খুঁজুন
, ,

পাঁচ হলুদ কার্ডেও কেন নিষেধাজ্ঞা নেই মেসির, কী এই বিশেষ নিয়ম

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ
পাঁচ হলুদ কার্ডেও কেন নিষেধাজ্ঞা নেই মেসির, কী এই বিশেষ নিয়ম

ফুটবল বিশ্বের চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী, একজন খেলোয়াড় যদি নির্দিষ্ট সংখ্যক হলুদ কার্ড দেখেন, তবে পরবর্তী ম্যাচে তার মাঠে নামার ওপর স্বয়ংক্রিয় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। সাধারণত পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখার পর সংশ্লিষ্ট ফুটবলারকে এক ম্যাচের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হয়। তবে বর্তমান সময়ে ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির ক্ষেত্রে এই প্রথাগত নিয়মটি কার্যকর হচ্ছে না। চলতি মৌসুমে ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠে নামা মেসি পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখে ফেলার পরেও তার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি। আর এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে মেজর লিগ সকারের বা এমএলএসের এক বিশেষ আইন।

এমএলএসের নিয়মনীতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সেখানে খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যা পরিচিত গুড বিহেভিয়ার পলিসি বা ভালো আচরণ নীতি নামে। এই নীতিটি মূলত খেলোয়াড়দের মাঠের ভেতরে এবং বাইরের আচরণগত দিকগুলো বিবেচনায় নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। লিগ কর্তৃপক্ষের এমন নমনীয় বা কৌশলগত নিয়মের কারণেই মেসি এখন শাস্তির আওতামুক্ত থাকতে পারছেন। মূলত, অনেকগুলো হলুদ কার্ড জমলেও যদি খেলোয়াড়ের আচরণগত রেকর্ড ভালো থাকে এবং গুরুতর কোনো অখেলোয়াড়সুলভ কর্মকাণ্ড না থাকে, তবে লিগ কর্তৃপক্ষ এই নীতি অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা মকুফ করতে পারে বা শাস্তির ধরনে পরিবর্তন আনতে পারে।

মেজর লিগ সকারের মতো লিগগুলোতে অনেক সময় দীর্ঘ মৌসুমে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও দলের সংহতি বজায় রাখার জন্য বিভিন্ন নিয়মকানুন রাখা হয়। ইউরোপের লিগগুলোর সঙ্গে আমেরিকার এই ফুটবল লিগের নিয়মের কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। মেসির মতো বড় মাপের একজন তারকাকে মাঠে দেখার জন্য দর্শকদের আগ্রহের বিষয়টিও অনেক সময় কর্তৃপক্ষ মাথায় রাখে, তবে তার চেয়ে বড় বিষয় হলো লিগের এই নির্দিষ্ট আইনগত কাঠামো। ইন্টার মায়ামির জার্সি গায়ে মেসি ইতিমধ্যে দলের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছেন। সিনসিনাটির বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তার উপস্থিতি নিয়ে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, এই বিশেষ নিয়মের ব্যাখ্যায় তা দূর হয়েছে। ফলে কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই পরবর্তী ম্যাচে দলের আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দিতে পারবেন আর্জেন্টাইন এই অধিনায়ক।

ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, মেজর লিগ সকারে এই গুড বিহেভিয়ার পলিসি বা ভালো আচরণ নীতি বেশ আগে থেকেই চালু রয়েছে। এটি মূলত রেফারি ও ম্যাচ কর্মকর্তাদের দেওয়া রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। যদি কোনো খেলোয়াড় ইচ্ছাকৃতভাবে বা বারবার একই ধরনের ফাউল না করেন, তবে পাঁচটি হলুদ কার্ডের পরেও তাকে সরাসরি এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার বদলে সতর্কবার্তা বা অন্য কোনো বিকল্প শাস্তির মাধ্যমে লিগ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সামাল দিতে পারে। যদিও সাধারণ দর্শকদের জন্য এটি কিছুটা বিস্ময়কর মনে হতে পারে, তবে লিগের নিজস্ব নিয়মাবলি অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ বৈধ একটি প্রক্রিয়া।

এই ঘটনাটি আবারও ফুটবল বিশ্বে লিগ ভেদে নিয়মের ভিন্নতা নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইউরোপীয় লিগগুলোর কড়া নিয়মের চেয়ে এমএলএসের এই নিয়ম কিছুটা আলাদা মনে হলেও, এটি লিগ পরিচালনার একটি অংশ। লিওনেল মেসি ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই এমএলএসের জনপ্রিয়তা ও গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে গেছে। তাই তার প্রতিটি ম্যাচকে কেন্দ্র করে সমর্থকদের ব্যাপক আগ্রহ থাকে। এমন পরিস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞার খড়গ থেকে মেসির মুক্তি পাওয়া ইন্টার মায়ামি সমর্থকদের জন্য নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর। তবে ভবিষ্যতে এই নিয়মের কারণে অন্য কোনো বিতর্ক তৈরি হয় কি না, তা নিয়েও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। আপাতত, সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মেসি মাঠে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং তার ভক্তরা তাকে আবারও গোল করতে দেখার প্রত্যাশায় আছেন।

ইসরায়েলি নির্বাচনে জয়ী নেতানিয়াহুকে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
   
ইসরায়েলি নির্বাচনে জয়ী নেতানিয়াহুকে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

ইসরায়েলের রাজনীতিতে আবারও নিজের অবস্থান সুসংহত করলেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। দেশটির সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে তার নেতৃত্বাধীন লিকুদ পার্টি বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে। এই ফলাফলের প্রতিক্রিয়ায় আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, এই জয় দেশটির প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে লিকুদ পার্টির কর্তৃত্বকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই তার মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবেই নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের সক্ষমতা নিয়ে প্রশংসা করেছেন। মিলেইর মতে, নির্বাচনে দলের এই বিশাল জয় নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ও নেতৃত্বের শক্তিরই একটি চূড়ান্ত প্রতিফলন। তিনি এই ঘটনাকে ইসরায়েলের রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন।

নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, লিকুদ পার্টি ইসরায়েলের রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত শক্ত অবস্থানে রয়েছে। বিরোধী দলগুলোর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা সত্ত্বেও নেতানিয়াহু তার সমর্থকদের আস্থা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ইসরায়েলের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং এই জয় নেতানিয়াহুকে নতুন করে সরকার গঠনের ম্যান্ডেট দিয়েছে।

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের এই অভিনন্দন বার্তা দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। হাভিয়ের মিলেইয়ের প্রশাসন সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এর আগেও নানা আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মিলেইকে ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নিতে দেখা গেছে। মূলত আদর্শিক ও রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার জায়গা থেকেই তিনি নেতানিয়াহুর সাফল্যের এই মুহূর্তে পাশে দাঁড়িয়েছেন বলে মনে করছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লিকুদ পার্টির এই জয় কেবল নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এটি ইসরায়েলের বর্তমান রাজনৈতিক ধারার প্রতি জনগণের রায়ের প্রতিফলন। নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে দেশটির রাজনীতিতে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করে আসছেন এবং নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি আবারও নিজের দল ও সরকারকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেলেন।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই নির্বাচনের ফলাফলের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছিল। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের নতুন সরকার কোন পথে হাঁটবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল রয়েছে। নেতানিয়াহু পুনরায় ক্ষমতায় আসায় তিনি এখন তার পুরোনো এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়নের দিকে আরও জোর দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের এই অভিনন্দন বার্তা সেই প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহুর জন্য আন্তর্জাতিকভাবে একটি বড় নৈতিক সমর্থন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, ইসরায়েলের নির্বাচনী এই ফলাফল কেবল দেশটিতে নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেশ সাড়া ফেলেছে। বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে পাওয়া এই সমর্থন নেতানিয়াহুর পরবর্তী কর্মপরিকল্পনায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলেই মনে হচ্ছে।

নেপালের ক্রিকেট উন্মাদনায় মুগ্ধ সাকিব আল হাসান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
   
নেপালের ক্রিকেট উন্মাদনায় মুগ্ধ সাকিব আল হাসান

নেপাল প্রিমিয়ার লিগ বা এনপিএলকে কেন্দ্র করে দেশটির ক্রিকেট দর্শকদের যে আবেগ ও উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে, তা সশরীরে মাঠে থেকে দারুণভাবে উপভোগ করছেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। নেপালের মাটিতে ক্রিকেটের এমন জনপ্রিয়তা এবং প্রতিটি ম্যাচে দর্শকদের গ্যালারিভর্তি উপস্থিতি তাকে মুগ্ধ করেছে। মাঠের খেলায় নিজের সেরাটা দেওয়ার পাশাপাশি সাকিব স্থানীয় দর্শকদের এই ক্রিকেটপ্রেমকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই দেখছেন।

টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে সাকিব তার নিজের ভালো লাগার কথা অকপটে প্রকাশ করেছেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে নেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, নেপালের পরিবেশ এবং ক্রিকেটীয় সংস্কৃতি তাকে নতুন এক অভিজ্ঞতা দিচ্ছে। সাকিব উল্লেখ করেন যে, একটি দেশের ক্রিকেট সংস্কৃতির বিকাশে দর্শকদের এমন স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি এবং নেপালে এসে তিনি সেই চিত্রটিই দেখতে পাচ্ছেন। মাঠের প্রতিটি মুহূর্তে দর্শকদের চিৎকারে এবং দলের প্রতি তাদের অবিচল সমর্থন খেলোয়াড়দের মনে বাড়তি প্রেরণা জোগায়, যা নেপালের এই টুর্নামেন্টে বেশ স্পষ্ট।

ক্রিকেটের বৈশ্বিক প্রসারের ক্ষেত্রে এমন ছোট ও উদীয়মান ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর প্রচেষ্টা সাধারণত ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। নেপাল প্রিমিয়ার লিগের মাধ্যমে স্থানীয় তরুণ ক্রিকেটাররা যেমন আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন তারকাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ পাচ্ছেন, তেমনি দর্শকপ্রিয়তা পাওয়ার ফলে এই খেলাটি সেখানে আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সাকিব আল হাসান মূলত একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার হিসেবে বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতে নিয়মিত খেলে আসছেন। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি নেপালের এই আয়োজনের মান এবং দর্শকদের আন্তরিকতা নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন।

টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে সাকিব শুধুমাত্র নিজের পারফরম্যান্সের দিকেই নজর দিচ্ছেন না, বরং মাঠের বাইরের পরিবেশ এবং ভক্তদের সাথে নিজের সংযোগটিও বেশ উপভোগ করছেন। আয়োজকদের উপস্থাপক ইয়েশা সাগরের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় তিনি স্পষ্ট করেন যে, খেলার মাঠে দর্শকদের এমন সাড়া পাওয়া একজন খেলোয়াড়ের জন্য বড় প্রাপ্তি। নেপালি দর্শকদের এই ক্রিকেটপ্রীতি কেবল টুর্নামেন্টকে আনন্দদায়ক করে তুলছে না, বরং দেশটির সামগ্রিক ক্রীড়াঙ্গনেও একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে।

পেশাদার ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে নতুন কোনো দেশে গিয়ে এমন সংবর্ধনা পাওয়া এবং দর্শককূলের পক্ষ থেকে ভালোবাসা পাওয়া নতুন কিছু নয়, তবে নেপালের মতো একটি দেশে ক্রিকেটের প্রতি ক্রমবর্ধমান এই আগ্রহ সাকিবের মতো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সব কিছু দেখা খেলোয়াড়কেও নতুন করে ভাবাচ্ছে। নেপাল প্রিমিয়ার লিগের এই আসর ভবিষ্যতে দেশটির ক্রিকেটে এক নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং সাকিব আল হাসানের অংশগ্রহণ এই টুর্নামেন্টের গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে।

সব মিলিয়ে, নেপালে খেলতে আসা সাকিব আল হাসান কেবল তার পেশাদার দায়িত্বই পালন করছেন না, বরং দর্শকদের এই ক্রিকেট উন্মাদনার সাথে মিশে গিয়ে মাঠের ক্রিকেটে নতুন এক মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করছেন। তার এই উপস্থিতি যেমন নেপালি দর্শকদের আনন্দ দিচ্ছে, তেমনি সাকিব নিজেও এই নতুন অভিজ্ঞতায় বেশ সন্তুষ্ট। খেলার মাঠ ছাড়িয়ে দর্শকদের ভালোবাসা পাওয়ার এই ঘটনাটি তার এই সফরকে স্মরণীয় করে রাখবে।

লাঞ্চের ঠিক আগ মুহূর্তে নাঈমের ব্রেক-থ্রু, সুবিধাজনক অবস্থানে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
   
লাঞ্চের ঠিক আগ মুহূর্তে নাঈমের ব্রেক-থ্রু, সুবিধাজনক অবস্থানে বাংলাদেশ

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলছে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার প্রথম টেস্ট ম্যাচ। তৃতীয় দিনের শুরু থেকেই দুই দলই জয়ের সন্ধানে মরিয়া হয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সকাল থেকেই বোলাররা বেশ আঁটসাঁট বোলিং করার চেষ্টা করেছেন। দীর্ঘক্ষণ উইকেটে টিকে থেকে রান তোলার যে প্রচেষ্টা সফরকারী ব্যাটসম্যানদের ছিল, তাতে কিছুটা ভাটা পড়েছে প্রথম সেশনের একদম শেষ মুহূর্তের একটি উইকেটের কারণে। দিনের খেলা যখন লাঞ্চ বিরতির দিকে গড়াচ্ছিল, তখনই স্বস্তি এনে দেন অফ স্পিনার নাঈম হাসান।

ম্যাচের তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে বাংলাদেশের বোলাররা দুর্দান্ত শৃঙ্খলা বজায় রেখে বল করেছেন। উইকেটে জমে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যান জাস্টিন গ্রিভসকে সাজঘরে ফিরিয়ে দিয়ে দিনের প্রথম বড় সাফল্যটি তুলে নেন নাঈম। লাঞ্চ বিরতির ঠিক আগের বলেই তার এই আঘাত সফরকারী দলকে বেশ অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে। এই উইকেটটি পাওয়ার ফলে বাংলাদেশের বোলারদের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে গেছে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বোদ্ধারা।

মিরপুরের এই উইকেটে স্পিনারদের জন্য কিছুটা সুবিধা ছিল, যা নাঈম হাসান দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন। প্রথম সেশন শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৭৪.৫ ওভার খেলে ছয় উইকেটের বিনিময়ে ২১৩ রান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে করা ২৭২ রানের জবাবে খেলতে নেমে তারা এখনো ৫৯ রানে পিছিয়ে আছে। ম্যাচে টিকে থাকতে হলে সফরকারীদের বড় কোনো জুটি প্রয়োজন ছিল, কিন্তু নাঈমের ওই উইকেট সেই পরিকল্পনাকে আপাতত বাধাগ্রস্ত করেছে।

ম্যাচের বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। যদিও ওয়েস্ট ইন্ডিজের হাতে এখনো চারটি উইকেট অক্ষত আছে, তবুও রান পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ার ভয় তাদের তাড়া করে ফিরছে। উইকেটে জমে থাকা ব্যাটসম্যানদের আউট করতে না পারলে লিড বড় হওয়ার সম্ভাবনা ছিল, যা বাংলাদেশ দল সফলভাবে রুখে দিয়েছে। দিনের বাকি সময়গুলোতে বোলাররা কতটা চাপ ধরে রাখতে পারেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

প্রথম টেস্টের এই ম্যাচে জয়ের জন্য দুই দলই সমানভাবে লড়ছে। তবে তৃতীয় দিনের লাঞ্চ বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের পারফরম্যান্স আশাব্যঞ্জক। বল হাতে নাঈম হাসানের দায়িত্বশীল আচরণ দলের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছে। বিরতির পর দ্বিতীয় সেশনেও বোলাররা যদি একই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেন, তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অল্প রানের ব্যবধানে আটকে রাখা সম্ভব হবে। সফরকারীরাও অবশ্য চেষ্টা করবে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য এবং দলের স্কোরবোর্ডে আরও কিছু রান যোগ করে লিড কমানোর জন্য।

মিরপুরের গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যেও বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে। তৃতীয় দিনে খেলা কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের বোলাররা যদি বিরতির পর দ্রুত বাকি উইকেটগুলো তুলে নিতে পারেন, তবে ম্যাচের ফলাফল দ্রুতই স্বাগতিকদের অনুকূলে চলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন দেখার অপেক্ষায় পুরো বিকেলের খেলা কোন নাটকীয় পরিণতির দিকে এগিয়ে যায়।

সর্বশেষ
ইসরায়েলি নির্বাচনে জয়ী নেতানিয়াহুকে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন নেপালের ক্রিকেট উন্মাদনায় মুগ্ধ সাকিব আল হাসান লাঞ্চের ঠিক আগ মুহূর্তে নাঈমের ব্রেক-থ্রু, সুবিধাজনক অবস্থানে বাংলাদেশ পাঁচ হলুদ কার্ডেও কেন নিষেধাজ্ঞা নেই মেসির, কী এই বিশেষ নিয়ম গাজীপুরে সেপটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে প্রাণ হারালেন পোশাক শ্রমিক ইরান ইস্যুতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি ভিয়েতনামের ফু কুক দ্বীপ: প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য আর নির্জনতার খোঁজে দেশের বাজারে সোনার দাম কমল, স্বস্তি ফিরছে গয়নার ব্যবসায় এলডিসি থেকে উত্তরণের সময়সীমা আরও তিন বছর বাড়াল জাতিসংঘ সাবেক বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যুতে বন্ধু দীপ পিবিআই হেফাজতে
Advertisement