খুঁজুন
, ,

প্লেব্যাক থেকে বিরতির পর অরিজিৎ সিং-এর নতুন গান, শাহরুখের ‘কিং’ ছবিতে

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ
প্লেব্যাক থেকে বিরতির পর অরিজিৎ সিং-এর নতুন গান, শাহরুখের ‘কিং’ ছবিতে

বহু বছর ধরে বলিউডের প্লেব্যাক জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে চলা গায়ক অরিজিৎ সিং, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ করে প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়ে ভক্তদের মধ্যে বিস্ময় সৃষ্টি করেন। তার এই সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যক্তিগত ও পেশাগত কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত ছিল, তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে তিনি সঙ্গীতের প্রতি তার ভালোবাসা কখনোই হারাবেন না।

বিরতির কয়েক দিন পর অরিজিৎ সিং আবার মঞ্চে ফিরে আসেন, তবে এবার তিনি নতুন গানের মাধ্যমে তার ফিরে আসা চিহ্নিত করেছেন। তিনি শেয়ার করা ভিডিওতে ‘কিং’ ছবির প্রথম গানের স্বরধ্বনি গাইছেন, যা শাহরুখ খান主演 ছবির অংশ হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। গানের সুর ও কথায় দেখা যায় যে অরিজিৎ তার স্বতন্ত্র স্বরভঙ্গি বজায় রেখেছেন, যা তার পূর্বের হিট গানের সঙ্গে তুলনীয়।

‘কিং’ ছবির প্রথম গানটি ২ নভেম্বর, শাহরুখের ৬১তম জন্মদিনে মুক্তি পেতে পারে বলে সূত্র পাওয়া গেছে। এই তারিখটি শুধুমাত্র অভিনেতার জন্মদিনই নয়, বরং ছবির প্রচারাভিযানের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। অরিজিৎ সিং এই গানের মাধ্যমে শুধু তার ভক্তদের নয়, বরং চলচ্চিত্রপ্রেমীদেরও নতুন সুরের স্বাদ দিচ্ছেন।

অরিজিৎ সিং-এর ক্যারিয়ারকে স্মরণ করলে দেখা যায়, তিনি এক সময় এমন একটি গানের জন্য পরিচিত ছিলেন যা তাকে ২০০ বার গাইতে হয়েছিল। সেই গানের মাধ্যমে তিনি তার কঠোর পরিশ্রম ও নিবেদনকে প্রমাণ করেছেন, যা আজও শিল্পের মধ্যে প্রশংসিত হয়। এই অভিজ্ঞতা তাকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে এবং সঙ্গীতের বিভিন্ন শৈলীতে নিজেকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করেছে।

ভক্তদের প্রতিক্রিয়া সামাজিক মিডিয়ায় তীব্র। অনেকেই অরিজিৎ সিং-এর নতুন গানের জন্য উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এবং তার ফিরে আসার জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কিছু ভক্ত তার পূর্বের প্লেব্যাক থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তবে অধিকাংশই তার সঙ্গীতের গুণগত মানে বিশ্বাস রাখেন এবং নতুন গানের প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন।

অরিজিৎ সিং নিজে এই গানের রিলিজের আগে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, “সঙ্গীত আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিরতি নেওয়া মানে থেমে থাকা নয়, বরং নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে সৃষ্টিশীলতা খুঁজে বের করা। ‘কিং’ ছবির প্রথম গানটি আমার জন্য একটি নতুন সূচনা, এবং আমি আশা করি শ्रोतারা এই সুরে আনন্দ পাবেন।”

শাহরুখ খান主演 ‘কিং’ ছবির সঙ্গীত পরিচালক ও প্রযোজকরা অরিজিৎ সিং-এর গানের জন্য ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন এবং তাকে ছবির সাউন্ডট্র্যাকের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। গানের লিরিক্স, সুর ও অরিজিৎ সিং-এর স্বরমিলনকে নিয়ে ইতিমধ্যে মিডিয়াতে ইতিবাচক আলোচনা চলছে।

সামগ্রিকভাবে, অরিজিৎ সিং-এর এই ফিরে আসা শুধু তার ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের জন্য নয়, বরং বলিউডের সঙ্গীত জগতে নতুন সুরের প্রবাহের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ‘কিং’ ছবির প্রথম গানের মুক্তি হলে সঙ্গীতপ্রেমীরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে তা এখনই সময়ের প্রশ্ন, তবে অরিজিৎ সিং-এর সঙ্গীতের প্রতি অটুট নিবেদন ও ভক্তদের সমর্থন নিশ্চিতভাবে তার ভবিষ্যৎ প্রকল্পকে শক্তিশালী করবে।

খুলনা জেলার এক জেলায় ৯টি পুলিশ বাহিনীর কাছে ৩০০‑এরও বেশি অবৈধ অস্ত্র, কথায় কথায় গুলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
খুলনা জেলার এক জেলায় ৯টি পুলিশ বাহিনীর কাছে ৩০০‑এরও বেশি অবৈধ অস্ত্র, কথায় কথায় গুলি

খুলনা জেলার এক জেলায় গত রাতের অল্পই ৯টি পুলিশ বাহিনীর সমন্বয়ে এক বৃহৎ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে ৩০০‑এরও বেশি অবৈধ অস্ত্র, যার মধ্যে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, পিস্তল, শটগান এবং প্রচুর পরিমাণে গুলি-গোলাবারুদ অন্তর্ভুক্ত, জব্দ করা হয়। জব্দকৃত অস্ত্রের তালিকায় বেশ কয়েকটি আধুনিক স্বয়ংক্রিয় বন্দুকও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা স্থানীয় অপরাধী গোষ্ঠীর হাতে পড়লে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলতে পারত।

অভিযানের সময় গুলির শোনা যায়। সূত্র অনুযায়ী, গুলির শুটিংটি কথোপকথনের মাঝখানে ঘটেছিল, ফলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা দ্রুতই গুলি বন্ধ করে দেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। গুলির ফলে কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কিছু নাগরিক আতঙ্কিত হয়ে পালিয়ে যায়। গুলির সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও তদন্তাধীন, তবে স্থানীয় অপরাধের বৃদ্ধি এবং মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ইত্যাদি কার্যকলাপের সঙ্গে এর সম্পর্ক থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই জব্দের মাধ্যমে অপরাধী গোষ্ঠীর হাতে থাকা অবৈধ অস্ত্রের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে এবং ভবিষ্যতে গুলির ঘটনা কমে আসবে। তারা আরও বলছেন, এই ধরনের বৃহৎ জব্দের পেছনে বহু মাসের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা রয়েছে। জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি এবং গুলির ঘটনা বাড়ার ফলে সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন, বিশেষ করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযানের পর পুলিশ জেলায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। তারা স্থানীয় গ্যাং ও মাদক সরবরাহকারী গোষ্ঠীর ওপর কঠোর নজরদারি বজায় রাখবে এবং সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় করে তথ্য সংগ্রহ করবে। এছাড়া, গুলির ঘটনা ঘটার পর স্থানীয় প্রশাসন জরুরি সভা করে, যেখানে নিরাপত্তা বাড়াতে অতিরিক্ত পেট্রোলিং, সিভিল গার্ডের সহায়তা এবং নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এই ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বেগ প্রকাশ করে, বিশেষ করে যারা সম্প্রতি গুলির শিকার হয়েছে বা তাদের পরিচিত কেউ গুলির শিকার হয়েছে। তারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধের শিকড় নির্মূল করতে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসন উভয়ই বলছে, অবৈধ অস্ত্রের জব্দ এবং গুলির ঘটনার তদন্তের মাধ্যমে অপরাধের শৃঙ্খল ভাঙা সম্ভব হবে এবং ভবিষ্যতে নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা যাবে।

উত্তর ওয়েলসের স্নোডোনিয়া ট্রেলে পাথরের বিশাল মিনার ও খনির ঐতিহ্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
উত্তর ওয়েলসের স্নোডোনিয়া ট্রেলে পাথরের বিশাল মিনার ও খনির ঐতিহ্য

উত্তর ওয়েলসের স্নোডোনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত ৮৩ মাইল লম্বা ‘স্নোডোনিয়া স্লেট ট্রেল’ আজ পর্যটকদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা প্রদান করছে। এই পথের সঙ্গে সঙ্গে দেখা যায় পাহাড়ের গায়ে ছড়িয়ে থাকা পরিত্যক্ত খনি, পাথরের তৈরি বিশাল মিনার এবং গভীর জলভরা গহ্বর, যা একসাথে প্রকৃতি ও শিল্পের সমন্বয়কে প্রতিফলিত করে।

ট্রেলটি শুরু হয় স্নোডোনিয়ার বুকে, যেখানে পাহাড়ের ঢালু অংশে স্লেট খনির ধ্বংসাবশেষ এখনও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। এই খনিগুলো ১৯শ শতাব্দীর শেষের দিকে সমৃদ্ধি পায়, যখন ওয়েলসের স্লেট শিল্প ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। খনিগুলোতে কাজ করা শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রমের চিহ্ন এখনো পাথরের গর্তে, পুরনো যন্ত্রপাতির অবশিষ্টাংশে এবং গুহার প্রবেশদ্বারে দেখা যায়।

মিনারটি ট্রেলের মাঝামাঝি একটি উঁচু পাথরের গঠন, যা প্রাচীন সময়ে সম্ভবত স্লেটের গুণমান পরীক্ষা বা সুরক্ষার জন্য নির্মিত হয়। আজকের দিনে এটি পর্যটকদের জন্য একটি ফটোগ্রাফি স্পট হিসেবে জনপ্রিয়। মিনারের চারপাশে বন্যপ্রাণীর চিৎকার ও পাহাড়ি নদীর কলকল শব্দ একসাথে মিশে একটি স্বাভাবিক সিম্ফনি তৈরি করে, যা ভ্রমণকারীদের মনোমুগ্ধ করে।

ট্রেলটি অনুসরণকারী পর্যটকরা যখন গহ্বরের দিকে এগিয়ে যান, তখন পানির স্রোত ও গুহার ভেতরের শীতল বাতাসের সংমিশ্রণ একটি অদ্ভুত পরিবেশ তৈরি করে। গহ্বরের ভিতরে প্রাচীন স্লেটের স্তরগুলো স্পষ্টভাবে দেখা যায়, যা ভূতাত্ত্বিক গবেষকদের জন্যও মূল্যবান তথ্যের উৎস। গহ্বরের পাশে অবস্থিত ছোট ছোট ঝর্ণা ও জলধারা, পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও সমৃদ্ধ করে।

স্নোডোনিয়া ট্রেলটি শুধু ইতিহাসের সাক্ষী নয়, বরং প্রকৃতির এক অনন্য রূপকেও উপস্থাপন করে। পথের দু’পাশে গাছের ছায়া, বন্যফুলের গন্ধ এবং পাখির কূজন ভ্রমণকারীদের মনকে শান্ত করে। বিশেষ করে শীতকালে, তুষারপাতের সঙ্গে মিলিয়ে এই দৃশ্যটি যেন এক চিত্রকর্মের মতো রূপ নেয়।

স্থানীয় পর্যটন সংস্থা এই ট্রেলকে আরও উন্নত করার পরিকল্পনা করেছে। তারা জানিয়েছে যে, ভবিষ্যতে গাইডেড ট্যুর, তথ্যপত্র এবং সাইনেজের মাধ্যমে পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া, পুরনো খনি ও গুহার সংরক্ষণে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এই ঐতিহাসিক স্থানটি উপভোগ করতে পারে।

স্নোডোনিয়া ট্রেলটি প্রকৃতি প্রেমী, ইতিহাস অনুরাগী এবং অ্যাডভেঞ্চার খোঁজার জন্য উপযুক্ত গন্তব্য। এখানে একসাথে দেখা যায় পাহাড়ের অপরূপ দৃশ্য, স্লেট শিল্পের গৌরবময় অতীত এবং প্রাকৃতিক গহ্বরের রহস্যময়তা। যারা উত্তর ওয়েলসের এই অনন্য সংমিশ্রণটি অন্বেষণ করতে চান, তাদের জন্য এই ট্রেলটি একটি অপরিহার্য গন্তব্য হিসেবে রয়ে গেছে।

কুশিগাঙের শীর্ণ দশা—সিলেটের প্রাণবন্ত নদীর সংকট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
   
কুশিগাঙের শীর্ণ দশা—সিলেটের প্রাণবন্ত নদীর সংকট

সিলেট বিভাগের কুশিঘাট এলাকায় অবস্থিত কুশিগাঙ, একসময় উত্তর‑পূর্বের বাণিজ্যিক ও পরিবহন জালের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃত ছিল। জৈন্তাপুরের হরিপুর এলাকায় হাওর থেকে উৎপত্তি হয়ে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সিলেট নগরের কুশিঘাটে সুরমা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়। তবে আজকের দিনে এই নদী তীব্র অস্তিত্বসংকটে ভুগছে; দখল, অবৈধ ভরাট এবং অনিয়মিত শোষণের ফলে তার প্রবাহ ধারাবাহিকভাবে সংকুচিত হয়েছে।

বর্ষাকালে সামান্য পরিমাণে পানির প্রবাহ থাকলেও শুষ্ক মৌসুমে কুশিগাঙের বেশিরভাগ অংশ রূপান্তরিত হয়ে সরু নালায় পরিণত হয়। এই নালার তলায় জেলেদের নৌকা অলসভাবে ভাসে, আর কখনো কখনো দুই পাড় অতিক্রম করে শাকসবজির চাষের জন্য ব্যবহার করা হয়। নদীর পানির অভাবে মাছ ধরার নৌকা শূন্য হয়ে যায়, জালের গুটিয়ে তোলা দৃশ্যই এখন এই অঞ্চলের নতুন বাস্তবতা।

কুশিগাঙের শীর্ণ দশা কেবল পরিবেশগত নয়, সামাজিক-অর্থনৈতিক দিকেও প্রভাব ফেলছে। কৃষকরা সেচের জন্য নির্ভরশীল এই নদীর পানির অভাবে ফসলের ফলন হ্রাস পেয়েছে, ফলে আয়ের ঘাটতি বাড়ছে। তীরবর্তী এলাকায় হাঁসের দলপানি পানির সন্ধানে নেমে আসে, আর নৌকাগুলো শীর্ণ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় মানুষদের জন্য নদী পারাপার কঠিন হয়ে পড়েছে। বাঁশের সাঁকো ও অগভীর পানিতে মাছ শিকারের অপেক্ষায় থাকা ক্যানি বকদুইয়ের দৃশ্য এখন একধরনের দুঃখজনক স্মৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সম্প্রতি সিলেট নগরের কুশিঘাট এলাকা ঘুরে ছবি তোলা হয়েছে, যেখানে কুশিগাঙের বর্তমান অবস্থা স্পষ্টভাবে দেখা যায়। পানির ঘাটতি, শুষ্ক তীর, এবং নৌকাগুলোর অবহেলিত অবস্থা—এই সবই নদীর শীর্ণ দশার প্রমাণ। স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ সংস্থা এখন এই সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তুলছে, তবে বাস্তবায়ন এখনও ধীরগতিতে চলছে।

কুশিগাঙের পুনরুজ্জীবনের জন্য মূলত দুটি দিকের কাজ প্রয়োজন: প্রথমত, অবৈধ ভরাট ও দখল বন্ধ করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধার করা; দ্বিতীয়ত, সেচ ও কৃষি ব্যবস্থার জন্য বিকল্প পানির উৎস নিশ্চিত করা। পাশাপাশি, স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও জরুরি।

কুশিগাঙের শীর্ণ দশা কেবল একটি স্থানীয় সমস্যা নয়; এটি দেশের জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং গ্রামীণ জীবনের টেকসই উন্নয়নের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জের প্রতিফলন। সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই নদীর মতোই আরও বহু জলপথ শূন্যে পরিণত হতে পারে, যা দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোর ওপর গভীর প্রভাব ফেলবে।

সর্বশেষ
খুলনা জেলার এক জেলায় ৯টি পুলিশ বাহিনীর কাছে ৩০০‑এরও বেশি অবৈধ অস্ত্র, কথায় কথায় গুলি উত্তর ওয়েলসের স্নোডোনিয়া ট্রেলে পাথরের বিশাল মিনার ও খনির ঐতিহ্য কুশিগাঙের শীর্ণ দশা—সিলেটের প্রাণবন্ত নদীর সংকট সুন্দরবনে কেওড়ার মৌসুমের শেষের চিহ্ন, বানরদের তীব্র অনুসন্ধান প্লেব্যাক থেকে বিরতির পর অরিজিৎ সিং-এর নতুন গান, শাহরুখের ‘কিং’ ছবিতে ইন্দিরা গান্ধীকে দুই দেহরক্ষীর ৩০ গুলিতে গুলি করে হত্যা বাইন্যান্সে ২০ মিনিটে ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, বিশাল হ্যাকিং আক্রমণ উন্মোচিত চিজ ও কাজুর মোলায়েম স্বাদে চিকেন মালাই কাবাব স্পিনের ফাঁদ নিজেদেরই গলার কাঁটা, মিরপুর টেস্টে টাইগারদের হতাশাজনক পরাজয় এক ট্রিলিয়ন ডলারের মালিক হলে ইলন মাস্ক কী করতে পারতেন?
Advertisement