খুঁজুন
, ,

মেঘের অপেক্ষায় শহর আর জীবনের বাঁকবদল

আলোকিত সারাদেশ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
মেঘের অপেক্ষায় শহর আর জীবনের বাঁকবদল

শহরের উঁচু অট্টালিকার ফাঁক দিয়ে দেখা আকাশে মেঘের আনাগোনা অনেকের মনেই জাগিয়ে তোলে ফেলে আসা দিনের স্মৃতি। ব্যস্ত নগরজীবনের যান্ত্রিকতা, কর্মজীবনের প্রতিযোগিতা আর সময়ের পরিবর্তনের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে পাহাড়ঘেরা জীবনের সেই চেনা অনুভূতি। তবুও মেঘ দেখলে মনে পড়ে শৈশব, পুরোনো বন্ধু আর পাহাড়ের পাদদেশে কাটানো দিনগুলোর কথা।

একসময় পাহাড়ের চূড়া কিংবা কোনো সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখা ছিল জীবনের আনন্দময় মুহূর্তগুলোর একটি। সেখানে ছিল মুক্ত বাতাস, প্রকৃতির সান্নিধ্য আর ভবিষ্যৎ নিয়ে অসংখ্য স্বপ্ন। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে বদলে গেছে জীবনের গতিপথ। পড়াশোনা শেষ করে অনেকেই এখন কর্মজীবনের ব্যস্ততায় ডুবে আছেন। বদলেছে ঠিকানা, কমেছে যোগাযোগ, আর পুরোনো সম্পর্কের অনেক স্মৃতি ঠাঁই নিয়েছে মনের গভীরে।

দশ থেকে বারো বছরের ব্যবধানে মানুষের জীবনে আসতে পারে বড় ধরনের পরিবর্তন। একসময় যাদের সঙ্গে পাহাড়ের পাদদেশে কিংবা সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখা হতো, তাদের অনেকের সঙ্গেই এখন নিয়মিত যোগাযোগ নেই। জীবিকার তাগিদে সবাই ছড়িয়ে পড়েছেন ভিন্ন ভিন্ন পথে। মাঝেমধ্যে পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে কথা হলে স্পষ্ট হয়ে ওঠে সময়ের পরিবর্তন। বয়স বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে দায়িত্ব ও ব্যস্ততা। তৈরি হয়েছে দূরত্বও। ফলে ফেলে আসা দিনগুলো এখন অনেকের কাছে হয়ে উঠেছে আবেগময় স্মৃতি।

ব্যস্ত শহরের কোনো ভবনের ছাদে দাঁড়িয়ে মেঘের দিকে তাকালে মনে পড়ে পাহাড়ের আকাশের কথা। তবে পাহাড় আর শহরের মেঘ দেখার অনুভূতি এক নয়। পাহাড়ে মেঘ ছিল রোমাঞ্চ ও মুক্তির প্রতীক। অন্যদিকে, শহরে মেঘ কখনো জানালার কাচে জমে থাকা বৃষ্টির ফোঁটা, কখনো যানজটে আটকে থাকা ক্লান্ত জীবনের নীরব সঙ্গী। তবুও মেঘের দিকে তাকালে মন ফিরে যায় অতীতে। মনে পড়ে সেই পরিচিত পথ, পুরোনো সেতু আর একসঙ্গে দেখা স্বপ্নগুলোর কথা। প্রকৃতির এই সাধারণ দৃশ্যই কখনো কখনো মানুষের মনে গভীর আবেগ জাগিয়ে তোলে।

কর্মব্যস্ত নগরজীবনে মানুষকে প্রতিনিয়ত ছুটতে হচ্ছে কাজ, দায়িত্ব ও ভবিষ্যতের পেছনে। এই ছুটে চলার মধ্যে প্রকৃতির জন্য সময় বের করা অনেকের পক্ষেই কঠিন। অথচ আকাশের দিকে তাকিয়ে কয়েক মুহূর্ত কাটানোও এনে দিতে পারে মানসিক প্রশান্তি। পাহাড়ের ধীরস্থির পরিবেশ আর শহরের দ্রুতগতির জীবনের মধ্যে রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য। তবে এই পার্থক্য শুধু ভৌগোলিক নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের অনুভূতি ও জীবনযাপনের পরিবর্তন।

সময়ের সঙ্গে মানুষের জীবন বদলায়। বদলায় সম্পর্ক, ঠিকানা ও স্বপ্নের ধরন। তবুও প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক সহজে মুছে যায় না। মেঘের আনাগোনা অনেক সময় মনে করিয়ে দেয়, জীবনের সৌন্দর্য শুধু কাজ কিংবা গন্তব্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রিয় মানুষের স্মৃতি, প্রকৃতির সান্নিধ্য এবং ছোট ছোট মুহূর্তেও লুকিয়ে থাকে আনন্দ।

হয়তো কোনো একদিন আবার পাহাড়ে ফিরে যাওয়ার সুযোগ হবে। দেখা হবে সেই পরিচিত আকাশ, মেঘ আর প্রিয় সেতুর সঙ্গে। তত দিনে জীবনের অনেক কিছু বদলে গেলেও স্মৃতির পাতায় রয়ে যাবে পুরোনো দিনের আবেগ। আর সেই স্মৃতিই হয়তো নতুন করে স্বপ্ন দেখার প্রেরণা জোগাবে। ব্যস্ততার ভিড়ে তাই প্রকৃতির দিকে তাকানোর অবকাশ তৈরি করা জরুরি। কারণ মেঘের মতোই জীবনও চলমান। আর এই চলার পথেই স্মৃতি, অনুভূতি ও নতুন স্বপ্ন মিলেমিশে তৈরি করে জীবনের গল্প।

বক্স অফিসে রজনী–ঝড় ‘জেলার ২’-এর আয়ের নতুন রেকর্ড

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
   
বক্স অফিসে রজনী–ঝড় ‘জেলার ২’-এর আয়ের নতুন রেকর্ড

সিনেমা পাড়ায় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দক্ষিণ ভারতীয় সুপারস্টার রজনীকান্তের নতুন ছবি ‘জেলার ২’। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকেই ছবিটি দর্শকের মধ্যে যে উন্মাদনা তৈরি করেছে, তা বক্স অফিসের পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম কিস্তি ‘জেলার’ রজনীকান্তের ক্যারিয়ারে এক বিশাল বাণিজ্যিক সাফল্য বয়ে এনেছিল। সেই ছবির অভূতপূর্ব সাফল্যের ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় কিস্তিকে ঘিরে দর্শকদের যে প্রত্যাশা ছিল, ছবিটি মুক্তির পর তা পূরণ হয়েছে বলেই মনে করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম দুই দিনেই ছবিটি যে পরিমাণ আয় করেছে, তা নিয়ে চলচ্চিত্র মহলে বেশ শোরগোল পড়ে গেছে। মুক্তির পর প্রথম দিন থেকেই প্রেক্ষাগৃহগুলোতে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে রজনীকান্তের নিজস্ব স্টাইল এবং অ্যাকশন দৃশ্য দেখার জন্য অনুরাগীরা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছেন। প্রথম দিনের সংগ্রহ এবং দ্বিতীয় দিনের ক্রমবর্ধমান দর্শকসংখ্যা মিলিয়ে ছবিটি যে দ্রুততার সাথে আয়ের নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে, তা বিস্ময়কর।

চলচ্চিত্র বাণিজ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, সাধারণ দর্শকদের পাশাপাশি সমালোচকদের মধ্যেও ছবিটি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে চিত্রনাট্য এবং রজনীকান্তের অভিনয়শৈলী দর্শকদের নতুন করে আকৃষ্ট করেছে। প্রথম কিস্তির মতো দ্বিতীয় কিস্তিতেও পরিচালনার মুন্সিয়ানা দর্শক ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বক্স অফিসের হিসাব অনুযায়ী, ছবিটি শুধু ভারতেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাজারেও বেশ ভালো ব্যবসা করছে। বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোতে প্রথম দুই দিনেই শো হাউসফুল ছিল।

সিনেমাটির এই বিপুল সাফল্যের পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে রজনীকান্তের বিশাল ফ্যানবেস। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন, তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে টিকিট বিক্রির হার দেখে। অনেক জায়গায় মুক্তির প্রথম দিন থেকেই টিকিট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। অনলাইনেও অগ্রিম বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ছবিটি সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। মাল্টিপ্লেক্স থেকে শুরু করে একক পর্দা—সব জায়গাতেই দর্শকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

প্রথম ‘জেলার’ ছবির সাফল্যের পর নির্মাতারা দ্বিতীয় কিস্তির জন্য যে বাজেট এবং আয়োজন করেছিলেন, তা সার্থক হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। বর্তমানে ছবিটি যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে সপ্তাহান্তের শেষে আয়ের অঙ্ক আরও বড় হবে বলে ধারণা করছেন বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা। সাধারণত বড় বাজেটের ছবিগুলোর ক্ষেত্রে প্রথম তিন-চার দিন আয়ের গতিপথ কেমন হয়, তার ওপর ভিত্তি করে ছবির দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য নির্ধারিত হয়। ‘জেলার ২’ সেই পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত বেশ সফল।

চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির হিসাব অনুযায়ী, অনেক সিনেমা হল কর্তৃপক্ষ এই ছবিটিকে ঘিরে বড় ধরনের আয়ের আশা করেছিলেন এবং বাস্তবে সেটি সত্যি হয়েছে। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে দর্শকদের উপস্থিতি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সব মিলিয়ে রজনীকান্তের ‘জেলার ২’ এখন বক্স অফিসে কেবল একটি সিনেমার নাম নয়, বরং একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে ছবিটি আর কতদূর আয় করতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

ট্রাম্পের প্রশংসা করে যা বললেন সাবেক প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট

আলোকিত সারাদেশ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
   
ট্রাম্পের প্রশংসা করে যা বললেন সাবেক প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন হোয়াইট হাউসের সাবেক প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের অনুসারীদের জন্য আয়োজিত একটি প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি ট্রাম্পের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। লেভিট তার সাবেক বসকে কেবল একজন প্রভাবশালী নেতা হিসেবেই নয়, বরং একজন সদয় ও অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

২৯ বছর বয়সী ক্যারোলিন লেভিট এই প্রশ্নোত্তর পর্বটি পরিচালনা করেন ভ্রমণের সময়। ব্যস্ততার মাঝেও তিনি সময় বের করে তার অনুসারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। আলোচনার এক পর্যায়ে ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের কাজের সময়কার স্মৃতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, প্রাক্তন এই প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার জীবনের অন্যতম বড় শিক্ষা। ট্রাম্পের কর্মপদ্ধতি ও ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

লেভিট বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বাইরে থেকে মানুষ যতটা কঠোর মনে করেন, তার ব্যক্তিগত আচরণ অনেক ক্ষেত্রে তার বিপরীত। তিনি ট্রাম্পকে একজন সদয় মনের মানুষ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যিনি সবসময় তার সহযোগীদের কাছ থেকে সেরাটা বের করে আনার চেষ্টা করেন। এছাড়া ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি নিয়েও তিনি ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। সাবেক প্রেস সচিবের মতে, ট্রাম্পের কঠোর পরিশ্রমী মানসিকতা এবং লক্ষ্য অর্জনে অবিচল থাকার ক্ষমতা যে কাউকে মুগ্ধ করার জন্য যথেষ্ট।

ইনস্টাগ্রামের এই লাইভ প্রশ্নোত্তর পর্বে কেবল ট্রাম্পের প্রসঙ্গই নয়, বরং লেভিট নিজের ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিষয়েও কথা বলেছেন। তিনি জানান যে, ক্যারিয়ারের উচ্চ শিখরে থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সব সময় সহজ ছিল না। তবে ট্রাম্পের সান্নিধ্যে কাজ করার সময় তিনি যে শিক্ষা পেয়েছেন, তা তাকে জীবনের কঠিন সিদ্ধান্তগুলো নিতে সাহসী করে তুলেছে।

সাবেক এই প্রেস সচিবের এমন মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে তার এই বক্তব্যকে ট্রাম্পের প্রতি আনুগত্যের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে তার পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেছেন। ক্যারোলিন লেভিট হোয়াইট হাউসে প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন নীতি ও কার্যক্রমের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেই সময় থেকেই তিনি ট্রাম্পের একজন বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে পরিচিত।

রাজনৈতিক অঙ্গনের বাইরে এসে নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে এভাবে খোলামেলা কথা বলায় লেভিটের এই প্রশ্নোত্তর পর্বটি রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ট্রাম্প যখন পুনরায় রাজনীতির ময়দানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন, তখন তার প্রাক্তন সহযোগীর এমন ইতিবাচক মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। লেভিট তার বক্তব্যে ট্রাম্পের শাসনামলের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সাফল্য নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছেন।

পরিশেষে, ক্যারোলিন লেভিট তার অনুসারীদের উদ্দেশ্যে বলেন যে, সঠিক নেতৃত্বের অধীনে কাজ করার সুযোগ পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো ব্যক্তিত্বের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে, যা তাকে একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করেছে। তার এই প্রশংসাসূচক বক্তব্য ভবিষ্যতে ট্রাম্পের সঙ্গে তার কোনো নতুন রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। তবে আপাতত লেভিট তার নিজের নতুন কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই বেশি মনোযোগী বলে জানিয়েছেন।

কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০

আলোকিত সারাদেশ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
   
কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০

পর্যটন নগরী কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ এলাকায় অবস্থিত টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকালে লাগা এই আগুনে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ জনের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। রিসোর্টটির ভেতরে আরও কোনো পর্যটক আটকা পড়ে আছেন কি না, তা তল্লাশি করে দেখছে উদ্ধারকারী দল। ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, নিহতরা সবাই পর্যটক ছিলেন এবং রিসোর্টটিতে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিলেন। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে বা এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দোলন আচার্য সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে এবং এখনো নিখোঁজদের খোঁজে কাজ চলছে। দুর্ঘটনাস্থলটি মেরিন ড্রাইভের মতো গুরুত্বপূর্ণ সড়কে হওয়ায় সেখানে সাধারণ মানুষের ভিড় তৈরি হয়েছে, যা উদ্ধার কাজে সাময়িক সমস্যা সৃষ্টি করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন।

এদিকে, এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নুর আলম নামের এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ও সন্তানসহ পরিবারের ছয় সদস্যকে এই অগ্নিকাণ্ডে হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। প্রিয়জনদের হারানোর এই শোক সইবার ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না তিনি। স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। রিসোর্টগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা মহলে প্রশ্ন উঠছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, রিসোর্টের অবকাঠামো ও ভেতরে থাকা দাহ্য পদার্থের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। আগুন লাগার সঠিক কারণ উদঘাটনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার প্রক্রিয়া চলছে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে। নিহতের প্রকৃত সংখ্যা এবং তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করছে।

কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে এই দুর্ঘটনা এক বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে। অবকাশ যাপনে এসে এমন প্রাণহানির ঘটনায় পর্যটক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যেও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এখন পর্যন্ত রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ বা মালিকপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ও নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আপডেট পাওয়া মাত্রই বিস্তারিত জানানো হবে।

সর্বশেষ
বক্স অফিসে রজনী–ঝড় ‘জেলার ২’-এর আয়ের নতুন রেকর্ড ট্রাম্পের প্রশংসা করে যা বললেন সাবেক প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ ইনানীতে রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: অগ্নিনিরাপত্তা লাইসেন্স ছাড়াই চলছিল টুপটুপ রিসোর্ট রাজকীয় লুকে নজর কাড়লেন কারিনা ও সাইফ আলি খান আকাশে উড়ল টেসলা ইলন মাস্কের স্বপ্নের বাস্তব রূপায়ণ নরসিংদীতে ডেঙ্গুর ছোবল: বিয়ের মাত্র নয় মাসের মাথায় না ফেরার দেশে তরুণ প্রভাষক মেঘের অপেক্ষায় শহর আর জীবনের বাঁকবদল রাজধানীর শ্যামলীতে রাস্তা পারাপারের সময় গাড়ির চাপায় দুই নারীর মৃত্যু পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, ছেলের মামলায় গ্রেপ্তার বাবা
Advertisement