খুঁজুন
, ,

ডেমোক্র্যাটরা কি ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ থামাতে পারবে?

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ
ডেমোক্র্যাটরা কি ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ থামাতে পারবে?

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি বিশাল জয়ের মাধ্যমে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পুনরায় অর্জন করেছে। এই ফলাফল নতুন কংগ্রেসকে জানুয়ারির শুরুর দিকে দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতি নিতে বাধ্য করবে, যা ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দুই বছরের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন রাজনৈতিক পরিবেশের সূচনা করবে।

ডেমোক্র্যাটদের হাতে এখন আইন প্রণয়ন ও তদারকি করার বিস্তৃত ক্ষমতা রয়েছে। কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্টের কোনো সামরিক অভিযান চালানো কঠিন হয়ে পড়বে, বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা বিবেচনা করলে। তাই ট্রাম্পের ইরান‑বিরোধী নীতি, যা পূর্বে কংগ্রেসের সমর্থন ছাড়াই চালু করা হয়েছিল, এখন নতুন কংগ্রেসের তীব্র পর্যালোচনার মুখে পড়বে।

বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন, ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসের প্রধান লক্ষ্য হবে ট্রাম্পের স্বয়ংক্রিয়ভাবে গৃহীত সামরিক পদক্ষেপগুলোকে সীমিত করা এবং কূটনৈতিক সমাধানের দিকে অগ্রসর হওয়া। তবে এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কংগ্রেসকে প্রথমে ট্রাম্পের বর্তমান সামরিক বাজেট ও ইরান‑বিরোধী নীতি সম্পর্কিত আইনগত কাঠামোকে পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

কংগ্রেসের নতুন সদস্যদের বেশিরভাগই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও মানবাধিকার সংক্রান্ত নীতিতে বেশি জোর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তারা ইরানের পারমাণবিক প্রোগ্রাম ও মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী কূটনৈতিক আলোচনার পক্ষে। এদিকে, ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানকে সরাসরি সামরিক হুমকি হিসেবে দেখছে এবং পূর্বে গৃহীত কিছু সশস্ত্র হুমকি পুনরায় চালু করার সম্ভাবনা রয়েছে।

ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে নীতি পরিবর্তন করা। যদিও কংগ্রেসের অধিকাংশ সদস্যই ট্রাম্পের নীতি সমালোচনামূলক, তবু প্রেসিডেন্টের সমর্থন ছাড়া কোনো বড় সামরিক পদক্ষেপের জন্য আইনগত অনুমোদন পাওয়া কঠিন। তাই ট্রাম্পের ইরান‑বিরোধী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে তাকে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে, যা তার স্বায়ত্তশাসনকে সীমাবদ্ধ করবে।

অধিকন্তু, ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসের অভ্যন্তরে কিছু মতবৈচিত্র্যও রয়েছে। কিছু সদস্য ইরান‑বিরোধী কঠোর নীতি বজায় রাখতে চান, অন্যরা কূটনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানকে অগ্রাধিকার দেন। এই অভ্যন্তরীণ মতবৈচিত্র্যই কংগ্রেসের নীতি গঠনে জটিলতা যোগ করবে।

সারসংক্ষেপে, ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসের হাতে ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ থামানোর সম্ভাবনা রয়েছে, তবে তা সম্পূর্ণভাবে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ ঐক্য, প্রেসিডেন্টের সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। ভবিষ্যতে কংগ্রেস কীভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবে, তা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামোর উপর গভীর প্রভাব ফেলবে।

মা-ছেলের স্বপ্নের শেষ: বাংলাদেশে ডাক্তারি শিক্ষার পথে গন্তব্যে মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
মা-ছেলের স্বপ্নের শেষ: বাংলাদেশে ডাক্তারি শিক্ষার পথে গন্তব্যে মৃত্যু

বুড়িচং উপজেলার কাবিলায় বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালবেলা এক দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। জম্মু-কাশ্মীরের নিঘাত বেগম তার পুত্র আদনান আলতাফকে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশে নিয়ে এসে, এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে তার অচেনা মৃত্যুর মুখোমুখি হন। নিঘাত বেগমের উদ্দেশ্য ছিল সন্তানকে স্থানীয় কোনো মেডিকেল কলেজে ভর্তি করে শেষ পর্যন্ত ডাক্তার হিসেবে সমাজের সেবা করতে দেখা, তবে তার স্বপ্নের পথে অপ্রত্যাশিত মেঘ ছায়া ফেলেছে।

মা ও পুত্রের যাত্রা শুরু হয়েছিল ভারতীয় রাজ্যের জম্মু-কাশ্মীর থেকে, যেখানে নিঘাত বেগমের পরিবার আর্থিকভাবে সীমিত ছিল। তিনি বাংলাদেশে সাশ্রয়ী শিক্ষার সুযোগের সন্ধানে ছিলেন, বিশেষ করে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার কাবিলা গ্রামকে লক্ষ্য করে। সেখানে পৌঁছে পুত্রকে স্থানীয় কোনো প্রাইভেট মেডিকেল কোর্সে ভর্তি করার পরিকল্পনা করা হয়। তবে, পুত্রের অজানা কারণে শারীরিক অবস্থা দ্রুত অবনতি ঘটায় এবং শেষ পর্যন্ত তার দেহের সঙ্গে মায়ের মুখোমুখি হওয়া হয়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় পুলিশ ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জানান, আদনান আলতাফের দেহে কোনো স্পষ্ট আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য পোস্টমর্টেম পরীক্ষা চালু করা হয়েছে। মায়ের মতে, পুত্রের শারীরিক অবস্থা হঠাৎ করে খারাপ হয়ে গিয়েছিল এবং তিনি কোনো চিকিৎসা সেবা নিতে পারেননি। নিঘাত বেগমের মুখে অশ্রু ভরা, তিনি বলেন, “আমি আমার সন্তানকে ডাক্তার বানাতে এখানে এসেছিলাম, কিন্তু তার শেষ দেখার সময়ই আমি তার জীবনের শেষ দেখেছি।”

স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাটিকে তদন্তের আওতায় রাখার কথা জানিয়েছে। কুমিল্লা জেলার পুলিশ প্রধান জানান, “মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য ফরেনসিক বিশ্লেষণ করা হবে এবং যদি কোনো অপরাধের ইঙ্গিত পাওয়া যায় তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” বর্তমানে মায়ের সঙ্গে লাশটি স্থানীয় হসপিটালের মরণোত্তর বিভাগে রাখা হয়েছে, এবং তিনি লাশ নিয়ে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এই ঘটনা দেশের অভিবাসী ও শিক্ষার্থী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে বিদেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি সেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এসেছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে নীতি নির্ধারণের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

নিঘাত বেগমের পরিবার এখন শোকাহত, তবে তিনি দাবি করছেন যে তার পুত্রের মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো সিদ্ধান্তে আসবেন না। তিনি আশা করছেন যে তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন হবে এবং সত্য উদ্ঘাটিত হবে, যাতে অন্য কোনো পরিবার একই দুঃখের মুখোমুখি না হয়।

কটিয়াদীতে সাবেক এমপি মেজর আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলা, ছুরিকাঘাতে আহত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:২৩ পূর্বাহ্ণ
   
কটিয়াদীতে সাবেক এমপি মেজর আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলা, ছুরিকাঘাতে আহত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সাবেক সংসদ সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জনের বড় ছেলে শাহরিয়ার জামানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত আটটার দিকে উপজেলার গচিহাটা বাজারে এই ন্যাক্কারজনক হামলার শিকার হন তিনি। দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে দ্রুত পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে। আহত শাহরিয়ার জামানের বয়স ৪০ বছর। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে গচিহাটা বাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন শাহরিয়ার জামান। এ সময় অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা অতর্কিতে তার ওপর হামলা চালায় এবং তাকে লক্ষ্য করে ছুরি চালায়। আকস্মিক এই হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। হামলাকারীরা মুহূর্তের মধ্যেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করায় তাদের তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। শাহরিয়ারের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। বর্তমানে চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। হামলার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। শত্রুতা বা অন্য কোনো কারণে এই হামলা চালানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কানাঘুষা চলছে। তবে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট ইউনিট দ্রুত তদন্ত কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনার স্থান পরিদর্শন করেছে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। হামলার পেছনে কারা জড়িত এবং কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধীদের খুঁজে বের করতে তারা তৎপরতা চালাচ্ছে। অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এলাকায় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে শাহরিয়ার জামান চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত ব্যক্তির স্বজনরা দ্রুত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে শাহরিয়ার জামান পরিচিত মুখ হওয়ায় এই হামলায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার বিস্তারিত আপাতত জানানো না হলেও খুব শীঘ্রই প্রকৃত রহস্য উন্মোচন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিহত শ্রমিক তৌফিককে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ক্ষতিপূরণের দাবি নাহিদ ইসলামের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:২৩ পূর্বাহ্ণ
   
নিহত শ্রমিক তৌফিককে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ক্ষতিপূরণের দাবি নাহিদ ইসলামের

গাজীপুরে চলমান শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিকের পরিবারকে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলও কনভেনশনের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের জোরালো দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি মনে করেন, শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং কোনো শ্রমিকের মৃত্যু কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তৌফিকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষ এবং পরবর্তীতে সহিংসতার ঘটনার প্রেক্ষাপটে নাহিদ ইসলাম বর্তমান পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের ওপর বলপ্রয়োগের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলন দমন করতে সরকারের পক্ষ থেকে যেভাবে শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। গণতান্ত্রিক পরিবেশে শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি উত্থাপনের অধিকার রয়েছে এবং সেই অধিকার রক্ষায় প্রশাসনকে সহনশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের সময় যারা গ্রেফতার হয়েছেন, তাদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। এছাড়া শ্রমিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক ও ভিত্তিহীন সব মামলা প্রত্যাহার করার দাবি জানান তিনি। তিনি মনে করেন, মামলা-হামলার ভয় দেখিয়ে শ্রমিকদের কণ্ঠরোধ করা সম্ভব নয় বরং এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সংকট নিরসনে সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার পথ খোলা রাখা এবং শ্রমিকবান্ধব সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান এনসিপি নেতা।

তৌফিকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের বিষয়ে তিনি বলেন, আইএলও কনভেনশনে শ্রমিকের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়ে যে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড রয়েছে, তা বাংলাদেশের আইন দ্বারাও স্বীকৃত। তৌফিকের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান কেবল মানবিক দায়বদ্ধতা নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের আইনি বাধ্যবাধকতার অংশ। তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

নিজের বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে নাহিদ ইসলাম শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আন্দোলন যেন কোনোভাবেই সহিংস রূপ না নেয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি এই ইস্যুতে রাজপথে সোচ্চার থাকবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। দেশের বর্তমান শিল্প পরিস্থিতিতে শান্তি বজায় রাখতে এবং শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সুসম্পর্ক পুনঃস্থাপনে সরকারকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সর্বশেষ
মা-ছেলের স্বপ্নের শেষ: বাংলাদেশে ডাক্তারি শিক্ষার পথে গন্তব্যে মৃত্যু কটিয়াদীতে সাবেক এমপি মেজর আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলা, ছুরিকাঘাতে আহত নিহত শ্রমিক তৌফিককে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ক্ষতিপূরণের দাবি নাহিদ ইসলামের দফতর ছাড়লেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার জাতীয় নাগরিক পার্টি ও জামায়াতের জোটে কি ভাঙন? রাজনৈতিক মহলে অস্বস্তি অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে গুরুত্ব দিয়ে ১৪টি জেলা চিহ্নিত করল সরকার সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে সহজ অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব হামের টিকা সংগ্রহ ও বিতরণে অনিয়ম তদন্তে উচ্চ পর্যায়ের কমিশন গঠন শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ মজুরি বোর্ডের ওপর আস্থা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী গ্রেফতার