্থিতিশীলতা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়, বরং এটি পুরো জাতীয় অর্থনীতির জন্য একটি অশনিসংকেত। অর্থ পাচারের মতো গুরুতর অপরাধগুলো নিয়ন্ত্রণে যথাযথ আইনি কাঠামো ও প্রয়োগের অভাব রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়ে তা আর ফেরত দিচ্ছেন না। এর ফলে ব্যাংকেরল তারল্য সংকট বাড়ছে এবং সাধারণ গ্রাহকদের আমানত ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহর এই সতর্কবাণী দেশের নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি বড় বার্তা বহন করে। ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা ছাড়া এই বিপর্যয় ঠেকানো অসম্ভব। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাবমুক্ত হয়ে যদি ব্যাংকগুলোতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা না যায়, তবে সংকট আরও ঘনীভূত হবে। অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে হলে ব্যাংকিং খাতের ওপর আস্থা ফিরিয়ে আনা অপরিহার্য।

দেশের আর্থিক খাতের এই নাজুক পরিস্থিতিতে এখন প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে এই খাতকে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। অনিয়ম রোধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদে পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা একটি জরুরি দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, পরিস্থিতি এখন এতটাই সংবেদনশীল যে, কালক্ষেপণ করার মতো সুযোগ খুব কমই রয়েছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, এখনই যদি লাগামহীন ঋন জালিয়াতি ও অর্থ পাচার বন্ধ করা না যায়, তবে দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর এর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

পরিশেষে, ব্যাংকিং খাতকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। জাতীয় অধ্যাপকের এই হুঁশিয়ারি যথাযথভাবে গুরুত্ব দিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করা হলে তা সংকট নিরসনে সহায়ক হতে পারে। দেশের স্বার্থেই ব্যাংকিং খাতে আমূল সংস্কার এখন সময়ের অন্যতম প্রধান প্রয়োজন।

সর্বশেষ
ডিসেম্বরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে রূপপুরের বিদ্যুৎ ‘এই লজ্জা আজীবন বয়ে বেড়াতে হবে’, শরীর প্রদর্শন বিতর্কে জাহ্নবী কাপুর ব্যাংকিং খাতের নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করলেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ জাপানি নাটকের বিষয়বস্তু নিয়ে বেইজিংয়ের কড়া আপত্তি ভুল তথ্যের মায়াজাল কাটাতে তরুণ প্রজন্মকে সচেতনতার বার্তা দিলেন ডা. জাহেদ নদীর স্রোত আর অভাবের লড়াই জয় করে জাতীয় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়ন লিকা কমনওয়েলথ কাবাডিতে আধিপত্য বিস্তার করে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ রাজধানীর ধলপুরে এসআরবির অভিযানে তরুণের মৃত্যু, স্বাধীন তদন্তের দাবি জানাল এইচআরএসএস তাহসিফ সাউরির মৃত্যু: তদন্তের আগে মন্তব্য করতে নারাজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন, স্বস্তি প্রকাশ ইসির
Advertisement