খুঁজুন
, ,

কেনাকাটায় ক্যাশব্যাক: উৎসবের আমেজে সাশ্রয়ের সুযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
কেনাকাটায় ক্যাশব্যাক: উৎসবের আমেজে সাশ্রয়ের সুযোগ

দৈনন্দিন জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে কেনাকাটা। বিশেষ করে উৎসবের মৌসুম সামনে এলে মানুষের কেনাকাটার ধুম বেড়ে যায় বহুগুণ। আর এই কেনাকাটার সময় যদি খরচের কিছু টাকা ফেরত পাওয়া যায়, তবে তা ক্রেতাদের জন্য বাড়তি আনন্দের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বাজারে বর্তমানে এমন কিছু বিশেষ দিন বা মৌসুম রয়েছে, যা মূলত কেনাকাটায় টাকা ফেরতের সুযোগ বা ক্যাশব্যাক অফার কেন্দ্রিক। ক্রেতারা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একদিকে যেমন পছন্দের পণ্য কিনতে পারেন, অন্যদিকে সাশ্রয় করতে পারেন প্রয়োজনীয় অর্থ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের অফারগুলো মূলত বিপণিবিতান বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর কৌশলগত বিপণন পদ্ধতির অংশ। বিশেষ দিনগুলোতে কেনাকাটা করলে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রথাটি এখন বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। উৎসবের কেনাকাটা শুরুর আগে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বিক্রেতারা নানা ধরনের ছাড় ও ক্যাশব্যাকের ঘোষণা দিয়ে থাকেন। এতে ক্রেতারা যেমন সাশ্রয়ী হওয়ার সুযোগ পান, তেমনি বিক্রেতারাও তাদের পণ্যের বিক্রয় বাড়ানোর লক্ষ্য পূরণ করতে পারেন। প্রযুক্তি ও ই-কমার্সের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে অনলাইনে কেনাকাটার ক্ষেত্রে এই ধরনের ক্যাশব্যাক সুবিধা এখন অনেক বেশি সহজলভ্য হয়ে উঠেছে।

তবে ক্রেতাদের জন্য জরুরি বিষয় হলো, যেকোনো অফার লুফে নেওয়ার আগে তার শর্তাবলি ভালোভাবে পড়ে নেওয়া। অনেক সময় ক্যাশব্যাক পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ কেনাকাটা করা বা নির্দিষ্ট মাধ্যম ব্যবহার করার শর্ত থাকে। এছাড়া অফারটির মেয়াদ কতদিন এবং কীভাবে সেই টাকা ফেরত পাওয়া যাবে, সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন। উৎসবের আমেজে কেনাকাটা করতে গিয়ে যেন অপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনা না হয়, সেদিকেও নজর দেওয়া উচিত। সঠিক পরিকল্পনা করে কেনাকাটা করলে উৎসবের খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

মূলত ক্রেতাদের কেনাকাটার আনন্দ দ্বিগুণ করতে এবং সাশ্রয়ের একটি বাস্তব সুযোগ করে দিতেই এই বিশেষ দিনগুলোর আয়োজন করা হয়। বিশেষ দিনগুলোকে কেন্দ্র করে বিপণিবিতানগুলো নানা সাজে সেজে ওঠে এবং গ্রাহকদের জন্য বিশেষ উপহারের ব্যবস্থা রাখে। তাই কেনাকাটার পরিকল্পনা থাকলে এই ধরনের বিশেষ দিনের অফারগুলো সম্পর্কে আগে থেকে খোঁজখবর রাখলে তা বেশ লাভজনক হতে পারে। উৎসবের আনন্দ হোক কেনাকাটায় সাশ্রয়ী ও বুদ্ধিদীপ্ত।

রাজধানীর কদমতলীতে ট্রাকচাপায় দুই অটোরিকশাচালক নিহত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
রাজধানীর কদমতলীতে ট্রাকচাপায় দুই অটোরিকশাচালক নিহত

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই অটোরিকশাচালক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক ৩টার দিকে পোস্তগোলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অটোরিকশাচালক মো. জাহাঙ্গীর পোদ্দার (৪০) ও মো. জাকির হোসেন (৫০) ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে গিয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি অটোরিকশাকে চাপা দেয়। প্রচণ্ড গতির ট্রাকটির ধাক্কায় অটোরিকশা দুটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং এর চালকরা গুরুতরভাবে আহত হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা ছুটে এসে হতাহতদের উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পরে হতাহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে, তবে চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন কি না বা তাকে আটক করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহ দুটি হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনার পর ওই এলাকায় সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পোস্তগোলা এলাকাটি অত্যন্ত জনবহুল এবং এখানে সবসময় ভারী যানবাহনের চলাচল থাকে। অনেক সময় অনিয়ন্ত্রিত গতিতে যানবাহন চালানোর কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। কদমতলী থানার পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং পলাতক চালককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

সড়কে প্রাণহানির এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে নিহতের পরিবারগুলোতে। নিহতের স্বজনরা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভিড় করেছেন। অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা এই দুই চালকের মৃত্যুতে তাদের পরিবারের সদস্যদের কান্না যেন থামছেই না। দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

গাজীপুরের কারখানাগুলোতে কর্মচঞ্চল পরিবেশ, কাজে ফিরলেন শ্রমিকরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
গাজীপুরের কারখানাগুলোতে কর্মচঞ্চল পরিবেশ, কাজে ফিরলেন শ্রমিকরা

কয়েক দিনের টানা আন্দোলন ও উত্তেজনার পর গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলগুলোতে অবশেষে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেলার গুরুত্বপূর্ণ শিল্প এলাকাগুলোতে পোশাক কারখানাগুলোর শ্রমিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিতে দেখা গেছে। ন্যূনতম মজুরি কাঠামো সংশোধন এবং শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্ত করার মতো বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। কারখানাগুলোর সামনে শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের সেই ভিড় ও বিক্ষোভের পরিবর্তে আজ দেখা গেছে কাজে ফেরার ব্যস্ততা। গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল বিশেষ করে কালিয়াকৈর উপজেলার শফিপুর, চন্দ্রা ও পল্লী বিদ্যুৎ এলাকার পাশাপাশি মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস, কোনাবাড়ি, কাশিমপুর এবং সালনা এলাকার কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা যথাসময়ে উপস্থিত হয়ে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছেন। কারখানাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাড়তি সতর্কতার পাশাপাশি কর্তৃপক্ষের আন্তরিক প্রচেষ্টাও চোখে পড়ার মতো ছিল।

স্থানীয় শ্রমিক ও কারখানার একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শ্রমিকদের মধ্যে যেসব যৌক্তিক দাবি ছিল তা নিয়ে মালিকপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শ্রমিকরা জানিয়েছেন, তারা কাজ বন্ধ রেখে অচলাবস্থা তৈরি করতে চান না, তবে তাদের দাবিগুলোও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। কারখানার ভেতরে কাজের পরিবেশ স্বাভাবিক থাকায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই উৎপাদন কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়েছে। শ্রমিকদের কাজে ফেরার এই প্রবণতাকে এলাকার সামগ্রিক অস্থিরতা নিরসনের একটি ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে দেখছেন শিল্প মালিকরা। কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দেওয়ার ফলে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কেটে গিয়ে আবারও সচল হচ্ছে গাজীপুরের পোশাক শিল্প।

এর আগে, গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছিলেন, যার ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। তবে বুধবার রাত থেকেই পরিস্থিতির উন্নতি ঘটতে শুরু করে। বৃহস্পতিবার সকালের দিকে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হওয়ায় যান চলাচলও এখন নির্বিঘ্নে চলছে। স্থানীয় প্রশাসন ও শিল্প পুলিশ নিয়মিত টহল জোরদার রেখেছে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা নতুন করে তৈরি না হয়। শ্রমিকদের দাবি, আন্দোলন কোনো সমাধান নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমেই তাদের সমস্যার প্রকৃত সমাধান সম্ভব। আপাতত সব কারখানায় উৎপাদন স্বাভাবিক থাকায় মালিকপক্ষের স্বস্তি ফিরেছে এবং রপ্তানি বাণিজ্যে যে ঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কেটে গেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সব মিলিয়ে গাজীপুরের পোশাক শিল্পে এখন স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে।

শরতের ছুটি কাটাতে নর্থ নরফোকের নিরিবিলি নিসর্গ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
শরতের ছুটি কাটাতে নর্থ নরফোকের নিরিবিলি নিসর্গ

প্রাত্যহিক জীবনের যান্ত্রিকতা আর নগরের কোলাহল থেকে সাময়িক মুক্তি পাওয়ার জন্য অনেকেই এমন কোনো জায়গার খোঁজ করেন, যেখানে নিঃশ্বাস নেওয়ার মতো নির্মল পরিবেশ পাওয়া যায়। বিশেষ করে শরতের ছুটিগুলো যদি এমন কোথাও কাটানো যায়, যেখানে চারপাশ জুড়ে কেবল সবুজের সমারোহ এবং প্রকৃতির নিজস্ব ছন্দ, তবে তা মনে প্রশান্তি নিয়ে আসে। ইংল্যান্ডের নর্থ নরফোকের থর্নহ্যাম গ্রামের অদূরে ড্রোভ অর্চার্ডস তেমনই এক মনোরম স্থান, যা পর্যটকদের জন্য একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হতে পারে। এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য এবং নিরিবিলি পরিবেশ ছুটির দিনগুলোকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যথেষ্ট।

ড্রোভ অর্চার্ডস মূলত ফলের বাগান হিসেবে পরিচিত হলেও, এখানে আগত পর্যটকরা প্রকৃতির একেবারে কাছাকাছি থাকার সুযোগ পান। ফলের গাছের সারি আর তার মাঝখানে গড়ে ওঠা সবুজের আস্তরণ চোখের সামনে এক শান্ত দৃশ্য তৈরি করে। তবে এখানকার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো প্রাণিকুল ও প্রকৃতির সাথে সরাসরি সংযোগ। দিনের ব্যস্ততা শেষে সন্ধ্যা যখন নামে, তখন বাগানের শান্ত পরিবেশে ছোট ছোট বুনো হরিণদের অবাধ বিচরণ করতে দেখা যায়। এই দৃশ্যটি যারা প্রকৃতিপ্রেমী, তাদের জন্য দারুণ একটি অভিজ্ঞতা হতে পারে। হরিণের আনাগোনা এবং তাদের লাজুক চলাফেরা দেখার জন্য মানুষ দূরদূরান্ত থেকে এখানে ভিড় জমান।

থর্নহ্যাম গ্রামের কাছে অবস্থিত এই ড্রোভ অর্চার্ডস শুধু দিনের বেলাতেই নয়, রাতের বেলায়ও এক জাদুকরী আবহ তৈরি করে। রাতের আকাশ এখানে শহরের তুলনায় অনেক বেশি পরিষ্কার থাকে। মেঘমুক্ত আকাশে অসংখ্য তারার মেলা দেখার সুযোগ মেলে এখান থেকে। শহরের আলোক দূষণ থেকে দূরে থাকার কারণে রাতের আকাশকে তার আপন মহিমায় দেখা যায়, যা অনেকের কাছেই এক অপার্থিব ভালোলাগার অনুভূতি সৃষ্টি করে। সব মিলিয়ে প্রকৃতিপ্রেমী ও যারা একটু নিভৃতে সময় কাটাতে চান, তাদের জন্য এটি এক আদর্শ জায়গা।

এখানে থাকার জন্য আধুনিক বিলাসবহুল হোটেলের চেয়ে প্রকৃতির সাথে মানানসই কাঠামোর আয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে ফলের বাগানের এক কোণে অবস্থিত দ্য রেড কেবিন নামে পরিচিত কাঠের তৈরি ছোট কুটিরটি পর্যটকদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়। কাঠের এই ছোট্ট কেবিনে রাত কাটানো অনেকটা রূপকথার গল্পের মতো। এখানে অবস্থান করলে প্রকৃতির খুব কাছ থেকে সবকিছু উপভোগ করা সম্ভব হয়। কাঠের কেবিনের জানলা দিয়ে বাইরের গাছপালা আর বাগানের দৃশ্য দেখা যায়, যা পর্যটকদের নতুন এক মানসিক প্রশান্তি দেয়। যারা শরতের ছুটিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য নর্থ নরফোকের এই শান্ত গ্রাম এবং তার আশেপাশের নিসর্গ এক দারুণ পছন্দ হতে পারে। সব মিলিয়ে, হরিণের অবাধ বিচরণ এবং রাতের নিস্তব্ধ আকাশের বিশালতা উপভোগ করতে চাইলে নর্থ নরফোকের ড্রোভ অর্চার্ডস ভ্রমণের তালিকায় রাখা যেতেই পারে।

সর্বশেষ
রাজধানীর কদমতলীতে ট্রাকচাপায় দুই অটোরিকশাচালক নিহত গাজীপুরের কারখানাগুলোতে কর্মচঞ্চল পরিবেশ, কাজে ফিরলেন শ্রমিকরা শরতের ছুটি কাটাতে নর্থ নরফোকের নিরিবিলি নিসর্গ কেনাকাটায় ক্যাশব্যাক: উৎসবের আমেজে সাশ্রয়ের সুযোগ ইরানের সঙ্গে সংঘাত ও ইসরায়েলে সহায়তা বন্ধের প্রস্তাব নিয়ে তোলপাড় মার্কিন রাজনীতি চুলের যত্নে হলুদের ব্যবহার: কতটা কার্যকর আর কী নিয়ম? ইতালিতে কঠোর হচ্ছে অভিবাসন নীতি, বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সতর্কবার্তা হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে সিলেটে নতুন কৌশল বাংলাদেশের স্ত্রী ২-এর তুমুল সাফল্যের পর কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন শ্রদ্ধা কাপুর মায়ের শেষ বিদায়ে প্যারোলে মুক্তি পেলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা