খুঁজুন
, ,

প্রকৃতি থেকে বিলুপ্তির পথে ‘ঢোলকলমি’

রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: Sunday, 4 May, 2025, 5:25 pm
প্রকৃতি থেকে বিলুপ্তির পথে ‘ঢোলকলমি’

আবহমান গ্রাম বাংলার প্রত্যেক এলাকায় বাড়ির পাশে, রাস্তার ধারে, মাঠে-ঘাটে, জলাশয়ের ধারে, খাল-বিলসহ বিভিন্ন জায়গায় অনাদর-অবহেলায় বেড়ে ওঠা আগাছা ঢোলকলমি। কয়েক বছর আগেও ঢোল কলমি গাছ দেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলেই একটি পরিচিত নাম ছিল। তবে কালের বিবর্তনে ক্রমেই গাছটি বিলুপ্তির পথে।

অযত্ন-অবহেলায় জন্ম নেয়া এ গাছ অল্পদিনের মধ্যেই ঘন ঝাড়ে পরিণত হয়ে জমির ক্ষয়রোধ করে। কয়েক বছর আগেও নেত্রকোনার বিভিন্ন এলাকায় এই গাছ জমির বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা হতো। গ্রামাঞ্চলের গৃহবধূরা এর ডাটাকে আবার জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করতেন। এর অপুর্ব ফুল যেকোনো বয়সী মানুষের নজর কাড়ে। হালকা বেগুনি রঙের পাপড়ি কিছুটা মাইক আকৃতির ফুলটি দেখতে বেশ আকর্ষণীয়। প্রায় সারা বছরই ঢোল কলমির ফুল ফোটে। তবে বর্ষার শেষে শরৎ থেকে শীতে ঢোলকলমি ফুল বেশি দেখা যায়। মধুর জন্য ফুলে আবার কালো ভোমরাও আসে।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছটি সন্ধান করতে গেলে নদীর তীরবর্তী কয়েকটি এলাকা ছাড়া অন্য কোথাও দেখতে পাওয়া যায়নি এক সময়ের অতি পরিচিত প্রকৃতিতে অযত্নে বেড়ে ওঠা ঢোল কলমি গাছ।

জেলা সদরের মালনী এলাকার বাসিন্দা সরকারি চাকুরিজীবী ও লেখালেখির সাথে জড়িত কবি এনামুল হক পলাশের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ‘ঢোল কলমি’ আমাদের অঞ্চলে গাছটির নাম উজাওড়ি। গত ৩০-৩৫ বছর আগেও এ গাছটি আমাদের এলাকয় দাপটের সাথে প্রভাব বিস্তার করে ছিল। অথচ এখন সারা উপজেলার প্রতিটি গ্রাম ঘুরলেও কিছু কিছু জায়গা ছাড়া গাছটির অস্তিত্ব প্রায় বিলীনের পথে। এর কারণ হিসাবে তিনি বলেন, গত ৯০ এর দশকে দেশজুড়ে ঢোল কলমি গাছ নিয়ে ভয়ংকর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। ওই সময় গুজব রটেছিল-ঢোলকলমি গাছে থাকা পোকা এতটাই ভয়ংকর যে, এটা যেকোন মানুষকে কামড় দিলে মৃত্যু অবধারিত, এমন কি স্পর্শ লাগলেও জীবন বিপন্ন হতে পারে। তৎকালীন সময়ে এ সংক্রান্ত খবর রেডিও, টিভি, পত্র-পত্রিকায় মহামারীর মৃত্যুর খবরের মত কবে ক’জন মরল আবার ক’জন হাসপাতালে গেল সেরকম ভাবে প্রচারিত হয়েছিল প্রায় মাস জুড়ে। ব্যাস! শুরু  হয়ে গেল ঢোল কলমি নিধন। দিন কয়েকের মধ্যে সব ঢোল কলমি কেটে সাফ।‘বাঙালি যে, এত করিৎকর্মা কে জানতো!’ এরপর এ গুজবের আতংক চরম পর্যায়ে পৌছালে টিভিতে একজন বিশেষজ্ঞ পোকাটি ধরে এনে নিজের হাতের উপর ছেড়ে দিয়ে হাটিয়ে, তারপর হাত দিয়ে পিষে মেরে দেখিয়ে প্রমাণ করেছিলেন যে, এটি আসলে খুবই নিরীহ একটি কীট, মোটেও প্রাণ সংহারী নয়। এরপর থেকেই আতঙ্ক কেটে যায়।  ততোদিনে ঢোল কলমি নিধন সম্পন্ন।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘বুদ্ধি দিয়ে যৌক্তিকতা খুজতে যায়ইনা আমরা বাঙালি। শুনলেই হলো, দে ছুট….! এতো হুজুগে মাতাল আমরা বাঙালি।‘ অনেক এলকায় স্বল্প হলেও ঢোল কলমি এখনও কালের স্বাক্ষী হিসেবে রয়েগেছে।

দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার জেলা সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল বলেন, মাত্র ক’বছর আগেও উপজেলার প্রায় অধিকাংশ ফসলের ক্ষেত, পুকুর ও বসতবাড়ির চারপাশে বেড়ার প্রধান উপকরণ হিসেবে এই ঢোল কলমির ব্যবহার হতো। কেউ কেউ কলমি গাছের সাথে নেট ও বাঁশের চটা ব্যবহার করে বেড়াকে শক্তিশালী করতো। ঢোল কলমি খরা ও বন্যায় সহনীয় বলে প্রতিকুল পরিবেশেও টিকে থাকতে পারে। সহজেই আবার কলমি গাছ মারা যায় না বলে খাল-বিল, ডোবা এবং খোলামেলা পরিবেশে এ গাছ খুব দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে থাকে। তবে বর্তমানে কলমি গাছের সংকটে এর ব্যবহার আর তেমন চোখে পড়ে না।

জেলা সদরের সিংহের বাংলা গ্রামের গৃহস্থ হাসেম আলী বলেন, ঢোল কলমি গাছটি খুবই উপকারী গাছ। এই ঢোল কলমির সবচেয়ে বড় সুবিধা হল গরু ছাগলে না খাওয়ায় এটা বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা যায়। নদীতীর ভাঙন রক্ষা করে। আমাদের এলাকার মা-বোনেরা এক সময় রান্নার কাজেও ব্যবহার করতো এই গাছটি। গ্রামাঞ্চলে প্রাকৃতিক বেড়া হিসেবে পরিচিতি রয়েছে এই ঢোল কলমির।

নেত্রকোনা সরকারি কলেজের প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক তফাজ্জল হোসেন আকন্দ  বলেন, ঢোলকলমির বৈজ্ঞানিক নাম- ipomoea carnea। ইংরেজি নাম- Pink morning glory Bush morning glory। কিছু ভেষজ গুণও রয়েছে। ৬-৮ ইঞ্চি লম্বা। ঢোল কলমি মূলত গুল্ম প্রজাতির উদ্ভিদ। এর কান্ড দিয়ে কাগজ তৈরি করা যায়।  গাছটির পাতা হৃৎপিণ্ডাকার, সবুজ পাতার গাছটি ছয় থেকে দশ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।

এব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান জানান, কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা বলেন, ঢোল কলমি খুবই উপকারী গাছ। নদীর তীর, খালপাড়ের মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখা, ভূমিক্ষয় রোধ, ভাঙনরোধে ঢোলকলমি গাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র সুরক্ষায় মূল্যবান এ উদ্ভিদকে সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে সকলেরই উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দৌড়ের ছন্দে ঠাকুরগাঁও—রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Friday, 28 August, 2026, 4:13 pm
   
দৌড়ের ছন্দে ঠাকুরগাঁও—রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:  দৌড় শুধু শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য নয়। কখনো কখনো দৌড় হয়ে ওঠে মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধন তৈরির ভাষা। আর সেই দৌড়ের ছন্দেই এবার এক হলো দেশের ৩০ জেলার মানুষ।

রাষ্ট্রপতির জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত হলো হাফ ম্যারাথন। যে আয়োজন উৎসর্গ করা হয়েছে বাংলাদেশের ২৩ তম নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। স্বাস্থ্য, সম্প্রীতি আর বন্ধুত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া এই আয়োজন ঘিরে ঠাকুরগাঁওয়ে ছিল উৎসবের আমেজ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরের আলো তখনও পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েনি। নীরব শহরটায় হঠাৎই যেন ছন্দের জন্ম হলো। আব্দুর রশিদ ডিগ্রী কলেজ থেকে  কেউ ছুটছেন নিজের রেকর্ড ভাঙতে, কেউ ছুটছেন সুস্থ থাকার প্রত্যয়ে।

আবার কারও কাছে—এই দৌড়, মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধুত্বের এক নতুন গল্পের সূচনা। দেশের ৩০ জেলা থেকে আসা দৌড়বিদদের পদচারণায় মুখর ঠাকুরগাঁও।

ম্যারাথনে অংশ নেয়া ঢাকা থেকে আসা কিশোরী জিন্নাথ পারভীন বলেন, এ ম্যারাথন শুধুই একটি প্রতিযোগিতা নয় একটি জেলার সঙ্গে আরেকটি জেলার,

একজন মানুষের সঙ্গে আরেকজন মানুষের হৃদয়ের সংযোগ। ‘সুস্থতা, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের জয়গানে’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও রানার্সের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে ‘ঠাকুরগাঁও হাফ ম্যারাথন ২০২৬’। আর আয়োজনটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে মেসার্স গার্ডেনিয়া। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি আবেগের গল্প। রাষ্ট্রপতির জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত এই হাফ ম্যারাথন উৎসর্গ করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে

আয়োজকদের ভাষ্য—একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে যেমন তিনি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছেন, তেমনি খেলাধুলার সঙ্গেও রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক। সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়ামোদী রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান জানাতেই এই আয়োজনকে উৎসর্গ করা হয়েছে।

তরুন রানার এলিন খান বলেন,  একজন দৌড়বিদের কাছে প্রতিটি কিলোমিটার মানে নতুন এক চ্যালেঞ্জ। শ্বাস ভারী হওয়া।পা ক্লান্ত হয়ে যাওয়া। কিন্তু থেমে যাওয়া না। কারণ গন্তব্য শুধু ফিনিশিং লাইন নয়—গন্তব্য নিজের সীমাবদ্ধতাকে জয় করা। আর সেই জয়কে উদযাপন করতেই যেন একসঙ্গে ছুটছি আমরা।

তবে ঠাকুরগাঁওয়ের এই আয়োজনের গল্প শুধু দৌড়েই শেষ হয়নি। অতিথি ও দৌড়বিদদের মন প্রফুল্ল রাখতে তাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর প্রকৃতির সৌন্দর্য। আয়োজক কমিটি দৌড়ের পাশাপাশি দৌড়বিদদের ঘুরে দেখিয়েছে  ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলো। একদিকে শরীরচর্চা,

অন্যদিকে একটি জনপদকে নতুন করে চেনানোর প্রয়াস থেকেই এ উদ্যোগ নিয়েছে কমিটি।

একজন মানুষ যখন অন্য জেলার মাটিতে দৌড়ান,

তখন শুধু তার পায়ের ছাপ পড়ে না সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে পরিচয়, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসা। ঠাকুরগাঁও তাই এবার শুধু একটি ম্যারাথনের আয়োজক নয়;

৩২ জেলার মানুষের মিলনমেলারও সাক্ষী।

ঠাকুরগাঁও রানারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক নুর ই শাহাদাত স্বজন বলেন, “আমরা চাই খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষকে একত্রিত করতে। রাষ্ট্রপতির জেলা হিসেবে ঠাকুরগাঁওকে সামনে তুলে ধরতে এবং তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতেই আমাদের এই আয়োজন।”

পরে দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে  বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন l ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন(ইএসডিওর) নির্বাহী পরিচালক ড. শহীদ উজ জামান। এ সময় শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বাবু

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 9:37 pm
   
ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বাবু

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবু সাঈদ নূর আলম বাবু। নতুন এই দায়িত্বের মধ্য দিয়ে ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনে সংগঠিত ও নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রমের পথ আরও সুগম হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ পরিষদ গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবু সাঈদ নূর আলম বাবুর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় উপজেলার ক্রীড়াপ্রেমী ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন নেতৃত্বে ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন বাড়ানোর পাশাপাশি ইউনিয়ন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করা সম্ভব হবে।

ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত প্রতিযোগিতা, প্রশিক্ষণের সুযোগ এবং খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে ভূল্লী উপজেলা থেকেই ভবিষ্যতে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের মানসম্পন্ন খেলোয়াড় তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাখার সুযোগ তৈরি হবে।

ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নূর আলম বাবু বলেন, “আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করব। সকলের সহযোগিতা নিয়ে ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও প্রাণবন্ত ও সমৃদ্ধ করতে চাই। তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা, নিয়মিত প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হবে আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভূল্লী উপজেলা থেকে ভবিষ্যতে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের ভালো মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে আশা করি।”

ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন বলেন, “ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নূর আলম বাবুর নেতৃত্বে বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়দের সম্পৃক্ত করে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ক্যাসিনো সম্রাট নূর আলম গ্রেপ্তার

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 3:16 pm
   
ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ক্যাসিনো সম্রাট নূর আলম গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. নূর আলম (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত ২৭ আগস্ট রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার নূর আলম ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার হাজীপাড়া-শিলুলতলা এলাকার মো. সুফিয়ার রহমানের ছেলে। ডিবি পুলিশ জানায়, তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ক্যাসিনো সংক্রান্ত ২০টি অ্যাপ পাওয়া গেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নূর আলমের বিরুদ্ধে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা রয়েছে। ওই মামলায় এর আগে তাকে রংপুরে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ডিবি পুলিশ আরও জানায়, নূর আলম রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও এলাকায় অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার বিস্তার ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬ অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে। অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনো কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।