খুঁজুন
, ,

চুয়েটে স্বাভাবিক হচ্ছে একাডেমিক পরিবেশ: মঙ্গলবার থেকে ফিরছেন শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
চুয়েটে স্বাভাবিক হচ্ছে একাডেমিক পরিবেশ: মঙ্গলবার থেকে ফিরছেন শিক্ষার্থীরা

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ক্যাম্পাসে বিরাজমান অস্থিরতা কাটতে শুরু করেছে। শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন ও ক্লাস বর্জনের কর্মসূচি শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি পুনরায় শিক্ষার স্বাভাবিক ধারায় ফিরছে। দীর্ঘ এক দিনের একাডেমিক শাটডাউন শেষে শিক্ষার্থীরা আগামী মঙ্গলবার অর্থাৎ ৩ নভেম্বর থেকে পুনরায় তাদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে ফিরছেন। এর ফলে ক্যাম্পাসজুড়ে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল, তা নিরসনের পথ তৈরি হয়েছে এবং শিক্ষার্থীরা আবারও পড়াশোনায় মনোনিবেশ করার সুযোগ পাচ্ছেন।

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল গত সোমবার, যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে একটি জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য যখন ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক দায়িত্বে সরাসরি অনুপস্থিত ছিলেন, তখন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেনকে রুটিন দায়িত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া ও দায়িত্ব হস্তান্তরের ধরনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দানা বেঁধে ওঠে। শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে একাডেমিক শাটডাউনের ডাক দেন। এটি ছিল এক ধরনের সর্বাত্মক কর্মসূচি, যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, ল্যাবরেটরি এবং প্রশাসনিক বিভিন্ন কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল। শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নিয়মমাফিক দায়িত্ব বণ্টন নিশ্চিত করা, যা একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য অপরিহার্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের শাটডাউন শিক্ষার্থীদের দীর্ঘমেয়াদী একাডেমিক ক্যালেন্ডারকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ঝুঁকি তৈরি করে। প্রকৌশল শিক্ষায় ল্যাব ও থিওরি ক্লাসগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো দিন ক্লাস বন্ধ থাকলে তার প্রভাব সরাসরি ল্যাব রিপোর্ট এবং সেমিস্টারের সিলেবাসের ওপর পড়ে, যা পরে সেশন জটের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এসব বিষয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা দ্রুত পরিস্থিতি উত্তরণের পথ খুঁজছিলেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে যে দায়িত্বশীলতার পরিচয় পাওয়া গেছে, তাতে বিষয়টি দীর্ঘায়িত হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের আলোচনার পর শিক্ষার্থীরা তাদের ক্লাস বর্জন কর্মসূচি প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং মঙ্গলবার থেকে পুনরায় একাডেমিক কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা দেন।

মঙ্গলবার সকাল থেকে ক্যাম্পাসজুড়ে শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতি থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিক্ষকরাও তাদের নিয়মিত পাঠদান প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তারা চান শিক্ষা কার্যক্রমের যেন কোনো ব্যাঘাত না ঘটে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে সব একাডেমিক কার্যক্রম সচল হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং ক্যাম্পাসে যেন আর কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে ব্যাপারে তারা অত্যন্ত সচেষ্ট রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের এই প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে চুয়েট ক্যাম্পাস পুনরায় শিক্ষার পরিবেশ ফিরে পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী। একাডেমিক শাটডাউন শেষ হওয়াটা শুধু শিক্ষার্থীদের জন্যই নয়, বরং সামগ্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক। শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং ক্যাম্পাসের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এখন সবার প্রধান লক্ষ্য। আশা করা যাচ্ছে, মঙ্গলবার থেকে প্রতিটি বিভাগে পুরোদমে ক্লাস ও পরীক্ষা শুরু হবে, যা শিক্ষার্থীদের সব একাডেমিক অনিশ্চয়তা দূর করতে সহায়তা করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এবং শিক্ষার্থী উভয় পক্ষই এখন ক্যাম্পাসে স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী ট্রাম্প, তবে প্রস্তুতির অভাব নেই ডেমোক্র্যাটদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী ট্রাম্প, তবে প্রস্তুতির অভাব নেই ডেমোক্র্যাটদের

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে। নির্বাচনের ঠিক আগের দিন সোমবার ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়াল রিফ্লেক্টিং পুল এলাকায় এক জনসভায় বক্তব্য রাখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই নির্বাচনকে তার জীবদ্দশার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে অভিহিত করেছেন। নিজের সমর্থকদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, ঐতিহাসিকভাবেই ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টদের দল মধ্যবর্তী নির্বাচনে খুব একটা সুবিধা করতে পারে না। তবে সেই ধারা ভেঙে জয়ের জন্য তার দল রিপাবলিকান পার্টি জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প তার সরকারের কাজের ফিরিস্তি তুলে ধরার পাশাপাশি প্রতিপক্ষ ডেমোক্র্যাটদের তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি দাবি করেন, ডেমোক্র্যাট দল এবারের নির্বাচনে এমন সব প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে, যারা যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে চরমপন্থী এবং বিপজ্জনক। বিশেষ করে অভিবাসন নীতি ও ট্রান্সজেন্ডার অধিকারের মতো ইস্যুতে ডেমোক্র্যাটদের দৃষ্টিভঙ্গিকে উগ্র এবং বিপদজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় রিপাবলিকানরাই একমাত্র ভরসা। তবে তার বক্তৃতার একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল ওয়াশিংটনের বিভিন্ন সংস্কার ও নির্মাণ প্রকল্পের কথা। বিশেষ করে রিফ্লেক্টিং পুলের সংস্কারকাজ নিয়ে তিনি বিস্তারিত কথা বলেন। এই প্রকল্পের কাজে বাধা আসায় তিনি কোনো প্রমাণ ছাড়াই নাশকতাকারীদের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।

এদিকে নিউইয়র্ক পোস্টের পডকাস্ট ‘পড ফোর্স ওয়ান’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও খোলামেলা কথা বলেছেন। তিনি আত্মবিশ্বাসের সুরে জানিয়েছেন যে, নির্বাচনে তারা দারুণ কিছু করবেন। তবে ফলাফল যদি বিপক্ষে যায়, তবে তিনি একের পর এক ভেটো প্রয়োগের মাধ্যমে ডেমোক্র্যাটদের পরিকল্পনা আটকে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এরপর তাদের সাথে সমঝোতার পথ খোলা থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের এই মধ্যবর্তী নির্বাচন মূলত কংগ্রেসের দুটি কক্ষ অর্থাৎ প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণ করবে। বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, প্রতিনিধি পরিষদের দখল হারানোর বড় ধরনের ঝুঁকিতে আছে ডেমোক্র্যাটরা। জনমত জরিপগুলোতেও রিপাবলিকানদের শক্ত অবস্থানের ইঙ্গিত মিলছে। তবে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে উভয় দলই মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। দেশজুড়ে নির্বাচনী প্রচারণায় এই প্রতিযোগিতা এখন তুঙ্গে। ডেমোক্র্যাটরা তাদের শাসনকালকে সুসংহত করতে মরিয়া, অন্যদিকে রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের হাত ধরে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শুরু হতে যাচ্ছে ভোটগ্রহণ, যা নির্ধারণ করবে মার্কিন রাজনীতির ভবিষ্যৎ গতিপথ। ভোটের চূড়ান্ত ফলাফলের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে পুরো বিশ্ব।

কুষ্টিয়ায় পরীক্ষা কেন্দ্রে বহিষ্কারের জের, স্কুলের পেছনে ককটেল বিস্ফোরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
কুষ্টিয়ায় পরীক্ষা কেন্দ্রে বহিষ্কারের জের, স্কুলের পেছনে ককটেল বিস্ফোরণ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় এসএসসির টেস্ট পরীক্ষা কেন্দ্রে এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের ঘটনার রেশ না কাটতেই স্কুলের পেছনে ককটেল বিস্ফোরণের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ওই বিদ্যালয় এবং আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দুপুরে উপজেলার ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। প্রত্যক্ষদর্শী ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, নিয়মিত টেস্ট পরীক্ষা চলাকালীন ওই শিক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসির টেস্ট পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষারত অবস্থায় এক শিক্ষার্থী গোপনে মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করে। প্রশ্নপত্রের উত্তর লেখার সময় মোবাইল ব্যবহার করে সে নকল করার চেষ্টা করছিল। বিষয়টি দায়িত্বরত শিক্ষকদের নজর এড়ায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে কর্তব্যরত শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং নিয়ম অনুযায়ী তাকে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেন। কক্ষ থেকে বের করে দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই বিদ্যালয়ের পেছনের অংশে বিকট শব্দে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ সময় পুরো পরীক্ষা কেন্দ্রে এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ভীতির সৃষ্টি হয়।

বিস্ফোরণের শব্দে পরীক্ষা কার্যক্রম সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হলেও বড় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে এ ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। কারা বা কি উদ্দেশ্যে এই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিবেশ নিয়ে স্থানীয়রা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শিক্ষক ও অভিভাবকদের অভিযোগ, পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ এবং পরবর্তীতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত কোনো আক্রোশ থেকে ঘটতে পারে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন এলাকাবাসী। পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এলাকায় বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে যাতে পুনরায় এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

পরীক্ষা কেন্দ্রে কড়াকড়ি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারির অভাব ছিল কি না, তাও তদন্তের দাবি রাখে। ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয় এলাকা ঘিরে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এলাকাবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও স্থানীয়দের মধ্যে চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে। দোষী ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।

মানিকগঞ্জে ড্রেন থেকে পুলিশের পরিত্যক্ত শটগান উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
মানিকগঞ্জে ড্রেন থেকে পুলিশের পরিত্যক্ত শটগান উদ্ধার

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পুলিশের ব্যবহৃত একটি শটগান উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় ট্রাক টার্মিনাল ও পুরাতন নৌপুলিশ ফাঁড়ির পার্শ্ববর্তী একটি ড্রেন থেকে অস্ত্রটি উদ্ধার করে পুলিশ সদস্যরা। উদ্ধার হওয়া এই শটগানটি পুলিশ বাহিনীর ব্যবহৃত অস্ত্র বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপর পাটুরিয়া ট্রাক টার্মিনাল ও পুরাতন নৌপুলিশ ফাঁড়ির নিকটবর্তী ড্রেনে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় শটগানটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার অভিযানের সময় আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল ঘিরে রাখেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময়ে পুলিশ বাহিনীর অনেক অস্ত্র খোয়া যাওয়ার পাশাপাশি অনেকগুলো অস্ত্র নিখোঁজ হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া এই শটগানটি সেই সময়ের কোনো লুটপাটের অংশ কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না ঠিক কবে বা কীভাবে এটি ওই স্থানে রাখা হয়েছিল। অস্ত্রটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং এর গায়ে থাকা সিরিয়াল নম্বর বা অন্যান্য তথ্যের মাধ্যমে এর উৎস অনুসন্ধানের কাজ চলছে।

স্থানীয়রা জানান, উদ্ধারস্থলটি জনাকীর্ণ এলাকা হলেও ড্রেনে ময়লা ও আবর্জনা জমে থাকায় দীর্ঘদিন ধরে সেখানে কেউ নজর দেয়নি। সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ বিষয়টি নজরে আসায় স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। অস্ত্র উদ্ধারের পর এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে শিবালয় থানা পুলিশ। পুলিশের একটি বিশেষ দল অস্ত্রটির মালিকানা ও এটি অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছিল কি না, সে বিষয়েও তদন্ত শুরু করেছে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রটির বিষয়ে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ
মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী ট্রাম্প, তবে প্রস্তুতির অভাব নেই ডেমোক্র্যাটদের কুষ্টিয়ায় পরীক্ষা কেন্দ্রে বহিষ্কারের জের, স্কুলের পেছনে ককটেল বিস্ফোরণ মানিকগঞ্জে ড্রেন থেকে পুলিশের পরিত্যক্ত শটগান উদ্ধার দুই হাত নেই, পা দিয়ে লিখে জিপিএ‑৫: রফিকুলের অনুপ্রেরণামূলক সাফল্য দাম বৃদ্ধির সময় নিয়ে সরকারের সমালোচনা করল এনসিপি চুয়েটে স্বাভাবিক হচ্ছে একাডেমিক পরিবেশ: মঙ্গলবার থেকে ফিরছেন শিক্ষার্থীরা তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর তদন্তে রিমান্ডে থাকা দীপ ও তরুণীর মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ দলীয় নেতার সমর্থন হারানোর দিনই আল‑সাইয়েদের তহবিলে রেকর্ড দান গ্যাসের দাম না কমলে কঠোর প্রতিবাদে হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের ছাড় নয়: পুলিশ
Advertisement