খুঁজুন
, ,

ছুটি শেষে কাল থেকে খুলছে স্কুল-মাদরাসা, কলেজে ক্লাস নভেম্বরে

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
ছুটি শেষে কাল থেকে খুলছে স্কুল-মাদরাসা, কলেজে ক্লাস নভেম্বরে

দীর্ঘ ছুটির পর আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মাদরাসাগুলো আগামীকাল সোমবার থেকে খুলছে। তবে কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে আগামী ১ নভেম্বর থেকে।

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও পাঠদান ও শিক্ষা কার্যক্রমের ব্যস্ততায় ফিরছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মাদরাসাগুলো আগামীকাল ২৬ অক্টোবর সোমবার থেকে নিয়মিত কার্যক্রম শুরু করবে। শিক্ষার্থীদের পদচারণায় আবারও মুখরিত হয়ে উঠবে ক্যাম্পাসগুলো। দীর্ঘ ছুটির আমেজ কাটিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আবারও শ্রেণিকক্ষে ফিরছেন, যা শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিদ্যালয় এবং মাদরাসার নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম আগামীকাল থেকেই পুনরায় শুরু হবে। এই দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর এখন স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী ক্লাসগুলো পরিচালনা করা হবে। নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের পড়ালেখার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা আরও কিছুদিন দীর্ঘ হচ্ছে। দেশের সরকারি ও বেসরকারি কলেজগুলোতে সরাসরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে আগামী ১ নভেম্বর। উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এই বর্ধিত সময়ের বিরতি শেষ হওয়ার পর নতুন করে পাঠদানের সময়সূচি পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১ নভেম্বরের আগেই কলেজ ক্যাম্পাসগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার কাজ সম্পন্ন করা হবে যাতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ পরিবেশে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে।

শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা করা হচ্ছে যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে এবং যে সময়টুকু ক্লাস বন্ধ ছিল, তার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে স্কুল ও মাদরাসার শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং সিলেবাস সম্পন্ন করার চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক ও কর্মচারীদেরও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রেখে শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ ছুটির পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সশরীরে ক্লাস শুরু হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস থাকলেও, শিক্ষার মান বজায় রাখা এবং পিছিয়ে পড়া সিলেবাস শেষ করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। আশা করা হচ্ছে, ১ নভেম্বর থেকে কলেজের কার্যক্রম শুরু হলে পুরো দেশের শিক্ষাব্যবস্থা আবারও পূর্ণগতিতে এগিয়ে যাবে।

টিভিতে আজ যেসব খেলা রয়েছে: এল ক্ল্যাসিকোর উত্তাপ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
   
টিভিতে আজ যেসব খেলা রয়েছে: এল ক্ল্যাসিকোর উত্তাপ

আজ ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য একটি ঘটনাবহুল দিন। ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এল ক্ল্যাসিকোতে মুখোমুখি হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা। পাশাপাশি ক্রিকেটের ময়দানেও রয়েছে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের হাতছানি।

অক্টোবরের পঁচিশ তারিখ, ২০২৬, বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের জন্য আজ এক বিশেষ দিন। ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ মাঠে গড়াচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দ্বৈরথ ‘এল ক্ল্যাসিকো’। স্প্যানিশ লা লিগার এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনা একে অপরের মুখোমুখি হতে চলেছে। সারা বিশ্বের ফুটবল অনুরাগী এবং সমর্থকরা এই লড়াইটি দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। মাঠের ফুটবলে কৌশলগত লড়াই এবং ব্যক্তিগত দ্বৈরথ সবমিলিয়ে ম্যাচটি ঘিরে দর্শকদের উত্তেজনা তুঙ্গে থাকে। ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের এই বিশেষ আসরটি কেবল স্পেনে সীমাবদ্ধ থাকে না, এর রেশ ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে ফুটবল দর্শকদের মাঝে।

ফুটবলের এই জাদুকরী লড়াই ছাড়াও আজ ক্রিকেটের মাঠেও রয়েছে বাড়তি আমেজ। ত্রিদেশীয় ক্রিকেট সিরিজের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে মাঠজুড়ে। বিশেষ করে পাকিস্তান এবং ইংল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচটি ক্রিকেটপ্রেমীদের বিশেষ নজর কেড়েছে। দুই শক্তিশালী দলের এই লড়াইয়ের দিকে ক্রিকেট বিশ্লেষক এবং ভক্তদের নজর রয়েছে। আধুনিক ক্রিকেটের গতিশীলতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে কীভাবে এই দুই দল নিজেদের শক্তিমত্তা প্রদর্শন করে, সেটি দেখার অপেক্ষায় রয়েছে সবাই। সিরিজের প্রতিটি ম্যাচের ফলাফল টুর্নামেন্টের সমীকরণে বড় ধরণের প্রভাব ফেলার ক্ষমতা রাখে, ফলে এই ম্যাচটি কোনোভাবেই হেলাফেলা করার মতো নয়।

আজকের দিনে খেলাধুলার এই সূচিগুলো নিশ্চিতভাবেই ক্রীড়াপ্রেমীদের টিভি সেটের সামনে বসিয়ে রাখবে। কর্মব্যস্ত দিনশেষে বিনোদনের খোরাক হিসেবে এই ম্যাচগুলো দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নেবে। ফুটবলের শৈল্পিক নান্দনিকতা এবং ক্রিকেটের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াইয়ে পূর্ণ আজকের দিনটি ক্রীড়াজগতে নিশ্চিতভাবেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। দর্শকদের সুবিধার্থে বিভিন্ন ক্রীড়া চ্যানেল এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে খেলাগুলো সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যারা মাঠে গিয়ে সরাসরি খেলা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না, তারা ঘরে বসেই প্রিয় দলের সমর্থন এবং খেলার প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে পারবেন।

ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্স, কৌশলগত পরিবর্তন এবং খেলার মাঠের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার লড়াইয়ে কে জয়ী হবে কিংবা পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডের ম্যাচে কোন দল এগিয়ে থাকবে, সেই জল্পনা-কল্পনা এখন তুঙ্গে। খেলার সব আপডেট এবং ধারাভাষ্য শোনার জন্য দর্শকরা আজকের সূচি অনুযায়ী নির্ধারিত চ্যানেলে চোখ রাখতে পারেন। সবকিছু মিলিয়ে আজকের দিনটি ক্রীড়ামোদীদের জন্য আনন্দ এবং উত্তেজনায় পরিপূর্ণ একটি দিন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জে নবজাতকের মৃত্যুতে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
   
নারায়ণগঞ্জে নবজাতকের মৃত্যুতে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায় একটি ক্লিনিকে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড়। অক্সিজেন দেওয়ার পরপরই শিশুটি নিস্তেজ হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ পরিবারের। এরপর অন্য হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসায় অবহেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সন্তানের মৃত্যুতে শোকে কাতর পরিবারের সদস্যরা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ঘটনার পর থেকেই এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগী পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, প্রসব বেদনা শুরু হওয়ার পর গর্ভবতী মাকে বন্দর এলাকার ময়না ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে ক্লিনিকের মালিক ও চিকিৎসক ময়না বেগমের তত্ত্বাবধানে নবজাতকের জন্ম হয়। জন্মের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকলেও হঠাৎ করেই তাকে অক্সিজেন দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন দায়িত্বরতরা। পরিবারের ভাষ্যমতে, অক্সিজেন মাস্ক পরানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই শিশুটির শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে এবং সে নিস্তেজ হয়ে পড়ে।

পরিবারের অভিযোগ, শিশুটি নিস্তেজ হয়ে পড়ার পর ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি, বরং পরিস্থিতি সামাল দিতে দায়সারা আচরণ করেছে। দ্রুত পরিস্থিতির ভয়াবহতা আঁচ করতে পেরে অভিভাবকরা শিশুকে দ্রুত অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেন। তবে দুর্ভাগ্যবশত সেখানে পৌঁছানোর আগেই শিশুটির অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। সেখানকার চিকিৎসকরা শিশুটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসার নামে এই অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, সঠিক সময়ে সঠিক সেবা না পাওয়া এবং অক্সিজেন দেওয়ার প্রক্রিয়াগত ত্রুটির কারণেই এই মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে পরিচিত ক্লিনিকটিতে এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে। কেন একজন সুস্থ নবজাতককে অক্সিজেন দিতে গিয়ে পরিস্থিতি জটিল হলো, তা নিয়ে এখন বড় ধরনের বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

এই ঘটনার সাথে জড়িত অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন ভুক্তভোগী পরিবারসহ স্থানীয় সচেতন মহল। চিকিৎসায় অবহেলা কোনোভাবেই কাম্য নয় উল্লেখ করে তারা সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এর আগেও বিভিন্ন সময় এই ক্লিনিকে চিকিৎসার মান নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠলেও এবার নবজাতকের মৃত্যুতে পুরো ঘটনাটি ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে।

এদিকে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ নিজেদের অবস্থান সাফাই করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচারের আশায় অটল। তাদের দাবি, যদি চিকিৎসার কোনো স্তরে অবহেলা প্রমাণিত হয়, তবে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও ক্লিনিক প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো পরিবারকে এমন নির্মমতার শিকার হতে না হয়। স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রশাসন এই বিষয়ে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করবে কি না, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে এই ক্লিনিকে চলমান চিকিৎসা কার্যক্রমের মান যাচাই করা হোক এবং ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করা হোক।

পূজার টানা ছুটি শেষে সচল ব্যাংক ও আর্থিক খাতের কার্যক্রম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
   
পূজার টানা ছুটি শেষে সচল ব্যাংক ও আর্থিক খাতের কার্যক্রম

শারদীয় দুর্গাপূজার টানা পাঁচ দিনের ছুটি শেষে আজ রবিবার থেকে আবারো প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে দেশের ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে। দীর্ঘ বিরতির পর লেনদেন শুরু হওয়ায় স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে কর্মচাঞ্চল্য।

শারদীয় দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি এবং সাপ্তাহিক ছুটির সমন্বয় শেষে আজ রবিবার সকাল থেকেই দেশের ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং পুঁজিবাজারের কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়েছে। টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর আজ থেকে ব্যাংকিং লেনদেনের পাশাপাশি শেয়ার বাজারের স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘ বিরতির পর অফিস পাড়ায় ফিরেছে চিরচেনা ব্যস্ততা। সরকারি ও বেসরকারি সকল অফিস-আদালত খুলতে শুরু করায় যাতায়াত ব্যবস্থাতেও বেড়েছে গাড়ির চাপ।

চলতি অক্টোবর মাসে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এর সাথে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা পাঁচ দিনের একটি দীর্ঘ বিরতি পেয়েছেন সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মীরা। উৎসবের আমেজ কাটিয়ে আজ কর্মস্থলে যোগ দিচ্ছেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ব্যাংকিং খাতের নথিপত্র এবং আর্থিক লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য আজ সকাল ১০টা থেকে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী গ্রাহকদের সেবা দেওয়া শুরু হয়েছে। ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে যে সব গ্রাহক জরুরি লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেননি, তারা আজ সকাল থেকেই ব্যাংক শাখাগুলোতে উপস্থিত হয়েছেন।

দেশের পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস হিসেবে আজ রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন শুরু হয়েছে স্বাভাবিক নিয়মে। লেনদেনের পাশাপাশি অন্যান্য দাপ্তরিক কার্যক্রমও এখন পুরোপুরি সচল হয়েছে। ছুটির কারণে জমে থাকা দাপ্তরিক কাজগুলো সম্পন্ন করার দিকেই আজ কর্মকর্তাদের বেশি মনোযোগ দিতে দেখা যাচ্ছে।

রাজধানী ঢাকা সহ সারাদেশের অফিসগুলোতে কর্মজীবী মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। উৎসবের লম্বা ছুটির পর কর্মজীবনে ফিরে আসা মানুষের মধ্যে কিছুটা ক্লান্তি থাকলেও দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রেখেই আজ থেকে কাজ শুরু হয়েছে। সবমিলিয়ে দীর্ঘ উৎসবের রেশ কাটিয়ে আর্থিক খাতসহ সব ধরণের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান আজ রবিবার থেকে পুনরায় তার পূর্ণ গতিতে ফিরে এসেছে। ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের পাশাপাশি সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ
Advertisement