খুঁজুন
, ,

ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার পরিচিত পাখি শালিক 

রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: Tuesday, 22 April, 2025, 4:27 pm
ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার পরিচিত পাখি শালিক 

‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে- এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয়- হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে’ কবি জীবনানন্দ দাশের ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতায় অতি পরিচিত পাখি শালিক। এক সময়ে গ্রাম-গঞ্জের মাঠে-ঘাটে, বনে-জঙ্গলে, বাড়ির আঙিনায়, গাছে গাছে শালিকের ঝাঁক দেখা গেলেও কালের বিবর্তনে সারা বাংলাদেশের মতো নেত্রকোনার প্রকৃতি থেকে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে চিরচেনা সেই শালিক পাখি।

ছোট আকৃতির ধূসর রঙের এই পাখিগুলো অত্যান্ত নিরীহ ও শান্ত স্বভাবের হয়। পাখিদের মধ্যে শালিক পাখি জনবসতির আশপাশে থাকতেই বেশি ভালবাসে। এমন একসময় ছিল যখন সকাল-সন্ধায় শালিকের ঝাঁক তাদের কিচির-মিচির শব্দে মুখরিত করে তুলতো পল্লী গাঁয়ের বাঁশ বাগান। মনে হতো যেন, বাঁশ বাগান জুড়ে বসেছে শালিকের হাট। ভোরে শালিক পাখির কিচির-মিচির শব্দে ভাঙ্গতো পল্লী গাঁয়ের মানুষের ভোরের ঘুম। পাখির কলরবে মুখর গ্রামের মেঠো পথ এখন দিন দিন পাখিশূন্য হতে চলছে। পাল্টে যাচ্ছে বনে জঙ্গলে গাছে গাছে পাখি দেখার অপরূপ দৃশ্যপট।

সরেজমিনে জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার গ্রাম ঘুরে ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে তারা জানান, এক সময় ধান, গম ও সরষে ক্ষেত ছাড়াও বাড়ির আঙিনায়, বাঁশ ঝাড়ে ঝাঁকে ঝাঁকে শালিক পাখি দেখতে পেতাম। এখন তা আর চোখে পড়ে না।

কৃষকরা বলেন, শালিক পাখি ক্ষেতের ক্ষতি কারক পোকা-মাকড় খেয়ে কৃষিপণ্য উৎপাদনে আমাদের সহায়তা করে বলে আমরা এদের উপকারী পাখি বলি। আগে ক্ষেতে-খামারে অসংখ্য শালিক পাখি দেখা যেতো। কিন্তু ফসলি জমিতে কীটনাশক প্রয়োগসহ বিভিন্ন বিষ প্রয়োগে বাঙালির অতি পরিচিত এই পাখি দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। মূলত শালিক পাখি আমাদের ফসলের কোন ক্ষতি করে না বরং এরা কৃষি জমির ক্ষতিকারক পোকা-মাকড় খেয়ে আমাদের ক্ষেতের ফসল রক্ষা করে।

কৃষক স্বপন, আলাল উদ্দিন, ঝুমন মিয়া, কুতুব উদ্দিনসহ অনেকে বলেন, ধান, গম, সরিষাসহ বর্তমানে সব ধরনের ফসলে বিষ বা কীটনাশক না দিলে ফসল করাই সম্ভব নয়। কারণ বিষ প্রয়োগ না করলে বিভিন্ন রোগ বালাই, পোকা মাকড়ে ফসল নষ্ট করে দিবে। তাই ফসল রক্ষার জন্য বাধ্য হয়ে আমাদের কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়।

নেত্রকোনা সরকারি কলেজের প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক তফাজ্জল হোসেন আকন্দ বলেন, শালিকের বৈজ্ঞানিক নাম (Acridotheres tristis), ইংরেজি নাম (Common myna) শালিক পাখির অনেক প্রজাতি রয়েছে এখন আর গ্রামগঞ্জে সব ধরণের প্রজাতির শালিক সহজে নজরে পড়েনা। তবে ভাত শালিক আর গোবর শালিকের দেখা মিললেও বর্তমানে পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার কারণে দিন দিন এই দুই প্রজাতির সংখ্যাও অনেক কমে গেছে।

তিনি আরও বলেন, শালিক পাখির খাদ্য তালিকায় রয়েছে শস্যদানা, পোকামাকড় ও নানা ধরনের ফল।শালিকের স্বরতন্ত্রী বেশ জটিল হওয়া এদের ডাক বিচিত্র ও বিভিন্ন সবরে ওঠানামা করে। এরা খুব সহজেই আশেপাশের আওয়াজ আর মানুষের কথা অনুকরণ করতে পারে। শালিক প্রজাতি পাখির মধ্যে আমাদের অঞ্চলে রয়েছে ভাত শালিক, ঝুটি শালিক, গাঙ শালিক, বামন বা শঙ্খ শালিক, চিত্রা শালিক, গোলাপী শালিক, কাঠ শালিক এবং ময়না।

নেত্রকোনার দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার  সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল বলেন, কালের বিবর্তনে ও যান্ত্রিক সভ্যতার প্রসারে অবাধে বৃক্ষনিধন এবং বনাঞ্চাল ধ্বংসের কারণে শালিকসহ বিভিন্ন প্রজাতির সুন্দর সুন্দর পাখি আজ বিলুপ্তির পথে। একসময়ে গ্রামাঞ্চলের মানুষ আখ, ধান, গম ও সরষে ক্ষেতে ঝাঁকে ঝাঁকে শালিক পাখি দেখতে পেতো। তখন গ্রামের মানুষের ঘুম ভাঙতো পাখির কলরবে, কিন্তু এখন তা আর চোখে পড়ে না। শালিক পাখিসহ অন্যান্য দেশীয় পাখি রক্ষায় প্রশাসনসহ সকল মানুষকে পাখি শিকারীদের হাত থেকে এবং পাখির ক্ষতি করে এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।

এ বিষয়ে বারহাট্টা উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মানিক আজাদ বলেন, আবহমান গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী সুন্দর পাখিগুলো আজ বিলুপ্তির পথে। এদের রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। এ জন্য পরিবেশবিদদের পাশাপাশি সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

দৌড়ের ছন্দে ঠাকুরগাঁও—রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Friday, 28 August, 2026, 4:13 pm
   
দৌড়ের ছন্দে ঠাকুরগাঁও—রাষ্ট্রপতিকে উৎসর্গ করে হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:  দৌড় শুধু শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য নয়। কখনো কখনো দৌড় হয়ে ওঠে মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধন তৈরির ভাষা। আর সেই দৌড়ের ছন্দেই এবার এক হলো দেশের ৩০ জেলার মানুষ।

রাষ্ট্রপতির জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত হলো হাফ ম্যারাথন। যে আয়োজন উৎসর্গ করা হয়েছে বাংলাদেশের ২৩ তম নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। স্বাস্থ্য, সম্প্রীতি আর বন্ধুত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া এই আয়োজন ঘিরে ঠাকুরগাঁওয়ে ছিল উৎসবের আমেজ।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরের আলো তখনও পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েনি। নীরব শহরটায় হঠাৎই যেন ছন্দের জন্ম হলো। আব্দুর রশিদ ডিগ্রী কলেজ থেকে  কেউ ছুটছেন নিজের রেকর্ড ভাঙতে, কেউ ছুটছেন সুস্থ থাকার প্রত্যয়ে।

আবার কারও কাছে—এই দৌড়, মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধুত্বের এক নতুন গল্পের সূচনা। দেশের ৩০ জেলা থেকে আসা দৌড়বিদদের পদচারণায় মুখর ঠাকুরগাঁও।

ম্যারাথনে অংশ নেয়া ঢাকা থেকে আসা কিশোরী জিন্নাথ পারভীন বলেন, এ ম্যারাথন শুধুই একটি প্রতিযোগিতা নয় একটি জেলার সঙ্গে আরেকটি জেলার,

একজন মানুষের সঙ্গে আরেকজন মানুষের হৃদয়ের সংযোগ। ‘সুস্থতা, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের জয়গানে’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও রানার্সের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে ‘ঠাকুরগাঁও হাফ ম্যারাথন ২০২৬’। আর আয়োজনটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছে মেসার্স গার্ডেনিয়া। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি আবেগের গল্প। রাষ্ট্রপতির জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আয়োজিত এই হাফ ম্যারাথন উৎসর্গ করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে

আয়োজকদের ভাষ্য—একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে যেমন তিনি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছেন, তেমনি খেলাধুলার সঙ্গেও রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক। সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়ামোদী রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান জানাতেই এই আয়োজনকে উৎসর্গ করা হয়েছে।

তরুন রানার এলিন খান বলেন,  একজন দৌড়বিদের কাছে প্রতিটি কিলোমিটার মানে নতুন এক চ্যালেঞ্জ। শ্বাস ভারী হওয়া।পা ক্লান্ত হয়ে যাওয়া। কিন্তু থেমে যাওয়া না। কারণ গন্তব্য শুধু ফিনিশিং লাইন নয়—গন্তব্য নিজের সীমাবদ্ধতাকে জয় করা। আর সেই জয়কে উদযাপন করতেই যেন একসঙ্গে ছুটছি আমরা।

তবে ঠাকুরগাঁওয়ের এই আয়োজনের গল্প শুধু দৌড়েই শেষ হয়নি। অতিথি ও দৌড়বিদদের মন প্রফুল্ল রাখতে তাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর প্রকৃতির সৌন্দর্য। আয়োজক কমিটি দৌড়ের পাশাপাশি দৌড়বিদদের ঘুরে দেখিয়েছে  ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলো। একদিকে শরীরচর্চা,

অন্যদিকে একটি জনপদকে নতুন করে চেনানোর প্রয়াস থেকেই এ উদ্যোগ নিয়েছে কমিটি।

একজন মানুষ যখন অন্য জেলার মাটিতে দৌড়ান,

তখন শুধু তার পায়ের ছাপ পড়ে না সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে পরিচয়, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসা। ঠাকুরগাঁও তাই এবার শুধু একটি ম্যারাথনের আয়োজক নয়;

৩২ জেলার মানুষের মিলনমেলারও সাক্ষী।

ঠাকুরগাঁও রানারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক নুর ই শাহাদাত স্বজন বলেন, “আমরা চাই খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষকে একত্রিত করতে। রাষ্ট্রপতির জেলা হিসেবে ঠাকুরগাঁওকে সামনে তুলে ধরতে এবং তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতেই আমাদের এই আয়োজন।”

পরে দৌড় প্রতিযোগিতা শেষে  বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন l ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন(ইএসডিওর) নির্বাহী পরিচালক ড. শহীদ উজ জামান। এ সময় শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বাবু

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 9:37 pm
   
ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বাবু

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবু সাঈদ নূর আলম বাবু। নতুন এই দায়িত্বের মধ্য দিয়ে ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনে সংগঠিত ও নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রমের পথ আরও সুগম হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ পরিষদ গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবু সাঈদ নূর আলম বাবুর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় উপজেলার ক্রীড়াপ্রেমী ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন নেতৃত্বে ফুটবল, ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন বাড়ানোর পাশাপাশি ইউনিয়ন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করা সম্ভব হবে।

ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত প্রতিযোগিতা, প্রশিক্ষণের সুযোগ এবং খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে ভূল্লী উপজেলা থেকেই ভবিষ্যতে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের মানসম্পন্ন খেলোয়াড় তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাখার সুযোগ তৈরি হবে।

ভূল্লী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নূর আলম বাবু বলেন, “আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করব। সকলের সহযোগিতা নিয়ে ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও প্রাণবন্ত ও সমৃদ্ধ করতে চাই। তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা, নিয়মিত প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হবে আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভূল্লী উপজেলা থেকে ভবিষ্যতে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের ভালো মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে আশা করি।”

ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন বলেন, “ভূল্লী উপজেলার ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নূর আলম বাবুর নেতৃত্বে বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়দের সম্পৃক্ত করে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ক্যাসিনো সম্রাট নূর আলম গ্রেপ্তার

মোঃ সুজন আলী
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 3:16 pm
   
ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ক্যাসিনো সম্রাট নূর আলম গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. নূর আলম (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত ২৭ আগস্ট রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার নূর আলম ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার হাজীপাড়া-শিলুলতলা এলাকার মো. সুফিয়ার রহমানের ছেলে। ডিবি পুলিশ জানায়, তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ক্যাসিনো সংক্রান্ত ২০টি অ্যাপ পাওয়া গেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নূর আলমের বিরুদ্ধে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা রয়েছে। ওই মামলায় এর আগে তাকে রংপুরে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ডিবি পুলিশ আরও জানায়, নূর আলম রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও এলাকায় অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার বিস্তার ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬ অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে। অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনো কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।